📘 রাসূলে আরাবি ﷺ > 📄 নাতাহ এলাকার বিজয়

📄 নাতাহ এলাকার বিজয়


নাতাহ এলাকার দুর্গগুলোর পূর্বদিকে তাদের তির-সীমানার বাইরে তাঁবু স্থাপন করলেন নবি । তারপর আক্রমণ করেন নাইম দুর্গে। ইয়াহুদিদের এই উঁচু ও শক্ত ঘাঁটিটির নিরাপত্তাব্যবস্থা খুবই শক্তিশালী, বলতে গেলে অভেদ্য। খাইবার-প্রতিরক্ষার এই প্রথম সারিতেই তাদের কিংবদন্তি যোদ্ধা মারহাবের বসবাস। কথিত আছে, তার শরীরে নাকি এক হাজার জনের শক্তি!
উভয়পক্ষে তির-বিনিময় করে কয়েকদিন কেটে যায়। তারপর একদিন নবি বিজয়ের ঘোষণা দেন, “আগামীকাল এমন একজনের হাতে পতাকা দেবো, যে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে ভালোবাসে এবং আল্লাহ ও তাঁর রাসূলও তাকে ভালোবাসেন।”
এই ঘোষণা শুনে আনসার ও মুহাজিরদের প্রত্যেকেই এই প্রত্যাশায় রাত অতিবাহিত করে যে, আগামীকাল হয়তো তার হাতেই পতাকা প্রদান করা হবে। পরদিন সকালবেলা। নবি বললেন, "আলি কোথায়?" সাহাবিগণ জবাব দিলেন, "আলির তো চোখের অসুখ!" এরপরেও নবি তাঁকে ডেকে পাঠান এবং তাঁর চোখে নিজের মুখের লালা মাখিয়ে দেন, ফলে আলির চোখ ভালো হয়ে যায়, যেন কোনও অসুখই ছিল না। তারপর তাঁর হাতে পতাকা তুলে দিয়ে বলেন, “তাদের সাথে লড়াই করার আগে তাদের ইসলামের প্রতি দাওয়াত দেবে।”
এদিকে ইয়াহুদিরা তাদের নারী ও শিশুদের শাক দুর্গে স্থানান্তর করতে থাকে এবং ওই দিন সকালেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে, খোলা ময়দানেই যুদ্ধ হবে। সুতরাং আলি (রদিয়াল্লাহু আনহু) সৈন্যদের নিয়ে তাদের নিকট পৌঁছে দেখেন, তারা যুদ্ধের জন্য একেবারে প্রস্তুত। প্রথমে আলি (রদিয়াল্লাহু আনহু) তাদের ইসলামের প্রতি আহ্বান করেন। কিন্তু তারা পরিষ্কারভাবে তা অস্বীকার করে। তখন তাদের বীরপুরুষ মারহাব তরবারি হাতে নিয়ে অহংকার ও দম্ভের সাথে দাঁড়িয়ে যায় এবং দ্বন্দ্বযুদ্ধের আহ্বান জানিয়ে বলে,
'আমি মারহাব, খাইবার আমাকে জানে অস্ত্রে সুসজ্জিত, সাহসী আর অভিজ্ঞ বলে; যখন যুদ্ধের আগুন দাউদাউ করে জ্বলে।'
এর বিপরীতে আমির ইবনুল আকওয়া' (রদিয়াল্লাহু আনহু) সামনে এগিয়ে আসে আর তার কথার জবাবে বলে,
'খাইবার জানে, আমি আমির সম্পূর্ণ সশস্ত্র, অতি সাহসী, নির্ভীক বীর।'
অতঃপর তারা দু'জন একে অপরের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। মারহাবের তরবারি আমির (রদিয়াল্লাহু আনহু)-এর ঢালে আটকে যায়। ফলে তিনি তাঁর তরবারি দিয়ে অভিশপ্ত এই ইয়াহুদির পায়ের গোছা কেটে দেওয়ার উদ্দেশ্যে তার পায়ে আঘাত করেন। কিন্তু তরবারিটি ছোট হওয়ার কারণে তাঁর নিজের হাঁটুতেই এসে লাগে এবং পরে ওই আঘাতের কারণেই তিনি শহীদ হয়ে যান। আমির (রদিয়াল্লাহু আনহু)-এর ব্যাপারে নবি বলেন, “নিশ্চয়ই তার জন্য রয়েছে দ্বিগুণ সাওয়াব। সে জানবাজ যোদ্ধা ছিল। এই জমীনে বর্তমান তার মতো একজন আরবও খুঁজে পাওয়া বিরল।”
এবার মারহাবের মুকাবিলা করতে আলি (রদিয়াল্লাহু আনহু) নিজেই বেরিয়ে আসেন এবং একটি কবিতা পাঠ করেন; যার অর্থ: 'আমি সেই ব্যক্তি, যার মা তার নাম রেখেছে হায়দার (সিংহ)। দেখতে বনের সিংহের মতোই ভয়ংকর। আমি প্রতিপক্ষকে দিই অধিক হিংস্র আঘাত।'
তারপর মারহাবের মাথায় তরবারি দিয়ে এত জোরে আঘাত করেন যে, সে সাথে সাথে সেখানেই মারা যায়।
এরপর মারহাবের ভাই ইয়াসির দ্বন্দ্বযুদ্ধের জন্য ডাক দেয়। তার বিরুদ্ধে লড়তে আসেন যুবাইর ইবনুল আওয়াম (রদিয়াল্লাহু আনহু) এবং তাকেও তার ভাইয়ের কাছে নরকে পাঠিয়ে দেন।
তারপর শুরু হয় তীব্র লড়াই। মুসলিমরা তাদের কোণঠাসা করে ফেলে। তাদের সর্দার শ্রেণির কিছু ইয়াহুদি মারা পড়লে তাদের শক্তি ও মনোবল উবে যায়। তারা যুদ্ধক্ষেত্র ছেড়ে পালাতে শুরু করে। মুসলমানরাও তাদের পিছু নিয়ে তাদের দুর্গে ঢুকে পড়ে। ইয়াহুদিরা দ্রুত সে দুর্গ ছেড়ে তার কাছেই হিসনুস সা'ব-এ পালিয়ে যায় এবং তাতে গিয়ে আশ্রয় নেয়। মুসলমানরা হিসনু নাইমে অনেক ফসলি সম্পদ, খেজুর ও হাতিয়ার গনীমাত হিসেবে পেয়ে যায়।
এরপরে মুসলিম বাহিনী হুবাব ইবনুল মুনযির (রদিয়াল্লাহু আনহু)-এর নেতৃত্বে হিসনুস সা'ব অবরোধ করে। এই অবরোধ তিন দিন পর্যন্ত চলমান থাকে। তৃতীয় দিন নবি বিজয়ের এবং গনীমাতের জন্য আল্লাহর নিকট দুআ করেন। অতঃপর মুসলিম বাহিনীকে আক্রমণের আদেশ দেন। আদেশ পেয়ে সাহাবায়ে কেরাম প্রচণ্ড শক্তিশালীভাবে তাদের আক্রমণ করেন। বিরতিহীন লড়াই চলতে থাকে দুইপক্ষের মাঝে। অবশেষে ইয়াহুদিরা পরাজিত হয় এবং মুসলমানরা সূর্য অস্ত যাওয়ার আগেই সেই দুর্গ জয় করে নেন। এই দুর্গেও প্রচুর পরিমাণে ফসলি সম্পদ হস্তগত হয়। তবে অন্যান্য দুর্গের তুলনায় এখানে সবচেয়ে বেশি খাদ্য ও চর্বি ছিল যা মুসলমানদের সবচেয়ে বেশি উপকারে এসেছিল। এর পূর্বে মুসলিমদের অনেক ক্ষুৎপিপাসার যন্ত্রণা সহ্য করতে হয়েছিল। এমনকি অনেকে ক্ষুধার কষ্ট সহ্য করতে না পেরে বাহনের গাধা যবাই করে চুলায় বসিয়ে দিয়েছিল। কিন্তু রাসূল গাধার গোশত খেতে নিষেধ করায় তারা জ্বলন্ত চুলা থেকে ফুটন্ত গোশত ভরা পাতিল ফেলে দিয়েছিল।
ইয়াহুদিরা সেখান থেকে পালিয়ে হিসনুস যুবাইরে গিয়ে আশ্রয় নেয়। এই দুর্গটিই নাতাহ এলাকার শেষ দুর্গ। মুসলমানরা এগিয়ে এসে এটিকেও অবরোধ করে। চতুর্থ দিন এক ইয়াহুদি এসে পানির ড্রেন ঠিক করে দিয়ে যায়, যার থেকে তারা পানি নিত। মুসলমানগণ সেই ড্রেনটি কেটে দেয়। ফলে ইয়াহুদিরা বের হয়ে মুসলিমদের ওপর তীব্র ক্ষোভে শক্ত করে ঝাঁপিয়ে পড়ে। কিন্তু মুসলিম বাহিনীর সাথে দমে টিকতে না পেরে নাতাহ এলাকা ছেড়ে শাক অঞ্চলের হিসনু উবাইয়ে চার দেওয়ালের বন্দি জীবন গ্রহণ করে।

টিকাঃ
[৪২০] বুখারি, ৪২১০।
[৪২১] বুখারি, ৪১৯৬; মুসলিম, ১৮০৭।
[৪২২] ইবনু হিশাম, ২/৩৩২।
[৪২৩] বুখারি, ৪২২০।

📘 রাসূলে আরাবি ﷺ > 📄 শাক এলাকার বিজয়

📄 শাক এলাকার বিজয়


মুসলমানরা তাদের পিছু ধাওয়া করে সেখানেও অবরোধ করে ফেলেন। কিন্তু সেখান থেকে তারা অত্যন্ত মযবুত মুকাবিলার পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়ে বাইরে বেরিয়ে আসে। তাদের এক বাহাদুর সামনে অগ্রসর হয়ে দ্বন্দযুদ্ধের আহ্বান জানায়। আবূ দুজানা সিমাক ইবনু খরাশা আনসারি (রদিয়াল্লাহু আনহু)-এর তরবারির নিচে কতল হয়ে যায়। এরপর আরেকজন বেরিয়ে আসে। তাকেও আবূ দুজানা (রদিয়াল্লাহু আনহু) নিমিষেই শেষ করে দেয়। এই অবস্থা দেখে বাকি সেনারা দুর্গে ঢুকে পড়ে। তাদের সাথে সাথে মুসলিমরাও সেখানে ঢুকে পড়ে এবং প্রচণ্ড লড়াই শেষে তাদের সেখান থেকেও বিতাড়িত করতে সক্ষম হয়। ফলে আবারও বিশাল পরিমাণ শস্য ও গবাদি পশু তাদের হস্তগত হয়।
ইয়াহুদিরা অগত্যা শাক এলাকার শেষ দুর্গ নিযারে গিয়ে আশ্রয় গ্রহণ করে। অপ্রতিরোধ্য মুসলিমরা এবার অবরোধ করেন নিযার দুর্গ। এ কেল্লাটাই সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয় মনে হচ্ছিল। কারণ, উঁচু এক পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত হওয়ায় সেখানে আক্রমণকারীদের পৌঁছানো প্রায় অসম্ভব। ইয়াহুদিরা তাই নারী-শিশুদের এই কেল্লাটাতে রেখেছিল। কোনও মুসলিম সেনাকে পাহাড়ে উঠতে দেখলে সাথে সাথে দুর্গ থেকে পাথর ও তির ছুড়ে মারতে থাকে তারা।
নতুন এই পরিস্থিতি সামাল দিতে মুসলিমরাও তৈরি করেন নতুন যুদ্ধাস্ত্র। নতুন সেই অস্ত্রটির নাম মিনজানীক। এটাকে গুলতির বড় সংস্করণ এবং ট্যাংকের আদিরূপ বলা চলে। এই মিনজানীক ব্যবহার করে বিরাট বিরাট পাথর ছুড়ে মারা হয় নিযারের দেয়ালে। বুদ্ধিটি বেশ কার্যকর প্রমাণিত হয়। এত কঠোরভাবে সুরক্ষিত দুর্গেরও অবশেষে পতন ঘটে। আরও একটি জনবসতির দখল হারিয়ে ইয়াহুদিরা সরে যায় কাতিবাহ অঞ্চলে। আর দখলকৃত দুর্গে মুসলিমরা পান তামা ও মাটির তৈরি মূল্যবান তৈজসপত্র। রাসূল -এর নির্দেশে তারা তা পরিষ্কার করে নেয় এবং রান্নার কাজে ব্যবহার করে।

📘 রাসূলে আরাবি ﷺ > 📄 কাতিবাহ এলাকার বিজয়

📄 কাতিবাহ এলাকার বিজয়


আর একটি মাত্র ঘাঁটি বাকি। ক্লান্তিহীন মুসলিম মুজাহিদ বাহিনী সেখানেও হানা দেন। লক্ষ্য সেখানকার বাকি তিনটি দুর্গ। প্রায় দু-তিন সপ্তাহের এক দীর্ঘ অবরোধের পর কামূস দুর্গের পতন হয়। ইয়াহুদিরা এবার দেখল যে, ওয়াতীহ এবং সালালাম দুর্গও একসময় আক্রান্ত হতে বাকি রইবে না। তাই তারা এগিয়ে আসে শান্তিচুক্তির আলোচনায়। নিরাপত্তা নিশ্চিত করার শর্তে তারা সদলবলে নির্বাসনে যেতে রাজি হয়। নবি অনুমতি দেন। সেই সাথে সোনা, রুপা, ঘোড়া ও অস্ত্র ব্যতীত যা কিছু নিয়ে যাওয়া সম্ভব, তাও নেওয়ার অনুমতি প্রদান করেন।
কিন্তু যদি তারা কোনও কিছু লুকিয়ে রাখে কিংবা গোপনে সেগুলো নেওয়ার চেষ্টা করে, তাহলে চুক্তি বাতিল হয়ে যাবে। এরপর ইয়াহুদিরা দুটি কি তিনটি দুর্গ মুসলিমদের কাছে সমর্পণ করে দেয়। ফলে একশটি বর্ম, চারশটি তলোয়ার, এক হাজার বর্শা এবং পাঁচ শ আরব্য ধনুক হস্তগত হয় মুসলিমদের। হিব্রু ভাষায় লেখা কিছু পুস্তিকাও উদ্ধার করা হয়, তবে ইয়াহুদিদের অনুরোধে দয়াবশত সেগুলো তাদের ফিরিয়ে দেওয়া হয়।
তখনো আত্মসমর্পণ পুরোপুরি নির্ঝঞ্ঝাট হয়নি। কিনানা ইবনু আবিল হুকাইক ও তার ভাইসহ কয়েকজন গোত্রপতি মুসলিমদের না জানিয়ে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ, রুপা ও গহনা নিয়ে সটকে পড়তে চাইছিল। প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের দায়ে নিরাপদ-মুক্তির শর্ত বাতিল করে তাদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। বন্দিও করা হয় কয়েকজনকে। বন্দিদের মাঝে কিনানার বিধবা স্ত্রী সফিয়্যা বিনতু হুয়াই ইবনি আখতাবও ছিলেন। নবি পরে তাকে মুক্তি দিয়ে বিয়ে করে উম্মুল মুমিনীনের মর্যাদায় উন্নীত করেন। রদিয়াল্লাহু আনহা।
এভাবেই শেষ হয় দীর্ঘ এক যুদ্ধাভিযানের। একবারে শেষ হয়ে না গিয়ে এরপরে বিচ্ছিন্ন কয়েকটি খণ্ডযুদ্ধও হয়।
অধ্যায়ের যবনিকাপাতের সময় মুসলিম শহীদের সংখ্যা ছিল পনেরো থেকে ১৮ জন, আর ইয়াহুদিদের নিহতের সংখ্যা ছিল ৯৩ জন।

টিকাঃ
[৪২৪] আবূ দাউদ, ৩০০৬।
[৪২৫] ইবনু হিশাম, আস-সীরাহ, ২/৩৩১-৩৩৭; যাদুল মাআদ, ২/১৩৬।

📘 রাসূলে আরাবি ﷺ > 📄 আবিসিনিয়ার মুহাজিরদের প্রত্যাবর্তন ও আবূ হুরায়রা ؓ-এর আগমন

📄 আবিসিনিয়ার মুহাজিরদের প্রত্যাবর্তন ও আবূ হুরায়রা ؓ-এর আগমন


ওদিকে আবিসিনিয়ার রাজার কাছে নবিজি -এর প্রেরিত দূত আমর ইবনু উমাইয়া দামরি (রদিয়াল্লাহু আনহু) সেখানকার সব মুহাজিরকে সাথে নিয়ে ফিরে এসেছেন। এসেই তারা খবর পান যে, নবি খাইবার অভিযানে গেছেন। তাই তাদের একাংশ খাইবারের পথে রওনা হন আর বাকিরা মদীনার অভিমুখে। খাইবারগামীদের মাঝে জা'ফার ইবনু আবী তালিব এবং আবূ মূসা আশআরি (রদিয়াল্লাহু আনহুমা)-ও ছিলেন।
কিন্তু সেখানে পৌঁছে তারা দেখেন যে, যুদ্ধ ইতিমধ্যে জয় হয়ে গেছে। তবে গনীমাত বণ্টন তখনো বাকি। জা'ফারের কপালে চুমু দিয়ে স্বাগত জানান নবিজি । তিনি বলেন, “আল্লাহর কসম! খাইবার-বিজয়, নাকি জা'ফারের আগমন-কোনটাতে যে বেশি খুশি হয়েছি, আমি জানি না!”
জিহাদে অংশগ্রহণকারীদের সাথে জা'ফার (রদিয়াল্লাহু আনহু)-ও গনীমাতের অংশ লাভ করেন। কারণ, তিনিও অংশগ্রহণ করার চেষ্টা করেছিলেন।
সবচেয়ে বেশি হাদীস বর্ণনাকারী সাহাবি আবূ হুরায়রা (রদিয়াল্লাহু আনহু) খাইবার জয়ের পর নবিজি -এর নিকট আগমন করেন। নবি খাইবার অভিযানে বেরিয়ে পড়ার পর তিনি মদীনায় গিয়ে ইসলাম গ্রহণ করেছেন। পরে মদীনার ভারপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে রওনা দিয়েছিলেন সেনাদলে নাম লেখাতে। কিন্তু এসে পৌঁছান যুদ্ধ শেষে। তিনিও খাইবারের গনীমাতের অংশ পেয়েছিলেন।
পরে আসা আরেকজন সাহাবি আবান ইবনু সাঈদ (রদিয়াল্লাহু আনহু)। তিনি নাজদ অঞ্চলে শত্রুর গতিবিধি পর্যবেক্ষণের একটি অভিযানে নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন। তবে নবি তাকে ও তার দলকে খাইবারের গনীমাতের কোনও অংশ দেননি।

টিকাঃ
[৪২৬] হাকিম, আল-মুস্তাদরাক, ৩/২১১; বাইহাকি, দালাইলুন নুবুওয়াহ, ৪/২৪৬।
[৪২৭] বুখারি, ৩১৩৬।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00