📘 রাসূল সাঃ সম্পর্কে ১০০০ প্রশ্ন > 📄 ইসরা ও মিরাজ

📄 ইসরা ও মিরাজ


প্রশ্ন-৪২০. 'ইসরা' মানে কী?
উত্তর: ইসরা অর্থ হল- রাত্রিকালীন ভ্রমণ। রাসূল এর মক্কা থেকে জেরুসালেমে রাত্রিকালীন সফরকে ইসরা বলে।

প্রশ্ন-৪২১. 'মিরাজ' মানে কী?
উত্তর: মিরাজ মানে ঊর্ধ্বাকাশে ভ্রমণ। জেরুসালেমের মাসজিদে আকসা থেকে জান্নাত পর্যন্ত রাসূল এর ভ্রমণকেই মিরাজ বলা হয়।

প্রশ্ন-৪২২. কখন এ অলৌকিক ঘটনাটি ঘটেছিল?
উত্তর: এ ঘটনাটি সংঘটিত হয় নবুওয়াতের দশম বছরের রজব মাসের ২৭ তারিখে।

প্রশ্ন-৪২৩. মিরাজ রজনীতে রাসূল কোথায় ছিলেন?
উত্তর: ঐ রাতে তিনি তার চাচাতো বোন আবু তালিবের মেয়ে হিন্দার ঘরে ছিলেন। হিন্দা উম্মে হানি নামে সুপরিচিত ছিলেন।

প্রশ্ন-৪২৪. মিরাজের শুরুতে রাসূল এর কী ঘটনা ঘটেছিল?
উত্তর: হঠাৎ জিবরাঈল এসে তার বুক চিড়ে রূহ বের করে আনলেন এবং তা যমযম কূপের পানি দিয়ে ভালোভাবে ধৌত করলেন। এরপর এটিকে পুনরায় যথাস্থানে রেখে দিলেন।

প্রশ্ন-৪২৫. রাসূল কীভাবে মক্কা থেকে জেরুসালেম ভ্রমণ করলেন?
উত্তর: তিনি বিদ্যুতের ন্যায় 'বোরাক' নামক স্বর্গীয় ঘোড়ায় আরোহণ করে মক্কা থেকে জেরুসালেমে ভ্রমণ করেন।

প্রশ্ন-৪২৬. এ ভ্রমণে রাসূল এর সঙ্গী হয়েছিলেন কে?
উত্তর: প্রধান ফেরেশতা জিবরাঈল।

প্রশ্ন-৪২৭. জেরুসালেমের মাসজিদুল আকসায় গিয়ে রাসূল কী করলেন?
উত্তর: তিনি ঘোড়া থেকে নামলেন, নেমে ঘোড়াটিকে মসজিদের গেইটের একটি বৃত্তের মধ্যে বাঁধলেন এবং সালাতে নবীদের ইমামতি করলেন।

প্রশ্ন-৪২৮. এরপর রাসূল কোথায় গেলেন?
উত্তর: তিনি জিবরাঈলের সঙ্গে জান্নাতে আরোহণ করলেন।

প্রশ্ন-৪২১. রাসূল এর সঙ্গে জান্নাতে অন্যান্য নবীদের কি দেখা হয়েছিল?
উত্তর: হ্যাঁ, তিনি প্রথম জান্নাতে দেখা করেন, মানব জাতির আদি পিতা আদম -এর সঙ্গে; দ্বিতীয় জান্নাতে দেখা করেন ইয়াহইয়া বিন যাকারিয়া ও ঈসা ইবনে মারইয়ামের সঙ্গে; তৃতীয় জান্নাতে দেখা করেন, ইউসুফ-এর সঙ্গে; চতুর্থ জান্নাতে দেখা করেন, ইদ্রিস এর সঙ্গে; পঞ্চম জান্নাতে দেখা করেন; হারুন -এর সঙ্গে, ষষ্ঠ জান্নাতে দেখা করেন; মূসা -এর সঙ্গে এবং সপ্তম জান্নাতে দেখা করেন ইবরাহীম-এর সঙ্গে।

প্রশ্ন-৪৩০. 'বাইতুল মামুর' কী এবং এটি কোথায় অবস্থিত?
উত্তর: 'বাইতুল মামুর' হল পবিত্র কাবা ঘরের মতই একটি ঘর যা 'সিদরাতুল মুনতাহায়' অবস্থিত। মিরাজ রজনীতে রাসূল কে তা দেখানো হয়েছে যার দেখাশোনার জন্য প্রতিদিন ৭০ হাজার ফেরেশতা নিয়োজিত রয়েছেন এবং শেষ বিচার দিবস পর্যন্ত তারা এ কাজে নিয়োজিত থাকবেন।

প্রশ্ন-৪৩১. মিরাজ রজনীতে রাসূল এর ওপর প্রথম কত ওয়াক্ত সালাত ফরয হয়?
উত্তর: প্রথমে প্রতিদিন ৫০ ওয়াক্ত সালাত ফরয করা হয়।

প্রশ্ন-৪৩২. রাসূল যখন মূসাকে ৫০ ওয়াক্ত সালাতের কথা বললেন, তখন মূসা কী বললেন?
উত্তর: মূসা মুহাম্মদ কে বললেন, আপনার উম্মতরা এত ওয়াক্ত সালাত আদায় করতে পারবে না। সুতরাং আল্লাহর কাছে ফিরে যান এবং সালাতের ওয়াক্ত কমানোর জন্য আবেদন করুন।

প্রশ্ন-৪৩৩. মুহাম্মদ কী করলেন?
উত্তর: নবী মুহাম্মদ জিবরাঈলকে সঙ্গে করে আল্লাহর কাছে গেলেন আল্লাহ দয়া করে ৫ ওয়াক্ত কমিয়ে দিলেন। রাসূল এ খবর নিয়ে মূসার কাছে আসলে মূসা বললেন, আপনার উম্মতেরা তাও পারবে না সুতরাং আপনি আবারো যান এবং সালাতের ওয়াক্ত আরো কমিয়ে দিতে বলুন। মুহাম্মদ কয়েকবার সালাতের ওয়াক্ত কমানোর জন্য আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করলেন। তিনি মূসা এর পরামর্শে বারবার আল্লাহর কাছে গেলেন এবং শেষ পর্যন্ত যখন পাঁচ ওয়াক্তে আসল, তখনও মূসা বললেন, আপনার উম্মতরা তাও পারবে না, আপনি আবারো আল্লাহর কাছে যান এবং সালাতের ওয়াক্ত আরো কমিয়ে দিতে বলুন। কিন্তু এবার রাসূল বললেন, "আমি এখন লজ্জা পাচ্ছি যে, কীভাবে আবারো গিয়ে আল্লাহর কাছে সালাতের ওয়াক্ত কমানোর কথা বলব। যা হয়েছে আমি তা গ্রহণ করলাম এবং তাঁর ইচ্ছার ওপর বাকিটা ছেড়ে দিলাম।"

প্রশ্ন-৪৩৪. রাসূল কি আল্লাহকে দেখেছেন?
উত্তর: না, তার পূর্ববর্তী নবীদের মতো তিনিও আল্লাহকে দেখেননি।

প্রশ্ন-৪৩৫. মি'রাজ রজনীতে তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনাবলী কী ছিল?
উত্তর:
১. জিবরাঈল রাসূল এর বক্ষ বিদীর্ণ করে তার রূহ বের করে আনলেন এবং তা যমযমের পানি দিয়ে ধৌত করলেন এবং এরপর যথাস্থানে এটিকে স্থাপন করলেন।
২. রাসূল এর কাছে দুটি সোনার পান পাত্র আনা হলো, একটির মধ্যে ছিল দুধ ভর্তি আর অন্যটির মধ্যে ছিল মদ ভর্তি। রাসূল কে বলা হল দুটির মধ্যে যে কোন একটি পছন্দ করতে। তিনি দুধ ভর্তি পান পাত্রটি বাছাই করলেন এবং তা পান করলেন। তা দেখে জিবরাঈল বললেন, "আপনি আপনার উম্মতদেরকে সঠিক পথ দেখিয়েছেন। আপনি যদি মদ বাছাই করতেন তাহলে আপনার উম্মতরা ভুল পথে পরিচালিত হতো।” তার মানে রাসূল ভালো জিনিস পছন্দ করলেন এবং মন্দ জিনিস পরিত্যাগ করলেন।
৩. রাসূল দুটি প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য নদী দেখতে পেলেন। মনে হয় যেন দুটি প্রকাশ্য নদী নাইল ও ইউফরেটস মুসলমানেরা সবসময় কিসে ইসলামের অনুগত থাকবে তার সীমানা নির্দেশ করছে।
৪. রাসূল জাহান্নামের প্রহরীদেরকে বিমর্ষ ও ভ্রূকুটি চেহারায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখলেন। তিনি এও দেখলেন যে, জাহান্নামীদেরকে তাদের পাপের জন্য শাস্তি দেয়া হচ্ছে।
৫. মুহাম্মদ কে যারা বিভিন্ন ধরনের প্রশ্ন করতেন তাদের কাছে মিরাজ একটি উত্তেজনার সৃষ্টি করল। রাসূল ঐ রাতের সবকিছু খোলাখুলি বর্ণনা করলেন যা পরে নির্ভুল বলে প্রমাণিত হয়।

📘 রাসূল সাঃ সম্পর্কে ১০০০ প্রশ্ন > 📄 মিরাজের কথা

📄 মিরাজের কথা


প্রশ্ন-৪৩৬. রাসূল কি তার রাত্রিকালীন ভ্রমণের কথা মক্কার লোকদের কাছে বর্ণনা করেছিলেন?
উত্তর: হ্যাঁ, পরের দিন সকাল বেলায় তিনি সকলকে ঘটনাটি বললেন।

প্রশ্ন-৪৩৭. রাসূল এর মিরাজের ঘটনায় লোকদের মধ্যে প্রথম কী প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছিল?
উত্তর: তারা হাসাহাসি ও ঠাট্টা করতে লাগল এবং বলতে লাগল এটা একটা অসম্ভব ব্যাপার।

প্রশ্ন-৪৩৮. তারা রাসূল এর কাছে কী জানতে চাইল?
উত্তর: তারা জেরুসালেমে অবস্থিত 'মাসজিদুল আকসা' সম্পর্কে জানতে চাইল, কারণ তারা জানত যে, রাসূল কখনো জেরুসালেম যাননি। কিন্তু তিনি তাদেরকে জেরুসালেম ও মাসজিদুল আকসা সম্পর্কে সঠিক তথ্য বর্ণনা দিয়ে তাদেরকে অবাক করে দিলেন।

প্রশ্ন-৪৩৯. মিরাজ সম্পর্কে মুসলমানদের মনোভাব কী ছিল?
উত্তর: প্রকৃত মুসলমানদের মতে রাসূল এর মিরাজ অসম্ভবের কিছুই ছিল না। তারা বিশ্বাস করত যে, নিশ্চয়ই আল্লাহ সর্বশক্তিমান, তাই তিনি তাঁর রাসূলকে জান্নাতে নিয়ে অলৌকিক নিদর্শনাবলী দেখানো মোটেই কঠিন কিছু ছিল না।

প্রশ্ন-৪৪০. কাফিররা যখন এ ঘটনাটি আবু বকর (রা) কে বললেন তখন তিনি উত্তরে কী বললেন?
উত্তর: তিনি নির্দ্বিধায় বললেন, "নিশ্চয় আমি তা বিশ্বাস করি" আর এ কারণে রাসূল তাকে 'সিদ্দীক' উপাধিতে ভূষিত করেন।

প্রশ্ন-৪৪১. কেন শুধুমাত্র নবীরাই আল্লাহর নিদর্শনাবলী দেখার যোগ্য?
উত্তর: নবীরাই আল্লাহর নিদর্শনাবলী দেখার যোগ্য। কারণ, তারা দ্বীনের জন্য যে কষ্টের বোঝা বহন করেন সাধারণ মানুষের জন্য তা অত্যন্ত অসহনীয় ভারী এবং তারা তাদের দায়িত্ব পালনের জন্য পার্থিব সকল প্রকারের অগ্নি পরীক্ষা আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য ধৈর্য সহকারে সহ্য করেন। তাই তারাই আল্লাহর নিদর্শনাবলী দেখার যোগ্য।

📘 রাসূল সাঃ সম্পর্কে ১০০০ প্রশ্ন > 📄 ইয়াসরিবের ছয় ব্যক্তির ইসলাম গ্রহণ

📄 ইয়াসরিবের ছয় ব্যক্তির ইসলাম গ্রহণ


প্রশ্ন-৪৪২. হজ্বের মৌসুমে রাসূল কখন হজ্জযাত্রীদের সাথে দেখা করতেন এবং ঐ সময় কেন দেখা করতেন?
উত্তর: হজ্জের মৌসুমে রাসূলুল্লাহ সাধারণত রাত্রিবেলায় হজ্জযাত্রীদের সাথে দেখা করতেন, কারণ শত্রুরা যেন তার দাওয়াতী কাজে ব্যাঘাত ঘটাতে না পারে সে জন্যই রাতে তিনি হজ্জযাত্রীদের কাছে যেতেন।

প্রশ্ন-৪৪৩. একবার তিনি কাদের সঙ্গে করে আকাবায় যান?
উত্তর: আবু বকর ও আলী (রা)-কে নিয়ে তিনি মিনায় অবস্থিত আকাবায় যান।

প্রশ্ন-৪৪৪. সেখানে তিনি কাদের সাক্ষাত পান?
উত্তর: তিনি সেখানে ছয় ব্যক্তির সাক্ষাত পান। ঐ ছয় ব্যক্তির সবাই ছিলেন ইয়াসরিব নগরীর খাযরাজ গোত্রের অধিবাসী। রাসূল তাদেরকে ইসলামের দাওয়াত দেন।

প্রশ্ন-৪৪৫. রাসূলের কথা শুনে তারা কী ভাবল?
উত্তর: তারা প্রায়ই শুনতো যে ইয়াহুদিরা বলাবলি করত যে, শীঘ্রই একজন নবীর আবির্ভাব ঘটবে এবং তারা সকলেই সে নবীর প্রতি ঈমান আনবে এবং তার অনুসরণ করবে। তাহলে এ হচ্ছে সে নবী?

প্রশ্ন-৪৪৬. ঐ হয় ব্যক্তির নাম কী ছিল?
উত্তর: তারা হলেন. ১. উকবা বিন আমির, ২. জাবির বিন আব্দুল্লাহ, ৩. আসাদ বিন যারারাহ, ৪. আওফ বিন হারিস, ৫. রাফি বিন মালিক এবং ৬. কুতবা বিন আমির (রা)।

প্রশ্ন-৪৪৭. তারা কি রাসূল এর কথা শুনে ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন?
উত্তর: হ্যাঁ, তারা রাসূল এর কথাগুলো অত্যন্ত মনোযোগ সহকারে শুনল এবং স্বাচ্ছ্যন্দে ইসলাম গ্রহণ করল।

প্রশ্ন-৪৪৮. ইয়াসরিবে ফিরে গিয়ে তারা কী করল?
উত্তর: তারা মানুষদেরকে ইসলামের প্রতি দাওয়াত দিতে লাগলেন।

প্রশ্ন-৪৪৯. এ ঘটনায় কীসের ইঙ্গিত পাওয়া গেল?
উত্তর: ইসলামের প্রসারতা এবং কোরাইশদের হাতে মুসলমানদের নির্যাতনের মাত্রা বন্ধ হওয়ার ইঙ্গিত এ ঘটনার মাধ্যমে প্রকাশ পেল।

📘 রাসূল সাঃ সম্পর্কে ১০০০ প্রশ্ন > 📄 প্রথম আকাবার শপথ

📄 প্রথম আকাবার শপথ


প্রশ্ন-৪৫০. কোরাইশদের বিরোধিতা সত্ত্বেও রাসূল কীভাবে ইসলাম প্রচার চালিয়ে যেতেন?
উত্তর: যে সব লোকেরা মক্কায় হজ্ব করতে আসত তিনি সেসব লোকদের কাছে যেতেন এবং তাদেরকে ইসলামের দিকে আহ্বান করতেন।

প্রশ্ন-৪৫১. ইয়াসরিবের ঐ ছয়জন ব্যক্তির সাথে তিনি কখনও দেখা করতে এসেছিলেন?
উত্তর: হ্যাঁ, ৬২০ খ্রিস্টাব্দে নবুওয়াতের একাদশ বছরে হজ্জের মৌসুমে রাসূল ঐ ছয় ব্যক্তির সঙ্গে দেখা করতে আসেন।

প্রশ্ন-৪৫২. প্রথম আকাবার শপথ কী ছিল?
উত্তর: খাযরাজ গোত্রের ঐ ছয় ব্যক্তি ইয়াসরিবে ফিরে গিয়ে সেখানকার মানুষদেরকে তারা যা দেখেছে এবং যা শুনেছে তা বিস্তারিতভাবে বলল। যার ফলে পরের বছর হজ্বের মৌসুমে ইয়াসরিব থেকে এক প্রতিনিধি দল রাসূলুল্লাহ এর সঙ্গে সাক্ষাত করতে আসেন। ঐ প্রতিনিধি দল রাসূলুল্লাহ এর কাছে তখন আনুগত্যের শপথ করেন। ইসলামের ইতিহাসে এটাই প্রথম আকাবার শপথ নামে পরিচিত।

প্রশ্ন-৪৫৩. কখন প্রথম আকাবার শপথ অনুষ্ঠিত হয়?
উত্তর: ৬২১ খ্রিস্টাব্দে নবুওয়াতের দ্বাদশ বছরের হজ্জের মৌসুমে প্রথম আকাবার শপথ অনুষ্ঠিত হয়।

প্রশ্ন-৪৫৪. ঐ শপথ অনুষ্ঠানে কতজন লোক উপস্থিত ছিলেন?
উত্তর: তারা ছিলেন সর্বমোট বার জন, তাদের মধ্যে এমন পাঁচজন ছিলেন যারা আগের বছরেও এসেছিলেন।

প্রশ্ন-৪৫৫. ষষ্ঠ ব্যক্তিটির নাম কী যিনি পরের বছর আসেননি?
উত্তর: তিনি ছিলেন জাবির বিন আব্দুল্লাহ (রা)।

প্রশ্ন-৪৫৬. তারা কোন গোত্রের অধিবাসী ছিলেন?
উত্তর: তাদের মধ্যে ১০ জন ছিলেন খাযরাজ গোত্রের এবং ২ জন ছিলেন আওস গোত্রের অধিবাসী। ইয়াসরিবে উভয় গোত্রই ছিল বিখ্যাত।

প্রশ্ন-৪৫৭. তাদের সকলের নাম কী ছিল?
উত্তর: তারা হলেন. ১. আসাদ বিন যুরারাহ, ২. আওফ বিন হারিস, ৩. রাফি বিন মালিক, ৪. কুতবা বিন আমির, ৫. উকবা বিন আমির, ৬. মুয়ায বিন হারিস, ৭. যাকওয়ান বিন আবদ কাইস, ৮. উবাদা বিন সামিত, ৯. ইয়াযীদ বিন সালবাহ, ১০. আব্বাস বিন উবাদা (এ ১০ জন হলেন খাযরাজ গোত্রের অধিবাসী), ১১. আবুল হাইশাম বিন তাইহাম এবং ১২. উওয়াইম বিন সাইদাহ (রা) (এ ২ জন হলেন আওস গোত্রের অধিবাসী।)

প্রশ্ন-৪৫৮. রাসূল এর সঙ্গে তারা কোথায় দেখা করেন?
উত্তর: তারা গোপনে রাসূল এর সঙ্গে আকাবায় দেখা করেন।

প্রশ্ন-৪৫৯. রাসূল এর হাতে তারা কী শপথ করল?
উত্তর: তারা রাসূলের হাত ধরে শপথ করল যে, ১. আল্লাহ ছাড়া কারো ইবাদত করবে না। ২. চুরি করবে না, ৩. ব্যভিচার করবে না, ৪. তাদের সন্তানদের হত্যা করবে না, ৫. মিথ্যা বলবে না এবং ৬. যে কোন ব্যাপারে রাসূলের অবাধ্য হবে না।

প্রশ্ন-৪৬০. রাসূল ইয়াসরিবে তাদের সঙ্গে কাকে পাঠালেন?
উত্তর: রাসূল ইয়াসরিবে তাদের সঙ্গে 'মুস'আব বিন উমাইরকে শিক্ষক হিসেবে পাঠালেন।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00