📄 মিষ্টি ঘ্রাণ ও সুশীতল
জাবির ইবনে সামুরা থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি একবার রসূলুল্লাহ-এর সাথে দিনের প্রথম নামায (যোহর) আদায় করলাম। অতঃপর তিনি নিজ পরিবারবর্গের নিকট রওয়ানা হয়ে গেলেন, আমিও তাঁর সাথে রওয়ানা হলাম। তিনি রওয়ানা হলে কিছু সংখ্যক বালক তাঁর নিকট উপস্থিত হলো। তিনি বালকদের প্রত্যকের গালে এক এক করে হাত বুলিয়ে দিতে লাগলেন। জাবির বলেন, রসূলুল্লাহ আমার গালেও হাত বুলিয়ে দিলেন। আমি রসূলুল্লাহ এর হাতের কোমল স্পর্শ অথবা সুগন্ধি এরূপ অনুভব করলাম যেন তাঁর মোবারক হাতখানা কোনো আতর বিক্রেতার আতরদানী থেকে বের করে নিয়ে এসেছেন।
এই কোমল, শীতল, সুন্দর এবং সুগন্ধি স্পর্শ বন্ধু-শত্রু নির্বেশেষে উভয়ের দেহকেই স্পর্শ করেছে। যে স্থান এ স্পর্শ পেয়েছে তা নিয়ে এসেছে এমন ভালবাসা যা সকল চিন্তাকে দূর করেছে, বিরহের বেদনাকে ভুলিয়ে দিয়েছে। এই সচেতন আবেগ এবং স্পর্শের উষ্ণতা তাদেরকে রসূলুল্লাহ (সা)-এর নিকট একজন অনুগত এবং অনুতপ্ত মুসলিম হিসেবে সোপর্দ করতে বাধ্য করেছে।
টিকাঃ
১১৫. সহীহ মুসলিম হাদীস নং ৪৪১৮
📄 তারা পেয়েছিলেন এই বিরল সম্মান
অনেক মানুষই স্নেহময় এ হাতের স্পর্শ পাবার সম্মান এবং সুযোগ লাভ করেছিলেন। যেমন-
-সেই যুবক যে যিনার অনুমতি চেয়েছিল
-ফুদালাহ ইবনে আমির আল লাইছি
-সাইবাহ ইবনে ইশাক আল হুজবী
📄 যুবকটি: “তিনি যুবকটির ওপর তার হাত রাখলেন”
আবু উমামাহ হতে বর্ণিত। যিনি বলেন, একজন যুবক নবী -এর নিকট এসে বলল, “ইয়া রসূলাল্লাহ! আমাকে ব্যভিচারের অনুমতি দান করুন” এই কথা বলার পর নবী যুবকটির ওপর তার হাত রাখলেন এবং বললেন, “ইয়া আল্লাহ! তার ত্রুটিগুলিকে ক্ষমা করে দিন, তার হৃদয়কে পরিশুদ্ধ করুন এবং তার যৌনাঙ্গসমূহকে হেফাজত করুন”
টিকাঃ
১১৬ মুসনাদে ইমাম আহমাদ : মুসনাদ নং ২১৬৭৬
📄 স্নেহময় স্পর্শের প্রভাব
“এরপর থেকে যুবকটি মেয়েদের দিকে অবৈধ দৃষ্টিপাত থেকে বিরত হলো”