📄 তাবূকে বিশটি দিন
রোমানরা ইতিমধ্যে খবর পেয়ে গেছে যে, মুসলিম সৈন্যরা তাদের মুখোমুখি হতে চার শ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে চলে এসেছে। এতেই রোমানদের মনোবল ভেঙে পড়ে। সিদ্ধান্ত নেয় যুদ্ধে না আসার। তারপরও নবি তাবূকে শিবির স্থাপন করে বিশ দিন অবস্থান করেন। উপস্থিতির মাধ্যমে ভীতি ধরিয়ে দেন রোম সাম্রাজ্য এবং তাদের অনুগত আরব খ্রিষ্টানদের হৃদয়-রাজ্যে।
আরবের নতুন এই শাসকের সাথে শান্তি স্থাপন করতে অনেক গোত্রই তখন উদগ্রীব। তাবূকের আশপাশের অনেক গোত্র থেকেই প্রতিনিধিদল এসে নবিজি -এর সাথে একের পর এক দেখা করতে থাকে। আইলার প্রশাসক ইউহান্না ইবনু রু'বা আসেন সাক্ষাৎ করতে। সাথে ছিলেন জারবা, আযরুহ এবং মীনা অঞ্চলের দলগুলোও। সবাই-ই জিযইয়া প্রদান করতে রাজি হন, তবে ইসলাম গ্রহণের ব্যাপারে কোনও সিদ্ধান্ত জানাননি। নবি তাদের জন্য একটি শান্তিচুক্তিপত্র লিখে দেন। স্থল আর সাগর মিলিয়ে তাদের এলাকা এবং সেখানকার গবাদি পশু ও কাফেলা মুসলিমদের হাত থেকে নিরাপদ। আর যদি কোনও ধরনের অপতৎপরতা দেখা যায় তাহলে তাদের সম্পদ তাদের জীবন বাঁচাতে পারবে না।
প্রতি বছরের রজব মাসে এক শ দীনার জিযইয়ার মাধ্যমে জারবা এবং আযরুহ গোত্রের সাথেও অনুরূপ চুক্তি হয়। আর মীনা গোত্র সম্মত হয় তাদের অঞ্চলে উৎপন্ন ফসলের এক-চতুর্থাংশ দান করতে।
টিকাঃ
[৪৯৭] বাইহাকি, দালাইলুন নুবুওয়াহ, ৫/২৪৭-২৪৮।
রোমানরা ইতিমধ্যে খবর পেয়ে গেছে যে, মুসলিম সৈন্যরা তাদের মুখোমুখি হতে চার শ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে চলে এসেছে। এতেই রোমানদের মনোবল ভেঙে পড়ে। সিদ্ধান্ত নেয় যুদ্ধে না আসার। তারপরও নবি তাবূকে শিবির স্থাপন করে বিশ দিন অবস্থান করেন। উপস্থিতির মাধ্যমে ভীতি ধরিয়ে দেন রোম সাম্রাজ্য এবং তাদের অনুগত আরব খ্রিষ্টানদের হৃদয়-রাজ্যে।
আরবের নতুন এই শাসকের সাথে শান্তি স্থাপন করতে অনেক গোত্রই তখন উদগ্রীব। তাবূকের আশপাশের অনেক গোত্র থেকেই প্রতিনিধিদল এসে নবিজি -এর সাথে একের পর এক দেখা করতে থাকে। আইলার প্রশাসক ইউহান্না ইবনু রু'বা আসেন সাক্ষাৎ করতে। সাথে ছিলেন জারবা, আযরুহ এবং মীনা অঞ্চলের দলগুলোও। সবাই-ই জিযইয়া প্রদান করতে রাজি হন, তবে ইসলাম গ্রহণের ব্যাপারে কোনও সিদ্ধান্ত জানাননি। নবি তাদের জন্য একটি শান্তিচুক্তিপত্র লিখে দেন। স্থল আর সাগর মিলিয়ে তাদের এলাকা এবং সেখানকার গবাদি পশু ও কাফেলা মুসলিমদের হাত থেকে নিরাপদ। আর যদি কোনও ধরনের অপতৎপরতা দেখা যায় তাহলে তাদের সম্পদ তাদের জীবন বাঁচাতে পারবে না।
প্রতি বছরের রজব মাসে এক শ দীনার জিযইয়ার মাধ্যমে জারবা এবং আযরুহ গোত্রের সাথেও অনুরূপ চুক্তি হয়। আর মীনা গোত্র সম্মত হয় তাদের অঞ্চলে উৎপন্ন ফসলের এক-চতুর্থাংশ দান করতে।
টিকাঃ
[৪৯৭] বাইহাকি, দালাইলুন নুবুওয়াহ, ৫/২৪৭-২৪৮।
রোমানরা ইতিমধ্যে খবর পেয়ে গেছে যে, মুসলিম সৈন্যরা তাদের মুখোমুখি হতে চার শ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে চলে এসেছে। এতেই রোমানদের মনোবল ভেঙে পড়ে। সিদ্ধান্ত নেয় যুদ্ধে না আসার। তারপরও নবি তাবূকে শিবির স্থাপন করে বিশ দিন অবস্থান করেন। উপস্থিতির মাধ্যমে ভীতি ধরিয়ে দেন রোম সাম্রাজ্য এবং তাদের অনুগত আরব খ্রিষ্টানদের হৃদয়-রাজ্যে।
আরবের নতুন এই শাসকের সাথে শান্তি স্থাপন করতে অনেক গোত্রই তখন উদগ্রীব। তাবূকের আশপাশের অনেক গোত্র থেকেই প্রতিনিধিদল এসে নবিজি -এর সাথে একের পর এক দেখা করতে থাকে। আইলার প্রশাসক ইউহান্না ইবনু রু'বা আসেন সাক্ষাৎ করতে। সাথে ছিলেন জারবা, আযরুহ এবং মীনা অঞ্চলের দলগুলোও। সবাই-ই জিযইয়া প্রদান করতে রাজি হন, তবে ইসলাম গ্রহণের ব্যাপারে কোনও সিদ্ধান্ত জানাননি। নবি তাদের জন্য একটি শান্তিচুক্তিপত্র লিখে দেন। স্থল আর সাগর মিলিয়ে তাদের এলাকা এবং সেখানকার গবাদি পশু ও কাফেলা মুসলিমদের হাত থেকে নিরাপদ। আর যদি কোনও ধরনের অপতৎপরতা দেখা যায় তাহলে তাদের সম্পদ তাদের জীবন বাঁচাতে পারবে না।
প্রতি বছরের রজব মাসে এক শ দীনার জিযইয়ার মাধ্যমে জারবা এবং আযরুহ গোত্রের সাথেও অনুরূপ চুক্তি হয়। আর মীনা গোত্র সম্মত হয় তাদের অঞ্চলে উৎপন্ন ফসলের এক-চতুর্থাংশ দান করতে।
টিকাঃ
[৪৯৭] বাইহাকি, দালাইলুন নুবুওয়াহ, ৫/২৪৭-২৪৮।
📄 উকাইদিরের বন্দিত্ব
দুমাতুল জান্দালের প্রশাসক উকাইদিরকে বন্দি করার জন্য নবি খালিদ ইবনুল ওয়ালীদ (রদিয়াল্লাহু আনহু)-এর নেতৃত্বে চার শ বিশ জন ঘোড়সওয়ারের একটি দল পাঠান। খালিদকে বলে দেন যে, উকাইদিরকে পাওয়া যাবে নীলগাই বা সাদা অ্যান্টিলোপ শিকাররত অবস্থায়। কথামতো খালিদ গিয়ে উকাইদিরের দুর্গের সামনে থামেন। একটি সাদা অ্যান্টিলোপ চোখে পড়ে তার। ঠিকই সেটা শিকার করতে দুর্গ থেকে বেরিয়ে আসে উকাইদির। জানে না যে, নিজেই একটু পর শিকারে পরিণত হবে। খালিদ (রদিয়াল্লাহু আনহু) অতর্কিত আক্রমণে তাকে বন্দি করে ফেলেন। নবিজি -এর কাছে নিয়ে আসা হয় তাকে। দুই হাজার উট, আট শ দাস, চার শ বর্ম এবং চার শ বর্শার বিমিনয়ে উকাইদিরকে মুক্তি দিয়ে দেন তিনি। আইলা এবং মীনার মতো একই শর্তে উকাইদিরও জিযইয়া দিতে সম্মত হয়।
টিকাঃ
[৪৯৮] বাইহাকি, দালাইলুন নুবুওয়াহ, ৫/২৫০-২৫১।
দুমাতুল জান্দালের প্রশাসক উকাইদিরকে বন্দি করার জন্য নবি খালিদ ইবনুল ওয়ালীদ (রদিয়াল্লাহু আনহু)-এর নেতৃত্বে চার শ বিশ জন ঘোড়সওয়ারের একটি দল পাঠান। খালিদকে বলে দেন যে, উকাইদিরকে পাওয়া যাবে নীলগাই বা সাদা অ্যান্টিলোপ শিকাররত অবস্থায়। কথামতো খালিদ গিয়ে উকাইদিরের দুর্গের সামনে থামেন। একটি সাদা অ্যান্টিলোপ চোখে পড়ে তার। ঠিকই সেটা শিকার করতে দুর্গ থেকে বেরিয়ে আসে উকাইদির। জানে না যে, নিজেই একটু পর শিকারে পরিণত হবে। খালিদ (রদিয়াল্লাহু আনহু) অতর্কিত আক্রমণে তাকে বন্দি করে ফেলেন। নবিজি -এর কাছে নিয়ে আসা হয় তাকে। দুই হাজার উট, আট শ দাস, চার শ বর্ম এবং চার শ বর্শার বিমিনয়ে উকাইদিরকে মুক্তি দিয়ে দেন তিনি। আইলা এবং মীনার মতো একই শর্তে উকাইদিরও জিযইয়া দিতে সম্মত হয়।
টিকাঃ
[৪৯৮] বাইহাকি, দালাইলুন নুবুওয়াহ, ৫/২৫০-২৫১।
দুমাতুল জান্দালের প্রশাসক উকাইদিরকে বন্দি করার জন্য নবি খালিদ ইবনুল ওয়ালীদ (রদিয়াল্লাহু আনহু)-এর নেতৃত্বে চার শ বিশ জন ঘোড়সওয়ারের একটি দল পাঠান। খালিদকে বলে দেন যে, উকাইদিরকে পাওয়া যাবে নীলগাই বা সাদা অ্যান্টিলোপ শিকাররত অবস্থায়। কথামতো খালিদ গিয়ে উকাইদিরের দুর্গের সামনে থামেন। একটি সাদা অ্যান্টিলোপ চোখে পড়ে তার। ঠিকই সেটা শিকার করতে দুর্গ থেকে বেরিয়ে আসে উকাইদির। জানে না যে, নিজেই একটু পর শিকারে পরিণত হবে। খালিদ (রদিয়াল্লাহু আনহু) অতর্কিত আক্রমণে তাকে বন্দি করে ফেলেন। নবিজি -এর কাছে নিয়ে আসা হয় তাকে। দুই হাজার উট, আট শ দাস, চার শ বর্ম এবং চার শ বর্শার বিমিনয়ে উকাইদিরকে মুক্তি দিয়ে দেন তিনি। আইলা এবং মীনার মতো একই শর্তে উকাইদিরও জিযইয়া দিতে সম্মত হয়।
টিকাঃ
[৪৯৮] বাইহাকি, দালাইলুন নুবুওয়াহ, ৫/২৫০-২৫১।
📄 ফের মদীনায় ফেরা
বিশ দিন তাবূকে অবস্থানের পর রাসূলুল্লাহ ও তাঁর বাহিনী মদীনায় ফিরতি যাত্রা আরম্ভ করেন। আসা-যাওয়াতেই সময় লাগে ত্রিশ দিন। এভাবে মদীনার বাইরে পঞ্চাশ দিন অতিবাহিত হয় মুসলিম বাহিনীর। এখন পর্যন্ত রোমানদের বিরুদ্ধে নবিজি -এর অভিযান কোনও সংঘর্ষ ছাড়াই এগোচ্ছে। আরবে মুসলিম শাসনের বিরুদ্ধে রোম যদিও বড় একটি হুমকি, কিন্তু তাদের নিয়ন্ত্রণাধীন তাবূকে নিরাপদেই বিশ দিন অবস্থান করে এসেছেন সাহাবিরা। শুধু তা-ই না, আশপাশের গোত্রগুলোর সাথে শান্তিচুক্তি করে উপদ্বীপে মুসলিমদের হাত আরও শক্তিশালী করা হয়েছে। কিন্তু খানিক পরেই ঘটনায় আসে এক অপ্রত্যাশিত মোড়।
ফিরতি যাত্রার মাঝপথে সেনাদলটি একটি পর্বতগিরি পার হন। উপত্যকার ভেতর দিয়ে পেরিয়ে যান বেশির ভাগ সেনা। শুধু আম্মার এবং হুযাইফা (রদিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে সাথে নিয়ে নবি অন্য আরেকটি পথ ধরেন।
সেনাদলে মুসলিমদের সাথেই ছিল বারো জন মুনাফিক। রাসূলুল্লাহ -কে প্রায় একা পেয়ে তাঁকে হত্যার শ্রেষ্ঠ সুযোগ পেয়ে যায় তারা। মুখ ঢেকে চুপে চুপে অনুসরণ করতে থাকে। অপেক্ষায় থাকে মোক্ষম সময়ের।
হঠাৎ তারা বাহন ছুটিয়ে এগিয়ে আসে। তখন নবি হুযাইফাকে বলেন ঢাল দিয়ে ওদের ঘোড়াগুলোর মুখে আঘাত হানতে। এতেই মুনাফিকদের অন্তরে আল্লাহ তাআলা ভয় ঢেলে দেন। পিঠটান দিয়ে পালায় তারা। মিশে যায় বাকি সেনাদলের সাথে। কিন্তু নবি হুযাইফাকে জানিয়ে দেন তাদের প্রত্যেকের নাম ও উদ্দেশ্য। সেদিন থেকে হুযাইফা পরিচিত হন নবিজি -এর রহস্যবিদ হিসেবে।
টিকাঃ
[৪৯৯] বাইহাকি, দালাইলুন নুবুওয়াহ, ৫/২৫১।
বিশ দিন তাবূকে অবস্থানের পর রাসূলুল্লাহ ও তাঁর বাহিনী মদীনায় ফিরতি যাত্রা আরম্ভ করেন। আসা-যাওয়াতেই সময় লাগে ত্রিশ দিন। এভাবে মদীনার বাইরে পঞ্চাশ দিন অতিবাহিত হয় মুসলিম বাহিনীর। এখন পর্যন্ত রোমানদের বিরুদ্ধে নবিজি -এর অভিযান কোনও সংঘর্ষ ছাড়াই এগোচ্ছে। আরবে মুসলিম শাসনের বিরুদ্ধে রোম যদিও বড় একটি হুমকি, কিন্তু তাদের নিয়ন্ত্রণাধীন তাবূকে নিরাপদেই বিশ দিন অবস্থান করে এসেছেন সাহাবিরা। শুধু তা-ই না, আশপাশের গোত্রগুলোর সাথে শান্তিচুক্তি করে উপদ্বীপে মুসলিমদের হাত আরও শক্তিশালী করা হয়েছে। কিন্তু খানিক পরেই ঘটনায় আসে এক অপ্রত্যাশিত মোড়।
ফিরতি যাত্রার মাঝপথে সেনাদলটি একটি পর্বতগিরি পার হন। উপত্যকার ভেতর দিয়ে পেরিয়ে যান বেশির ভাগ সেনা। শুধু আম্মার এবং হুযাইফা (রদিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে সাথে নিয়ে নবি অন্য আরেকটি পথ ধরেন।
সেনাদলে মুসলিমদের সাথেই ছিল বারো জন মুনাফিক। রাসূলুল্লাহ -কে প্রায় একা পেয়ে তাঁকে হত্যার শ্রেষ্ঠ সুযোগ পেয়ে যায় তারা। মুখ ঢেকে চুপে চুপে অনুসরণ করতে থাকে। অপেক্ষায় থাকে মোক্ষম সময়ের।
হঠাৎ তারা বাহন ছুটিয়ে এগিয়ে আসে। তখন নবি হুযাইফাকে বলেন ঢাল দিয়ে ওদের ঘোড়াগুলোর মুখে আঘাত হানতে। এতেই মুনাফিকদের অন্তরে আল্লাহ তাআলা ভয় ঢেলে দেন। পিঠটান দিয়ে পালায় তারা। মিশে যায় বাকি সেনাদলের সাথে। কিন্তু নবি হুযাইফাকে জানিয়ে দেন তাদের প্রত্যেকের নাম ও উদ্দেশ্য। সেদিন থেকে হুযাইফা পরিচিত হন নবিজি -এর রহস্যবিদ হিসেবে।
টিকাঃ
[৪৯৯] বাইহাকি, দালাইলুন নুবুওয়াহ, ৫/২৫১।
বিশ দিন তাবূকে অবস্থানের পর রাসূলুল্লাহ ও তাঁর বাহিনী মদীনায় ফিরতি যাত্রা আরম্ভ করেন। আসা-যাওয়াতেই সময় লাগে ত্রিশ দিন। এভাবে মদীনার বাইরে পঞ্চাশ দিন অতিবাহিত হয় মুসলিম বাহিনীর। এখন পর্যন্ত রোমানদের বিরুদ্ধে নবিজি -এর অভিযান কোনও সংঘর্ষ ছাড়াই এগোচ্ছে। আরবে মুসলিম শাসনের বিরুদ্ধে রোম যদিও বড় একটি হুমকি, কিন্তু তাদের নিয়ন্ত্রণাধীন তাবূকে নিরাপদেই বিশ দিন অবস্থান করে এসেছেন সাহাবিরা। শুধু তা-ই না, আশপাশের গোত্রগুলোর সাথে শান্তিচুক্তি করে উপদ্বীপে মুসলিমদের হাত আরও শক্তিশালী করা হয়েছে। কিন্তু খানিক পরেই ঘটনায় আসে এক অপ্রত্যাশিত মোড়।
ফিরতি যাত্রার মাঝপথে সেনাদলটি একটি পর্বতগিরি পার হন। উপত্যকার ভেতর দিয়ে পেরিয়ে যান বেশির ভাগ সেনা। শুধু আম্মার এবং হুযাইফা (রদিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে সাথে নিয়ে নবি অন্য আরেকটি পথ ধরেন।
সেনাদলে মুসলিমদের সাথেই ছিল বারো জন মুনাফিক। রাসূলুল্লাহ -কে প্রায় একা পেয়ে তাঁকে হত্যার শ্রেষ্ঠ সুযোগ পেয়ে যায় তারা। মুখ ঢেকে চুপে চুপে অনুসরণ করতে থাকে। অপেক্ষায় থাকে মোক্ষম সময়ের।
হঠাৎ তারা বাহন ছুটিয়ে এগিয়ে আসে। তখন নবি হুযাইফাকে বলেন ঢাল দিয়ে ওদের ঘোড়াগুলোর মুখে আঘাত হানতে। এতেই মুনাফিকদের অন্তরে আল্লাহ তাআলা ভয় ঢেলে দেন। পিঠটান দিয়ে পালায় তারা। মিশে যায় বাকি সেনাদলের সাথে। কিন্তু নবি হুযাইফাকে জানিয়ে দেন তাদের প্রত্যেকের নাম ও উদ্দেশ্য। সেদিন থেকে হুযাইফা পরিচিত হন নবিজি -এর রহস্যবিদ হিসেবে।
টিকাঃ
[৪৯৯] বাইহাকি, দালাইলুন নুবুওয়াহ, ৫/২৫১।
📄 মুনাফিকদের মাসজিদ ধ্বংস
মুনাফিকরা মদীনার বাইরে কুবায় একটি মাসজিদ নির্মাণ করেছিল। উদ্দেশ্য- মুসলমানদের ক্ষতি করা, তাদের মাঝে বিভেদ সৃষ্টি করা, কুফর ও নিফাকের পক্ষে আর আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের বিপক্ষে এটাকে ষড়যন্ত্রের ঘাঁটি বানানো। তাবুক অভিযানের প্রস্তুতিকালেই নবি -এর কাছে অনুরোধ আসে সেখানে উদ্বোধনী সালাতের ইমামতি করার। ব্যস্ততার কথা বলে নবি সেটাকে আপাতত স্থগিত রেখেছিলেন।
তাবুক থেকে ফেরার পথে কুবা থেকে এক দিনের দূরত্বে বু-আওয়ানে এসে যাত্রা-বিরতি করেন মুসলিমরা। এ সময় জিবরীল (আলাইহিস সালাম) এসে জানিয়ে দেন যে, মাসজিদটি মুনাফিকরা এক বিশেষ অসৎ উদ্দেশ্যে তৈরি করেছে। ইসলামের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করার গোপন ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহৃত হবে এটি। সুতরাং সেখানে আপনি সালাত আদায় করতে যাবেন না। নবিজি -কে এখানে সালাত পড়াতে পারা মানে স্থাপনাটির একরকম ধর্মীয় বৈধতা আদায় করে নেওয়া। তাকওয়ার বদলে নিফাক যেই দালানের ভিত্তি, সেটি ধ্বংস করে দিতে কুবায় বাহিনী পাঠান রাসূল । ফলে তারা তা ভেঙে তছনছ করে দেয় এবং ধ্বংস করে ফেলে মুনাফিকদের মাসজিদ।
টিকাঃ
[৫০০] বাইহাকি, দালাইলুন নুবুওয়াহ, ৫/২৬০।
মুনাফিকরা মদীনার বাইরে কুবায় একটি মাসজিদ নির্মাণ করেছিল। উদ্দেশ্য- মুসলমানদের ক্ষতি করা, তাদের মাঝে বিভেদ সৃষ্টি করা, কুফর ও নিফাকের পক্ষে আর আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের বিপক্ষে এটাকে ষড়যন্ত্রের ঘাঁটি বানানো। তাবুক অভিযানের প্রস্তুতিকালেই নবি -এর কাছে অনুরোধ আসে সেখানে উদ্বোধনী সালাতের ইমামতি করার। ব্যস্ততার কথা বলে নবি সেটাকে আপাতত স্থগিত রেখেছিলেন।
তাবুক থেকে ফেরার পথে কুবা থেকে এক দিনের দূরত্বে বু-আওয়ানে এসে যাত্রা-বিরতি করেন মুসলিমরা। এ সময় জিবরীল (আলাইহিস সালাম) এসে জানিয়ে দেন যে, মাসজিদটি মুনাফিকরা এক বিশেষ অসৎ উদ্দেশ্যে তৈরি করেছে। ইসলামের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করার গোপন ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহৃত হবে এটি। সুতরাং সেখানে আপনি সালাত আদায় করতে যাবেন না। নবিজি -কে এখানে সালাত পড়াতে পারা মানে স্থাপনাটির একরকম ধর্মীয় বৈধতা আদায় করে নেওয়া। তাকওয়ার বদলে নিফাক যেই দালানের ভিত্তি, সেটি ধ্বংস করে দিতে কুবায় বাহিনী পাঠান রাসূল । ফলে তারা তা ভেঙে তছনছ করে দেয় এবং ধ্বংস করে ফেলে মুনাফিকদের মাসজিদ।
টিকাঃ
[৫০০] বাইহাকি, দালাইলুন নুবুওয়াহ, ৫/২৬০।
মুনাফিকরা মদীনার বাইরে কুবায় একটি মাসজিদ নির্মাণ করেছিল। উদ্দেশ্য- মুসলমানদের ক্ষতি করা, তাদের মাঝে বিভেদ সৃষ্টি করা, কুফর ও নিফাকের পক্ষে আর আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের বিপক্ষে এটাকে ষড়যন্ত্রের ঘাঁটি বানানো। তাবুক অভিযানের প্রস্তুতিকালেই নবি -এর কাছে অনুরোধ আসে সেখানে উদ্বোধনী সালাতের ইমামতি করার। ব্যস্ততার কথা বলে নবি সেটাকে আপাতত স্থগিত রেখেছিলেন।
তাবুক থেকে ফেরার পথে কুবা থেকে এক দিনের দূরত্বে বু-আওয়ানে এসে যাত্রা-বিরতি করেন মুসলিমরা। এ সময় জিবরীল (আলাইহিস সালাম) এসে জানিয়ে দেন যে, মাসজিদটি মুনাফিকরা এক বিশেষ অসৎ উদ্দেশ্যে তৈরি করেছে। ইসলামের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করার গোপন ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহৃত হবে এটি। সুতরাং সেখানে আপনি সালাত আদায় করতে যাবেন না। নবিজি -কে এখানে সালাত পড়াতে পারা মানে স্থাপনাটির একরকম ধর্মীয় বৈধতা আদায় করে নেওয়া। তাকওয়ার বদলে নিফাক যেই দালানের ভিত্তি, সেটি ধ্বংস করে দিতে কুবায় বাহিনী পাঠান রাসূল । ফলে তারা তা ভেঙে তছনছ করে দেয় এবং ধ্বংস করে ফেলে মুনাফিকদের মাসজিদ।
টিকাঃ
[৫০০] বাইহাকি, দালাইলুন নুবুওয়াহ, ৫/২৬০।