📘 রাসূলে আরাবি ﷺ > 📄 তাবূক যুদ্ধে যায়নি যারা

📄 তাবূক যুদ্ধে যায়নি যারা


মুনাফিকরা যারা যুদ্ধে যায়নি, তারা সারি ধরে এসে সেই গৎবাঁধা অজুহাতের পুনরাবৃত্তি করতে থাকে। নবি কাউকেই সামনাসামনি তিরস্কার করেননি। আল্লাহই এদের ফায়সালা করবেন। কিন্তু তিন জন সাচ্চা মুসলিম কোনও ওজর ছাড়া আসলেই তাবুকে যাওয়া থেকে বিরত ছিলেন। কা'ব ইবনু মালিক, মুরারা ইবনু রবী' এবং হিলাল ইবনু উমাইয়া (রদিয়াল্লাহু আনহুম)। সামর্থ্যবান পুরুষ হিসেবে জিহাদে অংশ না নেওয়াটা সত্যিই গুরুতর ও মারাত্মক অপরাধ। মুনাফিকদের বিপরীতে গিয়ে তারা এসে অকপটে দোষ স্বীকার করেন। নবি তাদের আল্লাহর সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় থাকতে বলেন। ততদিন পর্যন্ত তাদের সাথে কথাবার্তা বন্ধ রাখতে বলেন পুরো মুসলিম সমাজকে।
একঘরে হয়ে আল্লাহর সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় প্রচণ্ড মানসিক যন্ত্রণায় দিন কাটতে থাকে তাদের। যেন এক আঁধার এসে ঘিরে ধরেছে তাদের। চল্লিশ দিন পর তাদের আদেশ দেওয়া হয় স্ত্রীদের থেকেও আলাদা হয়ে যেতে। তাদের সাথে অন্তরঙ্গ না হতে। দুঃখ আর অবসাদে নুইয়ে পড়ে তারা। পঞ্চাশ দিন পর অবশেষে আল্লাহ তাআলা তাদের তাওবা কবুল করে আয়াত নাযিল করেন,
“এবারে যোগদান না করা ওই তিন জন। পৃথিবী তাদের কাছে সংকুচিত হয়ে এসেছে, আর তারা হয়ে পড়েছে বিমর্ষ। এভাবেই তারা উপলব্ধি করেছে যে, আল্লাহ বিনে কোনও আশ্রয় নেই। আর তিনিও তাদের ক্ষমা করে দিলেন, যেন তারা ফিরে আসে। নিশ্চয়ই আল্লাহ মহাক্ষমাশীল, সতত দয়ালু।”
এই ওহি নাযিলের পর চারিদিকে উৎসব উৎসব ভাব চলে আসে। সবাই দৌড়ে আসে একঘরে সাহাবিদের মুক্তির সুসংবাদ জানাতে। শোকরানা হিসেবে অনেক দান-সাদকা করেন তিন জন। সেই দিনটি ছিল তাদের জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ দিন।
মুনাফিকদের লোকদেখানো ঈমানও অন্যান্য আয়াতে আলোচিত হয়। তাদের মুখোশ উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। এদের বলা হয় অন্তরের রোগী। প্রতিবছর তাদের একটি দুটি করে নিদর্শন দেখানো হচ্ছে। অথচ তওবার কোনো নামগন্ধও নেই। অপর দিকে মুমিনদের সুখবর প্রদান করা হয়।

টিকাঃ
[৫০৩] সূরা তাওবা, ৯: ১১৮।
[৫০৪] বুখারি, ৪৪১৮।
[৫০৫] পুরা ঘটনার জন্য দেখুন ইবনু হিশাম, ২/৫১৫-৫৩৭; যাদুল মাআদ, ৩/২-১৩; মুসলিম, ১৩৯২; ফাতহুল বারি, ৮/১১০-১২৬।

মুনাফিকরা যারা যুদ্ধে যায়নি, তারা সারি ধরে এসে সেই গৎবাঁধা অজুহাতের পুনরাবৃত্তি করতে থাকে। নবি কাউকেই সামনাসামনি তিরস্কার করেননি। আল্লাহই এদের ফায়সালা করবেন। কিন্তু তিন জন সাচ্চা মুসলিম কোনও ওজর ছাড়া আসলেই তাবুকে যাওয়া থেকে বিরত ছিলেন। কা'ব ইবনু মালিক, মুরারা ইবনু রবী' এবং হিলাল ইবনু উমাইয়া (রদিয়াল্লাহু আনহুম)। সামর্থ্যবান পুরুষ হিসেবে জিহাদে অংশ না নেওয়াটা সত্যিই গুরুতর ও মারাত্মক অপরাধ। মুনাফিকদের বিপরীতে গিয়ে তারা এসে অকপটে দোষ স্বীকার করেন। নবি তাদের আল্লাহর সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় থাকতে বলেন। ততদিন পর্যন্ত তাদের সাথে কথাবার্তা বন্ধ রাখতে বলেন পুরো মুসলিম সমাজকে।
একঘরে হয়ে আল্লাহর সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় প্রচণ্ড মানসিক যন্ত্রণায় দিন কাটতে থাকে তাদের। যেন এক আঁধার এসে ঘিরে ধরেছে তাদের। চল্লিশ দিন পর তাদের আদেশ দেওয়া হয় স্ত্রীদের থেকেও আলাদা হয়ে যেতে। তাদের সাথে অন্তরঙ্গ না হতে। দুঃখ আর অবসাদে নুইয়ে পড়ে তারা। পঞ্চাশ দিন পর অবশেষে আল্লাহ তাআলা তাদের তাওবা কবুল করে আয়াত নাযিল করেন,
“এবারে যোগদান না করা ওই তিন জন। পৃথিবী তাদের কাছে সংকুচিত হয়ে এসেছে, আর তারা হয়ে পড়েছে বিমর্ষ। এভাবেই তারা উপলব্ধি করেছে যে, আল্লাহ বিনে কোনও আশ্রয় নেই। আর তিনিও তাদের ক্ষমা করে দিলেন, যেন তারা ফিরে আসে। নিশ্চয়ই আল্লাহ মহাক্ষমাশীল, সতত দয়ালু।”
এই ওহি নাযিলের পর চারিদিকে উৎসব উৎসব ভাব চলে আসে। সবাই দৌড়ে আসে একঘরে সাহাবিদের মুক্তির সুসংবাদ জানাতে। শোকরানা হিসেবে অনেক দান-সাদকা করেন তিন জন। সেই দিনটি ছিল তাদের জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ দিন।
মুনাফিকদের লোকদেখানো ঈমানও অন্যান্য আয়াতে আলোচিত হয়। তাদের মুখোশ উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। এদের বলা হয় অন্তরের রোগী। প্রতিবছর তাদের একটি দুটি করে নিদর্শন দেখানো হচ্ছে। অথচ তওবার কোনো নামগন্ধও নেই। অপর দিকে মুমিনদের সুখবর প্রদান করা হয়।

টিকাঃ
[৫০৩] সূরা তাওবা, ৯: ১১৮।
[৫০৪] বুখারি, ৪৪১৮।
[৫০৫] পুরা ঘটনার জন্য দেখুন ইবনু হিশাম, ২/৫১৫-৫৩৭; যাদুল মাআদ, ৩/২-১৩; মুসলিম, ১৩৯২; ফাতহুল বারি, ৮/১১০-১২৬।

মুনাফিকরা যারা যুদ্ধে যায়নি, তারা সারি ধরে এসে সেই গৎবাঁধা অজুহাতের পুনরাবৃত্তি করতে থাকে। নবি কাউকেই সামনাসামনি তিরস্কার করেননি। আল্লাহই এদের ফায়সালা করবেন। কিন্তু তিন জন সাচ্চা মুসলিম কোনও ওজর ছাড়া আসলেই তাবুকে যাওয়া থেকে বিরত ছিলেন। কা'ব ইবনু মালিক, মুরারা ইবনু রবী' এবং হিলাল ইবনু উমাইয়া (রদিয়াল্লাহু আনহুম)। সামর্থ্যবান পুরুষ হিসেবে জিহাদে অংশ না নেওয়াটা সত্যিই গুরুতর ও মারাত্মক অপরাধ। মুনাফিকদের বিপরীতে গিয়ে তারা এসে অকপটে দোষ স্বীকার করেন। নবি তাদের আল্লাহর সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় থাকতে বলেন। ততদিন পর্যন্ত তাদের সাথে কথাবার্তা বন্ধ রাখতে বলেন পুরো মুসলিম সমাজকে।
একঘরে হয়ে আল্লাহর সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় প্রচণ্ড মানসিক যন্ত্রণায় দিন কাটতে থাকে তাদের। যেন এক আঁধার এসে ঘিরে ধরেছে তাদের। চল্লিশ দিন পর তাদের আদেশ দেওয়া হয় স্ত্রীদের থেকেও আলাদা হয়ে যেতে। তাদের সাথে অন্তরঙ্গ না হতে। দুঃখ আর অবসাদে নুইয়ে পড়ে তারা। পঞ্চাশ দিন পর অবশেষে আল্লাহ তাআলা তাদের তাওবা কবুল করে আয়াত নাযিল করেন,
“এবারে যোগদান না করা ওই তিন জন। পৃথিবী তাদের কাছে সংকুচিত হয়ে এসেছে, আর তারা হয়ে পড়েছে বিমর্ষ। এভাবেই তারা উপলব্ধি করেছে যে, আল্লাহ বিনে কোনও আশ্রয় নেই। আর তিনিও তাদের ক্ষমা করে দিলেন, যেন তারা ফিরে আসে। নিশ্চয়ই আল্লাহ মহাক্ষমাশীল, সতত দয়ালু।”
এই ওহি নাযিলের পর চারিদিকে উৎসব উৎসব ভাব চলে আসে। সবাই দৌড়ে আসে একঘরে সাহাবিদের মুক্তির সুসংবাদ জানাতে। শোকরানা হিসেবে অনেক দান-সাদকা করেন তিন জন। সেই দিনটি ছিল তাদের জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ দিন।
মুনাফিকদের লোকদেখানো ঈমানও অন্যান্য আয়াতে আলোচিত হয়। তাদের মুখোশ উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। এদের বলা হয় অন্তরের রোগী। প্রতিবছর তাদের একটি দুটি করে নিদর্শন দেখানো হচ্ছে। অথচ তওবার কোনো নামগন্ধও নেই। অপর দিকে মুমিনদের সুখবর প্রদান করা হয়।

টিকাঃ
[৫০৩] সূরা তাওবা, ৯: ১১৮।
[৫০৪] বুখারি, ৪৪১৮।
[৫০৫] পুরা ঘটনার জন্য দেখুন ইবনু হিশাম, ২/৫১৫-৫৩৭; যাদুল মাআদ, ৩/২-১৩; মুসলিম, ১৩৯২; ফাতহুল বারি, ৮/১১০-১২৬।

📘 রাসূলে আরাবি ﷺ > 📄 আবিসিনিয়ার বাদশা ও নবি-তনয়া উম্মু কুলসূমের মৃত্যু

📄 আবিসিনিয়ার বাদশা ও নবি-তনয়া উম্মু কুলসূমের মৃত্যু


নবম হিজরির রজব মাসে তাবুক থেকে ফিরেই নবি হাবশার বাদশা আসহুমা ইবনু আবজার (রদিয়াল্লাহু আনহু)-এর মৃত্যুসংবাদ পান। দুর্বল অবস্থায় মাক্কি মুশরিকদের নিপীড়ন-নির্যাতন থেকে বাঁচাতে নিজ রাজ্যে আশ্রয় দিয়েছিলেন আবিসিনীয় এই রাজা। ইসলামকে ইবরাহীম, মূসা এবং ঈসা (আলাইহিমুস সালাম)-এর শিক্ষার চলমান ধারা হিসেবে চিনতে পারার পর নিজেও মুসলিম হন। তাকে মদীনা থেকে বহু দূরে কবরস্থ করা হলেও নবি মদীনায় তার গায়েবানা জানাযা সালাত আদায় করেন।
একই বছরের শা'বান মাসে মারা যান নবিকন্যা উম্মু কুলসূম (রদিয়াল্লাহু আনহা)। নবিজি -এর ইমামতিতে জানাযার সালাত আদায় শেষে তাকে দাফন করা হয় মদীনার বাকীউল গরকদ কবরস্থানে। নিজে শোকাহত হওয়ার পাশাপাশি জামাতা উসমান ইবনু আফফান (রদিয়াল্লাহু আনহু)-এর কষ্টও অনুধাবন করেন আল্লাহর রাসূল । তাকে বলেন, “আমার তৃতীয় কোনও মেয়ে থাকলে ওকেও তোমার সাথেই বিয়ে দিতাম।”
এরও দুই মাস পর যুল-কা'দা মাসে মারা যায় মুনাফিকদের মাথা ও নেতা আবদুল্লাহ ইবনু উবাই। দয়ার নবি মুহাম্মাদ তারও জানাযা পড়ান। দুআ করেন মাগফিরাতের। উমর (রদিয়াল্লাহু আনহু) অনুরোধ করেছিলেন এই মুনাফিক-শিরোমণির জানাযা না পড়াতে। কিন্তু নবি তাতে নিরস্ত হননি। পরে অবশ্য মুনাফিকদের জানাযা না পড়তে নবিজি -কে আদেশ দিয়ে আল্লাহ তাআলা আয়াত নাযিল করেন।

টিকাঃ
[৫০৬] হাইসামি, মাজমাউয যাওয়াইদ, ৯/৮৩।
[৫০৭] বুখারি, ৪৬৭১।

নবম হিজরির রজব মাসে তাবুক থেকে ফিরেই নবি হাবশার বাদশা আসহুমা ইবনু আবজার (রদিয়াল্লাহু আনহু)-এর মৃত্যুসংবাদ পান। দুর্বল অবস্থায় মাক্কি মুশরিকদের নিপীড়ন-নির্যাতন থেকে বাঁচাতে নিজ রাজ্যে আশ্রয় দিয়েছিলেন আবিসিনীয় এই রাজা। ইসলামকে ইবরাহীম, মূসা এবং ঈসা (আলাইহিমুস সালাম)-এর শিক্ষার চলমান ধারা হিসেবে চিনতে পারার পর নিজেও মুসলিম হন। তাকে মদীনা থেকে বহু দূরে কবরস্থ করা হলেও নবি মদীনায় তার গায়েবানা জানাযা সালাত আদায় করেন।
একই বছরের শা'বান মাসে মারা যান নবিকন্যা উম্মু কুলসূম (রদিয়াল্লাহু আনহা)। নবিজি -এর ইমামতিতে জানাযার সালাত আদায় শেষে তাকে দাফন করা হয় মদীনার বাকীউল গরকদ কবরস্থানে। নিজে শোকাহত হওয়ার পাশাপাশি জামাতা উসমান ইবনু আফফান (রদিয়াল্লাহু আনহু)-এর কষ্টও অনুধাবন করেন আল্লাহর রাসূল । তাকে বলেন, “আমার তৃতীয় কোনও মেয়ে থাকলে ওকেও তোমার সাথেই বিয়ে দিতাম।”
এরও দুই মাস পর যুল-কা'দা মাসে মারা যায় মুনাফিকদের মাথা ও নেতা আবদুল্লাহ ইবনু উবাই। দয়ার নবি মুহাম্মাদ তারও জানাযা পড়ান। দুআ করেন মাগফিরাতের। উমর (রদিয়াল্লাহু আনহু) অনুরোধ করেছিলেন এই মুনাফিক-শিরোমণির জানাযা না পড়াতে। কিন্তু নবি তাতে নিরস্ত হননি। পরে অবশ্য মুনাফিকদের জানাযা না পড়তে নবিজি -কে আদেশ দিয়ে আল্লাহ তাআলা আয়াত নাযিল করেন।

টিকাঃ
[৫০৬] হাইসামি, মাজমাউয যাওয়াইদ, ৯/৮৩।
[৫০৭] বুখারি, ৪৬৭১।

নবম হিজরির রজব মাসে তাবুক থেকে ফিরেই নবি হাবশার বাদশা আসহুমা ইবনু আবজার (রদিয়াল্লাহু আনহু)-এর মৃত্যুসংবাদ পান। দুর্বল অবস্থায় মাক্কি মুশরিকদের নিপীড়ন-নির্যাতন থেকে বাঁচাতে নিজ রাজ্যে আশ্রয় দিয়েছিলেন আবিসিনীয় এই রাজা। ইসলামকে ইবরাহীম, মূসা এবং ঈসা (আলাইহিমুস সালাম)-এর শিক্ষার চলমান ধারা হিসেবে চিনতে পারার পর নিজেও মুসলিম হন। তাকে মদীনা থেকে বহু দূরে কবরস্থ করা হলেও নবি মদীনায় তার গায়েবানা জানাযা সালাত আদায় করেন।
একই বছরের শা'বান মাসে মারা যান নবিকন্যা উম্মু কুলসূম (রদিয়াল্লাহু আনহা)। নবিজি -এর ইমামতিতে জানাযার সালাত আদায় শেষে তাকে দাফন করা হয় মদীনার বাকীউল গরকদ কবরস্থানে। নিজে শোকাহত হওয়ার পাশাপাশি জামাতা উসমান ইবনু আফফান (রদিয়াল্লাহু আনহু)-এর কষ্টও অনুধাবন করেন আল্লাহর রাসূল । তাকে বলেন, “আমার তৃতীয় কোনও মেয়ে থাকলে ওকেও তোমার সাথেই বিয়ে দিতাম।”
এরও দুই মাস পর যুল-কা'দা মাসে মারা যায় মুনাফিকদের মাথা ও নেতা আবদুল্লাহ ইবনু উবাই। দয়ার নবি মুহাম্মাদ তারও জানাযা পড়ান। দুআ করেন মাগফিরাতের। উমর (রদিয়াল্লাহু আনহু) অনুরোধ করেছিলেন এই মুনাফিক-শিরোমণির জানাযা না পড়াতে। কিন্তু নবি তাতে নিরস্ত হননি। পরে অবশ্য মুনাফিকদের জানাযা না পড়তে নবিজি -কে আদেশ দিয়ে আল্লাহ তাআলা আয়াত নাযিল করেন।

টিকাঃ
[৫০৬] হাইসামি, মাজমাউয যাওয়াইদ, ৯/৮৩।
[৫০৭] বুখারি, ৪৬৭১।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00