📘 রাসূলুল্লাহ সাঃ এর নামায > 📄 দুই হাত আগে মাটিতে রেখে সাজদায় যাওয়া

📄 দুই হাত আগে মাটিতে রেখে সাজদায় যাওয়া


তিনি মাটিতে দুই হাঁটু রাখার আগে দুই হাত রাখতেন। ২৯৬
দুই পায়ে তিনি এরূপ করার আদেশ দিয়ে বলেছেন, 'তোমাদের কেউ সাজদাহ করলে দুই পায়ে সে উটের মত না বসে, বরং হাঁটু রাখার আগে যেন দুই হাত মাটিতে রাখে। ২৯৭
উটের বিরোধীতার উপায় হল, উট প্রথমে পেছনের দুই পায়ের উপর বসার উদ্যোগ নেয়। তাই প্রথমে দুই হাত মাটিতে রেখে সাজদা করলে উটের বসার বিরোধীতা হয়।
তিনি আরও বলেছেনঃ কপালের মত হাতও সাজদাহ করে। তোমাদের কেউ মাটিতে কপাল দিয়ে সিজদাহ করার আগে দুই হাত মাটিতে রাখবে। যখন সাজদাহ থেকে উঠবে, তখন দুই হাতও উঠাবে। ২৯৮.
তিনি দুই হাতের তালুর উপর ভর দিতেন এবং তা বিছিয়ে দিতেন। ২৯৯ তবে আঙ্গুলগুলো কেবলামুখী করে ৩০০ মিলিয়ে রাখতেন। ৩০১
তিনি দুই হাতের তালু মাটিতে কাঁধ বরাবর রাখতেন ৩০২ এবং কখনও কখনও দুই কান বরাবর রাখতেন। ৩০৩
তিনি নিজের কান ও কপাল মাটিতে মযবুত করে রাখতেন। তিনি ভুল নামায আদায়কারীকে বলেছিলেন, তুমি যখন সাজদাহ করবে, মযবুত ভাবে তা করবে। ৩০৪
অন্য এক রেওয়ায়াতে এসেছে, যখন তুমি সাজদাহ করবে, তখন কপাল ও হাত মযবুত ভাবে রাখবে এবং প্রত্যেক অঙ্গ যেন তার নিজ স্থানে প্রশান্তির সাথে বহাল হয়। ৩০৫
তিনি আরো বলেছেন, সেই ব্যক্তির নামায হয় না, যার নাক ও কপাল মাটি স্পর্শ করে না। ৩০৬.
তিনি দুই হাঁটু ও দুই পায়ের আঙ্গুল সুপ্রতিষ্ঠিত রেখে সাজদাহ করতেন। ৩০৭
পায়ের আঙ্গুলের মাথা কেবলামুখী করে রাখতেন, ৩০৮
পায়ের দুই গোঁড়ালি মিলিয়ে রাখতেন। ৩০৯
এবং দুই পা দাঁড় করিয়ে রাখতেন ৩১০
এবং অনুরূপ করার জন্য আদেশ করেছেন। ৩১১
রসূলুল্লাহ (সঃ) সাত অঙ্গে সাজদাহ করতেন। অঙ্গগুলো হচ্ছে, দুই হাতের তালু, দুই হাঁটু, দুই পায়ের পাতা, কপাল ও নাক।
তিনি সাজদায় শেষের দু'টি অঙ্গকে (অর্থাৎ কপাল ও নাক) এক অঙ্গ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। আরেক বর্ণনায় এসেছে, আমাকে সাত হাড়ে সাজদাহ করার আদেশ দেয়া হয়েছে। সেগুলো হচ্ছে দুই হাত। অন্য এক বর্ণনায় এসেছে, দুই হাতের তালু, দুই হাঁটু এবং দুই পায়ের আঙ্গুল। এই কথা বলে তিনি কপাল ও নাকের প্রতি ইঙ্গিত দেন। আর আমি যেন কাপড় ও চুল এলোমেলো হয়ে গেলে তা ঠিক না করি। রুকু ও সাজদায় এরূপ করতে নিষেধ করা হয়েছে। ৩১২.
তিনি বলেছেন, বান্দাহর সাজদার সময় তার সাতটি অঙ্গ এক সাথে সাজদাহ করে। সেই অঙ্গগুলো হচ্ছে, কপাল, দুই হাতের তালু, দুই হাঁটু ও দুই পা। ৩১৩
এক ব্যক্তি নিজ চুল খোঁপার মত বেঁধে রসূলুল্লাহ (সঃ)-এর পিছে নামায পড়েন। তিনি তাঁকে লক্ষ্য করে বলেন, 'তার উদাহরণ হল দুই হাত বাঁধা নামাযীর মত। ৩১৪
তিনি আরো বলেন, 'বাঁধা চুল শয়তানের আসন। ৩১৫.
তিনি দুই হাত মাটিতে লম্বা করে বিছিয়ে দিতেন না। ৩১৬
বরং তা যমীন থেকে উপরে এবং পেটের দুই পাশ থেকে দূরে রাখতেন এমন কি পেছন থেকে তাঁর বগলের নীচের শুভ্রতা দৃষ্টিগোচর হত। ৩১৭
কোন ছোট ভেড়া-বকরীর বাচ্চা তাঁর হাতের নীচ দিয়ে যেতে চাইলে যেতে পারত। ৩১৮
এক সাহাবী একটু বাড়িয়ে বলেছেন, রসূলুল্লাহ (সঃ) যখন সাজদায় যান, তখন তাঁর দুই হাত পেটের দুই পাশ থেকে এতটুকু দূরত্বে থাকে যে, আমরা সেখানে আশ্রয় নিতে পারি। ৩১৯
তিনি এরূপ করার আদেশ দিয়ে বলেছেন, তুমি যখন সাজদাহ করবে, তখন তোমার দুই হাতের তালু মাটিতে রাখবে এবং দুই কনুই উপরে রাখবে। ৩২০
তিনি আরো বলেছেন, তোমরা সাজদায় সোজা থাক এবং কুকুরের মত দুই হাত সামনের দিকে বিছিয়ে দিও না। ৩২১
তিনি অন্য এক হাদীসে বলেছেন, তোমরা কুকুরের মত দুই হাত বিছিয়ে দিও না। ৩২২
তিনি আরও বলেছেন, তোমরা হিংস্র প্রাণীর মত হাত বিছিয়ে দিও না, দুই হাতের তালুর উপর ভর রাখ এবং দুই বাহুকে আলাদা রাখ। এই ভাবে করলে তোমার সকল অঙ্গ সাজদাহ করবে। ৩২৩

টিকাঃ
২৯৬. ইবনু খোযায়মাহ, দার কুতনী। হাকেম একে সহীহ বলেছেন এবং আল্লামা যাহাবী একে সমর্থন করেছেন। এ হাদীসের বিরোধী হাদীস সহীহ নয়। ইমাম মালেক, আহমদ ও আওযাঈর মতও এটাই。
২৯৭. আবু দাউদ, সোগরা ওয়া কোবরা-নাসাঈ, সনদ সহীহ。
২৯৮. ইবনু খোযায়মাহ, আহমদ, আস-সেরাজ। হাকেম একে সহীহ বলেছেন এবং আল্লামা যাহাবী তা সমর্থন করেছেন。
২৯৯. আবু দাউদ। হাকেম একে সহীহ বলেছেন এবং আল্লামা যাহাবী তা সমর্থন করেছেন。
৩০০. বায়হাকী-সনদ সহীহ, ইবনু আবী শায়বা ১/৮২/২, আস-সেরাজ。
৩০১. ইবনু খোযায়মাহ, বায়হাকী। হাকেম একে সহীহ বলেছেন এবং আল্লামা যাহাবী তা সমর্থন করেছেন。
৩০২. ৩০৩. আবু দাউদ। তিরমিযী একে সহীহ বলেছেন。
৩০৪. আবু দাউদ, নাসাঈ-সনদ সহীহ。
৩০৫. ইবনু খোযায়মাহ-সনদ সহীহ。
৩০৬. দারু কুতনী, তাবারানী, আখবারে ইসপাহান-আবু নাঈম。
৩০৭. বায়হাকী সনদ সহীহ。
৩০৮. বোখারী, আবু দাউদ。
৩০৯. তাহাবী, ইবনু খোযায়মাহ。
৩১০. বায়হাকী-সনদ সহীহ।।
৩১১. তিরমিযী, হাকেম。
৩১২. বোখারী, মুসলিম。
৩১৩. মুসলিম, আবু আ'ওয়ানা, ইবনু হিব্বান。
৩১৪. হাদীসটির অর্থ হল, চুল খোলা থাকলে সাজদার সময় তা মাটিতে পড়ত এবং নামাযীকে এর সওয়াব দেয়া হত। কিন্তু চুল বাঁধা থাকার অর্থ হল, চুলের সাজদাহ না করা। একে দুই হাত বাঁধা নামাযীর সাথে তুলনা করা হয়েছে। কেননা, হাত বাঁধা থাকলে সাজদার সময় হাত মাটিতে পড়ে না। আমার মতে এই হুকুম পুরুষের জন্য, মেয়েদের জন্য নয়। শাওকানী ইবনু আরাবী থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন。
৩১৫. আবু দাউদ। তিরমিযী এটিকে উত্তম হাদীস এবং ইবনু খোযায়মাহ ও ইবনু হিব্বان একে সহীহ হাদীস বলেছেন。
৩১৬. বোখারী, আবু দাউদ。
৩১৭. বোখারী, মুসলিম。
৩১৮. মুসলিম, আবু আওয়ানা, ইবনু হিব্বান。
৩১৯. আবু দাউদ, ইবনু মাজাহ-সনদ ভাল。
৩২০. মুসলিম, আবু আওয়ানা。
৩২১ বোখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, আহমদ。
৩২২ আহমদ। তিরমিযী এটিকে সহীহ বলেছেন。
৩২৩. ইবনু খোযায়মাহ। আলমোখতারাহ আল-মাকদেসী, হাকেম এটিকে সহীহ বলেছেন এবং আল্লামা যাহাবী তা সমর্থন করেছেন。

📘 রাসূলুল্লাহ সাঃ এর নামায > 📄 সাজদায় প্রশান্তি লাভ করা

📄 সাজদায় প্রশান্তি লাভ করা


রসূলুল্লাহ (সঃ) রুকু ও সাজদাহ পরিপূর্ণ করার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি রুকু ও সাজদাহ অপূর্ণকারীকে ঐ ক্ষুধার্ত ব্যক্তির মতো বলেছেন, যে ক্ষুধার সময় একটি বা দু'টো খেজুর খায়, কিন্তু তাতে তার ক্ষুধা দূর হয় না। তিনি আরো বলেছেন, এ জাতীয় লোক খুবই নিকৃষ্ট চোর।
তিনি বলেছেন, যে ব্যক্তি রুকু ও সাজদায় পিঠ সোজা করে না, তার নামায বাতিল। রুকু অধ্যায়ে এ সম্পর্কিত আলোচনা করা হয়েছে। এছাড়াও তিনি ভুল নামায আদায়কারী ব্যক্তিকে প্রশান্তির সাথে ধীরস্থিরভাবে নামায পড়ার আদেশ দিয়েছেন।

📘 রাসূলুল্লাহ সাঃ এর নামায > 📄 সাজদার যিকর

📄 সাজদার যিকর


রসূলুল্লাহ (সঃ) নামাযের এই গুরুত্বপূর্ণ রোকনটিতে বিভিন্ন প্রকার দোআ ও যিকর করেছেন। অর্থাৎ একেক সময় একেকটা পাঠ করেছেন। তিনি সাজদায় যা পড়েছেন, তা হচ্ছে নিম্নরূপ:
১. سُبْحَانَ رَبِّيَ الْأَعْلَى - তিনবার পড়তেন। ৩২৪
আবার কখনও আরও বেশী পড়তেন। ৩২৫
তিনি একবার রাতের নামাযে তা এত বেশী সময় পড়েছেন যা কেয়ামের সময়ের সমান ছিল। তিনি ঐ নামাযের কেয়ামে তিনটি লম্বা সূরা পড়েছেন এবং সেগুলোর মাঝে মাঝে দোআ এবং এস্তেগফার করেছেন। সূরাগুলো হল, সূরা বাকারা, সূরা নিসা এবং সূরা আলে-ইমরান। 'রাতের নামায' অধ্যায়ে তা আলোচনা করা হয়েছে।
২. سُبْحَانَ رَبِّي الأَعْلَى وَبِحَمْدِهِ - তিনবার পড়তেন। ৩২৬
৩. سُبُّوْحٌ قُدُّوْسٌ رَبُّ الْمَلَائِكَةِ وَالرُّوْحِ - কখনও এরূপ পড়তেন। ৩২৭
অর্থ: আল্লাহ পবিত্র মোবারক, সকল ফেরেশতা এবং জিবরীলের প্রতিপালক।
سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ رَبَّنَا وَبِحَمْدِكَ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي .
৪. অর্থ: হে আল্লাহ, হে আমাদের রব! তোমার পবিত্রতা ও প্রশংসা। হে আল্লাহ্! আমাকে মাফ কর।
তিনি এটি রুকু ও সাজদায় অনেক বেশী পড়তেন। ৩২৮
আগেও এ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
اللهُمَّ لَكَ سَجَدْتُ وَبِكَ أَمَنْتُ وَلَكَ أَسْلَمْتُ وَأَنْتَ رَبِّي سَجَدَ
৫. وَجْهِيَ لِلَّذِي خَلَقَهُ وَصَوَّرَهُ فَأَحْسَنَ صُوَرَهُ وَشَقَ سَمْعَهُ وَبَصَرَهُ فَتَبَارَكَ اللَّهُ أَحْسَنُ الْخَالِقِينَ
অর্থঃ হে আল্লাহ্! আমি তোমার জন্যই সাজদাহ করছি, তোমার প্রতিই ঈমান এনেছি, তোমার কাছেই আত্মসমর্পণ করেছি। তুমি আমার রব। যিনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন, সুন্দর আকৃতি দান করেছেন এবং চোখ ও কান দিয়ে সৃষ্টি করেছেন, আমার মুখমণ্ডল তাঁর কাছে সাজদা অবনত। আল্লাহ বরকতময় এবং সর্বোত্তম স্রষ্টা। ৩২৯
اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي ذَنْبِي كُلَّهُ وَدِقَهُ وَجِلَّهُ وَأَوَّلَهُ وَآخِرَهُ وَعَلَانِيَتَهُ .
৬. وسره
অর্থঃ হে আল্লাহ! আমার সকল সূক্ষ্ম ও বাহ্যিক, প্রথম ও শেষ এবং প্রকাশ্য ও গোপন গুনাহ মাফ কর। ৩৩০
سَجَدَ لَكَ سَوَادِي وَخِيَالِي وَآمَنَ بِكَ فَؤَادِي أَبُوءُ بِنِعْمَتِكَ .
৭. عَلَى هُذِهِ يَدِي وَمَا جَنَبْتٌ عَلَى نَفْسِي
অর্থ: আমার মন-মগয তোমার উদ্দেশ্যে সাজদাহ করছে, আমার অন্তর তোমার প্রতি ঈমান এনেছে, আমি আমার উপর তোমার নেয়ামত স্বীকার করি। এই আমার হাত, আমি যে সকল অপরাধ করেছি তাও স্বীকার করি। ৩৩১
سُبْحَانَ ذِي الْجَبَرُوتِ وَالْمَلَكُوتِ وَالْكِبْرِيَاءِ وَالْعَظْمَةِ .
অর্থঃ সেই আল্লাহ্র পবিত্রতা, যিনি ক্ষমতা, বাদশাহী শ্রেষ্ঠত্ব ও মহত্বের অধিকারী। ৩৩২
নিম্নলিখিত দোআগুলো রাত্রের নামাযে পড়তেন-
سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ ..
অর্থ: হে আল্লাহ! তোমার পবিত্রতা ও প্রশংসা, তুমি ছাড়া কোন মাবুদ নেই। ৩৩৩
اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي مَا أَسْرَرْتُ وَمَا أَعْلَنْتُ .
অর্থঃ হে আল্লাহ! আমার গোপন ও প্রকাশ্য গুনাহ মাফ কর। ৩৩৪
اللَّهُمَّ اجْعَلْ فِي قَلْبِي نُورًا وَفِي لِسَانِي نُورًا وَاجْعَلْ فِي . دد سَمْعِي نُورًا وَاجْعَلْ فِي بَصَرِى نُورًا وَاجْعَلْ مِنْ تَحْتِى نُورًا وَاجْعَلْ مِنْ فَوْقِي نُورًا وَعَنْ يَمِينِى نُورًا وَعَنْ يَسَارِي نُوْرًا وَاجْعَلْ أَمَا مِي نُورًا وَاجْعَلْ خَلْفِى نُورًا وَاجْعَلْ فِى نَفْسِي نُورًا وَاعْظِمْ لِي نُوْرًا -
অর্থ: হে আল্লাহ! আমার অন্তর, জিহবা, কান, চোখ, নীচে, উপরে, ডানে-বাঁয়ে, সামনে- পিছে এবং দেহে নূর (আলো) দান কর এবং আমার নূরকে মহান করে দাও। ৩৩৫
اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِرِضَاكَ مِنْ سَخَطِكَ وَأَعُوذُ بِمُعَافَاتِكَ مِنْ . عقُوبَتِكَ وَاعُوذُبِكَ مِنْكَ لَا أُحْصِى ثَنَاءٌ عَلَيْكَ أَنْتَ كَمَا اثْنَيْتَ عَلَى نَفْسِكَ -
অর্থঃ হে আল্লাহ! আমি তোমার সন্তুষ্টির বিনিময়ে তোমার অসন্তোষ থেকে পানাহ চাই, তোমার ক্ষমা দ্বারা তোমার শাস্তি থেকে আশ্রয় চাই এবং তোমার ওসীলায় তোমার কাছে পানাহ চাই। তুমি নিজে নিজের যে রকম প্রশংসা করেছ আমি তোমার সে রকম প্রশংসা করতে অপারগ। ৩৩৬

টিকাঃ
৩২৪. আহমদ, আবু দাউদ, ইবনে মাজাহ, দারু কুতনী, তাহাবী, বাযযার। তাবারানী ৭জন সাহবী থেকে তা বর্ণনা করেছেন。
৩২৫. ঐ。
৩২৬. আবু দাউদ, দারু কুতনী, আহমদ, তাবারানী, বায়হাকী। হাদিসটি সহীহ。
৩২৭. মুসলিম, আর আ'ওয়ানাহ。
৩২৮. বোখারী, মুসলিম。
৩২৯. মুসলিম, আবু আওয়ানাহ, তাহাবী, দারু কুতনী。
৩৩০. মুসলিম, আবু আওয়ানাহ。
৩৩১. ইবনু নসর, বায্যার। হাকেম এটিকে সহীহ বলেছেন。
৩৩২. আবু দাউদ, নাসাঈ সনদ সহীহ
৩৩৩. মুসলিম, আবু আওয়ানা, নাসাঈ, ইবনু নসর。
৩৩৪. ইবনু আবী শায়বাহ, নাসাঈ। হাকেম এটাকে সহীহ বলেছেন এবং আল্লামা যাহাবী এর প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন。
৩৩৫. মুসলিম, আবু আ'ওয়ানা, ইবনু আবী শায়বা。

📘 রাসূলুল্লাহ সাঃ এর নামায > 📄 সাজদায় কোরআন পড়া নিষিদ্ধ

📄 সাজদায় কোরআন পড়া নিষিদ্ধ


রসূলুল্লাহ (সঃ) রুকু ও সাজদায় কোরআন পড়তে নিষেধ করেছেন। বরং তিনি সাজদায় অধিকতর দোআ করার নির্দেশ দিয়েছেন। এমর্মে একটি হাদীস রুকু অধ্যায়ে বর্ণিত হয়েছে।
তিনি বলেছেন, বান্দাহ সাজদাহ অবস্থায় আল্লাহর বেশী নিকটবর্তী হয়। তোমরা সাজদায় বেশী বেশী করে দোআ কর। ৩৩৭

টিকাঃ
৩৩৬. ঐ。
৩৩৭. মুসলিম, আবু আ'ওয়ানা, বায়হাকী。

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00