📄 কান মলে দেয়া
ইবন আব্বাস থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আমার খালা নবী -এর সহধর্মিনী মায়মুনা বিনতে হারিস-এর ঘরে এক রাত্রি যাপন করছিলাম। নবী তাঁর পালার রাতে সেখানে ছিলেন। নবী ইশার সালাত আদায় করে তাঁর ঘরে চলে আসলেন এবং চার রাকআত সালাত আদায় করে শুয়ে পড়লেন। কিছুক্ষণ পর উঠে বললেন, বালকটি কি ঘুমিয়ে গেছে? বা এ ধরনের কোনো কথা বললেন। তারপর (সালাতে) দাঁড়িয়ে গেলেন, আমিও তাঁর বাঁ দিকে গিয়ে দাঁড়ালাম। তিনি আমাকে তাঁর ডান দিকে এনে দাঁড় করালেন। তারপর তিনি পাঁচ রাকআত সালাত আদায় করলেন। পরে আরো দুরাকআত আদায় করলেন। এরপর শুয়ে পড়লেন। এমনকি আমি তাঁর নাক ডাকার শব্দ শুনতে পেলাম। এরপর উঠে তিনি (ফজরের) সালাতের জন্য বের হলেন।
📄 দুই নওমুসলিম
আবু আব্দুর রহমান আল-জুহানী হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা নবী-এর নিকট ছিলাম, এসময় দূর থেকে দুই আরোহী দৃষ্টিগোচর হলো। তিনি যখন তাদের দেখলেন তখন বললেন, "দুই কিন্দি এবং মাজঝী ব্যক্তি"। তারা তার নিকট আসলেন এবং সেখানে মাজঝী গোত্রের কিছু মানুষ ছিল।
রাবী বলেন, তাদের মধ্যে একজন বাইয়াত গ্রহণের জন্য নবী-এর নিকটবর্তী হলেন। যখন নবী তার হাত ধরলেন তিনি বললেন, “হে আল্লাহর রসূল! তার কি হবে যে আপনাকে দেখেছে, আপনার প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করেছে, আপনার সত্যতার স্বীকৃতি দিয়েছে এবং আপনাকে অনুসরণ করেছে? তার পুরস্কার কি হবে?” নবী বললেন, “কল্যাণ তার জন্য”। নবী তার হাতে হাত বুলিয়ে দিলেন এবং লোকটি চলে গেল।
অন্য ব্যক্তি এগিয়ে এলেন এবং বাইয়াত গ্রহণের জন্য তাঁর হাত ধরলেন। তিনি বললেন, “হে আল্লাহর রসূল! তার কি হবে যে আপনাকে বিশ্বাস করেছে, আপনার সত্যতার স্বীকৃতি দিয়েছে, আপনাকে অনুসরণ করেছে কিন্তু আপনাকে দেখেনি? তার পুরস্কার কি হবে?” নবী বললেন, “কল্যাণ তার জন্য! কল্যাণ তার জন্য! কল্যাণ তার জন্য!” তিনি লোকটির হাত বুলিয়ে দিলেন এবং লোকটি চলে গেল।
টিকাঃ
১২০. মুসনাদে ইমাম আহমাদ- হাদীস নং ১৭০৮৪
📄 জ্ঞান তোমার জন্য সহজ হয়ে যাক
আবু আল-সুলাইল বর্ণনা করেন। নবী -এর সাহাবাগণের মধ্যে একজন মানুষজনকে বিভিন্ন বিষয়ে শিক্ষা দিতেন এবং তার নিকট অনেক মানুষ আসত। এমনকি তিনি তার পাঠ প্রদানের জন্য বাড়ির শীর্ষে উঠতেন। তিনি বললেন, আল্লাহর রসূল বললেন, “কোনো আয়াতটি সবচেয়ে মহিমান্বিত?” উক্ত ব্যক্তি বললেন, “আল্লাহ ছাড়া অন্য কোনো উপাস্য নেই, তিনি জীবিত, সবকিছুর ধারক। তাঁকে তন্দ্রাও স্পর্শ করতে পারে না এবং নিদ্রাও নয়।”
রাবী বলেন, নবী তাঁর হাত আমার কাধে রাখলেন এমনকি আমি তাঁর হাতের শীতলতা আমার বুকে অনুভব করছিলাম। তিনি বললেন, “ও আবুল মুনযির! জ্ঞান তোমার জন্য সহজ হয়ে যাক”।
টিকাঃ
১২১. আল-বাকারাহ (২: ২৫৫)
১২২. মুসনাদে ইমাম আহমাদ- হাদীস নং ২০১১৯
📄 ইয়া আল্লাহ! তাকে ধর্মের তত্ত্বজ্ঞান দান করুন
আব্দুল্লাহ ইবন আব্বাস হতে বর্ণিত। আল্লাহর রসূল আমার কাধে তাঁর হাত রাখলেন এবং বললেন, “ইয়া আল্লাহ! তাকে ধর্মের তত্ত্বজ্ঞান দান করুন এবং কুরআনের ব্যাখ্যা তাকে শিক্ষা দিন”।
টিকাঃ
১২৩. মুসনাদে ইমাম আহমাদ- হাদীস নং ২৭৭৩