📄 তাবলীগ না করার পরিণতি
إِنَّ الَّذِينَ يَكْتُمُونَ مَا أَنْزَلْنَا مِنَ الْبَيِّنَاتِ وَالْهُدَى مِنْ بَعْدِ مَا بَيَّنَّهُ لِلنَّاسِ فِي الْكِتَابِ أُولَئِكَ يَلْعَنُهُمُ اللَّهُ وَيَلْعَنُهُمُ اللَّعِنُونَ
"আমি যে সুষ্পষ্ট বিধান নাযিল করেছি, জনগণের জন্য হিদায়েতের যে বাণী প্রেরণ করেছি এবং আমি যার ব্যাখ্যাও কিতাবের মধ্যে করে দিয়েছি, তারপর যারা তা গোপন করে রাখবে (প্রচার করবে না) তাদের উপর আল্লাহ এবং সকল অভিশাপ বর্ষণকারীর অভিশাপ রয়েছে। (সূরাঃ আল বাকারা-১৫৯)
مَنْ سَئِلَ عَنْ عِلْمٍ ثُمَّ كَتَمَهُ أَلْجِمَ يَوْمَ الْقِيمَةِ بِلِجَامٍ مِنَ النَّارِ
রাসূলুল্লাহ (সা) বলেছেন- “দ্বীন সম্পর্কিত কোন বিষয়ে কাউকে যদি কিছু জিজ্ঞাসা করা হয় এবং সে তা (জানা সত্ত্বেও) গোপন করে, কিয়ামতের দিন তাকে জাহান্নামের আগুনের লাগাম পরিয়ে দেয়া হবে।” (মুসনাদে আহমাদ, হাকিম, আবু দাউদ, তিরমিযী, ইবনে মাজাহ, আলবানী এটিকে হাসান সহীহ বলেছেন)
📄 আল্লাহর পথ ব্যতীত অন্য পথে ডাকার পরিণতি
إِنَّ الشَّيْطَانَ لَكُمْ عَدُوٌّ فَاتَّخِذُوهُ عَدُوًّا إِنَّمَا يَدْعُوا حِزْبَهُ لِيَكُونُوا مِنْ أَصْحَابِ السَّعِيرِ
নিশ্চয় শয়তান তোমাদের শত্রু অতএব তোমরা তাকে শত্রু হিসেবেই গ্রহণ কর। কেননা সে তার দলবলকে (ভ্রান্ত পথে) আহবান করে, যেন তারা জাহান্নামী হয়ে যায়। (সূরা আল ফাতির-৬)
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন- مَنْ دَعَا بِدَعْوَى الْجَاهِلِيَّةَ فَهُوَ مِنْ جُتَى جَهَنَّمَ وَإِنْ صَامَ وَصَلَّى وَزَعَمَ أَنَّهُ مُسْلِمٌ “যে ব্যক্তি মানুষকে (আল্লাহর পথ ব্যতীত) জাহেলিয়্যাতের দিকে (তথা মানুষের তৈরি করা পথের দিকে) আহ্বান জানায় সে জাহান্নামী। সাহাবাগণ জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসূল (সাঃ)- যদি সে নামায পড়ে এবং রোযা রাখে তবুও? রাসূল (সাঃ) উত্তরে বললেন, হ্যাঁ, যদি সে নামায পড়ে, রোযা রাখে এমনকি নিজকে সে একজন মুসলমান মনে করে তবুও সে জাহান্নামী।” (মুসনাদে আহমদ)
وَمَنْ دَعَا إِلَى ضَلَالَةٍ كَانَ عَلَيْهِ مِنَ لِاثْمِ مِثْلُ أَثَامِ مَنْ تَبِعَهُ لَا يَنْقُصُ ذَلِكَ مِنْ آثَامِهِمْ شَيْئًا
যে ব্যক্তি বিপথের দিকে ডাকে সে তার অনুসারীদের পাপের সমপরিমাণ পাপের ভাগী হবে, তবে তাদের পাপ থেকে মোটেও কমানো হবে না। (আবু দাউদ, তিরমিযী, দারেমী, ইবনে মাজাহ, ইবনে হিব্বান, সিলসিলা সহীহা, আহমদ, ইমাম তিরমিযী এটিকে হাসান সহীহ বলেছেন)
📄 যে ভ্রান্ত পথের আহ্বানে সাড়া দেয় তার পরিণতি
وَقَالَ الشَّيْطَانُ لَمَّا قُضِيَ الْأَمْرُإِنَّ اللَّهَ وَعَدَكُمْ وَعْدَ الْحَقِّ وَوَعَدْتُكُمْ فَأَخْلَفْتُكُمْ وَمَا كَانَ لِيَ عَلَيْكُمْ مِنْ سُلْطَانٍ إِلَّا أَنْ دَعَوْتُكُمْ فَاسْتَجَبْتُمْ لِى فَلَا تَلُومُونِي وَلُوْমُوا أَنْفُসَكُمْ مَا أَنَا بِمُصْرِخِكُمْ وَمَا أَنْتُمْ بِمُصْرِخِيَّ
'যখন সব কাজের ফয়সালা হয়ে যাবে, তখন শয়তান বলবে : নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদেরকে সত্য ওয়াদা দিয়েছিলেন এবং আমি তোমাদের সাথে ওয়াদা করেছি, অতঃপর তা ভঙ্গ করেছি। তোমাদের উপর তো আমার কোন ক্ষমতা ছিল না, কিন্তু এতটুকু যে, আমি তোমাদেরকে (ভ্রান্ত পথে) আহবান করেছি। অতঃপর তোমরা আমার কথা মেনে নিয়েছ। এতএব তোমরা আমাকে ভৎর্সনা করো না এবং নিজেদেরকেই ভৎর্সনা কর। আমি তোমাদের উদ্ধারে সাহায্যকারী নই এবং তোমরাও আমার উদ্ধারে সাহায্যকারী নও।' (সূরা ইবরাহীম-২২)
📄 যারা দীনের দা'ওয়াতে সাড়া দেয় তাদের পুরস্কার
يُقَوْمَنَا أَجِيبُوا دَاعِيَ اللَّهِ وَأَمِنُوا بِهِ يَغْفِرْ لَكُمْ مّিনْ ذُنُوْبِكُمْ وَيُجِرُكُمْ مِنْ عَذَابٍ أَلِيمٍ
“(জিনেরা বলল) হে আমার সম্প্রদায়! তোমরা আল্লাহর দিকে আহ্বানকারীর প্রতি সাড়া দাও এবং তাঁর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করো। আল্লাহ তোমাদের পাপ ক্ষমা করবেন এবং যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি হতে তোমাদেরকে রক্ষা করবেন।” (সূরাঃ আহক্বাফ-৩১)
إِنَّمَا كَانَ قَوْلَ الْمُؤْمِنِينَ إِذَا دُعُوا إِلَى اللَّهِ وَرَسُولِهِ لِيَحْكُمَ بَيْنَهُمْ أَنْ يَقُولُوا سَمِعْنَا وَأَطَعْنَا وَأُولَئِكَ هُمُ الْمُفْلِحُوْنَ
"মুমিনদের বক্তব্য কেবল এ কথাই যে যখন তাদের মধ্যে ফায়সালা করার জন্য আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের দিকে আহ্বান করা হয় তখন তারা বলে, আমরা শুনলাম এবং আদেশ মেনে নিলাম। আর তারাইতো সফল কাম।" (সূরাঃ আন-নূর-৫১)