📄 বানূ হানীফা গোত্রের প্রতিনিধিদল
বানূ হানীফাও নবম হিজরিতেই সাক্ষাতে আসে। সতেরো সদস্যের দলটি মদীনায় এসে রাসূলুল্লাহ -এর হাতে মুসলিম হন। নবি-দাবিদার কুখ্যাত মিথ্যুক মুসাইলিমাও সেখানে ছিল। তবে সে-ও অন্যদের সাথে ইসলাম গ্রহণ করেছিল, নাকি নবিজির সাথে দেখা না করে তাঁবুতেই বসে ছিল-এ নিয়ে মতপার্থক্য আছে। কিছু সূত্রে এমনও উল্লেখ করা হয় যে, ইসলাম গ্রহণের বিনিময়ে সে নবি -এর উত্তরাধিকারী হওয়ার বায়না ধরে।
এই প্রতিনিধিদলটি আসার আগে নবি একটি স্বপ্ন দেখেন। দেখেন যে, তাঁর কাছে অনেক ধনসম্পদ নিয়ে আসা হয়েছে। সেখান থেকে স্বর্ণের দুটি বালা এনে নবি -এর দু-হাতে পরিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু প্রচণ্ড ব্যথা লাগতে থাকে তাঁর হাতে। আদেশ করা হয় বালা দুটিতে ফুঁ দিতে। তিনি ফুৎকার দিতেই বালা দুটো খুলে পড়ে যায়। নবি সাহাবিদের বলেন যে, বালা দুটো তাঁর পরে আসন্ন দু'জন মিথ্যে নবি দাবিদারের প্রতীক।
সাহাবি সাবিদ ইবনু কাইস (রদিয়াল্লাহু আনহু)-এর সাথে একবার হাঁটছিলেন রাসূল । এমন সময় দেখা হয় প্রথম মিথ্যকের সাথে। মুসাইলিমা কাযযাব। সাঙ্গপাঙ্গ নিয়ে এসে দাম্ভিক ভঙ্গিতে মুসাইলিমা বলে, "চাইলে আপনি রাষ্ট্রপ্রধান থাকতে পারেন। তবে আমাকে আপনার খলীফা বানিয়ে যেতে হবে।”
নবি -এর হাতে ছোট একটি খেজুরের থোকা ছিল। সেটি দেখিয়ে তিনি বলেন, “যদি এটিও চাও আমি তোমাকে তাও দেবো না। আল্লাহর ফায়সালা থেকে তো পালাতে পারবে না। যদি মুখ ফিরিয়ে নাও, তাহলে আল্লাহ তোমায় ধ্বংস করে দেবেন। আল্লাহর শপথ! তোমাকে নিয়ে আমি স্বপ্নে যা দেখার তা দেখেছি। ইনি সাবিত ইবনু কাইস। আমার পক্ষ থেকে ইনিই তোমার জবাব দেবেন। তারপর নবি ফিরে আসেন।”
প্রতিনিধিদল ফিরে আসার পর মুসাইলিমা কিছুদিন চুপচাপ থাকে। তারপর হঠাৎ একদিন ঘোষণা করে বসে যে, রাসূল -এর সাথে নুবুওয়াতের ব্যাপারে তাকেও শরীক করা হয়েছে। ফলে নিজেকেও ওহিপ্রাপ্ত নবি দাবি করে নিজ জাতির জন্য মদ ও ব্যভিচার হালাল ঘোষণা করে সে। তার কারণে অনেক ফিতনার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে তার জাতিকে। এমনকি নবি জীবিত থাকতেই তাদের অনেকে মুসাইলিমার মিথ্যে মতাদর্শ গ্রহণ করে নেয়।
রাসূল -এর মৃত্যুর সময়ও মুসাইলিমার কর্মকাণ্ড চলমান ছিল। খলীফা আবূ বকর (রদিয়াল্লাহু আনহু) নিজ শাসনামলে তাকে চূড়ান্ত শাস্তি দেন। খালিদ ইবনুল ওয়ালীদ (রদিয়াল্লাহু আনহু)-এর নেতৃত্বে একটি বাহিনীকে পাঠান মুসাইলিমা-বাহিনীকে শেষ করে দিয়ে আসতে। প্রচণ্ড যুদ্ধ বেঁধে যায় উভয় পক্ষের মাঝে। অতীত জীবনে হামযা (রদিয়াল্লাহু আনহু)-কে হত্যা করে কুখ্যাতি কুড়ানো ওয়াহশি ইবনু হারব (রদিয়াল্লাহু আনহু) এখন এক মুসলিম মুজাহিদ। আল্লাহর রহমতে তিনিই এবার লাভ করেন ভণ্ড নবিকে হত্যা করার সুউচ্চ মর্যাদা।
টিকাঃ
[৫২৩] বুখারি, ৪৩৭৩।
বানূ হানীফাও নবম হিজরিতেই সাক্ষাতে আসে। সতেরো সদস্যের দলটি মদীনায় এসে রাসূলুল্লাহ -এর হাতে মুসলিম হন। নবি-দাবিদার কুখ্যাত মিথ্যুক মুসাইলিমাও সেখানে ছিল। তবে সে-ও অন্যদের সাথে ইসলাম গ্রহণ করেছিল, নাকি নবিজির সাথে দেখা না করে তাঁবুতেই বসে ছিল-এ নিয়ে মতপার্থক্য আছে। কিছু সূত্রে এমনও উল্লেখ করা হয় যে, ইসলাম গ্রহণের বিনিময়ে সে নবি -এর উত্তরাধিকারী হওয়ার বায়না ধরে।
এই প্রতিনিধিদলটি আসার আগে নবি একটি স্বপ্ন দেখেন। দেখেন যে, তাঁর কাছে অনেক ধনসম্পদ নিয়ে আসা হয়েছে। সেখান থেকে স্বর্ণের দুটি বালা এনে নবি -এর দু-হাতে পরিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু প্রচণ্ড ব্যথা লাগতে থাকে তাঁর হাতে। আদেশ করা হয় বালা দুটিতে ফুঁ দিতে। তিনি ফুৎকার দিতেই বালা দুটো খুলে পড়ে যায়। নবি সাহাবিদের বলেন যে, বালা দুটো তাঁর পরে আসন্ন দু'জন মিথ্যে নবি দাবিদারের প্রতীক।
সাহাবি সাবিদ ইবনু কাইস (রদিয়াল্লাহু আনহু)-এর সাথে একবার হাঁটছিলেন রাসূল । এমন সময় দেখা হয় প্রথম মিথ্যকের সাথে। মুসাইলিমা কাযযাব। সাঙ্গপাঙ্গ নিয়ে এসে দাম্ভিক ভঙ্গিতে মুসাইলিমা বলে, "চাইলে আপনি রাষ্ট্রপ্রধান থাকতে পারেন। তবে আমাকে আপনার খলীফা বানিয়ে যেতে হবে।”
নবি -এর হাতে ছোট একটি খেজুরের থোকা ছিল। সেটি দেখিয়ে তিনি বলেন, “যদি এটিও চাও আমি তোমাকে তাও দেবো না। আল্লাহর ফায়সালা থেকে তো পালাতে পারবে না। যদি মুখ ফিরিয়ে নাও, তাহলে আল্লাহ তোমায় ধ্বংস করে দেবেন। আল্লাহর শপথ! তোমাকে নিয়ে আমি স্বপ্নে যা দেখার তা দেখেছি। ইনি সাবিত ইবনু কাইস। আমার পক্ষ থেকে ইনিই তোমার জবাব দেবেন। তারপর নবি ফিরে আসেন।”
প্রতিনিধিদল ফিরে আসার পর মুসাইলিমা কিছুদিন চুপচাপ থাকে। তারপর হঠাৎ একদিন ঘোষণা করে বসে যে, রাসূল -এর সাথে নুবুওয়াতের ব্যাপারে তাকেও শরীক করা হয়েছে। ফলে নিজেকেও ওহিপ্রাপ্ত নবি দাবি করে নিজ জাতির জন্য মদ ও ব্যভিচার হালাল ঘোষণা করে সে। তার কারণে অনেক ফিতনার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে তার জাতিকে। এমনকি নবি জীবিত থাকতেই তাদের অনেকে মুসাইলিমার মিথ্যে মতাদর্শ গ্রহণ করে নেয়।
রাসূল -এর মৃত্যুর সময়ও মুসাইলিমার কর্মকাণ্ড চলমান ছিল। খলীফা আবূ বকর (রদিয়াল্লাহু আনহু) নিজ শাসনামলে তাকে চূড়ান্ত শাস্তি দেন। খালিদ ইবনুল ওয়ালীদ (রদিয়াল্লাহু আনহু)-এর নেতৃত্বে একটি বাহিনীকে পাঠান মুসাইলিমা-বাহিনীকে শেষ করে দিয়ে আসতে। প্রচণ্ড যুদ্ধ বেঁধে যায় উভয় পক্ষের মাঝে। অতীত জীবনে হামযা (রদিয়াল্লাহু আনহু)-কে হত্যা করে কুখ্যাতি কুড়ানো ওয়াহশি ইবনু হারব (রদিয়াল্লাহু আনহু) এখন এক মুসলিম মুজাহিদ। আল্লাহর রহমতে তিনিই এবার লাভ করেন ভণ্ড নবিকে হত্যা করার সুউচ্চ মর্যাদা।
টিকাঃ
[৫২৩] বুখারি, ৪৩৭৩।
বানূ হানীফাও নবম হিজরিতেই সাক্ষাতে আসে। সতেরো সদস্যের দলটি মদীনায় এসে রাসূলুল্লাহ -এর হাতে মুসলিম হন। নবি-দাবিদার কুখ্যাত মিথ্যুক মুসাইলিমাও সেখানে ছিল। তবে সে-ও অন্যদের সাথে ইসলাম গ্রহণ করেছিল, নাকি নবিজির সাথে দেখা না করে তাঁবুতেই বসে ছিল-এ নিয়ে মতপার্থক্য আছে। কিছু সূত্রে এমনও উল্লেখ করা হয় যে, ইসলাম গ্রহণের বিনিময়ে সে নবি -এর উত্তরাধিকারী হওয়ার বায়না ধরে।
এই প্রতিনিধিদলটি আসার আগে নবি একটি স্বপ্ন দেখেন। দেখেন যে, তাঁর কাছে অনেক ধনসম্পদ নিয়ে আসা হয়েছে। সেখান থেকে স্বর্ণের দুটি বালা এনে নবি -এর দু-হাতে পরিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু প্রচণ্ড ব্যথা লাগতে থাকে তাঁর হাতে। আদেশ করা হয় বালা দুটিতে ফুঁ দিতে। তিনি ফুৎকার দিতেই বালা দুটো খুলে পড়ে যায়। নবি সাহাবিদের বলেন যে, বালা দুটো তাঁর পরে আসন্ন দু'জন মিথ্যে নবি দাবিদারের প্রতীক।
সাহাবি সাবিদ ইবনু কাইস (রদিয়াল্লাহু আনহু)-এর সাথে একবার হাঁটছিলেন রাসূল । এমন সময় দেখা হয় প্রথম মিথ্যকের সাথে। মুসাইলিমা কাযযাব। সাঙ্গপাঙ্গ নিয়ে এসে দাম্ভিক ভঙ্গিতে মুসাইলিমা বলে, "চাইলে আপনি রাষ্ট্রপ্রধান থাকতে পারেন। তবে আমাকে আপনার খলীফা বানিয়ে যেতে হবে।”
নবি -এর হাতে ছোট একটি খেজুরের থোকা ছিল। সেটি দেখিয়ে তিনি বলেন, “যদি এটিও চাও আমি তোমাকে তাও দেবো না। আল্লাহর ফায়সালা থেকে তো পালাতে পারবে না। যদি মুখ ফিরিয়ে নাও, তাহলে আল্লাহ তোমায় ধ্বংস করে দেবেন। আল্লাহর শপথ! তোমাকে নিয়ে আমি স্বপ্নে যা দেখার তা দেখেছি। ইনি সাবিত ইবনু কাইস। আমার পক্ষ থেকে ইনিই তোমার জবাব দেবেন। তারপর নবি ফিরে আসেন।”
প্রতিনিধিদল ফিরে আসার পর মুসাইলিমা কিছুদিন চুপচাপ থাকে। তারপর হঠাৎ একদিন ঘোষণা করে বসে যে, রাসূল -এর সাথে নুবুওয়াতের ব্যাপারে তাকেও শরীক করা হয়েছে। ফলে নিজেকেও ওহিপ্রাপ্ত নবি দাবি করে নিজ জাতির জন্য মদ ও ব্যভিচার হালাল ঘোষণা করে সে। তার কারণে অনেক ফিতনার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে তার জাতিকে। এমনকি নবি জীবিত থাকতেই তাদের অনেকে মুসাইলিমার মিথ্যে মতাদর্শ গ্রহণ করে নেয়।
রাসূল -এর মৃত্যুর সময়ও মুসাইলিমার কর্মকাণ্ড চলমান ছিল। খলীফা আবূ বকর (রদিয়াল্লাহু আনহু) নিজ শাসনামলে তাকে চূড়ান্ত শাস্তি দেন। খালিদ ইবনুল ওয়ালীদ (রদিয়াল্লাহু আনহু)-এর নেতৃত্বে একটি বাহিনীকে পাঠান মুসাইলিমা-বাহিনীকে শেষ করে দিয়ে আসতে। প্রচণ্ড যুদ্ধ বেঁধে যায় উভয় পক্ষের মাঝে। অতীত জীবনে হামযা (রদিয়াল্লাহু আনহু)-কে হত্যা করে কুখ্যাতি কুড়ানো ওয়াহশি ইবনু হারব (রদিয়াল্লাহু আনহু) এখন এক মুসলিম মুজাহিদ। আল্লাহর রহমতে তিনিই এবার লাভ করেন ভণ্ড নবিকে হত্যা করার সুউচ্চ মর্যাদা।
টিকাঃ
[৫২৩] বুখারি, ৪৩৭৩।
বানূ হানীফাও নবম হিজরিতেই সাক্ষাতে আসে। সতেরো সদস্যের দলটি মদীনায় এসে রাসূলুল্লাহ -এর হাতে মুসলিম হন। নবি-দাবিদার কুখ্যাত মিথ্যুক মুসাইলিমাও সেখানে ছিল। তবে সে-ও অন্যদের সাথে ইসলাম গ্রহণ করেছিল, নাকি নবিজির সাথে দেখা না করে তাঁবুতেই বসে ছিল-এ নিয়ে মতপার্থক্য আছে। কিছু সূত্রে এমনও উল্লেখ করা হয় যে, ইসলাম গ্রহণের বিনিময়ে সে নবি -এর উত্তরাধিকারী হওয়ার বায়না ধরে।
এই প্রতিনিধিদলটি আসার আগে নবি একটি স্বপ্ন দেখেন। দেখেন যে, তাঁর কাছে অনেক ধনসম্পদ নিয়ে আসা হয়েছে। সেখান থেকে স্বর্ণের দুটি বালা এনে নবি -এর দু-হাতে পরিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু প্রচণ্ড ব্যথা লাগতে থাকে তাঁর হাতে। আদেশ করা হয় বালা দুটিতে ফুঁ দিতে। তিনি ফুৎকার দিতেই বালা দুটো খুলে পড়ে যায়। নবি সাহাবিদের বলেন যে, বালা দুটো তাঁর পরে আসন্ন দু'জন মিথ্যে নবি দাবিদারের প্রতীক।
সাহাবি সাবিদ ইবনু কাইস (রদিয়াল্লাহু আনহু)-এর সাথে একবার হাঁটছিলেন রাসূল । এমন সময় দেখা হয় প্রথম মিথ্যকের সাথে। মুসাইলিমা কাযযাব। সাঙ্গপাঙ্গ নিয়ে এসে দাম্ভিক ভঙ্গিতে মুসাইলিমা বলে, "চাইলে আপনি রাষ্ট্রপ্রধান থাকতে পারেন। তবে আমাকে আপনার খলীফা বানিয়ে যেতে হবে।”
নবি -এর হাতে ছোট একটি খেজুরের থোকা ছিল। সেটি দেখিয়ে তিনি বলেন, “যদি এটিও চাও আমি তোমাকে তাও দেবো না। আল্লাহর ফায়সালা থেকে তো পালাতে পারবে না। যদি মুখ ফিরিয়ে নাও, তাহলে আল্লাহ তোমায় ধ্বংস করে দেবেন। আল্লাহর শপথ! তোমাকে নিয়ে আমি স্বপ্নে যা দেখার তা দেখেছি। ইনি সাবিত ইবনু কাইস। আমার পক্ষ থেকে ইনিই তোমার জবাব দেবেন। তারপর নবি ফিরে আসেন।”
প্রতিনিধিদল ফিরে আসার পর মুসাইলিমা কিছুদিন চুপচাপ থাকে। তারপর হঠাৎ একদিন ঘোষণা করে বসে যে, রাসূল -এর সাথে নুবুওয়াতের ব্যাপারে তাকেও শরীক করা হয়েছে। ফলে নিজেকেও ওহিপ্রাপ্ত নবি দাবি করে নিজ জাতির জন্য মদ ও ব্যভিচার হালাল ঘোষণা করে সে। তার কারণে অনেক ফিতনার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে তার জাতিকে। এমনকি নবি জীবিত থাকতেই তাদের অনেকে মুসাইলিমার মিথ্যে মতাদর্শ গ্রহণ করে নেয়।
রাসূল -এর মৃত্যুর সময়ও মুসাইলিমার কর্মকাণ্ড চলমান ছিল। খলীফা আবূ বকর (রদিয়াল্লাহু আনহু) নিজ শাসনামলে তাকে চূড়ান্ত শাস্তি দেন। খালিদ ইবনুল ওয়ালীদ (রদিয়াল্লাহু আনহু)-এর নেতৃত্বে একটি বাহিনীকে পাঠান মুসাইলিমা-বাহিনীকে শেষ করে দিয়ে আসতে। প্রচণ্ড যুদ্ধ বেঁধে যায় উভয় পক্ষের মাঝে। অতীত জীবনে হামযা (রদিয়াল্লাহু আনহু)-কে হত্যা করে কুখ্যাতি কুড়ানো ওয়াহশি ইবনু হারব (রদিয়াল্লাহু আনহু) এখন এক মুসলিম মুজাহিদ। আল্লাহর রহমতে তিনিই এবার লাভ করেন ভণ্ড নবিকে হত্যা করার সুউচ্চ মর্যাদা।
টিকাঃ
[৫২৩] বুখারি, ৪৩৭৩।
বানূ হানীফাও নবম হিজরিতেই সাক্ষাতে আসে। সতেরো সদস্যের দলটি মদীনায় এসে রাসূলুল্লাহ -এর হাতে মুসলিম হন। নবি-দাবিদার কুখ্যাত মিথ্যুক মুসাইলিমাও সেখানে ছিল। তবে সে-ও অন্যদের সাথে ইসলাম গ্রহণ করেছিল, নাকি নবিজির সাথে দেখা না করে তাঁবুতেই বসে ছিল-এ নিয়ে মতপার্থক্য আছে। কিছু সূত্রে এমনও উল্লেখ করা হয় যে, ইসলাম গ্রহণের বিনিময়ে সে নবি -এর উত্তরাধিকারী হওয়ার বায়না ধরে।
এই প্রতিনিধিদলটি আসার আগে নবি একটি স্বপ্ন দেখেন। দেখেন যে, তাঁর কাছে অনেক ধনসম্পদ নিয়ে আসা হয়েছে। সেখান থেকে স্বর্ণের দুটি বালা এনে নবি -এর দু-হাতে পরিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু প্রচণ্ড ব্যথা লাগতে থাকে তাঁর হাতে। আদেশ করা হয় বালা দুটিতে ফুঁ দিতে। তিনি ফুৎকার দিতেই বালা দুটো খুলে পড়ে যায়। নবি সাহাবিদের বলেন যে, বালা দুটো তাঁর পরে আসন্ন দু'জন মিথ্যে নবি দাবিদারের প্রতীক।
সাহাবি সাবিদ ইবনু কাইস (রদিয়াল্লাহু আনহু)-এর সাথে একবার হাঁটছিলেন রাসূল । এমন সময় দেখা হয় প্রথম মিথ্যকের সাথে। মুসাইলিমা কাযযাব। সাঙ্গপাঙ্গ নিয়ে এসে দাম্ভিক ভঙ্গিতে মুসাইলিমা বলে, "চাইলে আপনি রাষ্ট্রপ্রধান থাকতে পারেন। তবে আমাকে আপনার খলীফা বানিয়ে যেতে হবে।”
নবি -এর হাতে ছোট একটি খেজুরের থোকা ছিল। সেটি দেখিয়ে তিনি বলেন, “যদি এটিও চাও আমি তোমাকে তাও দেবো না। আল্লাহর ফায়সালা থেকে তো পালাতে পারবে না। যদি মুখ ফিরিয়ে নাও, তাহলে আল্লাহ তোমায় ধ্বংস করে দেবেন। আল্লাহর শপথ! তোমাকে নিয়ে আমি স্বপ্নে যা দেখার তা দেখেছি। ইনি সাবিত ইবনু কাইস। আমার পক্ষ থেকে ইনিই তোমার জবাব দেবেন। তারপর নবি ফিরে আসেন।”
প্রতিনিধিদল ফিরে আসার পর মুসাইলিমা কিছুদিন চুপচাপ থাকে। তারপর হঠাৎ একদিন ঘোষণা করে বসে যে, রাসূল -এর সাথে নুবুওয়াতের ব্যাপারে তাকেও শরীক করা হয়েছে। ফলে নিজেকেও ওহিপ্রাপ্ত নবি দাবি করে নিজ জাতির জন্য মদ ও ব্যভিচার হালাল ঘোষণা করে সে। তার কারণে অনেক ফিতনার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে তার জাতিকে। এমনকি নবি জীবিত থাকতেই তাদের অনেকে মুসাইলিমার মিথ্যে মতাদর্শ গ্রহণ করে নেয়।
রাসূল -এর মৃত্যুর সময়ও মুসাইলিমার কর্মকাণ্ড চলমান ছিল। খলীফা আবূ বকর (রদিয়াল্লাহু আনহু) নিজ শাসনামলে তাকে চূড়ান্ত শাস্তি দেন। খালিদ ইবনুল ওয়ালীদ (রদিয়াল্লাহু আনহু)-এর নেতৃত্বে একটি বাহিনীকে পাঠান মুসাইলিমা-বাহিনীকে শেষ করে দিয়ে আসতে। প্রচণ্ড যুদ্ধ বেঁধে যায় উভয় পক্ষের মাঝে। অতীত জীবনে হামযা (রদিয়াল্লাহু আনহু)-কে হত্যা করে কুখ্যাতি কুড়ানো ওয়াহশি ইবনু হারব (রদিয়াল্লাহু আনহু) এখন এক মুসলিম মুজাহিদ। আল্লাহর রহমতে তিনিই এবার লাভ করেন ভণ্ড নবিকে হত্যা করার সুউচ্চ মর্যাদা।
টিকাঃ
[৫২৩] বুখারি, ৪৩৭৩।
📄 হিমইয়ারের রাজাদের প্রতিনিধি
হিমইয়ারের তিন রাজা—হারিস ইবনু আবদি কুলাল, নুআইম ইবনু আবদি কুলাল এবং নু'মান। নবি তাবুক থেকে ফেরার পর মালিক ইবনু মুররাহ তাঁর কাছে একটি চিঠি নিয়ে আসেন রাজাত্রয়ের পক্ষ থেকে। হামদানের শাসকদের পাঠানো আরেকটি চিঠিও ছিল তার হাতে। সব কয়জন শাসক নিজেদের ইসলাম গ্রহণের কথা লিখেছেন চিঠিতে। রদিয়াল্লাহু আনহুম। ফিরতি চিঠিতে নবি মুসলিম হিসেবে তাদের দায়িত্ব ও অধিকার ব্যাখ্যা করে দেন।
প্রতিনিধিদলটির সাথে মুআয ইবনু জাবাল (রদিয়াল্লাহু আনহু)-সহ আরও কয়েকজন সাহাবিকে নবি প্রেরণ করেন সেখানকার বিচারক ও সামরিক নেতা হিসেবে কাজ করতে। সেই এলাকার (অর্থাৎ ইয়েমেনের ওপরের দিকের) যাকাত সংগ্রহের তদারকি এবং সালাতের ইমামতি করার দায়িত্বও পান তারা।
আবূ মূসা আশআরি (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-কে পাঠানো হয় ইয়েমেনের নিচের দিকে- যুবাইদ, মারিব, যামআ এবং উপকূলীয় অঞ্চলে। নবি দু'জনকেই উপদেশ দেন, "তোমরা দু'জনে সহজ করবে, কঠিন করবে না। সুসংবাদ দেবে, ভয় দেখাবে না। দু'জনে মিলেমিশে থাকবে, মতবিরোধ করবে না।”
নবি এর মৃত্যু পর্যন্ত মুআয (রদিয়াল্লাহু আনহু) ইয়েমেনেই থাকেন। আর আবূ মূসা আশআরি (রদিয়াল্লাহু আনহু) বিদায় হাজ্জের সময় একবার দেখা করতে এসেছিলেন।
টিকাঃ
[৫২৪] বুখারি, ৩০৩৮।
হিমইয়ারের তিন রাজা—হারিস ইবনু আবদি কুলাল, নুআইম ইবনু আবদি কুলাল এবং নু'মান। নবি তাবুক থেকে ফেরার পর মালিক ইবনু মুররাহ তাঁর কাছে একটি চিঠি নিয়ে আসেন রাজাত্রয়ের পক্ষ থেকে। হামদানের শাসকদের পাঠানো আরেকটি চিঠিও ছিল তার হাতে। সব কয়জন শাসক নিজেদের ইসলাম গ্রহণের কথা লিখেছেন চিঠিতে। রদিয়াল্লাহু আনহুম। ফিরতি চিঠিতে নবি মুসলিম হিসেবে তাদের দায়িত্ব ও অধিকার ব্যাখ্যা করে দেন।
প্রতিনিধিদলটির সাথে মুআয ইবনু জাবাল (রদিয়াল্লাহু আনহু)-সহ আরও কয়েকজন সাহাবিকে নবি প্রেরণ করেন সেখানকার বিচারক ও সামরিক নেতা হিসেবে কাজ করতে। সেই এলাকার (অর্থাৎ ইয়েমেনের ওপরের দিকের) যাকাত সংগ্রহের তদারকি এবং সালাতের ইমামতি করার দায়িত্বও পান তারা।
আবূ মূসা আশআরি (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-কে পাঠানো হয় ইয়েমেনের নিচের দিকে- যুবাইদ, মারিব, যামআ এবং উপকূলীয় অঞ্চলে। নবি দু'জনকেই উপদেশ দেন, "তোমরা দু'জনে সহজ করবে, কঠিন করবে না। সুসংবাদ দেবে, ভয় দেখাবে না। দু'জনে মিলেমিশে থাকবে, মতবিরোধ করবে না।”
নবি এর মৃত্যু পর্যন্ত মুআয (রদিয়াল্লাহু আনহু) ইয়েমেনেই থাকেন। আর আবূ মূসা আশআরি (রদিয়াল্লাহু আনহু) বিদায় হাজ্জের সময় একবার দেখা করতে এসেছিলেন।
টিকাঃ
[৫২৪] বুখারি, ৩০৩৮।
হিমইয়ারের তিন রাজা—হারিস ইবনু আবদি কুলাল, নুআইম ইবনু আবদি কুলাল এবং নু'মান। নবি তাবুক থেকে ফেরার পর মালিক ইবনু মুররাহ তাঁর কাছে একটি চিঠি নিয়ে আসেন রাজাত্রয়ের পক্ষ থেকে। হামদানের শাসকদের পাঠানো আরেকটি চিঠিও ছিল তার হাতে। সব কয়জন শাসক নিজেদের ইসলাম গ্রহণের কথা লিখেছেন চিঠিতে। রদিয়াল্লাহু আনহুম। ফিরতি চিঠিতে নবি মুসলিম হিসেবে তাদের দায়িত্ব ও অধিকার ব্যাখ্যা করে দেন।
প্রতিনিধিদলটির সাথে মুআয ইবনু জাবাল (রদিয়াল্লাহু আনহু)-সহ আরও কয়েকজন সাহাবিকে নবি প্রেরণ করেন সেখানকার বিচারক ও সামরিক নেতা হিসেবে কাজ করতে। সেই এলাকার (অর্থাৎ ইয়েমেনের ওপরের দিকের) যাকাত সংগ্রহের তদারকি এবং সালাতের ইমামতি করার দায়িত্বও পান তারা।
আবূ মূসা আশআরি (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-কে পাঠানো হয় ইয়েমেনের নিচের দিকে- যুবাইদ, মারিব, যামআ এবং উপকূলীয় অঞ্চলে। নবি দু'জনকেই উপদেশ দেন, "তোমরা দু'জনে সহজ করবে, কঠিন করবে না। সুসংবাদ দেবে, ভয় দেখাবে না। দু'জনে মিলেমিশে থাকবে, মতবিরোধ করবে না।”
নবি এর মৃত্যু পর্যন্ত মুআয (রদিয়াল্লাহু আনহু) ইয়েমেনেই থাকেন। আর আবূ মূসা আশআরি (রদিয়াল্লাহু আনহু) বিদায় হাজ্জের সময় একবার দেখা করতে এসেছিলেন।
টিকাঃ
[৫২৪] বুখারি, ৩০৩৮।
হিমইয়ারের তিন রাজা—হারিস ইবনু আবদি কুলাল, নুআইম ইবনু আবদি কুলাল এবং নু'মান। নবি তাবুক থেকে ফেরার পর মালিক ইবনু মুররাহ তাঁর কাছে একটি চিঠি নিয়ে আসেন রাজাত্রয়ের পক্ষ থেকে। হামদানের শাসকদের পাঠানো আরেকটি চিঠিও ছিল তার হাতে। সব কয়জন শাসক নিজেদের ইসলাম গ্রহণের কথা লিখেছেন চিঠিতে। রদিয়াল্লাহু আনহুম। ফিরতি চিঠিতে নবি মুসলিম হিসেবে তাদের দায়িত্ব ও অধিকার ব্যাখ্যা করে দেন।
প্রতিনিধিদলটির সাথে মুআয ইবনু জাবাল (রদিয়াল্লাহু আনহু)-সহ আরও কয়েকজন সাহাবিকে নবি প্রেরণ করেন সেখানকার বিচারক ও সামরিক নেতা হিসেবে কাজ করতে। সেই এলাকার (অর্থাৎ ইয়েমেনের ওপরের দিকের) যাকাত সংগ্রহের তদারকি এবং সালাতের ইমামতি করার দায়িত্বও পান তারা।
আবূ মূসা আশআরি (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-কে পাঠানো হয় ইয়েমেনের নিচের দিকে- যুবাইদ, মারিব, যামআ এবং উপকূলীয় অঞ্চলে। নবি দু'জনকেই উপদেশ দেন, "তোমরা দু'জনে সহজ করবে, কঠিন করবে না। সুসংবাদ দেবে, ভয় দেখাবে না। দু'জনে মিলেমিশে থাকবে, মতবিরোধ করবে না।”
নবি এর মৃত্যু পর্যন্ত মুআয (রদিয়াল্লাহু আনহু) ইয়েমেনেই থাকেন। আর আবূ মূসা আশআরি (রদিয়াল্লাহু আনহু) বিদায় হাজ্জের সময় একবার দেখা করতে এসেছিলেন।
টিকাঃ
[৫২৪] বুখারি, ৩০৩৮।
হিমইয়ারের তিন রাজা—হারিস ইবনু আবদি কুলাল, নুআইম ইবনু আবদি কুলাল এবং নু'মান। নবি তাবুক থেকে ফেরার পর মালিক ইবনু মুররাহ তাঁর কাছে একটি চিঠি নিয়ে আসেন রাজাত্রয়ের পক্ষ থেকে। হামদানের শাসকদের পাঠানো আরেকটি চিঠিও ছিল তার হাতে। সব কয়জন শাসক নিজেদের ইসলাম গ্রহণের কথা লিখেছেন চিঠিতে। রদিয়াল্লাহু আনহুম। ফিরতি চিঠিতে নবি মুসলিম হিসেবে তাদের দায়িত্ব ও অধিকার ব্যাখ্যা করে দেন।
প্রতিনিধিদলটির সাথে মুআয ইবনু জাবাল (রদিয়াল্লাহু আনহু)-সহ আরও কয়েকজন সাহাবিকে নবি প্রেরণ করেন সেখানকার বিচারক ও সামরিক নেতা হিসেবে কাজ করতে। সেই এলাকার (অর্থাৎ ইয়েমেনের ওপরের দিকের) যাকাত সংগ্রহের তদারকি এবং সালাতের ইমামতি করার দায়িত্বও পান তারা।
আবূ মূসা আশআরি (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-কে পাঠানো হয় ইয়েমেনের নিচের দিকে- যুবাইদ, মারিব, যামআ এবং উপকূলীয় অঞ্চলে। নবি দু'জনকেই উপদেশ দেন, "তোমরা দু'জনে সহজ করবে, কঠিন করবে না। সুসংবাদ দেবে, ভয় দেখাবে না। দু'জনে মিলেমিশে থাকবে, মতবিরোধ করবে না।”
নবি এর মৃত্যু পর্যন্ত মুআয (রদিয়াল্লাহু আনহু) ইয়েমেনেই থাকেন। আর আবূ মূসা আশআরি (রদিয়াল্লাহু আনহু) বিদায় হাজ্জের সময় একবার দেখা করতে এসেছিলেন।
টিকাঃ
[৫২৪] বুখারি, ৩০৩৮।
📄 হামদানের প্রতিনিধিদল
হামদান ইয়েমেনের প্রসিদ্ধ একটি গোত্র। ৯ম হিজরিতে নবি তাবুক থেকে ফেরার পর তাদের প্রতিনিধিদল মদীনায় আসে। হামদানের প্রতিনিধিদলে ছিলেন বিখ্যাত কবি মালিক ইবনু নামাত (রদিয়াল্লাহু আনহু)। নবি -এর প্রশংসায় তিনি লেখেন:
ওই যে মিনায় তওয়াফরত নারীর যিনি রব,
যার ইবাদত করে কারদাদের কাফেলা সব,
সেই রবেরই কসম খেয়ে বলছি আমি সবই,
মেনে নিলাম আমরা তাঁকে সত্য যিনি নবি।
আরশপতির হিদায়াতের বার্তাবাহক তিনি,
রণক্ষেত্রে উটের পিঠেও শক্তিশালী যিনি।
নবি যারা ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন তাদের আমীর হিসেবে নিযুক্ত করেন মালিক ইবনু নামাত (রদিয়াল্লাহু আনহু)-কে। আর বাকিদের দাওয়াত প্রদানের জন্য পাঠান খালিদ ইবনুল ওয়ালীদ (রদিয়াল্লাহু আনহু)-কে। ছয় মাস যাবৎ ইসলাম প্রচারের চেষ্টা করেও তেমন সাফল্য আসেনি। এবার নবি খালিদকে ফেরত আনিয়ে আলি (রদিয়াল্লাহু আনহু)-কে পাঠান সেখানে। তিনি নবিজির লেখা চিঠি পড়ে শুনিয়ে হামদানবাসীকে ইসলামের দিকে আহ্বান করেন। অবশেষে কাজ হয়। মুসলিম হয়ে যায় হামদানবাসীরা। সুসংবাদটি পেয়ে নবি সাজদায় লুটিয়ে পড়েন। মাথা তুলে বলেন, “হামদানের ওপর শান্তি বর্ষিত হোক! হামদানের ওপর শান্তি বর্ষিত হোক!”
টিকাঃ
[৫২৫] যাদুল মাআদ, ৩/৫৪৪; যাহাবি, তারীখুল ইসলাম, ২/৬৯০।
হামদান ইয়েমেনের প্রসিদ্ধ একটি গোত্র। ৯ম হিজরিতে নবি তাবুক থেকে ফেরার পর তাদের প্রতিনিধিদল মদীনায় আসে। হামদানের প্রতিনিধিদলে ছিলেন বিখ্যাত কবি মালিক ইবনু নামাত (রদিয়াল্লাহু আনহু)। নবি -এর প্রশংসায় তিনি লেখেন:
ওই যে মিনায় তওয়াফরত নারীর যিনি রব,
যার ইবাদত করে কারদাদের কাফেলা সব,
সেই রবেরই কসম খেয়ে বলছি আমি সবই,
মেনে নিলাম আমরা তাঁকে সত্য যিনি নবি।
আরশপতির হিদায়াতের বার্তাবাহক তিনি,
রণক্ষেত্রে উটের পিঠেও শক্তিশালী যিনি।
নবি যারা ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন তাদের আমীর হিসেবে নিযুক্ত করেন মালিক ইবনু নামাত (রদিয়াল্লাহু আনহু)-কে। আর বাকিদের দাওয়াত প্রদানের জন্য পাঠান খালিদ ইবনুল ওয়ালীদ (রদিয়াল্লাহু আনহু)-কে। ছয় মাস যাবৎ ইসলাম প্রচারের চেষ্টা করেও তেমন সাফল্য আসেনি। এবার নবি খালিদকে ফেরত আনিয়ে আলি (রদিয়াল্লাহু আনহু)-কে পাঠান সেখানে। তিনি নবিজির লেখা চিঠি পড়ে শুনিয়ে হামদানবাসীকে ইসলামের দিকে আহ্বান করেন। অবশেষে কাজ হয়। মুসলিম হয়ে যায় হামদানবাসীরা। সুসংবাদটি পেয়ে নবি সাজদায় লুটিয়ে পড়েন। মাথা তুলে বলেন, “হামদানের ওপর শান্তি বর্ষিত হোক! হামদানের ওপর শান্তি বর্ষিত হোক!”
টিকাঃ
[৫২৫] যাদুল মাআদ, ৩/৫৪৪; যাহাবি, তারীখুল ইসলাম, ২/৬৯০।
হামদান ইয়েমেনের প্রসিদ্ধ একটি গোত্র। ৯ম হিজরিতে নবি তাবুক থেকে ফেরার পর তাদের প্রতিনিধিদল মদীনায় আসে। হামদানের প্রতিনিধিদলে ছিলেন বিখ্যাত কবি মালিক ইবনু নামাত (রদিয়াল্লাহু আনহু)। নবি -এর প্রশংসায় তিনি লেখেন:
ওই যে মিনায় তওয়াফরত নারীর যিনি রব,
যার ইবাদত করে কারদাদের কাফেলা সব,
সেই রবেরই কসম খেয়ে বলছি আমি সবই,
মেনে নিলাম আমরা তাঁকে সত্য যিনি নবি।
আরশপতির হিদায়াতের বার্তাবাহক তিনি,
রণক্ষেত্রে উটের পিঠেও শক্তিশালী যিনি।
নবি যারা ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন তাদের আমীর হিসেবে নিযুক্ত করেন মালিক ইবনু নামাত (রদিয়াল্লাহু আনহু)-কে। আর বাকিদের দাওয়াত প্রদানের জন্য পাঠান খালিদ ইবনুল ওয়ালীদ (রদিয়াল্লাহু আনহু)-কে। ছয় মাস যাবৎ ইসলাম প্রচারের চেষ্টা করেও তেমন সাফল্য আসেনি। এবার নবি খালিদকে ফেরত আনিয়ে আলি (রদিয়াল্লাহু আনহু)-কে পাঠান সেখানে। তিনি নবিজির লেখা চিঠি পড়ে শুনিয়ে হামদানবাসীকে ইসলামের দিকে আহ্বান করেন। অবশেষে কাজ হয়। মুসলিম হয়ে যায় হামদানবাসীরা। সুসংবাদটি পেয়ে নবি সাজদায় লুটিয়ে পড়েন। মাথা তুলে বলেন, “হামদানের ওপর শান্তি বর্ষিত হোক! হামদানের ওপর শান্তি বর্ষিত হোক!”
টিকাঃ
[৫২৫] যাদুল মাআদ, ৩/৫৪৪; যাহাবি, তারীখুল ইসলাম, ২/৬৯০।
হামদান ইয়েমেনের প্রসিদ্ধ একটি গোত্র। ৯ম হিজরিতে নবি তাবুক থেকে ফেরার পর তাদের প্রতিনিধিদল মদীনায় আসে। হামদানের প্রতিনিধিদলে ছিলেন বিখ্যাত কবি মালিক ইবনু নামাত (রদিয়াল্লাহু আনহু)। নবি -এর প্রশংসায় তিনি লেখেন:
ওই যে মিনায় তওয়াফরত নারীর যিনি রব,
যার ইবাদত করে কারদাদের কাফেলা সব,
সেই রবেরই কসম খেয়ে বলছি আমি সবই,
মেনে নিলাম আমরা তাঁকে সত্য যিনি নবি।
আরশপতির হিদায়াতের বার্তাবাহক তিনি,
রণক্ষেত্রে উটের পিঠেও শক্তিশালী যিনি।
নবি যারা ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন তাদের আমীর হিসেবে নিযুক্ত করেন মালিক ইবনু নামাত (রদিয়াল্লাহু আনহু)-কে। আর বাকিদের দাওয়াত প্রদানের জন্য পাঠান খালিদ ইবনুল ওয়ালীদ (রদিয়াল্লাহু আনহু)-কে। ছয় মাস যাবৎ ইসলাম প্রচারের চেষ্টা করেও তেমন সাফল্য আসেনি। এবার নবি খালিদকে ফেরত আনিয়ে আলি (রদিয়াল্লাহু আনহু)-কে পাঠান সেখানে। তিনি নবিজির লেখা চিঠি পড়ে শুনিয়ে হামদানবাসীকে ইসলামের দিকে আহ্বান করেন। অবশেষে কাজ হয়। মুসলিম হয়ে যায় হামদানবাসীরা। সুসংবাদটি পেয়ে নবি সাজদায় লুটিয়ে পড়েন। মাথা তুলে বলেন, “হামদানের ওপর শান্তি বর্ষিত হোক! হামদানের ওপর শান্তি বর্ষিত হোক!”
টিকাঃ
[৫২৫] যাদুল মাআদ, ৩/৫৪৪; যাহাবি, তারীখুল ইসলাম, ২/৬৯০।
হামদান ইয়েমেনের প্রসিদ্ধ একটি গোত্র। ৯ম হিজরিতে নবি তাবুক থেকে ফেরার পর তাদের প্রতিনিধিদল মদীনায় আসে। হামদানের প্রতিনিধিদলে ছিলেন বিখ্যাত কবি মালিক ইবনু নামাত (রদিয়াল্লাহু আনহু)। নবি -এর প্রশংসায় তিনি লেখেন:
ওই যে মিনায় তওয়াফরত নারীর যিনি রব,
যার ইবাদত করে কারদাদের কাফেলা সব,
সেই রবেরই কসম খেয়ে বলছি আমি সবই,
মেনে নিলাম আমরা তাঁকে সত্য যিনি নবি।
আরশপতির হিদায়াতের বার্তাবাহক তিনি,
রণক্ষেত্রে উটের পিঠেও শক্তিশালী যিনি।
নবি যারা ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন তাদের আমীর হিসেবে নিযুক্ত করেন মালিক ইবনু নামাত (রদিয়াল্লাহু আনহু)-কে। আর বাকিদের দাওয়াত প্রদানের জন্য পাঠান খালিদ ইবনুল ওয়ালীদ (রদিয়াল্লাহু আনহু)-কে। ছয় মাস যাবৎ ইসলাম প্রচারের চেষ্টা করেও তেমন সাফল্য আসেনি। এবার নবি খালিদকে ফেরত আনিয়ে আলি (রদিয়াল্লাহু আনহু)-কে পাঠান সেখানে। তিনি নবিজির লেখা চিঠি পড়ে শুনিয়ে হামদানবাসীকে ইসলামের দিকে আহ্বান করেন। অবশেষে কাজ হয়। মুসলিম হয়ে যায় হামদানবাসীরা। সুসংবাদটি পেয়ে নবি সাজদায় লুটিয়ে পড়েন। মাথা তুলে বলেন, “হামদানের ওপর শান্তি বর্ষিত হোক! হামদানের ওপর শান্তি বর্ষিত হোক!”
টিকাঃ
[৫২৫] যাদুল মাআদ, ৩/৫৪৪; যাহাবি, তারীখুল ইসলাম, ২/৬৯০।
📄 বানূ আবদিল মাদান গোত্রের প্রতিনিধিদল
দশম হিজরির রবীউল আউয়াল মাসে খালিদ ইবনুল ওয়ালীদ (রদিয়াল্লাহু আনহু)-কে পাঠানো হয় বানূ আবদিল মাদানের কাছে। ইয়েমেনের নাজরানে বসবাস করত তারা। রাসূল ﷺ খালিদকে বলে দেন তিন দিন যাবৎ তাদের ইসলামের দিকে আহ্বান করতে। এতে সাড়া না দিলে শক্তিপ্রয়োগে ইসলামি রাষ্ট্রের অনুগত করানো হবে তাদের।
খালিদ সেখানে পৌঁছে দিকে দিকে দূত পাঠিয়ে দেন। তারা এলাকাবাসীকে ডেকে বলেন, “জনগণ, ইসলাম গ্রহণ করুন, তাহলে শান্তি ও নিরাপত্তা লাভ করবেন।” সাথে সাথে ইসলাম কবুল করে নেয় গোত্রটি। খালিদ ও তার বাহিনী তখন তাদের ইসলামের মৌলিক বিষয়াদি শেখানোর কার্যক্রম শুরু করেন। নবি ﷺ-এর কাছে খবরও পাঠানো হয় সাফল্যের কথা জানিয়ে। তিনি খালিদকে বলেন সেখান থেকে একটি প্রতিনিধিদলকে মদীনায় নিয়ে আসতে। দলটি মদীনায় এলে নবিজি তাদের জিজ্ঞাসা করেন,
“তোমরা জাহিলি যুগে তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধকারীদের কীভাবে দমন করতে?” তারা জবাব দেন, “আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে থাকতাম, কেউ বিচ্ছিন্ন হতাম না। আর আমরা কারও প্রতি কোনও জুলুম করতাম না।” রাসূল ﷺ বলেন, "তোমরা সত্যই বলেছ।”
তারপর কাইস ইবনু হুসাইন (রদিয়াল্লাহু আনহু)-কে বানূ আবদিল মাদান গোত্রের প্রশাসক নিয়োগ করেন রাসূল ﷺ। শাওয়ালের শেষ এবং যুল-কা'দের শুরুর দিকে প্রতিনিধিদলটি মদীনা ত্যাগ করে।
মদীনা থেকে দূরে বসবাসরত জাতিগুলোর পুনরায় পৌত্তলিকতায় ফিরে যাওয়ার আশঙ্কা বেশি। তাই নবি ﷺ আমর ইবনু হাযম (রদিয়াল্লাহু আনহু)-কেও সেখানে পাঠিয়ে দেন ইসলামের ব্যাপারে আরও শিক্ষা দিতে।
দশম হিজরির রবীউল আউয়াল মাসে খালিদ ইবনুল ওয়ালীদ (রদিয়াল্লাহু আনহু)-কে পাঠানো হয় বানূ আবদিল মাদানের কাছে। ইয়েমেনের নাজরানে বসবাস করত তারা। রাসূল ﷺ খালিদকে বলে দেন তিন দিন যাবৎ তাদের ইসলামের দিকে আহ্বান করতে। এতে সাড়া না দিলে শক্তিপ্রয়োগে ইসলামি রাষ্ট্রের অনুগত করানো হবে তাদের।
খালিদ সেখানে পৌঁছে দিকে দিকে দূত পাঠিয়ে দেন। তারা এলাকাবাসীকে ডেকে বলেন, “জনগণ, ইসলাম গ্রহণ করুন, তাহলে শান্তি ও নিরাপত্তা লাভ করবেন।” সাথে সাথে ইসলাম কবুল করে নেয় গোত্রটি। খালিদ ও তার বাহিনী তখন তাদের ইসলামের মৌলিক বিষয়াদি শেখানোর কার্যক্রম শুরু করেন। নবি ﷺ-এর কাছে খবরও পাঠানো হয় সাফল্যের কথা জানিয়ে। তিনি খালিদকে বলেন সেখান থেকে একটি প্রতিনিধিদলকে মদীনায় নিয়ে আসতে। দলটি মদীনায় এলে নবিজি তাদের জিজ্ঞাসা করেন,
“তোমরা জাহিলি যুগে তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধকারীদের কীভাবে দমন করতে?” তারা জবাব দেন, “আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে থাকতাম, কেউ বিচ্ছিন্ন হতাম না। আর আমরা কারও প্রতি কোনও জুলুম করতাম না।” রাসূল ﷺ বলেন, "তোমরা সত্যই বলেছ।”
তারপর কাইস ইবনু হুসাইন (রদিয়াল্লাহু আনহু)-কে বানূ আবদিল মাদান গোত্রের প্রশাসক নিয়োগ করেন রাসূল ﷺ। শাওয়ালের শেষ এবং যুল-কা'দের শুরুর দিকে প্রতিনিধিদলটি মদীনা ত্যাগ করে।
মদীনা থেকে দূরে বসবাসরত জাতিগুলোর পুনরায় পৌত্তলিকতায় ফিরে যাওয়ার আশঙ্কা বেশি। তাই নবি ﷺ আমর ইবনু হাযম (রদিয়াল্লাহু আনহু)-কেও সেখানে পাঠিয়ে দেন ইসলামের ব্যাপারে আরও শিক্ষা দিতে।
দশম হিজরির রবীউল আউয়াল মাসে খালিদ ইবনুল ওয়ালীদ (রদিয়াল্লাহু আনহু)-কে পাঠানো হয় বানূ আবদিল মাদানের কাছে। ইয়েমেনের নাজরানে বসবাস করত তারা। রাসূল ﷺ খালিদকে বলে দেন তিন দিন যাবৎ তাদের ইসলামের দিকে আহ্বান করতে। এতে সাড়া না দিলে শক্তিপ্রয়োগে ইসলামি রাষ্ট্রের অনুগত করানো হবে তাদের।
খালিদ সেখানে পৌঁছে দিকে দিকে দূত পাঠিয়ে দেন। তারা এলাকাবাসীকে ডেকে বলেন, “জনগণ, ইসলাম গ্রহণ করুন, তাহলে শান্তি ও নিরাপত্তা লাভ করবেন।” সাথে সাথে ইসলাম কবুল করে নেয় গোত্রটি। খালিদ ও তার বাহিনী তখন তাদের ইসলামের মৌলিক বিষয়াদি শেখানোর কার্যক্রম শুরু করেন। নবি ﷺ-এর কাছে খবরও পাঠানো হয় সাফল্যের কথা জানিয়ে। তিনি খালিদকে বলেন সেখান থেকে একটি প্রতিনিধিদলকে মদীনায় নিয়ে আসতে। দলটি মদীনায় এলে নবিজি তাদের জিজ্ঞাসা করেন,
“তোমরা জাহিলি যুগে তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধকারীদের কীভাবে দমন করতে?” তারা জবাব দেন, “আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে থাকতাম, কেউ বিচ্ছিন্ন হতাম না। আর আমরা কারও প্রতি কোনও জুলুম করতাম না।” রাসূল ﷺ বলেন, "তোমরা সত্যই বলেছ।”
তারপর কাইস ইবনু হুসাইন (রদিয়াল্লাহু আনহু)-কে বানূ আবদিল মাদান গোত্রের প্রশাসক নিয়োগ করেন রাসূল ﷺ। শাওয়ালের শেষ এবং যুল-কা'দের শুরুর দিকে প্রতিনিধিদলটি মদীনা ত্যাগ করে।
মদীনা থেকে দূরে বসবাসরত জাতিগুলোর পুনরায় পৌত্তলিকতায় ফিরে যাওয়ার আশঙ্কা বেশি। তাই নবি ﷺ আমর ইবনু হাযম (রদিয়াল্লাহু আনহু)-কেও সেখানে পাঠিয়ে দেন ইসলামের ব্যাপারে আরও শিক্ষা দিতে।
দশম হিজরির রবীউল আউয়াল মাসে খালিদ ইবনুল ওয়ালীদ (রদিয়াল্লাহু আনহু)-কে পাঠানো হয় বানূ আবদিল মাদানের কাছে। ইয়েমেনের নাজরানে বসবাস করত তারা। রাসূল ﷺ খালিদকে বলে দেন তিন দিন যাবৎ তাদের ইসলামের দিকে আহ্বান করতে। এতে সাড়া না দিলে শক্তিপ্রয়োগে ইসলামি রাষ্ট্রের অনুগত করানো হবে তাদের।
খালিদ সেখানে পৌঁছে দিকে দিকে দূত পাঠিয়ে দেন। তারা এলাকাবাসীকে ডেকে বলেন, “জনগণ, ইসলাম গ্রহণ করুন, তাহলে শান্তি ও নিরাপত্তা লাভ করবেন।” সাথে সাথে ইসলাম কবুল করে নেয় গোত্রটি। খালিদ ও তার বাহিনী তখন তাদের ইসলামের মৌলিক বিষয়াদি শেখানোর কার্যক্রম শুরু করেন। নবি ﷺ-এর কাছে খবরও পাঠানো হয় সাফল্যের কথা জানিয়ে। তিনি খালিদকে বলেন সেখান থেকে একটি প্রতিনিধিদলকে মদীনায় নিয়ে আসতে। দলটি মদীনায় এলে নবিজি তাদের জিজ্ঞাসা করেন,
“তোমরা জাহিলি যুগে তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধকারীদের কীভাবে দমন করতে?” তারা জবাব দেন, “আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে থাকতাম, কেউ বিচ্ছিন্ন হতাম না। আর আমরা কারও প্রতি কোনও জুলুম করতাম না।” রাসূল ﷺ বলেন, "তোমরা সত্যই বলেছ।”
তারপর কাইস ইবনু হুসাইন (রদিয়াল্লাহু আনহু)-কে বানূ আবদিল মাদান গোত্রের প্রশাসক নিয়োগ করেন রাসূল ﷺ। শাওয়ালের শেষ এবং যুল-কা'দের শুরুর দিকে প্রতিনিধিদলটি মদীনা ত্যাগ করে।
মদীনা থেকে দূরে বসবাসরত জাতিগুলোর পুনরায় পৌত্তলিকতায় ফিরে যাওয়ার আশঙ্কা বেশি। তাই নবি ﷺ আমর ইবনু হাযম (রদিয়াল্লাহু আনহু)-কেও সেখানে পাঠিয়ে দেন ইসলামের ব্যাপারে আরও শিক্ষা দিতে।
দশম হিজরির রবীউল আউয়াল মাসে খালিদ ইবনুল ওয়ালীদ (রদিয়াল্লাহু আনহু)-কে পাঠানো হয় বানূ আবদিল মাদানের কাছে। ইয়েমেনের নাজরানে বসবাস করত তারা। রাসূল ﷺ খালিদকে বলে দেন তিন দিন যাবৎ তাদের ইসলামের দিকে আহ্বান করতে। এতে সাড়া না দিলে শক্তিপ্রয়োগে ইসলামি রাষ্ট্রের অনুগত করানো হবে তাদের।
খালিদ সেখানে পৌঁছে দিকে দিকে দূত পাঠিয়ে দেন। তারা এলাকাবাসীকে ডেকে বলেন, “জনগণ, ইসলাম গ্রহণ করুন, তাহলে শান্তি ও নিরাপত্তা লাভ করবেন।” সাথে সাথে ইসলাম কবুল করে নেয় গোত্রটি। খালিদ ও তার বাহিনী তখন তাদের ইসলামের মৌলিক বিষয়াদি শেখানোর কার্যক্রম শুরু করেন। নবি ﷺ-এর কাছে খবরও পাঠানো হয় সাফল্যের কথা জানিয়ে। তিনি খালিদকে বলেন সেখান থেকে একটি প্রতিনিধিদলকে মদীনায় নিয়ে আসতে। দলটি মদীনায় এলে নবিজি তাদের জিজ্ঞাসা করেন,
“তোমরা জাহিলি যুগে তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধকারীদের কীভাবে দমন করতে?” তারা জবাব দেন, “আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে থাকতাম, কেউ বিচ্ছিন্ন হতাম না। আর আমরা কারও প্রতি কোনও জুলুম করতাম না।” রাসূল ﷺ বলেন, "তোমরা সত্যই বলেছ।”
তারপর কাইস ইবনু হুসাইন (রদিয়াল্লাহু আনহু)-কে বানূ আবদিল মাদান গোত্রের প্রশাসক নিয়োগ করেন রাসূল ﷺ। শাওয়ালের শেষ এবং যুল-কা'দের শুরুর দিকে প্রতিনিধিদলটি মদীনা ত্যাগ করে।
মদীনা থেকে দূরে বসবাসরত জাতিগুলোর পুনরায় পৌত্তলিকতায় ফিরে যাওয়ার আশঙ্কা বেশি। তাই নবি ﷺ আমর ইবনু হাযম (রদিয়াল্লাহু আনহু)-কেও সেখানে পাঠিয়ে দেন ইসলামের ব্যাপারে আরও শিক্ষা দিতে।