📄 ১১. মাইমূনা বিনতুল হারিস হিলালিয়া
আব্বাস (রদিয়াল্লাহু আনহু)-এর স্ত্রী উম্মুল ফাদল লুবাবা বিনতুল হারিসের বোন মাইমূনা বিনতুল হারিস। সপ্তম হিজরির যুল-কা'দা মাসে কাযা উমরা পালনের সময় তিনি নবি-পরিণীতা হন। মক্কা থেকে ৯ মাইল দূরে 'সারিফ' নামক স্থানে বধূবেশে তিনি নবি -এর কাছে আসেন। আবার সেই সারিফেই ৩৮, ৬১ কিংবা ৬২ হিজরিতে তিনি মৃত্যুবরণ করেন এবং সেখানেই তাঁকে সমাধিস্থ করা হয়। সেখানে তার কবর আজও সকলের কাছে পরিচিত।
এই এগারো জনের সাথে নবি -এর বিয়ে নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। রাইহানা বিনতু যাইদ এবং মারিয়া কিবতিয়া (রদিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর ব্যাপারে মতভেদ আছে যে, তারা স্ত্রী ছিলেন, না দাসী।
ইতিহাসবিদদের অনেকের মতে, ৬ষ্ঠ হিজরির মুহাররম মাসে রাইহানা নবীপত্নী হন। আবার অনেকের মতে, তিনি দাসী হিসেবেই ছিলেন। তার পিতৃগোত্র বানূ নাদীর আর শ্বশুর গোত্র বানু কুরাইযা। বানু কুরাইযা গোত্রের সাথে মুসলিমদের যুদ্ধে তিনি বন্দি হন। নবি তাকে বেছে নেন নিজের জন্য। রাসূল বিদায় হাজ্জ থেকে ফেরার পর রাইহানা মারা যান। নবি তাকে বাকী' কবরস্থানে দাফন করেন।
মারিয়া কিবতিয়াকে নবিজি -এর কাছে উপহার হিসেবে পাঠান মিসরের বাদশা মুকাওকিস। ইবরাহীম নামে নবি -এর এক ছেলের মা হন তিনি। ১৫ বা ১৬ হিজরিতে ইন্তিকাল করেন এবং বাকী'তে কবরস্থ হন।