📘 রাসূলে আরাবি ﷺ > 📄 বানূ মাযহিজ গোত্রের ইসলাম গ্রহণ

📄 বানূ মাযহিজ গোত্রের ইসলাম গ্রহণ


দশম হিজরির রমাদান মাস। ইয়েমেনে বসবাসরত বানু মাযহিজকে ইসলামের দিকে আহ্বান করতে আলি ইবনু আবী তালিব (রদিয়াল্লাহু আনহু)-কে সেখানে পাঠান আল্লাহর রাসূল। তারা আগে আক্রমণ না করলে আলিও আক্রমণ করবেন না।
আলি (রদিয়াল্লাহু আনহু)-এর আহ্বানে প্রথমে নেতিবাচক সাড়া আসে। তারা মুসলিমদের দিকে তির ছুড়ে মারে। নির্ভীক আলি-বাহিনী পাল্টা আক্রমণ করে। বানু মাযহিজ গোত্র একটু পরেই বুঝতে পারে যে, সামরিক দক্ষতায় তারা মুসলিম বাহিনীর ধারেকাছেও নেই। আলি (রদিয়াল্লাহু আনহু) আক্রমণ থামিয়ে আবারও ইসলামের দাওয়াহ দেন। এবার বানু মাযহিজ প্রস্তাব গ্রহণ করে নিয়ে মুসলিম হয়ে যায়।
গোত্রপতি ও প্রভাবশালীরা এসে আনুগত্যের শপথ প্রদানের পর দরিদ্র-অভাবীদের জন্য কিছু দান-সদাকাও পেশ করেন। বলেন, “এখান থেকে আল্লাহর হক গ্রহণ করুন।” আলি ও তার সাথিরা সেখান থেকে সরাসরি উত্তর দিকে রওনা হয়ে মক্কায় চলে আসেন। সেখানে তারা বিদায় হাজ্জ্বরত নবি-এর সাথে মিলিত হন।

দশম হিজরির রমাদান মাস। ইয়েমেনে বসবাসরত বানু মাযহিজকে ইসলামের দিকে আহ্বান করতে আলি ইবনু আবী তালিব (রদিয়াল্লাহু আনহু)-কে সেখানে পাঠান আল্লাহর রাসূল। তারা আগে আক্রমণ না করলে আলিও আক্রমণ করবেন না।
আলি (রদিয়াল্লাহু আনহু)-এর আহ্বানে প্রথমে নেতিবাচক সাড়া আসে। তারা মুসলিমদের দিকে তির ছুড়ে মারে। নির্ভীক আলি-বাহিনী পাল্টা আক্রমণ করে। বানু মাযহিজ গোত্র একটু পরেই বুঝতে পারে যে, সামরিক দক্ষতায় তারা মুসলিম বাহিনীর ধারেকাছেও নেই। আলি (রদিয়াল্লাহু আনহু) আক্রমণ থামিয়ে আবারও ইসলামের দাওয়াহ দেন। এবার বানু মাযহিজ প্রস্তাব গ্রহণ করে নিয়ে মুসলিম হয়ে যায়।
গোত্রপতি ও প্রভাবশালীরা এসে আনুগত্যের শপথ প্রদানের পর দরিদ্র-অভাবীদের জন্য কিছু দান-সদাকাও পেশ করেন। বলেন, “এখান থেকে আল্লাহর হক গ্রহণ করুন।” আলি ও তার সাথিরা সেখান থেকে সরাসরি উত্তর দিকে রওনা হয়ে মক্কায় চলে আসেন। সেখানে তারা বিদায় হাজ্জ্বরত নবি-এর সাথে মিলিত হন।

দশম হিজরির রমাদান মাস। ইয়েমেনে বসবাসরত বানু মাযহিজকে ইসলামের দিকে আহ্বান করতে আলি ইবনু আবী তালিব (রদিয়াল্লাহু আনহু)-কে সেখানে পাঠান আল্লাহর রাসূল। তারা আগে আক্রমণ না করলে আলিও আক্রমণ করবেন না।
আলি (রদিয়াল্লাহু আনহু)-এর আহ্বানে প্রথমে নেতিবাচক সাড়া আসে। তারা মুসলিমদের দিকে তির ছুড়ে মারে। নির্ভীক আলি-বাহিনী পাল্টা আক্রমণ করে। বানু মাযহিজ গোত্র একটু পরেই বুঝতে পারে যে, সামরিক দক্ষতায় তারা মুসলিম বাহিনীর ধারেকাছেও নেই। আলি (রদিয়াল্লাহু আনহু) আক্রমণ থামিয়ে আবারও ইসলামের দাওয়াহ দেন। এবার বানু মাযহিজ প্রস্তাব গ্রহণ করে নিয়ে মুসলিম হয়ে যায়।
গোত্রপতি ও প্রভাবশালীরা এসে আনুগত্যের শপথ প্রদানের পর দরিদ্র-অভাবীদের জন্য কিছু দান-সদাকাও পেশ করেন। বলেন, “এখান থেকে আল্লাহর হক গ্রহণ করুন।” আলি ও তার সাথিরা সেখান থেকে সরাসরি উত্তর দিকে রওনা হয়ে মক্কায় চলে আসেন। সেখানে তারা বিদায় হাজ্জ্বরত নবি-এর সাথে মিলিত হন।

দশম হিজরির রমাদান মাস। ইয়েমেনে বসবাসরত বানু মাযহিজকে ইসলামের দিকে আহ্বান করতে আলি ইবনু আবী তালিব (রদিয়াল্লাহু আনহু)-কে সেখানে পাঠান আল্লাহর রাসূল। তারা আগে আক্রমণ না করলে আলিও আক্রমণ করবেন না।
আলি (রদিয়াল্লাহু আনহু)-এর আহ্বানে প্রথমে নেতিবাচক সাড়া আসে। তারা মুসলিমদের দিকে তির ছুড়ে মারে। নির্ভীক আলি-বাহিনী পাল্টা আক্রমণ করে। বানু মাযহিজ গোত্র একটু পরেই বুঝতে পারে যে, সামরিক দক্ষতায় তারা মুসলিম বাহিনীর ধারেকাছেও নেই। আলি (রদিয়াল্লাহু আনহু) আক্রমণ থামিয়ে আবারও ইসলামের দাওয়াহ দেন। এবার বানু মাযহিজ প্রস্তাব গ্রহণ করে নিয়ে মুসলিম হয়ে যায়।
গোত্রপতি ও প্রভাবশালীরা এসে আনুগত্যের শপথ প্রদানের পর দরিদ্র-অভাবীদের জন্য কিছু দান-সদাকাও পেশ করেন। বলেন, “এখান থেকে আল্লাহর হক গ্রহণ করুন।” আলি ও তার সাথিরা সেখান থেকে সরাসরি উত্তর দিকে রওনা হয়ে মক্কায় চলে আসেন। সেখানে তারা বিদায় হাজ্জ্বরত নবি-এর সাথে মিলিত হন।

দশম হিজরির রমাদান মাস। ইয়েমেনে বসবাসরত বানু মাযহিজকে ইসলামের দিকে আহ্বান করতে আলি ইবনু আবী তালিব (রদিয়াল্লাহু আনহু)-কে সেখানে পাঠান আল্লাহর রাসূল। তারা আগে আক্রমণ না করলে আলিও আক্রমণ করবেন না।
আলি (রদিয়াল্লাহু আনহু)-এর আহ্বানে প্রথমে নেতিবাচক সাড়া আসে। তারা মুসলিমদের দিকে তির ছুড়ে মারে। নির্ভীক আলি-বাহিনী পাল্টা আক্রমণ করে। বানু মাযহিজ গোত্র একটু পরেই বুঝতে পারে যে, সামরিক দক্ষতায় তারা মুসলিম বাহিনীর ধারেকাছেও নেই। আলি (রদিয়াল্লাহু আনহু) আক্রমণ থামিয়ে আবারও ইসলামের দাওয়াহ দেন। এবার বানু মাযহিজ প্রস্তাব গ্রহণ করে নিয়ে মুসলিম হয়ে যায়।
গোত্রপতি ও প্রভাবশালীরা এসে আনুগত্যের শপথ প্রদানের পর দরিদ্র-অভাবীদের জন্য কিছু দান-সদাকাও পেশ করেন। বলেন, “এখান থেকে আল্লাহর হক গ্রহণ করুন।” আলি ও তার সাথিরা সেখান থেকে সরাসরি উত্তর দিকে রওনা হয়ে মক্কায় চলে আসেন। সেখানে তারা বিদায় হাজ্জ্বরত নবি-এর সাথে মিলিত হন।

📘 রাসূলে আরাবি ﷺ > 📄 আযদি শানূআ গোত্রের প্রতিনিধিদল

📄 আযদি শানূআ গোত্রের প্রতিনিধিদল


দক্ষিণ আরবের এক সুবিখ্যাত গোত্র আযদি শানূআ। সুরাদ ইবনু আবদিল্লাহ আযদি (রদিয়াল্লাহু আনহু)-এর নেতৃত্বে তাদের প্রতিনিধিদল এসে ইসলাম গ্রহণ করেন। নবি সুরাদকে সেখানকার নেতা হিসেবে নিয়োগ করে নির্দেশ দেন যে, সেখানকার মুসলিমরা যেন দক্ষিণ আরবের পৌত্তলিকদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে থাকে।

দক্ষিণ আরবের এক সুবিখ্যাত গোত্র আযদি শানূআ। সুরাদ ইবনু আবদিল্লাহ আযদি (রদিয়াল্লাহু আনহু)-এর নেতৃত্বে তাদের প্রতিনিধিদল এসে ইসলাম গ্রহণ করেন। নবি সুরাদকে সেখানকার নেতা হিসেবে নিয়োগ করে নির্দেশ দেন যে, সেখানকার মুসলিমরা যেন দক্ষিণ আরবের পৌত্তলিকদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে থাকে।

দক্ষিণ আরবের এক সুবিখ্যাত গোত্র আযদি শানূআ। সুরাদ ইবনু আবদিল্লাহ আযদি (রদিয়াল্লাহু আনহু)-এর নেতৃত্বে তাদের প্রতিনিধিদল এসে ইসলাম গ্রহণ করেন। নবি সুরাদকে সেখানকার নেতা হিসেবে নিয়োগ করে নির্দেশ দেন যে, সেখানকার মুসলিমরা যেন দক্ষিণ আরবের পৌত্তলিকদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে থাকে।

দক্ষিণ আরবের এক সুবিখ্যাত গোত্র আযদি শানূআ। সুরাদ ইবনু আবদিল্লাহ আযদি (রদিয়াল্লাহু আনহু)-এর নেতৃত্বে তাদের প্রতিনিধিদল এসে ইসলাম গ্রহণ করেন। নবি সুরাদকে সেখানকার নেতা হিসেবে নিয়োগ করে নির্দেশ দেন যে, সেখানকার মুসলিমরা যেন দক্ষিণ আরবের পৌত্তলিকদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে থাকে।

দক্ষিণ আরবের এক সুবিখ্যাত গোত্র আযদি শানূআ। সুরাদ ইবনু আবদিল্লাহ আযদি (রদিয়াল্লাহু আনহু)-এর নেতৃত্বে তাদের প্রতিনিধিদল এসে ইসলাম গ্রহণ করেন। নবি সুরাদকে সেখানকার নেতা হিসেবে নিয়োগ করে নির্দেশ দেন যে, সেখানকার মুসলিমরা যেন দক্ষিণ আরবের পৌত্তলিকদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে থাকে।

📘 রাসূলে আরাবি ﷺ > 📄 জারীর ইবনু আবদিল্লাহ-এর আগমন ও যুল-খালাসা ধ্বংস

📄 জারীর ইবনু আবদিল্লাহ-এর আগমন ও যুল-খালাসা ধ্বংস


প্রতিনিধিদল ও ব্যক্তির আসা-যাওয়া চলতে থাকে। এমনই এক ব্যক্তি এবং পরবর্তীকালে বিখ্যাত সাহাবি জারীর ইবনু আবদিল্লাহ বাজালি (রদিয়াল্লাহু আনহু)। তার গোত্র বাজীলা এবং খাশআমের ছিল বিরাট এক মন্দির। 'যুল-খালাসা' নামক এ মন্দিরকে পৌত্তলিকরা কা'বার সাথে তুলনা করত। একে ডাকত 'ইয়েমেনের কা'বা' এবং 'শামের কা'বা' নামে।
নবি একদিন বললেন, "জারীর, তুমি কি যুল-খালাসার ব্যাপারে আমাকে শান্তি দেবে না?" জারীর (রদিয়াল্লাহু আনহু) বুঝতে পারলেন যে, নবি এই পৌত্তলিক মন্দিরটি ধ্বংস করার কথা বলছেন। কিন্তু অনুযোগ করেন যে, তিনি ঘোড়ার ওপর স্থির থাকতে পারেন না। ঘোড়সওয়ার হিসেবে তিনি ততটা ভালো নন। তা শুনে জারীরের বুকে হাত দিয়ে মৃদু আঘাত করে নবি দুআ করলেন, “হে আল্লাহ, তাঁকে স্থির অবিচল রাখুন। তাঁকেও পথ দেখান এবং তাঁর মাধ্যমে অন্যদেরও পথ দেখান।”
নবি -এর দুআর বরকতে এরপর থেকে জারীর (রদিয়াল্লাহু আনহু) আর কখনও ঘোড়া থেকে পড়ে যাননি।
পরবর্তী সময়ে তিনি নিজ গোত্র আহমাসের-যা বাজীলার একটি শাখাগোত্র-দেড় শ ঘোড়সওয়ার নিয়ে ওই মন্দিরটি ধ্বংস করে পুড়িয়ে দিয়ে আসেন। খবরটি শুনে রাসূল আহমাসের ওইসকল লোক ও ঘোড়ার জন্য পাঁচবার বারাকাহ ও রহমতের দুআ করেন।

টিকাঃ
[৫২৬] বুখারি, ৩০৭৬।

প্রতিনিধিদল ও ব্যক্তির আসা-যাওয়া চলতে থাকে। এমনই এক ব্যক্তি এবং পরবর্তীকালে বিখ্যাত সাহাবি জারীর ইবনু আবদিল্লাহ বাজালি (রদিয়াল্লাহু আনহু)। তার গোত্র বাজীলা এবং খাশআমের ছিল বিরাট এক মন্দির। 'যুল-খালাসা' নামক এ মন্দিরকে পৌত্তলিকরা কা'বার সাথে তুলনা করত। একে ডাকত 'ইয়েমেনের কা'বা' এবং 'শামের কা'বা' নামে।
নবি একদিন বললেন, "জারীর, তুমি কি যুল-খালাসার ব্যাপারে আমাকে শান্তি দেবে না?" জারীর (রদিয়াল্লাহু আনহু) বুঝতে পারলেন যে, নবি এই পৌত্তলিক মন্দিরটি ধ্বংস করার কথা বলছেন। কিন্তু অনুযোগ করেন যে, তিনি ঘোড়ার ওপর স্থির থাকতে পারেন না। ঘোড়সওয়ার হিসেবে তিনি ততটা ভালো নন। তা শুনে জারীরের বুকে হাত দিয়ে মৃদু আঘাত করে নবি দুআ করলেন, “হে আল্লাহ, তাঁকে স্থির অবিচল রাখুন। তাঁকেও পথ দেখান এবং তাঁর মাধ্যমে অন্যদেরও পথ দেখান।”
নবি -এর দুআর বরকতে এরপর থেকে জারীর (রদিয়াল্লাহু আনহু) আর কখনও ঘোড়া থেকে পড়ে যাননি।
পরবর্তী সময়ে তিনি নিজ গোত্র আহমাসের-যা বাজীলার একটি শাখাগোত্র-দেড় শ ঘোড়সওয়ার নিয়ে ওই মন্দিরটি ধ্বংস করে পুড়িয়ে দিয়ে আসেন। খবরটি শুনে রাসূল আহমাসের ওইসকল লোক ও ঘোড়ার জন্য পাঁচবার বারাকাহ ও রহমতের দুআ করেন।

টিকাঃ
[৫২৬] বুখারি, ৩০৭৬।

প্রতিনিধিদল ও ব্যক্তির আসা-যাওয়া চলতে থাকে। এমনই এক ব্যক্তি এবং পরবর্তীকালে বিখ্যাত সাহাবি জারীর ইবনু আবদিল্লাহ বাজালি (রদিয়াল্লাহু আনহু)। তার গোত্র বাজীলা এবং খাশআমের ছিল বিরাট এক মন্দির। 'যুল-খালাসা' নামক এ মন্দিরকে পৌত্তলিকরা কা'বার সাথে তুলনা করত। একে ডাকত 'ইয়েমেনের কা'বা' এবং 'শামের কা'বা' নামে।
নবি একদিন বললেন, "জারীর, তুমি কি যুল-খালাসার ব্যাপারে আমাকে শান্তি দেবে না?" জারীর (রদিয়াল্লাহু আনহু) বুঝতে পারলেন যে, নবি এই পৌত্তলিক মন্দিরটি ধ্বংস করার কথা বলছেন। কিন্তু অনুযোগ করেন যে, তিনি ঘোড়ার ওপর স্থির থাকতে পারেন না। ঘোড়সওয়ার হিসেবে তিনি ততটা ভালো নন। তা শুনে জারীরের বুকে হাত দিয়ে মৃদু আঘাত করে নবি দুআ করলেন, “হে আল্লাহ, তাঁকে স্থির অবিচল রাখুন। তাঁকেও পথ দেখান এবং তাঁর মাধ্যমে অন্যদেরও পথ দেখান।”
নবি -এর দুআর বরকতে এরপর থেকে জারীর (রদিয়াল্লাহু আনহু) আর কখনও ঘোড়া থেকে পড়ে যাননি।
পরবর্তী সময়ে তিনি নিজ গোত্র আহমাসের-যা বাজীলার একটি শাখাগোত্র-দেড় শ ঘোড়সওয়ার নিয়ে ওই মন্দিরটি ধ্বংস করে পুড়িয়ে দিয়ে আসেন। খবরটি শুনে রাসূল আহমাসের ওইসকল লোক ও ঘোড়ার জন্য পাঁচবার বারাকাহ ও রহমতের দুআ করেন।

টিকাঃ
[৫২৬] বুখারি, ৩০৭৬।

প্রতিনিধিদল ও ব্যক্তির আসা-যাওয়া চলতে থাকে। এমনই এক ব্যক্তি এবং পরবর্তীকালে বিখ্যাত সাহাবি জারীর ইবনু আবদিল্লাহ বাজালি (রদিয়াল্লাহু আনহু)। তার গোত্র বাজীলা এবং খাশআমের ছিল বিরাট এক মন্দির। 'যুল-খালাসা' নামক এ মন্দিরকে পৌত্তলিকরা কা'বার সাথে তুলনা করত। একে ডাকত 'ইয়েমেনের কা'বা' এবং 'শামের কা'বা' নামে।
নবি একদিন বললেন, "জারীর, তুমি কি যুল-খালাসার ব্যাপারে আমাকে শান্তি দেবে না?" জারীর (রদিয়াল্লাহু আনহু) বুঝতে পারলেন যে, নবি এই পৌত্তলিক মন্দিরটি ধ্বংস করার কথা বলছেন। কিন্তু অনুযোগ করেন যে, তিনি ঘোড়ার ওপর স্থির থাকতে পারেন না। ঘোড়সওয়ার হিসেবে তিনি ততটা ভালো নন। তা শুনে জারীরের বুকে হাত দিয়ে মৃদু আঘাত করে নবি দুআ করলেন, “হে আল্লাহ, তাঁকে স্থির অবিচল রাখুন। তাঁকেও পথ দেখান এবং তাঁর মাধ্যমে অন্যদেরও পথ দেখান।”
নবি -এর দুআর বরকতে এরপর থেকে জারীর (রদিয়াল্লাহু আনহু) আর কখনও ঘোড়া থেকে পড়ে যাননি।
পরবর্তী সময়ে তিনি নিজ গোত্র আহমাসের-যা বাজীলার একটি শাখাগোত্র-দেড় শ ঘোড়সওয়ার নিয়ে ওই মন্দিরটি ধ্বংস করে পুড়িয়ে দিয়ে আসেন। খবরটি শুনে রাসূল আহমাসের ওইসকল লোক ও ঘোড়ার জন্য পাঁচবার বারাকাহ ও রহমতের দুআ করেন।

টিকাঃ
[৫২৬] বুখারি, ৩০৭৬।

প্রতিনিধিদল ও ব্যক্তির আসা-যাওয়া চলতে থাকে। এমনই এক ব্যক্তি এবং পরবর্তীকালে বিখ্যাত সাহাবি জারীর ইবনু আবদিল্লাহ বাজালি (রদিয়াল্লাহু আনহু)। তার গোত্র বাজীলা এবং খাশআমের ছিল বিরাট এক মন্দির। 'যুল-খালাসা' নামক এ মন্দিরকে পৌত্তলিকরা কা'বার সাথে তুলনা করত। একে ডাকত 'ইয়েমেনের কা'বা' এবং 'শামের কা'বা' নামে।
নবি একদিন বললেন, "জারীর, তুমি কি যুল-খালাসার ব্যাপারে আমাকে শান্তি দেবে না?" জারীর (রদিয়াল্লাহু আনহু) বুঝতে পারলেন যে, নবি এই পৌত্তলিক মন্দিরটি ধ্বংস করার কথা বলছেন। কিন্তু অনুযোগ করেন যে, তিনি ঘোড়ার ওপর স্থির থাকতে পারেন না। ঘোড়সওয়ার হিসেবে তিনি ততটা ভালো নন। তা শুনে জারীরের বুকে হাত দিয়ে মৃদু আঘাত করে নবি দুআ করলেন, “হে আল্লাহ, তাঁকে স্থির অবিচল রাখুন। তাঁকেও পথ দেখান এবং তাঁর মাধ্যমে অন্যদেরও পথ দেখান।”
নবি -এর দুআর বরকতে এরপর থেকে জারীর (রদিয়াল্লাহু আনহু) আর কখনও ঘোড়া থেকে পড়ে যাননি।
পরবর্তী সময়ে তিনি নিজ গোত্র আহমাসের-যা বাজীলার একটি শাখাগোত্র-দেড় শ ঘোড়সওয়ার নিয়ে ওই মন্দিরটি ধ্বংস করে পুড়িয়ে দিয়ে আসেন। খবরটি শুনে রাসূল আহমাসের ওইসকল লোক ও ঘোড়ার জন্য পাঁচবার বারাকাহ ও রহমতের দুআ করেন।

টিকাঃ
[৫২৬] বুখারি, ৩০৭৬।

📘 রাসূলে আরাবি ﷺ > 📄 আসওয়াদ আন্‌সির উত্থান ও পতন

📄 আসওয়াদ আন্‌সির উত্থান ও পতন


দক্ষিণ আরব তথা ইয়েমেনে এভাবেই ইসলামের প্রসার চলতে থাকে। অল্প কিছুকালের মাঝেই পুরো এলাকা নিয়ন্ত্রণ করতে থাকেন রাসূলুল্লাহ -এর প্রশাসকগণ। এমন সময় নবিজির স্বপ্নে দেখা সেই দ্বিতীয় মিথ্যুকের আবির্ভাব ঘটে 'কাহফ হান্নান' শহর থেকে। অনুগত সাত শ যোদ্ধা নিয়ে আসওয়াদ আন্সি নিজেকে দাবি করে নবি ও শাসক হিসেবে।
সান'আ নগরী দখল করে দ্রুতই প্রভাব বিস্তার করতে থাকে আসওয়াদ। মুসলিম প্রশাসকরা কঠিন পরিস্থিতিতে শুধু আশআরিয়‍্যীন এলাকায় সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েন।
প্রায় তিন-চার মাস ধরে চলে এই দুঃসহ অবস্থা। তারপর পারস্যের এক মুসলিম ফাইরূয দাইলামি (রদিয়াল্লাহু আনহু) তাদের মুসলিম সেনাদের সাথে নিয়ে ছুটে আসেন আসওয়াদ-বাহিনীর বিরুদ্ধে। মিথ্যে নবির শিরশ্ছেদ করে দূর্গের বাইরে ছুড়ে মারেন ফাইরূয (রদিয়াল্লাহু আনহু)। নেতার খণ্ডিত মস্তক দেখে অনুসারীরাও রণে ভঙ্গ দিয়ে পালিয়ে যায়। শান্তি পুনরুদ্ধারের সংবাদ জানিয়ে নবিজি -কে চিঠি লেখেন প্রশাসকগণ। পুনরায় হাতে নেন নিজ নিজ দায়িত্ব।
নবিজি -এর মৃত্যুর ঠিক একদিন আগে আসওয়াদ আন্সি কতল হয়। তার ওপর আল্লাহর লা'নত। আগেই অবশ্য ওহির মাধ্যমে তা নবিজিকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল। উম্মাতকে এই ভবিষ্যদ্বাণী জানিয়েও যান তিনি। প্রশাসকদের পাঠানো সেই চিঠি এসে পৌঁছে আবূ বকর সিদ্দীক (রদিয়াল্লাহু আনহু)-এর শাসনামলে।

টিকাঃ
[৫২৭] ইবনু হাজার, ফাতহুল বারি, ৮/৯৩; ইবনু হিশাম, আস-সীরাহ, ২/৫০১; ইবনুল কাইয়িম, ৩/২৬-৬০।

দক্ষিণ আরব তথা ইয়েমেনে এভাবেই ইসলামের প্রসার চলতে থাকে। অল্প কিছুকালের মাঝেই পুরো এলাকা নিয়ন্ত্রণ করতে থাকেন রাসূলুল্লাহ -এর প্রশাসকগণ। এমন সময় নবিজির স্বপ্নে দেখা সেই দ্বিতীয় মিথ্যুকের আবির্ভাব ঘটে 'কাহফ হান্নান' শহর থেকে। অনুগত সাত শ যোদ্ধা নিয়ে আসওয়াদ আন্সি নিজেকে দাবি করে নবি ও শাসক হিসেবে।
সান'আ নগরী দখল করে দ্রুতই প্রভাব বিস্তার করতে থাকে আসওয়াদ। মুসলিম প্রশাসকরা কঠিন পরিস্থিতিতে শুধু আশআরিয়‍্যীন এলাকায় সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েন।
প্রায় তিন-চার মাস ধরে চলে এই দুঃসহ অবস্থা। তারপর পারস্যের এক মুসলিম ফাইরূয দাইলামি (রদিয়াল্লাহু আনহু) তাদের মুসলিম সেনাদের সাথে নিয়ে ছুটে আসেন আসওয়াদ-বাহিনীর বিরুদ্ধে। মিথ্যে নবির শিরশ্ছেদ করে দূর্গের বাইরে ছুড়ে মারেন ফাইরূয (রদিয়াল্লাহু আনহু)। নেতার খণ্ডিত মস্তক দেখে অনুসারীরাও রণে ভঙ্গ দিয়ে পালিয়ে যায়। শান্তি পুনরুদ্ধারের সংবাদ জানিয়ে নবিজি -কে চিঠি লেখেন প্রশাসকগণ। পুনরায় হাতে নেন নিজ নিজ দায়িত্ব।
নবিজি -এর মৃত্যুর ঠিক একদিন আগে আসওয়াদ আন্সি কতল হয়। তার ওপর আল্লাহর লা'নত। আগেই অবশ্য ওহির মাধ্যমে তা নবিজিকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল। উম্মাতকে এই ভবিষ্যদ্বাণী জানিয়েও যান তিনি। প্রশাসকদের পাঠানো সেই চিঠি এসে পৌঁছে আবূ বকর সিদ্দীক (রদিয়াল্লাহু আনহু)-এর শাসনামলে।

টিকাঃ
[৫২৭] ইবনু হাজার, ফাতহুল বারি, ৮/৯৩; ইবনু হিশাম, আস-সীরাহ, ২/৫০১; ইবনুল কাইয়িম, ৩/২৬-৬০।

দক্ষিণ আরব তথা ইয়েমেনে এভাবেই ইসলামের প্রসার চলতে থাকে। অল্প কিছুকালের মাঝেই পুরো এলাকা নিয়ন্ত্রণ করতে থাকেন রাসূলুল্লাহ -এর প্রশাসকগণ। এমন সময় নবিজির স্বপ্নে দেখা সেই দ্বিতীয় মিথ্যুকের আবির্ভাব ঘটে 'কাহফ হান্নান' শহর থেকে। অনুগত সাত শ যোদ্ধা নিয়ে আসওয়াদ আন্সি নিজেকে দাবি করে নবি ও শাসক হিসেবে।
সান'আ নগরী দখল করে দ্রুতই প্রভাব বিস্তার করতে থাকে আসওয়াদ। মুসলিম প্রশাসকরা কঠিন পরিস্থিতিতে শুধু আশআরিয়‍্যীন এলাকায় সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েন।
প্রায় তিন-চার মাস ধরে চলে এই দুঃসহ অবস্থা। তারপর পারস্যের এক মুসলিম ফাইরূয দাইলামি (রদিয়াল্লাহু আনহু) তাদের মুসলিম সেনাদের সাথে নিয়ে ছুটে আসেন আসওয়াদ-বাহিনীর বিরুদ্ধে। মিথ্যে নবির শিরশ্ছেদ করে দূর্গের বাইরে ছুড়ে মারেন ফাইরূয (রদিয়াল্লাহু আনহু)। নেতার খণ্ডিত মস্তক দেখে অনুসারীরাও রণে ভঙ্গ দিয়ে পালিয়ে যায়। শান্তি পুনরুদ্ধারের সংবাদ জানিয়ে নবিজি -কে চিঠি লেখেন প্রশাসকগণ। পুনরায় হাতে নেন নিজ নিজ দায়িত্ব।
নবিজি -এর মৃত্যুর ঠিক একদিন আগে আসওয়াদ আন্সি কতল হয়। তার ওপর আল্লাহর লা'নত। আগেই অবশ্য ওহির মাধ্যমে তা নবিজিকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল। উম্মাতকে এই ভবিষ্যদ্বাণী জানিয়েও যান তিনি। প্রশাসকদের পাঠানো সেই চিঠি এসে পৌঁছে আবূ বকর সিদ্দীক (রদিয়াল্লাহু আনহু)-এর শাসনামলে।

টিকাঃ
[৫২৭] ইবনু হাজার, ফাতহুল বারি, ৮/৯৩; ইবনু হিশাম, আস-সীরাহ, ২/৫০১; ইবনুল কাইয়িম, ৩/২৬-৬০।

দক্ষিণ আরব তথা ইয়েমেনে এভাবেই ইসলামের প্রসার চলতে থাকে। অল্প কিছুকালের মাঝেই পুরো এলাকা নিয়ন্ত্রণ করতে থাকেন রাসূলুল্লাহ -এর প্রশাসকগণ। এমন সময় নবিজির স্বপ্নে দেখা সেই দ্বিতীয় মিথ্যুকের আবির্ভাব ঘটে 'কাহফ হান্নান' শহর থেকে। অনুগত সাত শ যোদ্ধা নিয়ে আসওয়াদ আন্সি নিজেকে দাবি করে নবি ও শাসক হিসেবে।
সান'আ নগরী দখল করে দ্রুতই প্রভাব বিস্তার করতে থাকে আসওয়াদ। মুসলিম প্রশাসকরা কঠিন পরিস্থিতিতে শুধু আশআরিয়‍্যীন এলাকায় সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েন।
প্রায় তিন-চার মাস ধরে চলে এই দুঃসহ অবস্থা। তারপর পারস্যের এক মুসলিম ফাইরূয দাইলামি (রদিয়াল্লাহু আনহু) তাদের মুসলিম সেনাদের সাথে নিয়ে ছুটে আসেন আসওয়াদ-বাহিনীর বিরুদ্ধে। মিথ্যে নবির শিরশ্ছেদ করে দূর্গের বাইরে ছুড়ে মারেন ফাইরূয (রদিয়াল্লাহু আনহু)। নেতার খণ্ডিত মস্তক দেখে অনুসারীরাও রণে ভঙ্গ দিয়ে পালিয়ে যায়। শান্তি পুনরুদ্ধারের সংবাদ জানিয়ে নবিজি -কে চিঠি লেখেন প্রশাসকগণ। পুনরায় হাতে নেন নিজ নিজ দায়িত্ব।
নবিজি -এর মৃত্যুর ঠিক একদিন আগে আসওয়াদ আন্সি কতল হয়। তার ওপর আল্লাহর লা'নত। আগেই অবশ্য ওহির মাধ্যমে তা নবিজিকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল। উম্মাতকে এই ভবিষ্যদ্বাণী জানিয়েও যান তিনি। প্রশাসকদের পাঠানো সেই চিঠি এসে পৌঁছে আবূ বকর সিদ্দীক (রদিয়াল্লাহু আনহু)-এর শাসনামলে।

টিকাঃ
[৫২৭] ইবনু হাজার, ফাতহুল বারি, ৮/৯৩; ইবনু হিশাম, আস-সীরাহ, ২/৫০১; ইবনুল কাইয়িম, ৩/২৬-৬০।

দক্ষিণ আরব তথা ইয়েমেনে এভাবেই ইসলামের প্রসার চলতে থাকে। অল্প কিছুকালের মাঝেই পুরো এলাকা নিয়ন্ত্রণ করতে থাকেন রাসূলুল্লাহ -এর প্রশাসকগণ। এমন সময় নবিজির স্বপ্নে দেখা সেই দ্বিতীয় মিথ্যুকের আবির্ভাব ঘটে 'কাহফ হান্নান' শহর থেকে। অনুগত সাত শ যোদ্ধা নিয়ে আসওয়াদ আন্সি নিজেকে দাবি করে নবি ও শাসক হিসেবে।
সান'আ নগরী দখল করে দ্রুতই প্রভাব বিস্তার করতে থাকে আসওয়াদ। মুসলিম প্রশাসকরা কঠিন পরিস্থিতিতে শুধু আশআরিয়‍্যীন এলাকায় সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েন।
প্রায় তিন-চার মাস ধরে চলে এই দুঃসহ অবস্থা। তারপর পারস্যের এক মুসলিম ফাইরূয দাইলামি (রদিয়াল্লাহু আনহু) তাদের মুসলিম সেনাদের সাথে নিয়ে ছুটে আসেন আসওয়াদ-বাহিনীর বিরুদ্ধে। মিথ্যে নবির শিরশ্ছেদ করে দূর্গের বাইরে ছুড়ে মারেন ফাইরূয (রদিয়াল্লাহু আনহু)। নেতার খণ্ডিত মস্তক দেখে অনুসারীরাও রণে ভঙ্গ দিয়ে পালিয়ে যায়। শান্তি পুনরুদ্ধারের সংবাদ জানিয়ে নবিজি -কে চিঠি লেখেন প্রশাসকগণ। পুনরায় হাতে নেন নিজ নিজ দায়িত্ব।
নবিজি -এর মৃত্যুর ঠিক একদিন আগে আসওয়াদ আন্সি কতল হয়। তার ওপর আল্লাহর লা'নত। আগেই অবশ্য ওহির মাধ্যমে তা নবিজিকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল। উম্মাতকে এই ভবিষ্যদ্বাণী জানিয়েও যান তিনি। প্রশাসকদের পাঠানো সেই চিঠি এসে পৌঁছে আবূ বকর সিদ্দীক (রদিয়াল্লাহু আনহু)-এর শাসনামলে।

টিকাঃ
[৫২৭] ইবনু হাজার, ফাতহুল বারি, ৮/৯৩; ইবনু হিশাম, আস-সীরাহ, ২/৫০১; ইবনুল কাইয়িম, ৩/২৬-৬০।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00