📘 রাসূলে আরাবি ﷺ > 📄 নুবুওয়াত লাভের পূর্বে নবি ﷺ-এর গুণাবলি

📄 নুবুওয়াত লাভের পূর্বে নবি ﷺ-এর গুণাবলি


নুবুওয়াত লাভের আগে থেকেই মুহাম্মাদ ﷺ-এর মাঝে প্রকাশিত হতো ভবিষ্যৎ- নবির অনেক গুণাবলি। শৈশব থেকেই তিনি ছিলেন প্রখর মেধাবী ও সচ্চরিত্র। সততা, সাহস, ন্যায়পরায়ণতা, সুকৃতি, ধৈর্য, নম্রতা, বিশ্বস্ততা ও আমানতদারির জন্য ছিলেন সুখ্যাত। প্রিয় ভাতিজার বর্ণনা দিয়ে আবূ তালিব বলেন, “সে উজ্জ্বল ফর্সা, তাঁর বরকতেই রহমতের বৃষ্টি ঝরে। সে এতিমদের আশ্রয়স্থল, বিধবাদের সুরক্ষা করে।”
আত্মীয়-স্বজনের সাথে সুসম্পর্ক রক্ষা, অন্যের বোঝা বহন, আতিথেয়তা ও দুর্দশাগ্রস্তদের স্বাবলম্বী করার ক্ষেত্রেও তিনি ছিলেন অনন্য বৈশিষ্ট্যের অধিকারী।[৩১]
আল্লাহর রাসূল হিসেবে একদিন তিনি মূর্তিপূজা আর বহুত্ববাদের শেকড় উপড়ে ফেলবেন। এরই লক্ষণ হিসেবে তাঁর অন্তরে ছিল সমসাময়িক পৌত্তলিক সংস্কৃতির প্রতি সুপ্ত ঘৃণা। তাই সমাজের সাথে মিশে থাকা মানুষ হয়েও জীবনে কোনোদিন তিনি পৌত্তলিকতা ও মাদক-কেন্দ্রিক স্থানীয় পালা-পার্বণের কোনোটিতেই অংশ নেননি। আল্লাহ ছাড়া অন্য কিছুর নামে যবাই করা প্রাণীর গোশত পরিহার করার ব্যাপারেও ছিলেন সদা সচেতন। মূর্তি স্পর্শ করা তো দূরের কথা, সেগুলোর কাছেও যেতেন না তিনি। বিশেষত পৌত্তলিকদের প্রধান দুটি দেবী লাত ও উযযার নামে কসম করার প্রথাটিকে তিনি সবচেয়ে বেশি ঘৃণা করতেন। [৩২]

টিকাঃ
[৩১] বুখারি, ০৩।
[৩২] ইবনু হিশাম, ১/১২৮; তাবারি, আত-তারীখ, ২/১৬১; ইবনু আসাকির, তাহযীবু তারীখি দিমাশূক, ১/৩৭৩-৩৭৬।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00