📘 রাসূল (সঃ) এর জীবনী হতে নেতৃত্ব প্রদান ও প্রভাবিত করার গুপ্ত রহস্যাবলি > 📄 মসজিদের শিশু

📄 মসজিদের শিশু


আনাস ইবনে মালিক থেকে বর্ণিত। আমি নবী -এর চেয়ে সংক্ষিপ্ত এবং পূর্ণাঙ্গ সালাত আর কোনো ইমামের পিছনে কখনো পড়িনি। আর তা এ জন্য যে, তিনি শিশুর কান্না শুনতে পেতেন এবং তার মায়ের ফিত্নায় পড়ার আশংকা করতেন।"
অন্য বর্ণনায়, আনাস থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসুলুল্লাহ (সা) নামাযরত অবস্থায় মায়ের সাথে আসা শিশুর কান্না শুনতে পেলে ছোটখাট সুরা দিয়ে নামায শেষ করে দিতেন।

টিকাঃ
৫৫. সহীহ আল-বুখারী হাদীস নং ৬৮৭
৫৬. সহীহ আল-মুসলিম, কিতাবুস সলাত হাদীস নং ৭৫৯

📘 রাসূল (সঃ) এর জীবনী হতে নেতৃত্ব প্রদান ও প্রভাবিত করার গুপ্ত রহস্যাবলি > 📄 জুময়ার নামাজের বীরপুরুষ

📄 জুময়ার নামাজের বীরপুরুষ


বুরাইদা আল আসলামী হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সা) জুময়ার খুতবা দিচ্ছিলেন, এমতাবস্থায় হাসান এবং হুসাইন, লাল রঙের পোশাক পরে হাটছিলেন এবং গড়াগড়ি খাচ্ছিলেন। রসূলুল্লাহ মিম্বার থেকে নেমে এসে তাদেরকে কোলে তুললেন। তিনি তার সামনে তাদেরকে রেখে বললেন, “আল্লাহ সত্য বলেন; তোমাদের ধন-সম্পদ এবং তোমাদের সন্তান-সন্ততি তোমাদের জন্য পরীক্ষা বই কিছুই নয়'। আমি এ বাচ্চা দুটিকে দেখলাম তারা হাটাহাটি করছে এবং গড়াগড়ি খাচ্ছে, আমার মন মানছিল না। তাই আমি তাদেরকে তুলে আনবার জন্য খুতবা বন্ধ করেছি।”

টিকাঃ
৫৭ আত্তাগাবুন ৬৪ : ১৫
৫৮. আস সহীহ লিল হীব্বান হাদীস নং ৬১৩৮ সুনান ইবনে মাজাহ-হাদীস নং ৫২৬

📘 রাসূল (সঃ) এর জীবনী হতে নেতৃত্ব প্রদান ও প্রভাবিত করার গুপ্ত রহস্যাবলি > 📄 হুসাইন প্রস্তাব করলেন

📄 হুসাইন প্রস্তাব করলেন


লুবাবা বিনতে হারিস থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, হুসাইন ইবন আলী (রা) নবী -এর কোলে প্রস্রাব করেন। তখন আমি বললাম- ইয়া রসূলুল্লাহ। আপনার কাপড়খানি আমাকে দিন এবং অপর একখানি কাপড় পরিধান করুন। তখন তিনি বললেন : শিশু বালকের পেশাবের ওপর পানি ছিটালেই হবে এবং কন্যা শিশুর পেশাব ধুয়ে ফেলতে হবে।
তাহলে কি হলো? ব্যাপারটা শেষ হলো এভাবে ... ব্যাপারটি একটি সুন্দর উক্তি এবং ফতোয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকল।

টিকাঃ
৫৯. সুনান আবু দাউদ হাদীস নং ৩৭৫

📘 রাসূল (সঃ) এর জীবনী হতে নেতৃত্ব প্রদান ও প্রভাবিত করার গুপ্ত রহস্যাবলি > 📄 দ্বিতীয় দিক : শিশুর স্বাতন্ত্র্যে বিশ্বাস রাখা

📄 দ্বিতীয় দিক : শিশুর স্বাতন্ত্র্যে বিশ্বাস রাখা


খেলাধুলা হচ্ছে শিশুর ব্যক্তিত্ব এবং মানসিকতা বেড়ে ওঠার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। তার ব্যক্তিগত মতামত, রসিকতা অবশ্যই প্রয়োজনীয়। বড় মানুষ মনে করে জীবন হচ্ছে সংকীর্ণ, কিন্তু একটা শিশুর কাছে এটা কখনোই সংকীর্ণ নয়। মানুষের বেশভুষা দেখে মনে হয় জীবন মানেই সমস্যা সেখানে শিশুদের বেশভূষা থেকেই বোঝা যায় সেখানে সমস্যার কোনো স্থান নেই। শুধু খেলাধুলা আর মজা করা। সে রেগে যায় আবার পরক্ষণেই তা ভুলে যায়, সে ঝগড়া করে আবার সেই মূহূর্তে মীমাংসা করে, সে দুঃখ পায় আবার মুহূর্তের মধ্যেই সুখী হয়ে ওঠে। তার চোখে জীবন একটা বড় খেলার মাঠ। দিকনির্দেশক এবং দয়াশীল নবী (সা) কোনো অভিব্যক্তিকে কঠিন মনে করতেন না। তাদের প্রতি আস্থা রাখতেন。

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00