📘 রাসূলে আরাবি ﷺ > 📄 আযরা এবং বালি গোত্রদ্বয়ের প্রতিনিধিদল

📄 আযরা এবং বালি গোত্রদ্বয়ের প্রতিনিধিদল


নবম হিজরি সনের সফর মাসে বানু আযরা থেকে বারো জন লোক আসেন রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর কাছে। নবিজির গোত্রের প্রতিষ্ঠাতা কুসাইয়ের সাথে নিজেদের মিত্রতার কথা জানান তারা। মক্কা থেকে বকর এবং খুযাআ গোত্রকে বিতাড়িত করতে তাকে কীভাবে সাহায্য করেছেন, সে কথাও বলেন। এই কারণে নবি তাদের মারহাবা ও অভিনন্দন জানান।
এরপর তাদের সকলে ইসলাম গ্রহণ করেন। তাদের তিনি সিরিয়া বিজয়ের সুসংবাদ প্রদান করেন এবং পৌত্তলিক ধর্মের আচারপ্রথা ছেড়ে দেওয়ার আদেশ দেন। যেমন, জ্যোতিষীদের কাছে যাওয়া, মন্দিরে পশুবলি দেওয়া, অগ্নিপূজা করা ইত্যাদি।
একই বছরে বালি থেকেও আরেকটি প্রতিনিধিদল আসে। এর সদস্যরাও ইসলাম গ্রহণ করে বাড়ি ফেরেন। মদীনায় তিন দিন অবস্থান করেছিলেন তারা।

নবম হিজরি সনের সফর মাসে বানু আযরা থেকে বারো জন লোক আসেন রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর কাছে। নবিজির গোত্রের প্রতিষ্ঠাতা কুসাইয়ের সাথে নিজেদের মিত্রতার কথা জানান তারা। মক্কা থেকে বকর এবং খুযাআ গোত্রকে বিতাড়িত করতে তাকে কীভাবে সাহায্য করেছেন, সে কথাও বলেন। এই কারণে নবি তাদের মারহাবা ও অভিনন্দন জানান।
এরপর তাদের সকলে ইসলাম গ্রহণ করেন। তাদের তিনি সিরিয়া বিজয়ের সুসংবাদ প্রদান করেন এবং পৌত্তলিক ধর্মের আচারপ্রথা ছেড়ে দেওয়ার আদেশ দেন। যেমন, জ্যোতিষীদের কাছে যাওয়া, মন্দিরে পশুবলি দেওয়া, অগ্নিপূজা করা ইত্যাদি।
একই বছরে বালি থেকেও আরেকটি প্রতিনিধিদল আসে। এর সদস্যরাও ইসলাম গ্রহণ করে বাড়ি ফেরেন। মদীনায় তিন দিন অবস্থান করেছিলেন তারা।

নবম হিজরি সনের সফর মাসে বানু আযরা থেকে বারো জন লোক আসেন রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর কাছে। নবিজির গোত্রের প্রতিষ্ঠাতা কুসাইয়ের সাথে নিজেদের মিত্রতার কথা জানান তারা। মক্কা থেকে বকর এবং খুযাআ গোত্রকে বিতাড়িত করতে তাকে কীভাবে সাহায্য করেছেন, সে কথাও বলেন। এই কারণে নবি তাদের মারহাবা ও অভিনন্দন জানান।
এরপর তাদের সকলে ইসলাম গ্রহণ করেন। তাদের তিনি সিরিয়া বিজয়ের সুসংবাদ প্রদান করেন এবং পৌত্তলিক ধর্মের আচারপ্রথা ছেড়ে দেওয়ার আদেশ দেন। যেমন, জ্যোতিষীদের কাছে যাওয়া, মন্দিরে পশুবলি দেওয়া, অগ্নিপূজা করা ইত্যাদি।
একই বছরে বালি থেকেও আরেকটি প্রতিনিধিদল আসে। এর সদস্যরাও ইসলাম গ্রহণ করে বাড়ি ফেরেন। মদীনায় তিন দিন অবস্থান করেছিলেন তারা।

📘 রাসূলে আরাবি ﷺ > 📄 বানূ আসাদ ইবনি খুযাইমা গোত্রের প্রতিনিধিদল

📄 বানূ আসাদ ইবনি খুযাইমা গোত্রের প্রতিনিধিদল


নবম হিজরির শুরুর দিকে বানু আসাদ ইবনি খুযাইমার একটি দল নবিজি -এর সাক্ষাতে আসে। এসে মাসজিদের ভেতর কয়েকজন সাহাবির সাথে বসা দেখতে পায় নবিজিকে। সবাই সালাম প্রদানের পর তাদের মুখপাত্র বলেন,
“হে আল্লাহর রাসূল, আমরা সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ এক। তাঁর কোনও অংশীদার বা সমকক্ষ নেই। আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আপনি তাঁর দাস ও বার্তাবাহক। হে আল্লাহর রাসূল, আপনি আমাদের কাছে কোনও দূত পাঠানো ছাড়াই আমরা ইসলাম গ্রহণ করছি। অন্যান্য গোত্রের মতো আপনার বিরুদ্ধে যুদ্ধও করিনি। নিজ জাতির পক্ষ থেকে শান্তির বার্তা নিয়ে এসেছি আমরা।”
এ দাবির প্রসঙ্গে আল্লাহ তাআলা আয়াত নাযিল করেন,
"তারা ভেবেছে ইসলাম গ্রহণ করে তারা আপনার ওপর অনুগ্রহ করে ফেলেছে। বলে দিন, 'তোমরা মুসলিম হয়ে আমাকে করুণা করোনি; বরং আল্লাহই তোমাদের ঈমানের দিকে হিদায়াত দিয়ে বিরাট করুণা করেছেন। যদি তোমরা সত্যনিষ্ঠ হয়ে থাকো।”
এরপর প্রতিনিধিদলটি ভাগ্যগণনা, জ্যোতিষশাস্ত্র চর্চা করা এবং পাখির ওড়ার পথ দেখে সুলক্ষণ-কুলক্ষণ নির্ধারণ করার ব্যাপারে জিজ্ঞেস করে। নবি জানিয়ে দেন যে, এগুলো সব শরীআতে নিষিদ্ধ, করা যাবে না। লক্ষণের অর্থ বের করার ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে নবি বলেন, “এক নবি ছিলেন, যিনি এটা পারতেন। তোমাদের জ্ঞান ওই নবির সমান হলে করতে পারো।” মোটকথা, ভবিষ্যৎ নির্ণয়ের যেকোনও চেষ্টা ইসলামে হারাম। আরও কিছুদিন মদীনায় অবস্থান করে ইসলামের মৌলিক বিষয়াদি শিখে নেয় দলটি।

টিকাঃ
[৫১৪] সূরা হুজুরাত, ৪৯ : ১৭।

নবম হিজরির শুরুর দিকে বানু আসাদ ইবনি খুযাইমার একটি দল নবিজি -এর সাক্ষাতে আসে। এসে মাসজিদের ভেতর কয়েকজন সাহাবির সাথে বসা দেখতে পায় নবিজিকে। সবাই সালাম প্রদানের পর তাদের মুখপাত্র বলেন,
“হে আল্লাহর রাসূল, আমরা সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ এক। তাঁর কোনও অংশীদার বা সমকক্ষ নেই। আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আপনি তাঁর দাস ও বার্তাবাহক। হে আল্লাহর রাসূল, আপনি আমাদের কাছে কোনও দূত পাঠানো ছাড়াই আমরা ইসলাম গ্রহণ করছি। অন্যান্য গোত্রের মতো আপনার বিরুদ্ধে যুদ্ধও করিনি। নিজ জাতির পক্ষ থেকে শান্তির বার্তা নিয়ে এসেছি আমরা।”
এ দাবির প্রসঙ্গে আল্লাহ তাআলা আয়াত নাযিল করেন,
"তারা ভেবেছে ইসলাম গ্রহণ করে তারা আপনার ওপর অনুগ্রহ করে ফেলেছে। বলে দিন, 'তোমরা মুসলিম হয়ে আমাকে করুণা করোনি; বরং আল্লাহই তোমাদের ঈমানের দিকে হিদায়াত দিয়ে বিরাট করুণা করেছেন। যদি তোমরা সত্যনিষ্ঠ হয়ে থাকো।”
এরপর প্রতিনিধিদলটি ভাগ্যগণনা, জ্যোতিষশাস্ত্র চর্চা করা এবং পাখির ওড়ার পথ দেখে সুলক্ষণ-কুলক্ষণ নির্ধারণ করার ব্যাপারে জিজ্ঞেস করে। নবি জানিয়ে দেন যে, এগুলো সব শরীআতে নিষিদ্ধ, করা যাবে না। লক্ষণের অর্থ বের করার ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে নবি বলেন, “এক নবি ছিলেন, যিনি এটা পারতেন। তোমাদের জ্ঞান ওই নবির সমান হলে করতে পারো।” মোটকথা, ভবিষ্যৎ নির্ণয়ের যেকোনও চেষ্টা ইসলামে হারাম। আরও কিছুদিন মদীনায় অবস্থান করে ইসলামের মৌলিক বিষয়াদি শিখে নেয় দলটি।

টিকাঃ
[৫১৪] সূরা হুজুরাত, ৪৯ : ১৭।

নবম হিজরির শুরুর দিকে বানু আসাদ ইবনি খুযাইমার একটি দল নবিজি -এর সাক্ষাতে আসে। এসে মাসজিদের ভেতর কয়েকজন সাহাবির সাথে বসা দেখতে পায় নবিজিকে। সবাই সালাম প্রদানের পর তাদের মুখপাত্র বলেন,
“হে আল্লাহর রাসূল, আমরা সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ এক। তাঁর কোনও অংশীদার বা সমকক্ষ নেই। আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আপনি তাঁর দাস ও বার্তাবাহক। হে আল্লাহর রাসূল, আপনি আমাদের কাছে কোনও দূত পাঠানো ছাড়াই আমরা ইসলাম গ্রহণ করছি। অন্যান্য গোত্রের মতো আপনার বিরুদ্ধে যুদ্ধও করিনি। নিজ জাতির পক্ষ থেকে শান্তির বার্তা নিয়ে এসেছি আমরা।”
এ দাবির প্রসঙ্গে আল্লাহ তাআলা আয়াত নাযিল করেন,
"তারা ভেবেছে ইসলাম গ্রহণ করে তারা আপনার ওপর অনুগ্রহ করে ফেলেছে। বলে দিন, 'তোমরা মুসলিম হয়ে আমাকে করুণা করোনি; বরং আল্লাহই তোমাদের ঈমানের দিকে হিদায়াত দিয়ে বিরাট করুণা করেছেন। যদি তোমরা সত্যনিষ্ঠ হয়ে থাকো।”
এরপর প্রতিনিধিদলটি ভাগ্যগণনা, জ্যোতিষশাস্ত্র চর্চা করা এবং পাখির ওড়ার পথ দেখে সুলক্ষণ-কুলক্ষণ নির্ধারণ করার ব্যাপারে জিজ্ঞেস করে। নবি জানিয়ে দেন যে, এগুলো সব শরীআতে নিষিদ্ধ, করা যাবে না। লক্ষণের অর্থ বের করার ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে নবি বলেন, “এক নবি ছিলেন, যিনি এটা পারতেন। তোমাদের জ্ঞান ওই নবির সমান হলে করতে পারো।” মোটকথা, ভবিষ্যৎ নির্ণয়ের যেকোনও চেষ্টা ইসলামে হারাম। আরও কিছুদিন মদীনায় অবস্থান করে ইসলামের মৌলিক বিষয়াদি শিখে নেয় দলটি।

টিকাঃ
[৫১৪] সূরা হুজুরাত, ৪৯ : ১৭।

📘 রাসূলে আরাবি ﷺ > 📄 তুজীব গোত্রের প্রতিনিধিদল

📄 তুজীব গোত্রের প্রতিনিধিদল


কিন্দা গোত্রের একটি শাখা তুজীব। তারা আগেই ইসলাম গ্রহণ করেছে। যাকাত বণ্টনের পর বেঁচে যাওয়া কিছু টাকা তারা সাথে করে নিয়ে আসে, যাতে অন্যান্য অভাবী মুসলিমদের সাহায্য করা যায়। নবি এতে আনন্দ প্রকাশ করেন এবং তাদের বেশ সম্মান করেন।
সপ্রশংস দৃষ্টিতে প্রতিনিধিদলটির দিকে তাকিয়ে আবূ বকর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) মন্তব্য করেন, "আমাদের নিকট আরবের এদের চেয়ে উত্তম কোনও প্রতিনিধিদল আসেনি।"
প্রত্যুত্তরে নবি বলেন, "হিদায়াত আল্লাহর হাতে। সুতরাং তিনি যার কল্যাণের ইচ্ছা করেন তার বক্ষকে ঈমানের জন্য অবারিত করে দেন।”
তুজীব সদস্যরা ইসলাম শেখার ব্যাপারে প্রচুর আগ্রহ প্রকাশ করেন। কুরআন-সুন্নাহ হিফয করার ব্যাপারেও তাদের তৎপরতা দেখা যায়। বিদায়বেলায় নবি তাদের অনেক উপঢৌকন দেন। জিজ্ঞেস করেন যে, কেউ বাদ পড়ে গেছে কি না। তারা জানায় যে, শিবিরে একটি বালককে রেখে এসেছেন তারা। যে তাদের মধ্যে সবচেয়ে কমবয়েসি। নবি বলেন, “ওকেও পাঠিয়ে দাও।”
দলটি ফিরে গিয়ে সেই ছেলেকে নবিজি -এর কথা বলে। ছেলেটি এসে জানায়, “ইয়া রাসুলাল্লাহ, একটু আগে যেই গোত্রটি এসেছিল, আমিও তাদের সদস্য। আপনি তাদের তাদের প্রয়োজনীয় জিনিস দিয়েছেন। এবার আমাকেও আমার প্রয়োজনীয় জিনিসটি দিন।”
রাসূলুল্লাহ জিজ্ঞাসা করলেন, “কী চাও তুমি?”
“আল্লাহর কাছে দুআ করুন, যেন তিনি আমাকে মাফ করে দেন, আমাকে রহম করেন এবং আমার হৃদয় প্রাচুর্যে ভরে দেন।” নবি ছেলেটির জন্য দুআ করেন। স্বগোত্রীয়দের চেয়ে সন্তুষ্টতর মন নিয়ে ফিরে যায় সে। পরে আবূ বকর (রাদিয়াল্লাহ আনহু)-এর শাসনামলে যখন ধর্মত্যাগের ফিতনা ছড়িয়ে পড়ে, তখন এই ছেলেটি নিজে তো ঈমান ও ইসলামের ওপর অটল ছিলই, অন্যদেরও আহ্বান করে গেছে মুসলিম থাকার ব্যাপারে।

কিন্দা গোত্রের একটি শাখা তুজীব। তারা আগেই ইসলাম গ্রহণ করেছে। যাকাত বণ্টনের পর বেঁচে যাওয়া কিছু টাকা তারা সাথে করে নিয়ে আসে, যাতে অন্যান্য অভাবী মুসলিমদের সাহায্য করা যায়। নবি এতে আনন্দ প্রকাশ করেন এবং তাদের বেশ সম্মান করেন।
সপ্রশংস দৃষ্টিতে প্রতিনিধিদলটির দিকে তাকিয়ে আবূ বকর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) মন্তব্য করেন, "আমাদের নিকট আরবের এদের চেয়ে উত্তম কোনও প্রতিনিধিদল আসেনি।"
প্রত্যুত্তরে নবি বলেন, "হিদায়াত আল্লাহর হাতে। সুতরাং তিনি যার কল্যাণের ইচ্ছা করেন তার বক্ষকে ঈমানের জন্য অবারিত করে দেন।”
তুজীব সদস্যরা ইসলাম শেখার ব্যাপারে প্রচুর আগ্রহ প্রকাশ করেন। কুরআন-সুন্নাহ হিফয করার ব্যাপারেও তাদের তৎপরতা দেখা যায়। বিদায়বেলায় নবি তাদের অনেক উপঢৌকন দেন। জিজ্ঞেস করেন যে, কেউ বাদ পড়ে গেছে কি না। তারা জানায় যে, শিবিরে একটি বালককে রেখে এসেছেন তারা। যে তাদের মধ্যে সবচেয়ে কমবয়েসি। নবি বলেন, “ওকেও পাঠিয়ে দাও।”
দলটি ফিরে গিয়ে সেই ছেলেকে নবিজি -এর কথা বলে। ছেলেটি এসে জানায়, “ইয়া রাসুলাল্লাহ, একটু আগে যেই গোত্রটি এসেছিল, আমিও তাদের সদস্য। আপনি তাদের তাদের প্রয়োজনীয় জিনিস দিয়েছেন। এবার আমাকেও আমার প্রয়োজনীয় জিনিসটি দিন।”
রাসূলুল্লাহ জিজ্ঞাসা করলেন, “কী চাও তুমি?”
“আল্লাহর কাছে দুআ করুন, যেন তিনি আমাকে মাফ করে দেন, আমাকে রহম করেন এবং আমার হৃদয় প্রাচুর্যে ভরে দেন।” নবি ছেলেটির জন্য দুআ করেন। স্বগোত্রীয়দের চেয়ে সন্তুষ্টতর মন নিয়ে ফিরে যায় সে। পরে আবূ বকর (রাদিয়াল্লাহ আনহু)-এর শাসনামলে যখন ধর্মত্যাগের ফিতনা ছড়িয়ে পড়ে, তখন এই ছেলেটি নিজে তো ঈমান ও ইসলামের ওপর অটল ছিলই, অন্যদেরও আহ্বান করে গেছে মুসলিম থাকার ব্যাপারে।

কিন্দা গোত্রের একটি শাখা তুজীব। তারা আগেই ইসলাম গ্রহণ করেছে। যাকাত বণ্টনের পর বেঁচে যাওয়া কিছু টাকা তারা সাথে করে নিয়ে আসে, যাতে অন্যান্য অভাবী মুসলিমদের সাহায্য করা যায়। নবি এতে আনন্দ প্রকাশ করেন এবং তাদের বেশ সম্মান করেন।
সপ্রশংস দৃষ্টিতে প্রতিনিধিদলটির দিকে তাকিয়ে আবূ বকর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) মন্তব্য করেন, "আমাদের নিকট আরবের এদের চেয়ে উত্তম কোনও প্রতিনিধিদল আসেনি।"
প্রত্যুত্তরে নবি বলেন, "হিদায়াত আল্লাহর হাতে। সুতরাং তিনি যার কল্যাণের ইচ্ছা করেন তার বক্ষকে ঈমানের জন্য অবারিত করে দেন।”
তুজীব সদস্যরা ইসলাম শেখার ব্যাপারে প্রচুর আগ্রহ প্রকাশ করেন। কুরআন-সুন্নাহ হিফয করার ব্যাপারেও তাদের তৎপরতা দেখা যায়। বিদায়বেলায় নবি তাদের অনেক উপঢৌকন দেন। জিজ্ঞেস করেন যে, কেউ বাদ পড়ে গেছে কি না। তারা জানায় যে, শিবিরে একটি বালককে রেখে এসেছেন তারা। যে তাদের মধ্যে সবচেয়ে কমবয়েসি। নবি বলেন, “ওকেও পাঠিয়ে দাও।”
দলটি ফিরে গিয়ে সেই ছেলেকে নবিজি -এর কথা বলে। ছেলেটি এসে জানায়, “ইয়া রাসুলাল্লাহ, একটু আগে যেই গোত্রটি এসেছিল, আমিও তাদের সদস্য। আপনি তাদের তাদের প্রয়োজনীয় জিনিস দিয়েছেন। এবার আমাকেও আমার প্রয়োজনীয় জিনিসটি দিন।”
রাসূলুল্লাহ জিজ্ঞাসা করলেন, “কী চাও তুমি?”
“আল্লাহর কাছে দুআ করুন, যেন তিনি আমাকে মাফ করে দেন, আমাকে রহম করেন এবং আমার হৃদয় প্রাচুর্যে ভরে দেন।” নবি ছেলেটির জন্য দুআ করেন। স্বগোত্রীয়দের চেয়ে সন্তুষ্টতর মন নিয়ে ফিরে যায় সে। পরে আবূ বকর (রাদিয়াল্লাহ আনহু)-এর শাসনামলে যখন ধর্মত্যাগের ফিতনা ছড়িয়ে পড়ে, তখন এই ছেলেটি নিজে তো ঈমান ও ইসলামের ওপর অটল ছিলই, অন্যদেরও আহ্বান করে গেছে মুসলিম থাকার ব্যাপারে।

📘 রাসূলে আরাবি ﷺ > 📄 বানূ ফাযারা গোত্রের প্রতিনিধিদল

📄 বানূ ফাযারা গোত্রের প্রতিনিধিদল


বানু ফাযারা থেকে বিশ জনেরও বেশি সদস্যবিশিষ্ট একটি দল আসে। নবি তাবুক থেকে ফিরে আসার পর সাক্ষাৎ করে তারা। তারাও মুসলমান হয়েছে। তাদের এলাকায় চলছিল ভয়াবহ খরা। নবিজি -এর সাহায্যের জন্য তাই তারা উদগ্রীব ছিল।
তারা নবিজি -কে বললেন, "আমাদের জন্য আল্লাহর কাছে দুআ করুন, যেন আমাদের গ্রামে বৃষ্টি পাঠান। আপনি আপনার রবের কাছে আমাদের জন্য সুপারিশ করুন, আপনার রবও যেন আপনার কাছে আমাদের জন্য সুপারিশ করেন।”
নবি বললেন, “সুবহানাল্লাহ! তোমাদের জন্য আফসোস! এ কী বলছ তোমরা! হ্যাঁ, অবশ্যই আমি আল্লাহর কাছে সুপারিশ করব। কিন্তু আল্লাহর কী প্রয়োজন কারও কাছে সুপারিশ করার? আল্লাহ ছাড়া কোনও উপাস্য নেই। তিনি সুউচ্চ, সুমহান। তাঁর কুরসি সমগ্র আসমান-জমীনে ব্যাপ্ত। তাঁর মহিমা ও প্রতাপের কারণে সেগুলো উটের পিঠে নতুন হাওদার মতো আওয়াজ করে কাঁপতে থাকে।”
এই নসীহত করে নবি মিম্বরে উঠে দাঁড়ান। বানু ফাযারার দুর্ভোগ দূর হওয়ার দুআ করেন। আল্লাহ তাআলা নবিজির এ দুআ কবুল করে তাদের ভূমিতে প্রচুর বৃষ্টি বর্ষণ করেন।

টিকাঃ
[৫১৫] যাদুল মাআদ, ৩/৪৮।

বানু ফাযারা থেকে বিশ জনেরও বেশি সদস্যবিশিষ্ট একটি দল আসে। নবি তাবুক থেকে ফিরে আসার পর সাক্ষাৎ করে তারা। তারাও মুসলমান হয়েছে। তাদের এলাকায় চলছিল ভয়াবহ খরা। নবিজি -এর সাহায্যের জন্য তাই তারা উদগ্রীব ছিল।
তারা নবিজি -কে বললেন, "আমাদের জন্য আল্লাহর কাছে দুআ করুন, যেন আমাদের গ্রামে বৃষ্টি পাঠান। আপনি আপনার রবের কাছে আমাদের জন্য সুপারিশ করুন, আপনার রবও যেন আপনার কাছে আমাদের জন্য সুপারিশ করেন।”
নবি বললেন, “সুবহানাল্লাহ! তোমাদের জন্য আফসোস! এ কী বলছ তোমরা! হ্যাঁ, অবশ্যই আমি আল্লাহর কাছে সুপারিশ করব। কিন্তু আল্লাহর কী প্রয়োজন কারও কাছে সুপারিশ করার? আল্লাহ ছাড়া কোনও উপাস্য নেই। তিনি সুউচ্চ, সুমহান। তাঁর কুরসি সমগ্র আসমান-জমীনে ব্যাপ্ত। তাঁর মহিমা ও প্রতাপের কারণে সেগুলো উটের পিঠে নতুন হাওদার মতো আওয়াজ করে কাঁপতে থাকে।”
এই নসীহত করে নবি মিম্বরে উঠে দাঁড়ান। বানু ফাযারার দুর্ভোগ দূর হওয়ার দুআ করেন। আল্লাহ তাআলা নবিজির এ দুআ কবুল করে তাদের ভূমিতে প্রচুর বৃষ্টি বর্ষণ করেন।

টিকাঃ
[৫১৫] যাদুল মাআদ, ৩/৪৮।

বানু ফাযারা থেকে বিশ জনেরও বেশি সদস্যবিশিষ্ট একটি দল আসে। নবি তাবুক থেকে ফিরে আসার পর সাক্ষাৎ করে তারা। তারাও মুসলমান হয়েছে। তাদের এলাকায় চলছিল ভয়াবহ খরা। নবিজি -এর সাহায্যের জন্য তাই তারা উদগ্রীব ছিল।
তারা নবিজি -কে বললেন, "আমাদের জন্য আল্লাহর কাছে দুআ করুন, যেন আমাদের গ্রামে বৃষ্টি পাঠান। আপনি আপনার রবের কাছে আমাদের জন্য সুপারিশ করুন, আপনার রবও যেন আপনার কাছে আমাদের জন্য সুপারিশ করেন।”
নবি বললেন, “সুবহানাল্লাহ! তোমাদের জন্য আফসোস! এ কী বলছ তোমরা! হ্যাঁ, অবশ্যই আমি আল্লাহর কাছে সুপারিশ করব। কিন্তু আল্লাহর কী প্রয়োজন কারও কাছে সুপারিশ করার? আল্লাহ ছাড়া কোনও উপাস্য নেই। তিনি সুউচ্চ, সুমহান। তাঁর কুরসি সমগ্র আসমান-জমীনে ব্যাপ্ত। তাঁর মহিমা ও প্রতাপের কারণে সেগুলো উটের পিঠে নতুন হাওদার মতো আওয়াজ করে কাঁপতে থাকে।”
এই নসীহত করে নবি মিম্বরে উঠে দাঁড়ান। বানু ফাযারার দুর্ভোগ দূর হওয়ার দুআ করেন। আল্লাহ তাআলা নবিজির এ দুআ কবুল করে তাদের ভূমিতে প্রচুর বৃষ্টি বর্ষণ করেন।

টিকাঃ
[৫১৫] যাদুল মাআদ, ৩/৪৮।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00