📘 রাসূলে আরাবি ﷺ > 📄 বানূ আবদিল মাদান গোত্রের প্রতিনিধিদল

📄 বানূ আবদিল মাদান গোত্রের প্রতিনিধিদল


দশম হিজরির রবীউল আউয়াল মাসে খালিদ ইবনুল ওয়ালীদ (রদিয়াল্লাহু আনহু)-কে পাঠানো হয় বানূ আবদিল মাদানের কাছে। ইয়েমেনের নাজরানে বসবাস করত তারা। রাসূল ﷺ খালিদকে বলে দেন তিন দিন যাবৎ তাদের ইসলামের দিকে আহ্বান করতে। এতে সাড়া না দিলে শক্তিপ্রয়োগে ইসলামি রাষ্ট্রের অনুগত করানো হবে তাদের।
খালিদ সেখানে পৌঁছে দিকে দিকে দূত পাঠিয়ে দেন। তারা এলাকাবাসীকে ডেকে বলেন, “জনগণ, ইসলাম গ্রহণ করুন, তাহলে শান্তি ও নিরাপত্তা লাভ করবেন।” সাথে সাথে ইসলাম কবুল করে নেয় গোত্রটি। খালিদ ও তার বাহিনী তখন তাদের ইসলামের মৌলিক বিষয়াদি শেখানোর কার্যক্রম শুরু করেন। নবি ﷺ-এর কাছে খবরও পাঠানো হয় সাফল্যের কথা জানিয়ে। তিনি খালিদকে বলেন সেখান থেকে একটি প্রতিনিধিদলকে মদীনায় নিয়ে আসতে। দলটি মদীনায় এলে নবিজি তাদের জিজ্ঞাসা করেন,
“তোমরা জাহিলি যুগে তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধকারীদের কীভাবে দমন করতে?” তারা জবাব দেন, “আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে থাকতাম, কেউ বিচ্ছিন্ন হতাম না। আর আমরা কারও প্রতি কোনও জুলুম করতাম না।” রাসূল ﷺ বলেন, "তোমরা সত্যই বলেছ।”
তারপর কাইস ইবনু হুসাইন (রদিয়াল্লাহু আনহু)-কে বানূ আবদিল মাদান গোত্রের প্রশাসক নিয়োগ করেন রাসূল ﷺ। শাওয়ালের শেষ এবং যুল-কা'দের শুরুর দিকে প্রতিনিধিদলটি মদীনা ত্যাগ করে।
মদীনা থেকে দূরে বসবাসরত জাতিগুলোর পুনরায় পৌত্তলিকতায় ফিরে যাওয়ার আশঙ্কা বেশি। তাই নবি ﷺ আমর ইবনু হাযম (রদিয়াল্লাহু আনহু)-কেও সেখানে পাঠিয়ে দেন ইসলামের ব্যাপারে আরও শিক্ষা দিতে।

দশম হিজরির রবীউল আউয়াল মাসে খালিদ ইবনুল ওয়ালীদ (রদিয়াল্লাহু আনহু)-কে পাঠানো হয় বানূ আবদিল মাদানের কাছে। ইয়েমেনের নাজরানে বসবাস করত তারা। রাসূল ﷺ খালিদকে বলে দেন তিন দিন যাবৎ তাদের ইসলামের দিকে আহ্বান করতে। এতে সাড়া না দিলে শক্তিপ্রয়োগে ইসলামি রাষ্ট্রের অনুগত করানো হবে তাদের।
খালিদ সেখানে পৌঁছে দিকে দিকে দূত পাঠিয়ে দেন। তারা এলাকাবাসীকে ডেকে বলেন, “জনগণ, ইসলাম গ্রহণ করুন, তাহলে শান্তি ও নিরাপত্তা লাভ করবেন।” সাথে সাথে ইসলাম কবুল করে নেয় গোত্রটি। খালিদ ও তার বাহিনী তখন তাদের ইসলামের মৌলিক বিষয়াদি শেখানোর কার্যক্রম শুরু করেন। নবি ﷺ-এর কাছে খবরও পাঠানো হয় সাফল্যের কথা জানিয়ে। তিনি খালিদকে বলেন সেখান থেকে একটি প্রতিনিধিদলকে মদীনায় নিয়ে আসতে। দলটি মদীনায় এলে নবিজি তাদের জিজ্ঞাসা করেন,
“তোমরা জাহিলি যুগে তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধকারীদের কীভাবে দমন করতে?” তারা জবাব দেন, “আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে থাকতাম, কেউ বিচ্ছিন্ন হতাম না। আর আমরা কারও প্রতি কোনও জুলুম করতাম না।” রাসূল ﷺ বলেন, "তোমরা সত্যই বলেছ।”
তারপর কাইস ইবনু হুসাইন (রদিয়াল্লাহু আনহু)-কে বানূ আবদিল মাদান গোত্রের প্রশাসক নিয়োগ করেন রাসূল ﷺ। শাওয়ালের শেষ এবং যুল-কা'দের শুরুর দিকে প্রতিনিধিদলটি মদীনা ত্যাগ করে।
মদীনা থেকে দূরে বসবাসরত জাতিগুলোর পুনরায় পৌত্তলিকতায় ফিরে যাওয়ার আশঙ্কা বেশি। তাই নবি ﷺ আমর ইবনু হাযম (রদিয়াল্লাহু আনহু)-কেও সেখানে পাঠিয়ে দেন ইসলামের ব্যাপারে আরও শিক্ষা দিতে।

দশম হিজরির রবীউল আউয়াল মাসে খালিদ ইবনুল ওয়ালীদ (রদিয়াল্লাহু আনহু)-কে পাঠানো হয় বানূ আবদিল মাদানের কাছে। ইয়েমেনের নাজরানে বসবাস করত তারা। রাসূল ﷺ খালিদকে বলে দেন তিন দিন যাবৎ তাদের ইসলামের দিকে আহ্বান করতে। এতে সাড়া না দিলে শক্তিপ্রয়োগে ইসলামি রাষ্ট্রের অনুগত করানো হবে তাদের।
খালিদ সেখানে পৌঁছে দিকে দিকে দূত পাঠিয়ে দেন। তারা এলাকাবাসীকে ডেকে বলেন, “জনগণ, ইসলাম গ্রহণ করুন, তাহলে শান্তি ও নিরাপত্তা লাভ করবেন।” সাথে সাথে ইসলাম কবুল করে নেয় গোত্রটি। খালিদ ও তার বাহিনী তখন তাদের ইসলামের মৌলিক বিষয়াদি শেখানোর কার্যক্রম শুরু করেন। নবি ﷺ-এর কাছে খবরও পাঠানো হয় সাফল্যের কথা জানিয়ে। তিনি খালিদকে বলেন সেখান থেকে একটি প্রতিনিধিদলকে মদীনায় নিয়ে আসতে। দলটি মদীনায় এলে নবিজি তাদের জিজ্ঞাসা করেন,
“তোমরা জাহিলি যুগে তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধকারীদের কীভাবে দমন করতে?” তারা জবাব দেন, “আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে থাকতাম, কেউ বিচ্ছিন্ন হতাম না। আর আমরা কারও প্রতি কোনও জুলুম করতাম না।” রাসূল ﷺ বলেন, "তোমরা সত্যই বলেছ।”
তারপর কাইস ইবনু হুসাইন (রদিয়াল্লাহু আনহু)-কে বানূ আবদিল মাদান গোত্রের প্রশাসক নিয়োগ করেন রাসূল ﷺ। শাওয়ালের শেষ এবং যুল-কা'দের শুরুর দিকে প্রতিনিধিদলটি মদীনা ত্যাগ করে।
মদীনা থেকে দূরে বসবাসরত জাতিগুলোর পুনরায় পৌত্তলিকতায় ফিরে যাওয়ার আশঙ্কা বেশি। তাই নবি ﷺ আমর ইবনু হাযম (রদিয়াল্লাহু আনহু)-কেও সেখানে পাঠিয়ে দেন ইসলামের ব্যাপারে আরও শিক্ষা দিতে।

দশম হিজরির রবীউল আউয়াল মাসে খালিদ ইবনুল ওয়ালীদ (রদিয়াল্লাহু আনহু)-কে পাঠানো হয় বানূ আবদিল মাদানের কাছে। ইয়েমেনের নাজরানে বসবাস করত তারা। রাসূল ﷺ খালিদকে বলে দেন তিন দিন যাবৎ তাদের ইসলামের দিকে আহ্বান করতে। এতে সাড়া না দিলে শক্তিপ্রয়োগে ইসলামি রাষ্ট্রের অনুগত করানো হবে তাদের।
খালিদ সেখানে পৌঁছে দিকে দিকে দূত পাঠিয়ে দেন। তারা এলাকাবাসীকে ডেকে বলেন, “জনগণ, ইসলাম গ্রহণ করুন, তাহলে শান্তি ও নিরাপত্তা লাভ করবেন।” সাথে সাথে ইসলাম কবুল করে নেয় গোত্রটি। খালিদ ও তার বাহিনী তখন তাদের ইসলামের মৌলিক বিষয়াদি শেখানোর কার্যক্রম শুরু করেন। নবি ﷺ-এর কাছে খবরও পাঠানো হয় সাফল্যের কথা জানিয়ে। তিনি খালিদকে বলেন সেখান থেকে একটি প্রতিনিধিদলকে মদীনায় নিয়ে আসতে। দলটি মদীনায় এলে নবিজি তাদের জিজ্ঞাসা করেন,
“তোমরা জাহিলি যুগে তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধকারীদের কীভাবে দমন করতে?” তারা জবাব দেন, “আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে থাকতাম, কেউ বিচ্ছিন্ন হতাম না। আর আমরা কারও প্রতি কোনও জুলুম করতাম না।” রাসূল ﷺ বলেন, "তোমরা সত্যই বলেছ।”
তারপর কাইস ইবনু হুসাইন (রদিয়াল্লাহু আনহু)-কে বানূ আবদিল মাদান গোত্রের প্রশাসক নিয়োগ করেন রাসূল ﷺ। শাওয়ালের শেষ এবং যুল-কা'দের শুরুর দিকে প্রতিনিধিদলটি মদীনা ত্যাগ করে।
মদীনা থেকে দূরে বসবাসরত জাতিগুলোর পুনরায় পৌত্তলিকতায় ফিরে যাওয়ার আশঙ্কা বেশি। তাই নবি ﷺ আমর ইবনু হাযম (রদিয়াল্লাহু আনহু)-কেও সেখানে পাঠিয়ে দেন ইসলামের ব্যাপারে আরও শিক্ষা দিতে।

দশম হিজরির রবীউল আউয়াল মাসে খালিদ ইবনুল ওয়ালীদ (রদিয়াল্লাহু আনহু)-কে পাঠানো হয় বানূ আবদিল মাদানের কাছে। ইয়েমেনের নাজরানে বসবাস করত তারা। রাসূল ﷺ খালিদকে বলে দেন তিন দিন যাবৎ তাদের ইসলামের দিকে আহ্বান করতে। এতে সাড়া না দিলে শক্তিপ্রয়োগে ইসলামি রাষ্ট্রের অনুগত করানো হবে তাদের।
খালিদ সেখানে পৌঁছে দিকে দিকে দূত পাঠিয়ে দেন। তারা এলাকাবাসীকে ডেকে বলেন, “জনগণ, ইসলাম গ্রহণ করুন, তাহলে শান্তি ও নিরাপত্তা লাভ করবেন।” সাথে সাথে ইসলাম কবুল করে নেয় গোত্রটি। খালিদ ও তার বাহিনী তখন তাদের ইসলামের মৌলিক বিষয়াদি শেখানোর কার্যক্রম শুরু করেন। নবি ﷺ-এর কাছে খবরও পাঠানো হয় সাফল্যের কথা জানিয়ে। তিনি খালিদকে বলেন সেখান থেকে একটি প্রতিনিধিদলকে মদীনায় নিয়ে আসতে। দলটি মদীনায় এলে নবিজি তাদের জিজ্ঞাসা করেন,
“তোমরা জাহিলি যুগে তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধকারীদের কীভাবে দমন করতে?” তারা জবাব দেন, “আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে থাকতাম, কেউ বিচ্ছিন্ন হতাম না। আর আমরা কারও প্রতি কোনও জুলুম করতাম না।” রাসূল ﷺ বলেন, "তোমরা সত্যই বলেছ।”
তারপর কাইস ইবনু হুসাইন (রদিয়াল্লাহু আনহু)-কে বানূ আবদিল মাদান গোত্রের প্রশাসক নিয়োগ করেন রাসূল ﷺ। শাওয়ালের শেষ এবং যুল-কা'দের শুরুর দিকে প্রতিনিধিদলটি মদীনা ত্যাগ করে।
মদীনা থেকে দূরে বসবাসরত জাতিগুলোর পুনরায় পৌত্তলিকতায় ফিরে যাওয়ার আশঙ্কা বেশি। তাই নবি ﷺ আমর ইবনু হাযম (রদিয়াল্লাহু আনহু)-কেও সেখানে পাঠিয়ে দেন ইসলামের ব্যাপারে আরও শিক্ষা দিতে।

📘 রাসূলে আরাবি ﷺ > 📄 বানূ মাযহিজ গোত্রের ইসলাম গ্রহণ

📄 বানূ মাযহিজ গোত্রের ইসলাম গ্রহণ


দশম হিজরির রমাদান মাস। ইয়েমেনে বসবাসরত বানু মাযহিজকে ইসলামের দিকে আহ্বান করতে আলি ইবনু আবী তালিব (রদিয়াল্লাহু আনহু)-কে সেখানে পাঠান আল্লাহর রাসূল। তারা আগে আক্রমণ না করলে আলিও আক্রমণ করবেন না।
আলি (রদিয়াল্লাহু আনহু)-এর আহ্বানে প্রথমে নেতিবাচক সাড়া আসে। তারা মুসলিমদের দিকে তির ছুড়ে মারে। নির্ভীক আলি-বাহিনী পাল্টা আক্রমণ করে। বানু মাযহিজ গোত্র একটু পরেই বুঝতে পারে যে, সামরিক দক্ষতায় তারা মুসলিম বাহিনীর ধারেকাছেও নেই। আলি (রদিয়াল্লাহু আনহু) আক্রমণ থামিয়ে আবারও ইসলামের দাওয়াহ দেন। এবার বানু মাযহিজ প্রস্তাব গ্রহণ করে নিয়ে মুসলিম হয়ে যায়।
গোত্রপতি ও প্রভাবশালীরা এসে আনুগত্যের শপথ প্রদানের পর দরিদ্র-অভাবীদের জন্য কিছু দান-সদাকাও পেশ করেন। বলেন, “এখান থেকে আল্লাহর হক গ্রহণ করুন।” আলি ও তার সাথিরা সেখান থেকে সরাসরি উত্তর দিকে রওনা হয়ে মক্কায় চলে আসেন। সেখানে তারা বিদায় হাজ্জ্বরত নবি-এর সাথে মিলিত হন।

দশম হিজরির রমাদান মাস। ইয়েমেনে বসবাসরত বানু মাযহিজকে ইসলামের দিকে আহ্বান করতে আলি ইবনু আবী তালিব (রদিয়াল্লাহু আনহু)-কে সেখানে পাঠান আল্লাহর রাসূল। তারা আগে আক্রমণ না করলে আলিও আক্রমণ করবেন না।
আলি (রদিয়াল্লাহু আনহু)-এর আহ্বানে প্রথমে নেতিবাচক সাড়া আসে। তারা মুসলিমদের দিকে তির ছুড়ে মারে। নির্ভীক আলি-বাহিনী পাল্টা আক্রমণ করে। বানু মাযহিজ গোত্র একটু পরেই বুঝতে পারে যে, সামরিক দক্ষতায় তারা মুসলিম বাহিনীর ধারেকাছেও নেই। আলি (রদিয়াল্লাহু আনহু) আক্রমণ থামিয়ে আবারও ইসলামের দাওয়াহ দেন। এবার বানু মাযহিজ প্রস্তাব গ্রহণ করে নিয়ে মুসলিম হয়ে যায়।
গোত্রপতি ও প্রভাবশালীরা এসে আনুগত্যের শপথ প্রদানের পর দরিদ্র-অভাবীদের জন্য কিছু দান-সদাকাও পেশ করেন। বলেন, “এখান থেকে আল্লাহর হক গ্রহণ করুন।” আলি ও তার সাথিরা সেখান থেকে সরাসরি উত্তর দিকে রওনা হয়ে মক্কায় চলে আসেন। সেখানে তারা বিদায় হাজ্জ্বরত নবি-এর সাথে মিলিত হন।

দশম হিজরির রমাদান মাস। ইয়েমেনে বসবাসরত বানু মাযহিজকে ইসলামের দিকে আহ্বান করতে আলি ইবনু আবী তালিব (রদিয়াল্লাহু আনহু)-কে সেখানে পাঠান আল্লাহর রাসূল। তারা আগে আক্রমণ না করলে আলিও আক্রমণ করবেন না।
আলি (রদিয়াল্লাহু আনহু)-এর আহ্বানে প্রথমে নেতিবাচক সাড়া আসে। তারা মুসলিমদের দিকে তির ছুড়ে মারে। নির্ভীক আলি-বাহিনী পাল্টা আক্রমণ করে। বানু মাযহিজ গোত্র একটু পরেই বুঝতে পারে যে, সামরিক দক্ষতায় তারা মুসলিম বাহিনীর ধারেকাছেও নেই। আলি (রদিয়াল্লাহু আনহু) আক্রমণ থামিয়ে আবারও ইসলামের দাওয়াহ দেন। এবার বানু মাযহিজ প্রস্তাব গ্রহণ করে নিয়ে মুসলিম হয়ে যায়।
গোত্রপতি ও প্রভাবশালীরা এসে আনুগত্যের শপথ প্রদানের পর দরিদ্র-অভাবীদের জন্য কিছু দান-সদাকাও পেশ করেন। বলেন, “এখান থেকে আল্লাহর হক গ্রহণ করুন।” আলি ও তার সাথিরা সেখান থেকে সরাসরি উত্তর দিকে রওনা হয়ে মক্কায় চলে আসেন। সেখানে তারা বিদায় হাজ্জ্বরত নবি-এর সাথে মিলিত হন।

দশম হিজরির রমাদান মাস। ইয়েমেনে বসবাসরত বানু মাযহিজকে ইসলামের দিকে আহ্বান করতে আলি ইবনু আবী তালিব (রদিয়াল্লাহু আনহু)-কে সেখানে পাঠান আল্লাহর রাসূল। তারা আগে আক্রমণ না করলে আলিও আক্রমণ করবেন না।
আলি (রদিয়াল্লাহু আনহু)-এর আহ্বানে প্রথমে নেতিবাচক সাড়া আসে। তারা মুসলিমদের দিকে তির ছুড়ে মারে। নির্ভীক আলি-বাহিনী পাল্টা আক্রমণ করে। বানু মাযহিজ গোত্র একটু পরেই বুঝতে পারে যে, সামরিক দক্ষতায় তারা মুসলিম বাহিনীর ধারেকাছেও নেই। আলি (রদিয়াল্লাহু আনহু) আক্রমণ থামিয়ে আবারও ইসলামের দাওয়াহ দেন। এবার বানু মাযহিজ প্রস্তাব গ্রহণ করে নিয়ে মুসলিম হয়ে যায়।
গোত্রপতি ও প্রভাবশালীরা এসে আনুগত্যের শপথ প্রদানের পর দরিদ্র-অভাবীদের জন্য কিছু দান-সদাকাও পেশ করেন। বলেন, “এখান থেকে আল্লাহর হক গ্রহণ করুন।” আলি ও তার সাথিরা সেখান থেকে সরাসরি উত্তর দিকে রওনা হয়ে মক্কায় চলে আসেন। সেখানে তারা বিদায় হাজ্জ্বরত নবি-এর সাথে মিলিত হন।

দশম হিজরির রমাদান মাস। ইয়েমেনে বসবাসরত বানু মাযহিজকে ইসলামের দিকে আহ্বান করতে আলি ইবনু আবী তালিব (রদিয়াল্লাহু আনহু)-কে সেখানে পাঠান আল্লাহর রাসূল। তারা আগে আক্রমণ না করলে আলিও আক্রমণ করবেন না।
আলি (রদিয়াল্লাহু আনহু)-এর আহ্বানে প্রথমে নেতিবাচক সাড়া আসে। তারা মুসলিমদের দিকে তির ছুড়ে মারে। নির্ভীক আলি-বাহিনী পাল্টা আক্রমণ করে। বানু মাযহিজ গোত্র একটু পরেই বুঝতে পারে যে, সামরিক দক্ষতায় তারা মুসলিম বাহিনীর ধারেকাছেও নেই। আলি (রদিয়াল্লাহু আনহু) আক্রমণ থামিয়ে আবারও ইসলামের দাওয়াহ দেন। এবার বানু মাযহিজ প্রস্তাব গ্রহণ করে নিয়ে মুসলিম হয়ে যায়।
গোত্রপতি ও প্রভাবশালীরা এসে আনুগত্যের শপথ প্রদানের পর দরিদ্র-অভাবীদের জন্য কিছু দান-সদাকাও পেশ করেন। বলেন, “এখান থেকে আল্লাহর হক গ্রহণ করুন।” আলি ও তার সাথিরা সেখান থেকে সরাসরি উত্তর দিকে রওনা হয়ে মক্কায় চলে আসেন। সেখানে তারা বিদায় হাজ্জ্বরত নবি-এর সাথে মিলিত হন।

📘 রাসূলে আরাবি ﷺ > 📄 আযদি শানূআ গোত্রের প্রতিনিধিদল

📄 আযদি শানূআ গোত্রের প্রতিনিধিদল


দক্ষিণ আরবের এক সুবিখ্যাত গোত্র আযদি শানূআ। সুরাদ ইবনু আবদিল্লাহ আযদি (রদিয়াল্লাহু আনহু)-এর নেতৃত্বে তাদের প্রতিনিধিদল এসে ইসলাম গ্রহণ করেন। নবি সুরাদকে সেখানকার নেতা হিসেবে নিয়োগ করে নির্দেশ দেন যে, সেখানকার মুসলিমরা যেন দক্ষিণ আরবের পৌত্তলিকদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে থাকে।

দক্ষিণ আরবের এক সুবিখ্যাত গোত্র আযদি শানূআ। সুরাদ ইবনু আবদিল্লাহ আযদি (রদিয়াল্লাহু আনহু)-এর নেতৃত্বে তাদের প্রতিনিধিদল এসে ইসলাম গ্রহণ করেন। নবি সুরাদকে সেখানকার নেতা হিসেবে নিয়োগ করে নির্দেশ দেন যে, সেখানকার মুসলিমরা যেন দক্ষিণ আরবের পৌত্তলিকদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে থাকে।

দক্ষিণ আরবের এক সুবিখ্যাত গোত্র আযদি শানূআ। সুরাদ ইবনু আবদিল্লাহ আযদি (রদিয়াল্লাহু আনহু)-এর নেতৃত্বে তাদের প্রতিনিধিদল এসে ইসলাম গ্রহণ করেন। নবি সুরাদকে সেখানকার নেতা হিসেবে নিয়োগ করে নির্দেশ দেন যে, সেখানকার মুসলিমরা যেন দক্ষিণ আরবের পৌত্তলিকদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে থাকে।

দক্ষিণ আরবের এক সুবিখ্যাত গোত্র আযদি শানূআ। সুরাদ ইবনু আবদিল্লাহ আযদি (রদিয়াল্লাহু আনহু)-এর নেতৃত্বে তাদের প্রতিনিধিদল এসে ইসলাম গ্রহণ করেন। নবি সুরাদকে সেখানকার নেতা হিসেবে নিয়োগ করে নির্দেশ দেন যে, সেখানকার মুসলিমরা যেন দক্ষিণ আরবের পৌত্তলিকদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে থাকে।

দক্ষিণ আরবের এক সুবিখ্যাত গোত্র আযদি শানূআ। সুরাদ ইবনু আবদিল্লাহ আযদি (রদিয়াল্লাহু আনহু)-এর নেতৃত্বে তাদের প্রতিনিধিদল এসে ইসলাম গ্রহণ করেন। নবি সুরাদকে সেখানকার নেতা হিসেবে নিয়োগ করে নির্দেশ দেন যে, সেখানকার মুসলিমরা যেন দক্ষিণ আরবের পৌত্তলিকদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে থাকে।

📘 রাসূলে আরাবি ﷺ > 📄 জারীর ইবনু আবদিল্লাহ-এর আগমন ও যুল-খালাসা ধ্বংস

📄 জারীর ইবনু আবদিল্লাহ-এর আগমন ও যুল-খালাসা ধ্বংস


প্রতিনিধিদল ও ব্যক্তির আসা-যাওয়া চলতে থাকে। এমনই এক ব্যক্তি এবং পরবর্তীকালে বিখ্যাত সাহাবি জারীর ইবনু আবদিল্লাহ বাজালি (রদিয়াল্লাহু আনহু)। তার গোত্র বাজীলা এবং খাশআমের ছিল বিরাট এক মন্দির। 'যুল-খালাসা' নামক এ মন্দিরকে পৌত্তলিকরা কা'বার সাথে তুলনা করত। একে ডাকত 'ইয়েমেনের কা'বা' এবং 'শামের কা'বা' নামে।
নবি একদিন বললেন, "জারীর, তুমি কি যুল-খালাসার ব্যাপারে আমাকে শান্তি দেবে না?" জারীর (রদিয়াল্লাহু আনহু) বুঝতে পারলেন যে, নবি এই পৌত্তলিক মন্দিরটি ধ্বংস করার কথা বলছেন। কিন্তু অনুযোগ করেন যে, তিনি ঘোড়ার ওপর স্থির থাকতে পারেন না। ঘোড়সওয়ার হিসেবে তিনি ততটা ভালো নন। তা শুনে জারীরের বুকে হাত দিয়ে মৃদু আঘাত করে নবি দুআ করলেন, “হে আল্লাহ, তাঁকে স্থির অবিচল রাখুন। তাঁকেও পথ দেখান এবং তাঁর মাধ্যমে অন্যদেরও পথ দেখান।”
নবি -এর দুআর বরকতে এরপর থেকে জারীর (রদিয়াল্লাহু আনহু) আর কখনও ঘোড়া থেকে পড়ে যাননি।
পরবর্তী সময়ে তিনি নিজ গোত্র আহমাসের-যা বাজীলার একটি শাখাগোত্র-দেড় শ ঘোড়সওয়ার নিয়ে ওই মন্দিরটি ধ্বংস করে পুড়িয়ে দিয়ে আসেন। খবরটি শুনে রাসূল আহমাসের ওইসকল লোক ও ঘোড়ার জন্য পাঁচবার বারাকাহ ও রহমতের দুআ করেন।

টিকাঃ
[৫২৬] বুখারি, ৩০৭৬।

প্রতিনিধিদল ও ব্যক্তির আসা-যাওয়া চলতে থাকে। এমনই এক ব্যক্তি এবং পরবর্তীকালে বিখ্যাত সাহাবি জারীর ইবনু আবদিল্লাহ বাজালি (রদিয়াল্লাহু আনহু)। তার গোত্র বাজীলা এবং খাশআমের ছিল বিরাট এক মন্দির। 'যুল-খালাসা' নামক এ মন্দিরকে পৌত্তলিকরা কা'বার সাথে তুলনা করত। একে ডাকত 'ইয়েমেনের কা'বা' এবং 'শামের কা'বা' নামে।
নবি একদিন বললেন, "জারীর, তুমি কি যুল-খালাসার ব্যাপারে আমাকে শান্তি দেবে না?" জারীর (রদিয়াল্লাহু আনহু) বুঝতে পারলেন যে, নবি এই পৌত্তলিক মন্দিরটি ধ্বংস করার কথা বলছেন। কিন্তু অনুযোগ করেন যে, তিনি ঘোড়ার ওপর স্থির থাকতে পারেন না। ঘোড়সওয়ার হিসেবে তিনি ততটা ভালো নন। তা শুনে জারীরের বুকে হাত দিয়ে মৃদু আঘাত করে নবি দুআ করলেন, “হে আল্লাহ, তাঁকে স্থির অবিচল রাখুন। তাঁকেও পথ দেখান এবং তাঁর মাধ্যমে অন্যদেরও পথ দেখান।”
নবি -এর দুআর বরকতে এরপর থেকে জারীর (রদিয়াল্লাহু আনহু) আর কখনও ঘোড়া থেকে পড়ে যাননি।
পরবর্তী সময়ে তিনি নিজ গোত্র আহমাসের-যা বাজীলার একটি শাখাগোত্র-দেড় শ ঘোড়সওয়ার নিয়ে ওই মন্দিরটি ধ্বংস করে পুড়িয়ে দিয়ে আসেন। খবরটি শুনে রাসূল আহমাসের ওইসকল লোক ও ঘোড়ার জন্য পাঁচবার বারাকাহ ও রহমতের দুআ করেন।

টিকাঃ
[৫২৬] বুখারি, ৩০৭৬।

প্রতিনিধিদল ও ব্যক্তির আসা-যাওয়া চলতে থাকে। এমনই এক ব্যক্তি এবং পরবর্তীকালে বিখ্যাত সাহাবি জারীর ইবনু আবদিল্লাহ বাজালি (রদিয়াল্লাহু আনহু)। তার গোত্র বাজীলা এবং খাশআমের ছিল বিরাট এক মন্দির। 'যুল-খালাসা' নামক এ মন্দিরকে পৌত্তলিকরা কা'বার সাথে তুলনা করত। একে ডাকত 'ইয়েমেনের কা'বা' এবং 'শামের কা'বা' নামে।
নবি একদিন বললেন, "জারীর, তুমি কি যুল-খালাসার ব্যাপারে আমাকে শান্তি দেবে না?" জারীর (রদিয়াল্লাহু আনহু) বুঝতে পারলেন যে, নবি এই পৌত্তলিক মন্দিরটি ধ্বংস করার কথা বলছেন। কিন্তু অনুযোগ করেন যে, তিনি ঘোড়ার ওপর স্থির থাকতে পারেন না। ঘোড়সওয়ার হিসেবে তিনি ততটা ভালো নন। তা শুনে জারীরের বুকে হাত দিয়ে মৃদু আঘাত করে নবি দুআ করলেন, “হে আল্লাহ, তাঁকে স্থির অবিচল রাখুন। তাঁকেও পথ দেখান এবং তাঁর মাধ্যমে অন্যদেরও পথ দেখান।”
নবি -এর দুআর বরকতে এরপর থেকে জারীর (রদিয়াল্লাহু আনহু) আর কখনও ঘোড়া থেকে পড়ে যাননি।
পরবর্তী সময়ে তিনি নিজ গোত্র আহমাসের-যা বাজীলার একটি শাখাগোত্র-দেড় শ ঘোড়সওয়ার নিয়ে ওই মন্দিরটি ধ্বংস করে পুড়িয়ে দিয়ে আসেন। খবরটি শুনে রাসূল আহমাসের ওইসকল লোক ও ঘোড়ার জন্য পাঁচবার বারাকাহ ও রহমতের দুআ করেন।

টিকাঃ
[৫২৬] বুখারি, ৩০৭৬।

প্রতিনিধিদল ও ব্যক্তির আসা-যাওয়া চলতে থাকে। এমনই এক ব্যক্তি এবং পরবর্তীকালে বিখ্যাত সাহাবি জারীর ইবনু আবদিল্লাহ বাজালি (রদিয়াল্লাহু আনহু)। তার গোত্র বাজীলা এবং খাশআমের ছিল বিরাট এক মন্দির। 'যুল-খালাসা' নামক এ মন্দিরকে পৌত্তলিকরা কা'বার সাথে তুলনা করত। একে ডাকত 'ইয়েমেনের কা'বা' এবং 'শামের কা'বা' নামে।
নবি একদিন বললেন, "জারীর, তুমি কি যুল-খালাসার ব্যাপারে আমাকে শান্তি দেবে না?" জারীর (রদিয়াল্লাহু আনহু) বুঝতে পারলেন যে, নবি এই পৌত্তলিক মন্দিরটি ধ্বংস করার কথা বলছেন। কিন্তু অনুযোগ করেন যে, তিনি ঘোড়ার ওপর স্থির থাকতে পারেন না। ঘোড়সওয়ার হিসেবে তিনি ততটা ভালো নন। তা শুনে জারীরের বুকে হাত দিয়ে মৃদু আঘাত করে নবি দুআ করলেন, “হে আল্লাহ, তাঁকে স্থির অবিচল রাখুন। তাঁকেও পথ দেখান এবং তাঁর মাধ্যমে অন্যদেরও পথ দেখান।”
নবি -এর দুআর বরকতে এরপর থেকে জারীর (রদিয়াল্লাহু আনহু) আর কখনও ঘোড়া থেকে পড়ে যাননি।
পরবর্তী সময়ে তিনি নিজ গোত্র আহমাসের-যা বাজীলার একটি শাখাগোত্র-দেড় শ ঘোড়সওয়ার নিয়ে ওই মন্দিরটি ধ্বংস করে পুড়িয়ে দিয়ে আসেন। খবরটি শুনে রাসূল আহমাসের ওইসকল লোক ও ঘোড়ার জন্য পাঁচবার বারাকাহ ও রহমতের দুআ করেন।

টিকাঃ
[৫২৬] বুখারি, ৩০৭৬।

প্রতিনিধিদল ও ব্যক্তির আসা-যাওয়া চলতে থাকে। এমনই এক ব্যক্তি এবং পরবর্তীকালে বিখ্যাত সাহাবি জারীর ইবনু আবদিল্লাহ বাজালি (রদিয়াল্লাহু আনহু)। তার গোত্র বাজীলা এবং খাশআমের ছিল বিরাট এক মন্দির। 'যুল-খালাসা' নামক এ মন্দিরকে পৌত্তলিকরা কা'বার সাথে তুলনা করত। একে ডাকত 'ইয়েমেনের কা'বা' এবং 'শামের কা'বা' নামে।
নবি একদিন বললেন, "জারীর, তুমি কি যুল-খালাসার ব্যাপারে আমাকে শান্তি দেবে না?" জারীর (রদিয়াল্লাহু আনহু) বুঝতে পারলেন যে, নবি এই পৌত্তলিক মন্দিরটি ধ্বংস করার কথা বলছেন। কিন্তু অনুযোগ করেন যে, তিনি ঘোড়ার ওপর স্থির থাকতে পারেন না। ঘোড়সওয়ার হিসেবে তিনি ততটা ভালো নন। তা শুনে জারীরের বুকে হাত দিয়ে মৃদু আঘাত করে নবি দুআ করলেন, “হে আল্লাহ, তাঁকে স্থির অবিচল রাখুন। তাঁকেও পথ দেখান এবং তাঁর মাধ্যমে অন্যদেরও পথ দেখান।”
নবি -এর দুআর বরকতে এরপর থেকে জারীর (রদিয়াল্লাহু আনহু) আর কখনও ঘোড়া থেকে পড়ে যাননি।
পরবর্তী সময়ে তিনি নিজ গোত্র আহমাসের-যা বাজীলার একটি শাখাগোত্র-দেড় শ ঘোড়সওয়ার নিয়ে ওই মন্দিরটি ধ্বংস করে পুড়িয়ে দিয়ে আসেন। খবরটি শুনে রাসূল আহমাসের ওইসকল লোক ও ঘোড়ার জন্য পাঁচবার বারাকাহ ও রহমতের দুআ করেন।

টিকাঃ
[৫২৬] বুখারি, ৩০৭৬।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00