📘 রাসূল (সঃ) এর জীবনী হতে নেতৃত্ব প্রদান ও প্রভাবিত করার গুপ্ত রহস্যাবলি > 📄 শেষ কথা

📄 শেষ কথা


যদি কোনো আলেম অথবা ফকিহ ব্যক্তি রসিকতা করাকে অনুমোদন না করেন, তাহলে আমাদের দেখতে হবে এ ব্যাপারে আমাদের সর্বোচ্চ নেতা নবী এবং তার সাহাবীগণের দৃষ্টিভঙ্গি কি ছিল। মতবিরোধ নিরসনের এটাই শ্রেষ্ঠ পন্থা। হাসি-ঠাট্টা, কৌতুক, রসবোধ এমন বিষয় যা আমাদের সর্বোচ্চ নেতা নবী -এর বিভিন্ন কথা এবং কাজের দ্বারা অনুমোদিত হয়েছে। রসূল তার কথা এবং কাজের দ্বারা এমন মানুষের জীবন উপস্থাপন করে গেছেন যিনি হাসতে ভালবাসতেন, কৌতুকে সাড়া দিতে ভালবাসতেন, আত্মাকে পরিশুদ্ধ করতে ভালবাসতেন, উত্তম চরিত্রবান হতে ভালবাসতেন, প্রশংসনীয় কাজ করতে ভালবাসতেন, সুন্দর অনুভূতির অধিকারি হতে ভালবাসতেন।
মানুষের প্রবল গাম্ভির্যের সাথে অল্প কিছু রসবোধ উপস্থিত থাকা খুবই উত্তম। বক্তৃতা করার সময় কিছু কৌতুক করা, কথা বলার সময় মাধুর্য্য আর প্রজ্ঞার সুষম বিন্যাস ঘটানো খুবই ভাল কাজ।

📘 রাসূল (সঃ) এর জীবনী হতে নেতৃত্ব প্রদান ও প্রভাবিত করার গুপ্ত রহস্যাবলি > 📄 খাবারের লবণ

📄 খাবারের লবণ


রসিকতা হচ্ছে, লবণের মত। একজন শিক্ষক, একজন শায়েখ, একজন বিজ্ঞ আলেম অথবা একজন সমাজ সংস্কারকের উচিত কৌতুককে পরিমিত পরিমাণে ব্যবহার করা যেমনটি খাদ্যে লবণ ব্যবহার করা হয়। খাবারে লবণের পরিমাণ হতে হয় একদম ঠিক ঠিক। লবণ কম হলে খাবারের স্বাদ পূর্ণ হবে না। আবার বেশী হয়ে গেলে তা সম্পূর্ণ খাবারকে নষ্ট করে ফেলবে।

📘 রাসূল (সঃ) এর জীবনী হতে নেতৃত্ব প্রদান ও প্রভাবিত করার গুপ্ত রহস্যাবলি > 📄 ষষ্ঠ অধ্যায়ের মূলকথা

📄 ষষ্ঠ অধ্যায়ের মূলকথা


নবী-এর যুগ ছিল গাম্ভির্যতার যুগ। তাদের যুগ ছিল কাজ, জিহাদ আর ধৈর্যের। এত কিছু সত্ত্বেও নবী এবং তাঁর সাহাবাগণ যথেষ্ট সুন্দর এবং মায়াবী মানসিকতার অধিকারী ছিলেন। যা থেকে বিকশিত হতো শালীন কৌতুক এবং নিয়ন্ত্রিত রসিকতা। যেগুলো শুরু হতো সত্য দিয়ে আর শেষ হতো উচ্ছাস আর ভালবাসা দিয়ে। এই জীবন ছিল সুন্দর জীবন, সুখী জীবন।

📘 রাসূল (সঃ) এর জীবনী হতে নেতৃত্ব প্রদান ও প্রভাবিত করার গুপ্ত রহস্যাবলি > 📄 ছয় নং মুক্তাদানা

📄 ছয় নং মুক্তাদানা


উসায়েদ ইবনে হুদায়ের থেকে বর্ণিত। মানুষের মাঝে বক্তৃতা করার সময় আনসারদের মধ্যে একজন এমন কিছু বললেন যা হাসির উদ্রেক করে। যেহেতু সে সবার সাথে ঠাট্টা করছিল নবী লাঠি দিয়ে তার পাঁজরে খোঁচা দিলেন। আনসার ব্যক্তিটি বললেন, “আমাকে প্রতিশোধ নিতে দিন”। রসূল বললেন, “ঠিক আছে, তুমি প্রতিশোধ নাও।” আনসার ব্যক্তিটি বললেন, “আপনি তো জামা পরে আছেন, কিন্তু আমার গায়ে জামা নেই।” নবী তাঁর জামা উঁচু করে ধরলেন এবং আনসার ব্যক্তিটি তাঁকে জড়িয়ে ধরে তাঁর পার্শ্বদেশে চুমু খাওয়া শুরু করলেন। তিনি বললেন, “আমি এটাই চেয়েছিলাম, ইয়া রসূলাল্লাহ।”

টিকাঃ
৩৮. সুনান আবু দাউদ হাদীস নং ৫২০৫, আল-মুসতাদরাক, হাদীস নং ৫২8২

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00