📄 কুবায় আগমন
নুবুওয়াত লাভের চৌদ্দ বছর পর এক সোমবারে ইয়াসরিবের প্রান্তে কুবা নামক স্থানে এসে পৌঁছান নবি ﷺ। এই ইয়াসরিবের নাম পাল্টেই পরবর্তী সময়ে রাখা হয় আল-মদীনাতুল মুনাওয়ারা (আলোকিত শহর)।
মদীনাবাসীরা প্রতিদিন বেরিয়ে পড়ত হাররার উদ্দেশ্যে। দিবসের উত্তাপ অসহ্য হয়ে পড়ার আগ পর্যন্ত সেখানেই নবিজির জন্য অপেক্ষায় থাকত তারা। তাদের এই দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে সেই পরমাকাঙ্ক্ষিত ব্যক্তিটি এসে হাজির হন তাদের মাঝে। সাদা পোশাক পরা এই অভিযাত্রী দলটি বেশ দূর থেকে নজর কাড়ে এক ইয়াহুদির। সে ডাক দিয়ে বলে, “এই যে আরবরা! তোমরা যার অপেক্ষায় ছিলে, সে চলে এসেছে!”
মুসলিমরা হুড়মুড় করে দৌড়ে আসেন নবিজি ﷺ-কে বরণ করে নিতে। সবাই একসাথে মরুভূমির দিকে দৌড়ে আসায় কিছুক্ষণের জন্য চরম হট্টগোল বেঁধে যায়। তারপর নবি ডান দিকে অগ্রসর হয়ে কুবায় বানু আমর ইবনি আওফ এলাকায় আসেন।
কুবায় পৌঁছে রাসূল ﷺ উট থেকে নেমে কিছুক্ষণ চুপচাপ বিশ্রাম নেন। মদীনাবাসী মুসলিমদের বলা হয় আনসার (সাহায্যকারী)। আনসারদের অনেকেই এর আগে কখনও নবিজিকে স্বচক্ষে দেখেননি। প্রথম দেখায় তারা আবূ বকরকে আল্লাহর রাসূল ভেবে বসেন। কারণ, আবূ বকর (রদিয়াল্লাহু আনহু)-এর চুল-দাড়িতে কিছুটা পাক ধরে যাওয়ায় তাকেই বেশি বয়স্ক মনে হতো। কিন্তু যখন আনসাররা দেখলেন যে, বয়স্কদর্শন ব্যক্তিটি রৌদ্র থেকে বাঁচাতে অপরজনকে কাপড় দিয়ে ছায়া দিচ্ছেন, তখন তাদের ভুল ভাঙে। বুঝতে পারে যে, আল্লাহর রাসূল হলেন ওই ব্যক্তি।
নবিজি কুবায় থাকাকালীন কুলসূম ইবনু হাদামের ঘরে অবস্থান করেছিলেন। অন্য এক সূত্রমতে, তিনি সা'দ ইবনু খাইসামার ঘরে ছিলেন। চারদিনের এই সংক্ষিপ্ত অবস্থানকালেই নবিজির হাতে স্থাপিত হয় মাসজিদুল কুবার ভিত্তি। শুক্রবারে আবূ বকর (রদিয়াল্লাহু আনহু)-সহ কুবা ত্যাগ করেন আল্লাহর রাসূল ﷺ। তার আগে তিনি নানাবাড়ি বানু নাজ্জারে খবর পাঠান। সেখান থেকে আত্মীয়রা অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে এসে নবিজির সাথে মিলিত হন। এরপর সবাই একসাথে রওনা হন মদীনা অভিমুখে।
যখন বানু সালিম ইবনি আওফের বসতিতে পৌঁছেন তখন জুমুআর সালাতের সময় হয়ে যায়। নবি সেখানকার উপত্যকায় জুমুআর সালাত পড়ান। যাতে এক শ জন মুসলিম অংশগ্রহণ করেছিল।
টিকাঃ
[২৫৩] বুখারি, ৩৯০৬।
[২৫৪] বুখারি, ৩৯০৬।
নুবুওয়াত লাভের চৌদ্দ বছর পর এক সোমবারে ইয়াসরিবের প্রান্তে কুবা নামক স্থানে এসে পৌঁছান নবি ﷺ। এই ইয়াসরিবের নাম পাল্টেই পরবর্তী সময়ে রাখা হয় আল-মদীনাতুল মুনাওয়ারা (আলোকিত শহর)।
মদীনাবাসীরা প্রতিদিন বেরিয়ে পড়ত হাররার উদ্দেশ্যে। দিবসের উত্তাপ অসহ্য হয়ে পড়ার আগ পর্যন্ত সেখানেই নবিজির জন্য অপেক্ষায় থাকত তারা। তাদের এই দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে সেই পরমাকাঙ্ক্ষিত ব্যক্তিটি এসে হাজির হন তাদের মাঝে। সাদা পোশাক পরা এই অভিযাত্রী দলটি বেশ দূর থেকে নজর কাড়ে এক ইয়াহুদির। সে ডাক দিয়ে বলে, “এই যে আরবরা! তোমরা যার অপেক্ষায় ছিলে, সে চলে এসেছে!”
মুসলিমরা হুড়মুড় করে দৌড়ে আসেন নবিজি ﷺ -কে বরণ করে নিতে। সবাই একসাথে মরুভূমির দিকে দৌড়ে আসায় কিছুক্ষণের জন্য চরম হট্টগোল বেঁধে যায়। তারপর নবি ﷺ ডান দিকে অগ্রসর হয়ে কুবায় বানু আমর ইবনি আওফ এলাকায় আসেন।
কুবায় পৌঁছে রাসূল ﷺ উট থেকে নেমে কিছুক্ষণ চুপচাপ বিশ্রাম নেন। মদীনাবাসী মুসলিমদের বলা হয় আনসার (সাহায্যকারী)। আনসারদের অনেকেই এর আগে কখনও নবিজিকে স্বচক্ষে দেখেননি। প্রথম দেখায় তারা আবূ বকরকে আল্লাহর রাসূল ভেবে বসেন। কারণ, আবূ বকর (রদিয়াল্লাহু আনহু)-এর চুল-দাড়িতে কিছুটা পাক ধরে যাওয়ায় তাকেই বেশি বয়স্ক মনে হতো। কিন্তু যখন আনসাররা দেখলেন যে, বয়স্কদর্শন ব্যক্তিটি রৌদ্র থেকে বাঁচাতে অপরজনকে কাপড় দিয়ে ছায়া দিচ্ছেন, তখন তাদের ভুল ভাঙে। বুঝতে পারে যে, আল্লাহর রাসূল হলেন ওই ব্যক্তি।
নবিজি কুবায় থাকাকালীন কুলসূম ইবনু হাদামের ঘরে অবস্থান করেছিলেন। অন্য এক সূত্রমতে, তিনি সা'দ ইবনু খাইসামার ঘরে ছিলেন। চারদিনের এই সংক্ষিপ্ত অবস্থানকালেই নবিজির হাতে স্থাপিত হয় মাসজিদুল কুবার ভিত্তি। শুক্রবারে আবু বকর (রদিয়াল্লাহু আনহু)-সহ কুবা ত্যাগ করেন আল্লাহর রাসূল ﷺ। তার আগে তিনি নানাবাড়ি বানু নাজ্জারে খবর পাঠান। সেখান থেকে আত্মীয়রা অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে এসে নবিজির সাথে মিলিত হন। এরপর সবাই একসাথে রওনা হন মদীনা অভিমুখে।
যখন বানু সালিম ইবনি আওফের বসতিতে পৌঁছেন তখন জুমুআর সালাতের সময় হয়ে যায়। নবি ﷺ সেখানকার উপত্যকায় জুমুআর সালাত পড়ান। যাতে এক শ জন মুসলিম অংশগ্রহণ করেছিল।
টিকাঃ
২৫৩. বুখারি, ৩৯০৬।
২৫৪. বুখারি, ৩৯০৬।
২৫৫. বুখারি, ৩৯১১।
📄 নবিজি ﷺ-এর মদীনা প্রবেশ
জুমুআ শেষে নবিজি ও তাঁর সঙ্গীরা আবারও মদীনার পথ ধরেন। নারী, পুরুষ ও শিশুর উৎফুল্ল ভিড় তাঁকে স্বাগত জানাতে আসে। মদীনার অলিতে-গলিতে প্রতিধ্বনিত হয় তাদের হর্ষধ্বনি। নারী ও শিশুরা গজল গেয়ে স্বাগত জানায় নবিজিকে। আজও গজলটি মুসলিমদের মুখে মুখে ধ্বনিত হয় ওই দিনটির স্মরণে, যেদিন পূর্ণিমার চাঁদের মতো মানুষটি প্রথম পা রেখেছিলেন মদীনায়—
طَلَعَ الْبَدْرُ عَلَيْنَا *** مِنْ ثَنِيَّاتِ الوَدَاعِ
وَجَبَ الشُّكْرُ عَلَيْنَا *** مَا دَعَا لِلَّهِ دَاع
أَيُّهَا الْمَبْعُوثُ فِيْنَا *** جِئْتَ بِالْأَمْرِ الْمُطَاعِ
“পূর্ণিমার চাঁদ আমাদের ওপর উদিত হয়েছে সানিয়্যাতুল ওয়াদা' থেকে,
কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা আমাদের ওপর ওয়াজিব যত দিন কেউ আল্লাহকে ডাকে,
ওহে আল্লাহর দূত, আপনি আমাদের মাঝে নিয়ে এসেছেন যা মান্য হবে তা কথা আর কাজে।”
মদীনার পথ ধরে চলছে আল্লাহর রাসূলের উটনী, আর একেকজন এসে একেকবার ধরছে তার লাগাম। মনে আশা, উটনীটি হয়তো তার বাড়ির সামনেই থামবে আর রাসূলুল্লাহ সে ঘরকেই বানাবেন আপন বসত। নবি বললেন “ওকে ওরমতো চলতে দাও, আল্লাহই ওকে পথ দেখাচ্ছেন।” অবশেষে হাঁটু গেড়ে বসল উটনী। কিন্তু নবিজি নামলেন না। একটু পর উটনীটি উঠে দাঁড়িয়ে অগোছালোভাবে কিছুদূর এগিয়ে গেল। তারপর ঘুরে এসে বসল আবার ওই আগের জায়গাতেই। আর ঠিক এই জায়গাতেই নির্মিত হয়েছে মাসজিদুন নববি (নবির মাসজিদ)।
নবিজি ﷺ-এর স্বাগতিক হতে অনেকেই প্রতিযোগিতা করে। কিন্তু সেই সৌভাগ্য জোটে শুধু আবূ আইউব আনসারি (রদিয়াল্লাহু আনহু)-এর ভাগ্যে। দ্রুত এসে উটনীর জিন ধরে ফেলেন তিনি। টেনে নিয়ে চলেন নিজের বাড়ির দিকে। নবি কৌতুকস্বরে বলেন, “বাহন যেদিকে যাচ্ছে, আরোহীকে তো সেদিকেই যেতে হবে!” এই বলে তিনিও চললেন আবু আইউবের সাথে। ওদিকে উটের লাগামটি ধরেন আসআদ ইবনু যুরারা (রদিয়াল্লাহু আনহু)। তাই উটনীর যত্ন-আত্তির সুযোগটি যায় তাঁর ঝুলিতে।
নবিজি ﷺ-এর খাতির-যত্নে প্রতিযোগিতা শুরু হয় আনসার গোত্রপতিদের মাঝে। প্রতিরাতে নবিজির কাছে কমপক্ষে তিন-চার থালা খাবার উপহার আসত। রাসূলুল্লাহ যে শত্রুবিহীন, বন্ধুঘেরা এক নিরাপদ আলয়ে এসেছেন, তা বুঝিয়ে দিতে কেউ কোনও চেষ্টাই বাদ রাখেনি।
টিকাঃ
[২৫৫] বুখারি, ৩৯১১।
[২৫৬] ইবনু হিশাম, ১/৪৯৪; ইবনুল কাইয়িম, যাদুল মাআদ, ২/৫৫।
[২৫৭] ইবনু হিশাম, ১/৪৯৪-৪৯৬; যাদুল মাআদ, ২/৫৫; বুখারি, ৩৯১১।
জুমুআ শেষে নবিজি ও তাঁর সঙ্গীরা আবারও মদীনার পথ ধরেন। নারী, পুরুষ ও শিশুর উৎফুল্ল ভিড় তাঁকে স্বাগত জানাতে আসে। মদীনার অলিতে-গলিতে প্রতিধ্বনিত হয় তাদের হর্ষধ্বনি। নারী ও শিশুরা গজল গেয়ে স্বাগত জানায় নবিজিকে। আজও গজলটি মুসলিমদের মুখে মুখে ধ্বনিত হয় ওই দিনটির স্মরণে, যেদিন পূর্ণিমার চাঁদের মতো মানুষটি প্রথম পা রেখেছিলেন মদীনায়-
“পূর্ণিমার চাঁদ আমাদের ওপর উদিত হয়েছে সানিয়্যাতুল ওয়াদা' থেকে,
কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা আমাদের ওপর ওয়াজিব যত দিন কেউ আল্লাহকে ডাকে,
ওহে আল্লাহর দূত, আপনি আমাদের মাঝে নিয়ে এসেছেন
যা মান্য হবে তা কথা আর কাজে।"
মদীনার পথ ধরে চলছে আল্লাহর রাসূলের উটনী, আর একেকজন এসে একেকবার ধরছে তার লাগাম। মনে আশা, উটনীটি হয়তো তার বাড়ির সামনেই থামবে আর রাসূলুল্লাহ সে ঘরকেই বানাবেন আপন বসত। নবি ﷺ বললেন “ওকে ওরমতো চলতে দাও, আল্লাহই ওকে পথ দেখাচ্ছেন।” অবশেষে হাঁটু গেড়ে বসল উটনী। কিন্তু নবিজি নামলেন না। একটু পর উটনীটি উঠে দাঁড়িয়ে অগোছালোভাবে কিছুদূর এগিয়ে গেল। তারপর ঘুরে এসে বসল আবার ওই আগের জায়গাতেই। আর ঠিক এই জায়গাতেই নির্মিত হয়েছে মাসজিদুন নববি (নবির মাসজিদ)।
নবিজি ﷺ -এর স্বাগতিক হতে অনেকেই প্রতিযোগিতা করে। কিন্তু সেই সৌভাগ্য জোটে শুধু আবূ আইউব আনসারি (রদিয়াল্লাহু আনহু)-এর ভাগ্যে। দ্রুত এসে উটনীর জিন ধরে ফেলেন তিনি। টেনে নিয়ে চলেন নিজের বাড়ির দিকে। নবি ﷺ কৌতুকস্বরে বলেন, “বাহন যেদিকে যাচ্ছে, আরোহীকে তো সেদিকেই যেতে হবে!” এই বলে তিনিও চললেন আবু আইউবের সাথে। ওদিকে উটের লাগামটি ধরেন আসআদ ইবনু যুরারা (রদিয়াল্লাহু আনহু)। তাই উটনীর যত্ন-আত্তির সুযোগটি যায় তাঁর ঝুলিতে।
নবিজি ﷺ -এর খাতির-যত্নে প্রতিযোগিতা শুরু হয় আনসার গোত্রপতিদের মাঝে। প্রতিরাতে নবিজির কাছে কমপক্ষে তিন-চার থালা খাবার উপহার আসত। রাসূলুল্লাহ যে শত্রুবিহীন, বন্ধুঘেরা এক নিরাপদ আলয়ে এসেছেন, তা বুঝিয়ে দিতে কেউ কোনও চেষ্টাই বাদ রাখেনি।
টিকাঃ
২৫৬. ইবনু হিশাম, ১/৪৯৪; ইবনুল কাইয়িম, যাদুল মাআদ, ২/৫৫।
২৫৭. ইবনু হিশাম, ১/৪৯৪-৪৯৬; যাদুল মাআদ, ২/৫৫; বুখারি, ৩৯১১
📄 আলি (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর হিজরত
নবি ﷺ-এর মক্কাত্যাগের পর তিনদিন যাবৎ মক্কায় অবস্থান করেন আলি (রদিয়াল্লাহু আনহু)। এ সময়টিতে আল্লাহর রাসূলের এর কাছে যার যত আমানত ছিল, সব তার প্রাপককে বুঝিয়ে দেন তিনি। কারণ, নবি হিজরতের সময় তার কাছেই সব দিয়ে এসেছিলেন। এরপর আলি (রদিয়াল্লাহু আনহু) পায়ে হেঁটে রওনা দেন একই গন্তব্যের দিকে। কুবায় এসে মিলিত হন নবিজির সাথে। নবিজি সে সময় কুলসূম ইবনু হিদামের ঘরে অবস্থান করছিলেন।
টিকাঃ
[২৫৮] ইবনু হিশাম, ১/৪৯৩; যাদুল মাআদ, ২/৫৪।
নবি ﷺ -এর মক্কাত্যাগের পর তিনদিন যাবৎ মক্কায় অবস্থান করেন আলি (রদিয়াল্লাহু আনহু)। এ সময়টিতে আল্লাহর রাসূলের এর কাছে যার যত আমানত ছিল, সব তার প্রাপককে বুঝিয়ে দেন তিনি। কারণ, নবি ﷺ হিজরতের সময় তার কাছেই সব দিয়ে এসেছিলেন। এরপর আলি (রদিয়াল্লাহু আনহু) পায়ে হেঁটে রওনা দেন একই গন্তব্যের দিকে। কুবায় এসে মিলিত হন নবিজির সাথে। নবিজি সে সময় কুলসূম ইবনু হিদামের ঘরে অবস্থান করছিলেন।
টিকাঃ
২৫৮. ইবনু হিশাম, ১/৪৯৩; যাদুল মাআদ, ২/৫৪।
📄 নবি-পরিবারের হিজরত
মদীনায় নবিজি ﷺ-এর পদার্পণের পর ছয় মাস পেরিয়ে গেছে। মোটামুটি গোছগাছ হয়ে সংসার সামলানোর মতো অবস্থা এসেছে। তখন যাইদ ইবনু হারিসা ও আবূ রাফি' (রদিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে মক্কায় পাঠান মুহাম্মাদ ﷺ। দু'জনে ফিরে আসেন নবিজির পরিবারের সদস্যদের নিয়ে। ফাতিমা, উম্মু কুলসূম, সাওদা, উম্মু আইমান এবং উসামা ইবনু যাইদ (রদিয়াল্লাহু আনহুম) সবাই হাজির। শুধু তা-ই না। সাথে ছিলেন আবূ বকর (রদিয়াল্লাহু আনহু)-এর পুরো পরিবারও। আবদুল্লাহ ইবনু আবী বকর, উম্মু রূমান, আয়িশা এবং আসমা (রদিয়াল্লাহু আনহুম)।
টিকাঃ
[২৫৯] যাদুল মাআদ, ২/৫৫।
মদীনায় নবিজি ﷺ -এর পদার্পণের পর ছয় মাস পেরিয়ে গেছে। মোটামুটি গোছগাছ হয়ে সংসার সামলানোর মতো অবস্থা এসেছে। তখন যাইদ ইবনু হারিসা ও আবূ রাফি' (রদিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে মক্কায় পাঠান মুহাম্মাদ ﷺ। দু'জনে ফিরে আসেন নবিজির পরিবারের সদস্যদের নিয়ে। ফাতিমা, উম্মু কুলসূম, সাওদা, উম্মু আইমান এবং উসামা ইবনু যাইদ (রদিয়াল্লাহু আনহুম) সবাই হাজির। শুধু তা-ই না। সাথে ছিলেন আবু বকর (রদিয়াল্লাহু আনহু)-এর পুরো পরিবারও। আবদুল্লাহ ইবনু আবী বকর, উম্মু রূমান, আয়িশা এবং আসমা (রদিয়াল্লাহু আনহুম)।
টিকাঃ
২৫৯. যাদুল মাআদ, ২/৫৫।