📄 ফের মদীনায় ফেরা
বিশ দিন তাবূকে অবস্থানের পর রাসূলুল্লাহ ও তাঁর বাহিনী মদীনায় ফিরতি যাত্রা আরম্ভ করেন। আসা-যাওয়াতেই সময় লাগে ত্রিশ দিন। এভাবে মদীনার বাইরে পঞ্চাশ দিন অতিবাহিত হয় মুসলিম বাহিনীর। এখন পর্যন্ত রোমানদের বিরুদ্ধে নবিজি -এর অভিযান কোনও সংঘর্ষ ছাড়াই এগোচ্ছে। আরবে মুসলিম শাসনের বিরুদ্ধে রোম যদিও বড় একটি হুমকি, কিন্তু তাদের নিয়ন্ত্রণাধীন তাবূকে নিরাপদেই বিশ দিন অবস্থান করে এসেছেন সাহাবিরা। শুধু তা-ই না, আশপাশের গোত্রগুলোর সাথে শান্তিচুক্তি করে উপদ্বীপে মুসলিমদের হাত আরও শক্তিশালী করা হয়েছে। কিন্তু খানিক পরেই ঘটনায় আসে এক অপ্রত্যাশিত মোড়।
ফিরতি যাত্রার মাঝপথে সেনাদলটি একটি পর্বতগিরি পার হন। উপত্যকার ভেতর দিয়ে পেরিয়ে যান বেশির ভাগ সেনা। শুধু আম্মার এবং হুযাইফা (রদিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে সাথে নিয়ে নবি অন্য আরেকটি পথ ধরেন।
সেনাদলে মুসলিমদের সাথেই ছিল বারো জন মুনাফিক। রাসূলুল্লাহ -কে প্রায় একা পেয়ে তাঁকে হত্যার শ্রেষ্ঠ সুযোগ পেয়ে যায় তারা। মুখ ঢেকে চুপে চুপে অনুসরণ করতে থাকে। অপেক্ষায় থাকে মোক্ষম সময়ের।
হঠাৎ তারা বাহন ছুটিয়ে এগিয়ে আসে। তখন নবি হুযাইফাকে বলেন ঢাল দিয়ে ওদের ঘোড়াগুলোর মুখে আঘাত হানতে। এতেই মুনাফিকদের অন্তরে আল্লাহ তাআলা ভয় ঢেলে দেন। পিঠটান দিয়ে পালায় তারা। মিশে যায় বাকি সেনাদলের সাথে। কিন্তু নবি হুযাইফাকে জানিয়ে দেন তাদের প্রত্যেকের নাম ও উদ্দেশ্য। সেদিন থেকে হুযাইফা পরিচিত হন নবিজি -এর রহস্যবিদ হিসেবে।
টিকাঃ
[৪৯৯] বাইহাকি, দালাইলুন নুবুওয়াহ, ৫/২৫১।
বিশ দিন তাবূকে অবস্থানের পর রাসূলুল্লাহ ও তাঁর বাহিনী মদীনায় ফিরতি যাত্রা আরম্ভ করেন। আসা-যাওয়াতেই সময় লাগে ত্রিশ দিন। এভাবে মদীনার বাইরে পঞ্চাশ দিন অতিবাহিত হয় মুসলিম বাহিনীর। এখন পর্যন্ত রোমানদের বিরুদ্ধে নবিজি -এর অভিযান কোনও সংঘর্ষ ছাড়াই এগোচ্ছে। আরবে মুসলিম শাসনের বিরুদ্ধে রোম যদিও বড় একটি হুমকি, কিন্তু তাদের নিয়ন্ত্রণাধীন তাবূকে নিরাপদেই বিশ দিন অবস্থান করে এসেছেন সাহাবিরা। শুধু তা-ই না, আশপাশের গোত্রগুলোর সাথে শান্তিচুক্তি করে উপদ্বীপে মুসলিমদের হাত আরও শক্তিশালী করা হয়েছে। কিন্তু খানিক পরেই ঘটনায় আসে এক অপ্রত্যাশিত মোড়।
ফিরতি যাত্রার মাঝপথে সেনাদলটি একটি পর্বতগিরি পার হন। উপত্যকার ভেতর দিয়ে পেরিয়ে যান বেশির ভাগ সেনা। শুধু আম্মার এবং হুযাইফা (রদিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে সাথে নিয়ে নবি অন্য আরেকটি পথ ধরেন।
সেনাদলে মুসলিমদের সাথেই ছিল বারো জন মুনাফিক। রাসূলুল্লাহ -কে প্রায় একা পেয়ে তাঁকে হত্যার শ্রেষ্ঠ সুযোগ পেয়ে যায় তারা। মুখ ঢেকে চুপে চুপে অনুসরণ করতে থাকে। অপেক্ষায় থাকে মোক্ষম সময়ের।
হঠাৎ তারা বাহন ছুটিয়ে এগিয়ে আসে। তখন নবি হুযাইফাকে বলেন ঢাল দিয়ে ওদের ঘোড়াগুলোর মুখে আঘাত হানতে। এতেই মুনাফিকদের অন্তরে আল্লাহ তাআলা ভয় ঢেলে দেন। পিঠটান দিয়ে পালায় তারা। মিশে যায় বাকি সেনাদলের সাথে। কিন্তু নবি হুযাইফাকে জানিয়ে দেন তাদের প্রত্যেকের নাম ও উদ্দেশ্য। সেদিন থেকে হুযাইফা পরিচিত হন নবিজি -এর রহস্যবিদ হিসেবে।
টিকাঃ
[৪৯৯] বাইহাকি, দালাইলুন নুবুওয়াহ, ৫/২৫১।
বিশ দিন তাবূকে অবস্থানের পর রাসূলুল্লাহ ও তাঁর বাহিনী মদীনায় ফিরতি যাত্রা আরম্ভ করেন। আসা-যাওয়াতেই সময় লাগে ত্রিশ দিন। এভাবে মদীনার বাইরে পঞ্চাশ দিন অতিবাহিত হয় মুসলিম বাহিনীর। এখন পর্যন্ত রোমানদের বিরুদ্ধে নবিজি -এর অভিযান কোনও সংঘর্ষ ছাড়াই এগোচ্ছে। আরবে মুসলিম শাসনের বিরুদ্ধে রোম যদিও বড় একটি হুমকি, কিন্তু তাদের নিয়ন্ত্রণাধীন তাবূকে নিরাপদেই বিশ দিন অবস্থান করে এসেছেন সাহাবিরা। শুধু তা-ই না, আশপাশের গোত্রগুলোর সাথে শান্তিচুক্তি করে উপদ্বীপে মুসলিমদের হাত আরও শক্তিশালী করা হয়েছে। কিন্তু খানিক পরেই ঘটনায় আসে এক অপ্রত্যাশিত মোড়।
ফিরতি যাত্রার মাঝপথে সেনাদলটি একটি পর্বতগিরি পার হন। উপত্যকার ভেতর দিয়ে পেরিয়ে যান বেশির ভাগ সেনা। শুধু আম্মার এবং হুযাইফা (রদিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে সাথে নিয়ে নবি অন্য আরেকটি পথ ধরেন।
সেনাদলে মুসলিমদের সাথেই ছিল বারো জন মুনাফিক। রাসূলুল্লাহ -কে প্রায় একা পেয়ে তাঁকে হত্যার শ্রেষ্ঠ সুযোগ পেয়ে যায় তারা। মুখ ঢেকে চুপে চুপে অনুসরণ করতে থাকে। অপেক্ষায় থাকে মোক্ষম সময়ের।
হঠাৎ তারা বাহন ছুটিয়ে এগিয়ে আসে। তখন নবি হুযাইফাকে বলেন ঢাল দিয়ে ওদের ঘোড়াগুলোর মুখে আঘাত হানতে। এতেই মুনাফিকদের অন্তরে আল্লাহ তাআলা ভয় ঢেলে দেন। পিঠটান দিয়ে পালায় তারা। মিশে যায় বাকি সেনাদলের সাথে। কিন্তু নবি হুযাইফাকে জানিয়ে দেন তাদের প্রত্যেকের নাম ও উদ্দেশ্য। সেদিন থেকে হুযাইফা পরিচিত হন নবিজি -এর রহস্যবিদ হিসেবে।
টিকাঃ
[৪৯৯] বাইহাকি, দালাইলুন নুবুওয়াহ, ৫/২৫১।
📄 মুনাফিকদের মাসজিদ ধ্বংস
মুনাফিকরা মদীনার বাইরে কুবায় একটি মাসজিদ নির্মাণ করেছিল। উদ্দেশ্য- মুসলমানদের ক্ষতি করা, তাদের মাঝে বিভেদ সৃষ্টি করা, কুফর ও নিফাকের পক্ষে আর আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের বিপক্ষে এটাকে ষড়যন্ত্রের ঘাঁটি বানানো। তাবুক অভিযানের প্রস্তুতিকালেই নবি -এর কাছে অনুরোধ আসে সেখানে উদ্বোধনী সালাতের ইমামতি করার। ব্যস্ততার কথা বলে নবি সেটাকে আপাতত স্থগিত রেখেছিলেন।
তাবুক থেকে ফেরার পথে কুবা থেকে এক দিনের দূরত্বে বু-আওয়ানে এসে যাত্রা-বিরতি করেন মুসলিমরা। এ সময় জিবরীল (আলাইহিস সালাম) এসে জানিয়ে দেন যে, মাসজিদটি মুনাফিকরা এক বিশেষ অসৎ উদ্দেশ্যে তৈরি করেছে। ইসলামের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করার গোপন ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহৃত হবে এটি। সুতরাং সেখানে আপনি সালাত আদায় করতে যাবেন না। নবিজি -কে এখানে সালাত পড়াতে পারা মানে স্থাপনাটির একরকম ধর্মীয় বৈধতা আদায় করে নেওয়া। তাকওয়ার বদলে নিফাক যেই দালানের ভিত্তি, সেটি ধ্বংস করে দিতে কুবায় বাহিনী পাঠান রাসূল । ফলে তারা তা ভেঙে তছনছ করে দেয় এবং ধ্বংস করে ফেলে মুনাফিকদের মাসজিদ।
টিকাঃ
[৫০০] বাইহাকি, দালাইলুন নুবুওয়াহ, ৫/২৬০।
মুনাফিকরা মদীনার বাইরে কুবায় একটি মাসজিদ নির্মাণ করেছিল। উদ্দেশ্য- মুসলমানদের ক্ষতি করা, তাদের মাঝে বিভেদ সৃষ্টি করা, কুফর ও নিফাকের পক্ষে আর আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের বিপক্ষে এটাকে ষড়যন্ত্রের ঘাঁটি বানানো। তাবুক অভিযানের প্রস্তুতিকালেই নবি -এর কাছে অনুরোধ আসে সেখানে উদ্বোধনী সালাতের ইমামতি করার। ব্যস্ততার কথা বলে নবি সেটাকে আপাতত স্থগিত রেখেছিলেন।
তাবুক থেকে ফেরার পথে কুবা থেকে এক দিনের দূরত্বে বু-আওয়ানে এসে যাত্রা-বিরতি করেন মুসলিমরা। এ সময় জিবরীল (আলাইহিস সালাম) এসে জানিয়ে দেন যে, মাসজিদটি মুনাফিকরা এক বিশেষ অসৎ উদ্দেশ্যে তৈরি করেছে। ইসলামের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করার গোপন ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহৃত হবে এটি। সুতরাং সেখানে আপনি সালাত আদায় করতে যাবেন না। নবিজি -কে এখানে সালাত পড়াতে পারা মানে স্থাপনাটির একরকম ধর্মীয় বৈধতা আদায় করে নেওয়া। তাকওয়ার বদলে নিফাক যেই দালানের ভিত্তি, সেটি ধ্বংস করে দিতে কুবায় বাহিনী পাঠান রাসূল । ফলে তারা তা ভেঙে তছনছ করে দেয় এবং ধ্বংস করে ফেলে মুনাফিকদের মাসজিদ।
টিকাঃ
[৫০০] বাইহাকি, দালাইলুন নুবুওয়াহ, ৫/২৬০।
মুনাফিকরা মদীনার বাইরে কুবায় একটি মাসজিদ নির্মাণ করেছিল। উদ্দেশ্য- মুসলমানদের ক্ষতি করা, তাদের মাঝে বিভেদ সৃষ্টি করা, কুফর ও নিফাকের পক্ষে আর আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের বিপক্ষে এটাকে ষড়যন্ত্রের ঘাঁটি বানানো। তাবুক অভিযানের প্রস্তুতিকালেই নবি -এর কাছে অনুরোধ আসে সেখানে উদ্বোধনী সালাতের ইমামতি করার। ব্যস্ততার কথা বলে নবি সেটাকে আপাতত স্থগিত রেখেছিলেন।
তাবুক থেকে ফেরার পথে কুবা থেকে এক দিনের দূরত্বে বু-আওয়ানে এসে যাত্রা-বিরতি করেন মুসলিমরা। এ সময় জিবরীল (আলাইহিস সালাম) এসে জানিয়ে দেন যে, মাসজিদটি মুনাফিকরা এক বিশেষ অসৎ উদ্দেশ্যে তৈরি করেছে। ইসলামের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করার গোপন ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহৃত হবে এটি। সুতরাং সেখানে আপনি সালাত আদায় করতে যাবেন না। নবিজি -কে এখানে সালাত পড়াতে পারা মানে স্থাপনাটির একরকম ধর্মীয় বৈধতা আদায় করে নেওয়া। তাকওয়ার বদলে নিফাক যেই দালানের ভিত্তি, সেটি ধ্বংস করে দিতে কুবায় বাহিনী পাঠান রাসূল । ফলে তারা তা ভেঙে তছনছ করে দেয় এবং ধ্বংস করে ফেলে মুনাফিকদের মাসজিদ।
টিকাঃ
[৫০০] বাইহাকি, দালাইলুন নুবুওয়াহ, ৫/২৬০।
📄 নবিজি ﷺ-কে মদীনায় বরণ
শারীরিকভাবে ক্লান্ত, কিন্তু মানসিকভাবে উজ্জীবিত মুসলিম বাহিনী অবশেষে মদীনা এসে পৌঁছান। দূর থেকে শহরের পরিচিত চিহ্নগুলো দেখে নবি বলেন, “এই হলো তবাহ আর ওই যে উহুদ, পাহাড়টি আমাদের ভালোবাসে, আমরাও তাকে ভালোবাসি।”
নবিজির ফিরে আসার খবর পেয়ে মদীনাবাসীরা ছুটে আসে স্বাগত জানাতে। প্রায় দশ বছর আগে মুহাজিরদের স্বাগত জানিয়ে গাওয়া গানটি আবারো গেয়ে ওঠে নারী-শিশুরা—
“পূর্ণিমার চাঁদ আমাদের ওপর উদিত হয়েছে সানিয়্যাতুল ওয়াদা’ থেকে, কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা আমাদের ওপর ওয়াজিব যত দিন কেউ আল্লাহকে ডাকে।”
দুই রাকাআত সালাত আদায় করে রাসূল মাসজিদে বসেন। আগ্রহীরা একে একে এসে দেখা করতে থাকে তাঁর সাথে। পঞ্চাশ দিন মদীনা থেকে দূরে থাকা নবিজিকে স্বাগত জানাতে সবাই উৎসুক।
টিকাঃ
[৫০১] বুখারি, ১৪৮১
[৫০২] বুখারি, ৪৪২৬।
শারীরিকভাবে ক্লান্ত, কিন্তু মানসিকভাবে উজ্জীবিত মুসলিম বাহিনী অবশেষে মদীনা এসে পৌঁছান। দূর থেকে শহরের পরিচিত চিহ্নগুলো দেখে নবি বলেন, “এই হলো তবাহ আর ওই যে উহুদ, পাহাড়টি আমাদের ভালোবাসে, আমরাও তাকে ভালোবাসি।”
নবিজির ফিরে আসার খবর পেয়ে মদীনাবাসীরা ছুটে আসে স্বাগত জানাতে। প্রায় দশ বছর আগে মুহাজিরদের স্বাগত জানিয়ে গাওয়া গানটি আবারো গেয়ে ওঠে নারী-শিশুরা—
“পূর্ণিমার চাঁদ আমাদের ওপর উদিত হয়েছে সানিয়্যাতুল ওয়াদা’ থেকে, কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা আমাদের ওপর ওয়াজিব যত দিন কেউ আল্লাহকে ডাকে।”
দুই রাকাআত সালাত আদায় করে রাসূল মাসজিদে বসেন। আগ্রহীরা একে একে এসে দেখা করতে থাকে তাঁর সাথে। পঞ্চাশ দিন মদীনা থেকে দূরে থাকা নবিজিকে স্বাগত জানাতে সবাই উৎসুক।
টিকাঃ
[৫০১] বুখারি, ১৪৮১
[৫০২] বুখারি, ৪৪২৬।
শারীরিকভাবে ক্লান্ত, কিন্তু মানসিকভাবে উজ্জীবিত মুসলিম বাহিনী অবশেষে মদীনা এসে পৌঁছান। দূর থেকে শহরের পরিচিত চিহ্নগুলো দেখে নবি বলেন, “এই হলো তবাহ আর ওই যে উহুদ, পাহাড়টি আমাদের ভালোবাসে, আমরাও তাকে ভালোবাসি।”
নবিজির ফিরে আসার খবর পেয়ে মদীনাবাসীরা ছুটে আসে স্বাগত জানাতে। প্রায় দশ বছর আগে মুহাজিরদের স্বাগত জানিয়ে গাওয়া গানটি আবারো গেয়ে ওঠে নারী-শিশুরা—
“পূর্ণিমার চাঁদ আমাদের ওপর উদিত হয়েছে সানিয়্যাতুল ওয়াদা’ থেকে, কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা আমাদের ওপর ওয়াজিব যত দিন কেউ আল্লাহকে ডাকে।”
দুই রাকাআত সালাত আদায় করে রাসূল মাসজিদে বসেন। আগ্রহীরা একে একে এসে দেখা করতে থাকে তাঁর সাথে। পঞ্চাশ দিন মদীনা থেকে দূরে থাকা নবিজিকে স্বাগত জানাতে সবাই উৎসুক।
টিকাঃ
[৫০১] বুখারি, ১৪৮১
[৫০২] বুখারি, ৪৪২৬।
📄 তাবূক যুদ্ধে যায়নি যারা
মুনাফিকরা যারা যুদ্ধে যায়নি, তারা সারি ধরে এসে সেই গৎবাঁধা অজুহাতের পুনরাবৃত্তি করতে থাকে। নবি কাউকেই সামনাসামনি তিরস্কার করেননি। আল্লাহই এদের ফায়সালা করবেন। কিন্তু তিন জন সাচ্চা মুসলিম কোনও ওজর ছাড়া আসলেই তাবুকে যাওয়া থেকে বিরত ছিলেন। কা'ব ইবনু মালিক, মুরারা ইবনু রবী' এবং হিলাল ইবনু উমাইয়া (রদিয়াল্লাহু আনহুম)। সামর্থ্যবান পুরুষ হিসেবে জিহাদে অংশ না নেওয়াটা সত্যিই গুরুতর ও মারাত্মক অপরাধ। মুনাফিকদের বিপরীতে গিয়ে তারা এসে অকপটে দোষ স্বীকার করেন। নবি তাদের আল্লাহর সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় থাকতে বলেন। ততদিন পর্যন্ত তাদের সাথে কথাবার্তা বন্ধ রাখতে বলেন পুরো মুসলিম সমাজকে।
একঘরে হয়ে আল্লাহর সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় প্রচণ্ড মানসিক যন্ত্রণায় দিন কাটতে থাকে তাদের। যেন এক আঁধার এসে ঘিরে ধরেছে তাদের। চল্লিশ দিন পর তাদের আদেশ দেওয়া হয় স্ত্রীদের থেকেও আলাদা হয়ে যেতে। তাদের সাথে অন্তরঙ্গ না হতে। দুঃখ আর অবসাদে নুইয়ে পড়ে তারা। পঞ্চাশ দিন পর অবশেষে আল্লাহ তাআলা তাদের তাওবা কবুল করে আয়াত নাযিল করেন,
“এবারে যোগদান না করা ওই তিন জন। পৃথিবী তাদের কাছে সংকুচিত হয়ে এসেছে, আর তারা হয়ে পড়েছে বিমর্ষ। এভাবেই তারা উপলব্ধি করেছে যে, আল্লাহ বিনে কোনও আশ্রয় নেই। আর তিনিও তাদের ক্ষমা করে দিলেন, যেন তারা ফিরে আসে। নিশ্চয়ই আল্লাহ মহাক্ষমাশীল, সতত দয়ালু।”
এই ওহি নাযিলের পর চারিদিকে উৎসব উৎসব ভাব চলে আসে। সবাই দৌড়ে আসে একঘরে সাহাবিদের মুক্তির সুসংবাদ জানাতে। শোকরানা হিসেবে অনেক দান-সাদকা করেন তিন জন। সেই দিনটি ছিল তাদের জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ দিন।
মুনাফিকদের লোকদেখানো ঈমানও অন্যান্য আয়াতে আলোচিত হয়। তাদের মুখোশ উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। এদের বলা হয় অন্তরের রোগী। প্রতিবছর তাদের একটি দুটি করে নিদর্শন দেখানো হচ্ছে। অথচ তওবার কোনো নামগন্ধও নেই। অপর দিকে মুমিনদের সুখবর প্রদান করা হয়।
টিকাঃ
[৫০৩] সূরা তাওবা, ৯: ১১৮।
[৫০৪] বুখারি, ৪৪১৮।
[৫০৫] পুরা ঘটনার জন্য দেখুন ইবনু হিশাম, ২/৫১৫-৫৩৭; যাদুল মাআদ, ৩/২-১৩; মুসলিম, ১৩৯২; ফাতহুল বারি, ৮/১১০-১২৬।
মুনাফিকরা যারা যুদ্ধে যায়নি, তারা সারি ধরে এসে সেই গৎবাঁধা অজুহাতের পুনরাবৃত্তি করতে থাকে। নবি কাউকেই সামনাসামনি তিরস্কার করেননি। আল্লাহই এদের ফায়সালা করবেন। কিন্তু তিন জন সাচ্চা মুসলিম কোনও ওজর ছাড়া আসলেই তাবুকে যাওয়া থেকে বিরত ছিলেন। কা'ব ইবনু মালিক, মুরারা ইবনু রবী' এবং হিলাল ইবনু উমাইয়া (রদিয়াল্লাহু আনহুম)। সামর্থ্যবান পুরুষ হিসেবে জিহাদে অংশ না নেওয়াটা সত্যিই গুরুতর ও মারাত্মক অপরাধ। মুনাফিকদের বিপরীতে গিয়ে তারা এসে অকপটে দোষ স্বীকার করেন। নবি তাদের আল্লাহর সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় থাকতে বলেন। ততদিন পর্যন্ত তাদের সাথে কথাবার্তা বন্ধ রাখতে বলেন পুরো মুসলিম সমাজকে।
একঘরে হয়ে আল্লাহর সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় প্রচণ্ড মানসিক যন্ত্রণায় দিন কাটতে থাকে তাদের। যেন এক আঁধার এসে ঘিরে ধরেছে তাদের। চল্লিশ দিন পর তাদের আদেশ দেওয়া হয় স্ত্রীদের থেকেও আলাদা হয়ে যেতে। তাদের সাথে অন্তরঙ্গ না হতে। দুঃখ আর অবসাদে নুইয়ে পড়ে তারা। পঞ্চাশ দিন পর অবশেষে আল্লাহ তাআলা তাদের তাওবা কবুল করে আয়াত নাযিল করেন,
“এবারে যোগদান না করা ওই তিন জন। পৃথিবী তাদের কাছে সংকুচিত হয়ে এসেছে, আর তারা হয়ে পড়েছে বিমর্ষ। এভাবেই তারা উপলব্ধি করেছে যে, আল্লাহ বিনে কোনও আশ্রয় নেই। আর তিনিও তাদের ক্ষমা করে দিলেন, যেন তারা ফিরে আসে। নিশ্চয়ই আল্লাহ মহাক্ষমাশীল, সতত দয়ালু।”
এই ওহি নাযিলের পর চারিদিকে উৎসব উৎসব ভাব চলে আসে। সবাই দৌড়ে আসে একঘরে সাহাবিদের মুক্তির সুসংবাদ জানাতে। শোকরানা হিসেবে অনেক দান-সাদকা করেন তিন জন। সেই দিনটি ছিল তাদের জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ দিন।
মুনাফিকদের লোকদেখানো ঈমানও অন্যান্য আয়াতে আলোচিত হয়। তাদের মুখোশ উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। এদের বলা হয় অন্তরের রোগী। প্রতিবছর তাদের একটি দুটি করে নিদর্শন দেখানো হচ্ছে। অথচ তওবার কোনো নামগন্ধও নেই। অপর দিকে মুমিনদের সুখবর প্রদান করা হয়।
টিকাঃ
[৫০৩] সূরা তাওবা, ৯: ১১৮।
[৫০৪] বুখারি, ৪৪১৮।
[৫০৫] পুরা ঘটনার জন্য দেখুন ইবনু হিশাম, ২/৫১৫-৫৩৭; যাদুল মাআদ, ৩/২-১৩; মুসলিম, ১৩৯২; ফাতহুল বারি, ৮/১১০-১২৬।
মুনাফিকরা যারা যুদ্ধে যায়নি, তারা সারি ধরে এসে সেই গৎবাঁধা অজুহাতের পুনরাবৃত্তি করতে থাকে। নবি কাউকেই সামনাসামনি তিরস্কার করেননি। আল্লাহই এদের ফায়সালা করবেন। কিন্তু তিন জন সাচ্চা মুসলিম কোনও ওজর ছাড়া আসলেই তাবুকে যাওয়া থেকে বিরত ছিলেন। কা'ব ইবনু মালিক, মুরারা ইবনু রবী' এবং হিলাল ইবনু উমাইয়া (রদিয়াল্লাহু আনহুম)। সামর্থ্যবান পুরুষ হিসেবে জিহাদে অংশ না নেওয়াটা সত্যিই গুরুতর ও মারাত্মক অপরাধ। মুনাফিকদের বিপরীতে গিয়ে তারা এসে অকপটে দোষ স্বীকার করেন। নবি তাদের আল্লাহর সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় থাকতে বলেন। ততদিন পর্যন্ত তাদের সাথে কথাবার্তা বন্ধ রাখতে বলেন পুরো মুসলিম সমাজকে।
একঘরে হয়ে আল্লাহর সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় প্রচণ্ড মানসিক যন্ত্রণায় দিন কাটতে থাকে তাদের। যেন এক আঁধার এসে ঘিরে ধরেছে তাদের। চল্লিশ দিন পর তাদের আদেশ দেওয়া হয় স্ত্রীদের থেকেও আলাদা হয়ে যেতে। তাদের সাথে অন্তরঙ্গ না হতে। দুঃখ আর অবসাদে নুইয়ে পড়ে তারা। পঞ্চাশ দিন পর অবশেষে আল্লাহ তাআলা তাদের তাওবা কবুল করে আয়াত নাযিল করেন,
“এবারে যোগদান না করা ওই তিন জন। পৃথিবী তাদের কাছে সংকুচিত হয়ে এসেছে, আর তারা হয়ে পড়েছে বিমর্ষ। এভাবেই তারা উপলব্ধি করেছে যে, আল্লাহ বিনে কোনও আশ্রয় নেই। আর তিনিও তাদের ক্ষমা করে দিলেন, যেন তারা ফিরে আসে। নিশ্চয়ই আল্লাহ মহাক্ষমাশীল, সতত দয়ালু।”
এই ওহি নাযিলের পর চারিদিকে উৎসব উৎসব ভাব চলে আসে। সবাই দৌড়ে আসে একঘরে সাহাবিদের মুক্তির সুসংবাদ জানাতে। শোকরানা হিসেবে অনেক দান-সাদকা করেন তিন জন। সেই দিনটি ছিল তাদের জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ দিন।
মুনাফিকদের লোকদেখানো ঈমানও অন্যান্য আয়াতে আলোচিত হয়। তাদের মুখোশ উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। এদের বলা হয় অন্তরের রোগী। প্রতিবছর তাদের একটি দুটি করে নিদর্শন দেখানো হচ্ছে। অথচ তওবার কোনো নামগন্ধও নেই। অপর দিকে মুমিনদের সুখবর প্রদান করা হয়।
টিকাঃ
[৫০৩] সূরা তাওবা, ৯: ১১৮।
[৫০৪] বুখারি, ৪৪১৮।
[৫০৫] পুরা ঘটনার জন্য দেখুন ইবনু হিশাম, ২/৫১৫-৫৩৭; যাদুল মাআদ, ৩/২-১৩; মুসলিম, ১৩৯২; ফাতহুল বারি, ৮/১১০-১২৬।