📘 রাসূলে আরাবি ﷺ > 📄 ৬. উম্মু সালামা বিনতু আবী উমাইয়া

📄 ৬. উম্মু সালামা বিনতু আবী উমাইয়া


আবূ সালামা (রদিয়াল্লাহু আনহু)-এর স্ত্রী থাকাকালীন তিনি কয়েক সন্তানের জননী হন। চতুর্থ হিজরি সনের জুমাদাল আখিরাহ মাসে তিনি বিধবা হন। একই বছর শাওয়াল মাসের শেষ দিকে আসেন নবিজি -এর বধূ হয়ে। প্রজ্ঞাবতী মহীয়সী এই নারী ইন্তিকাল করেন ৫৯ হিজরি সনে ৮৪ বছর বয়সে। (অন্যান্য সূত্রমতে ৬২ হিজরিতে)। তাঁকেও বাকী' কবরস্থানে দাফন করা হয়।

📘 রাসূলে আরাবি ﷺ > 📄 ৭. যাইনাব বিনতু জাহশ

📄 ৭. যাইনাব বিনতু জাহশ


নবিজি -এর ফুপু উমাইমা বিনতু আবদিল মুত্তালিবের মেয়ে যাইনাব (রদিয়াল্লাহু আনহা)। এর আগে যাইদ ইবনু হারিসা (রদিয়াল্লাহু আনহু)-এর সাথে ছাড়াছাড়ি হয়েছিল তাঁর। যাইদ নবি -এর পালিত সন্তান। জাহিলি আরবে পালিত সন্তানের তালাকপ্রাপ্তা বা বিধবা স্ত্রীকে বিয়ে করা খারাপ মনে করা হতো। এই কুসংস্কারের বিলোপ ঘটাতে আল্লাহ তাআলা রাসূল কে আদেশ দেন যাইনাবকে বিয়ে করতে। ৫ম হিজরির যুল-কা'দা মাসে এই বিয়ে হয় (কেউ কেউ বলেন, চতুর্থ হিজরিতে)।
৫৩ বছর বয়সে ২০ হিজরিতে তিনি মারা যান। সতিনদের মাঝে তার মৃত্যুই সবার আগে ঘটে। উমর (রদিয়াল্লাহু আনহু) তার জানাযা পড়ান। বাকী' কবরস্থানে দাফন করা হয় তাকে।

📘 রাসূলে আরাবি ﷺ > 📄 ৮. জুওয়াইরিয়া বিনতুল হারিস

📄 ৮. জুওয়াইরিয়া বিনতুল হারিস


৬ষ্ঠ হিজরির শা'বান মাসে বানুল মুসতালিক যুদ্ধের একজন বন্দিনী জুওয়াইরিয়া (রদিয়াল্লাহু আনহা)। প্রথমে তাকে দেওয়া হয়েছিল সাবিত ইবনু কাইস (রদিয়াল্লাহু আনহু)-এর অধিকারে। নির্দিষ্ট পরিমাণ মুক্তিপণের বিনিময়ে সাবিত তাকে মুক্ত করে দিতে চান। সেই মুক্তিপণ প্রদান করেন স্বয়ং নবি । মুক্ত জুওয়াইরিয়াকে তারপর তিনি বিয়ে করে নেন। বানুল মুসতালিক গোত্র হয়ে যায় নবিজির শ্বশুরপক্ষীয় আত্মীয়। এর সম্মানার্থে অন্যান্য সাহাবিরা তাদের কাছে থাকা প্রায় এক শ পরিবারকে মুক্ত করে দেন। স্বজাতির জন্য পার্থিব-পারত্রিক উভয় প্রকার কল্যাণ বয়ে আনা এই মহীয়সী ৫৬ হিজরির রবীউল আউয়াল মাসে ৬৫ বছর বয়সে মারা যান।

টিকাঃ
[৫৮১] কারও কারও মতে, ৫৫ হিজরিতে।

📘 রাসূলে আরাবি ﷺ > 📄 ৯. উম্মু হাবীবা রামলা বিনতু আবী সুফইয়ান

📄 ৯. উম্মু হাবীবা রামলা বিনতু আবী সুফইয়ান


মেয়ে হাবীবার নামে তিনি উম্মু হাবীবা নামে পরিচিত হন। নবিজি -এর এককালের জানি দুশমন আবূ সুইয়ান ইবনু হারবের কন্যা হিসেবে ইসলামের জন্য অনেক কুরবানি করেন তিনি। পিত্রালয় ছেড়ে হিজরত করেন আবিসিনিয়ায়। সাথে ছিল স্বামী উবাইদুল্লাহ ইবনু জাহশ। কিন্তু সে পরে খ্রিষ্টান হয়ে যায়। মারাও যায় ওই অবস্থাতেই। বিপরীতে উম্মু হাবীবা অটল থাকেন ঈমানের ওপর। আমর ইবনু উমাইয়া দামরি (রদিয়াল্লাহু আনহু)-কে আবিসিনিয়ার বাদশার কাছে দূত হিসেবে পাঠানোর সময় বিধবা উম্মু হাবীবার কাছে বিয়ের প্রস্তাবও পাঠান রাসূল । কন্যাদানের দায়িত্ব পালন করেন আবিসিনিয়া বাদশা নিজেই। চার শ দীনার মোহর তিনি পরিশোধ করে দেন। শুরাহবীল ইবনু হাসানা (রদিয়াল্লাহু আনহু)-এর তত্ত্বাবধানে তাকে পাঠান নবিজির কাছে। খাইবার থেকে ফিরে আসার পর সপ্তম হিজরির সফর বা রবীউল আউয়াল মাসে নবিজির সাথে উম্মু হাবীবার বাসর হয়। ৪২ বা ৪৪ হিজরি সনে মারা যান উম্মে হাবীবা।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00