📘 রাসূল (সঃ) এর জীবনী হতে নেতৃত্ব প্রদান ও প্রভাবিত করার গুপ্ত রহস্যাবলি > 📄 দুঃখ-কষ্ট-দুর্বিপাকেও পরিবর্তন না হওয়া একজন

📄 দুঃখ-কষ্ট-দুর্বিপাকেও পরিবর্তন না হওয়া একজন


মহান নেতা নবী কঠিন দুঃখ-কষ্ট ও অসহনীয় ক্লেশ ও দুর্বিপাকের অধ্যায় পার হয়ে এসে অবশেষে ইন্তেকাল করেন। তবে তাতে তাঁর হাসি-খুশী ও প্রশান্ত চেহারায় কোনো পরিবর্তন ঘটেনি। এসব সমস্যা সংকটের কোনো লক্ষণ যা শোক-দুঃখের চিহ্ন তাঁর বিশুদ্ধ মুখমন্ডলের মধ্যে খুঁজে পাওয়া যেত না। সমৃদ্ধির সময় কি প্রতিকুল পরিস্থিতিতে, আনন্দময় কি নিরানন্দ ঘটনায়, মিম্বারে কি কুলুঈতে, শান্তিতে কি যুদ্ধে, মদিনায় কি সংক্ষিপ্ত যাত্রাকালে, রোগ ব্যধিতে কি নিজের জীবনের অন্তিমলগ্নে সব সময় ও সবখানে তার মুখে স্মিত হাসি লেগে থাকত।

📘 রাসূল (সঃ) এর জীবনী হতে নেতৃত্ব প্রদান ও প্রভাবিত করার গুপ্ত রহস্যাবলি > 📄 প্রত্যুষের হাসিই হলো মধুরতম হাসি

📄 প্রত্যুষের হাসিই হলো মধুরতম হাসি


প্রত্যুষেই একজন মানুষের প্রকৃত চেহারাটা ফুটে উঠে। যে কারণে তাঁর হৃদয়ের ভিতর কি চলে সে সময় তার এক বাস্তব ও নিখাঁদ ধারণার পরিচয় পাওয়া যায়। দিনের আলো ফুটে উঠার বা সূর্যোদয়ের আগে সেই হৃদয় যদি দীপ্তিমান হয় তাহলে তোমার প্রভুর নামে আমাকে বল অন্ধকার মুছে গেলে সুর্যোদয় হলে এবং আলোর আবির্ভাব ঘটলে সেই হৃদয় কেমন হবে?

📘 রাসূল (সঃ) এর জীবনী হতে নেতৃত্ব প্রদান ও প্রভাবিত করার গুপ্ত রহস্যাবলি > 📄 সেটা হলো আত্মার প্রত্যময় দীপ্তি

📄 সেটা হলো আত্মার প্রত্যময় দীপ্তি


সিমাক ইবনে হার্বের বরাতে বলা হয়েছে: "আমি যারীর ইবনে সামুরাহকে জিজ্ঞাসা করলাম: 'তুমি কি নবী -এর সন্নিধ্যে উপবেশন করেছিলে? সে বলল; "হ্যাঁ, প্রায়শই করেছি। তিনি একটা জায়গায় বসতেন। সেখানে তিনি সূর্যোদয় বা সূর্য উঠে যাওয়া অবধি ফজরের সালাত আদায় করতেন। অত:পর তিনি উঠে দাঁড়াতেন এবং তারা (সাহাবীরা) তাঁর সাথে না জানা বিভিন্ন বিষয় (সেই সময়কার) নিয়ে কথাবার্তা বলতেন। তারা (ওসব বিষয় নিয়ে) হাসাহাসি করতো এবং তিনি শুধু স্মিত হাসি দিতেন।”

টিকাঃ
১১. মুসলিমের সহীহ হাদীসে উল্লিখিত : মহানবী স্মিত হাসি ও তার সাহচর্য, ৪৪০৭ নং হাদিস।

📘 রাসূল (সঃ) এর জীবনী হতে নেতৃত্ব প্রদান ও প্রভাবিত করার গুপ্ত রহস্যাবলি > 📄 বৃদ্ধ ব্যক্তির স্মিত হাসি

📄 বৃদ্ধ ব্যক্তির স্মিত হাসি


কাব ইবনে মালিক তাবুক যুদ্ধে তাঁর অংশ গ্রহণ না করার কারণ প্রসঙ্গে বলেছেন- "যারা (তাবুক) যুদ্ধে অংশ নিতে পারেনি তারা মহানবী (সা)-এর কাছে এসে নানা ধরনের অজুহাত দিতো এবং তাঁর কাছে ওয়াদা করতে শুরু করেছিল। ওরা ছিল সংখ্যায় আশিজনের বেশি। রসূলে করীম তাদের দেয়া অজুহাতগুলো মেনে নিয়ে তাদের আনুগত্যের ওয়াদা গ্রহণ করেছিলেন এবং তাদের জন্য আল্লাহর ক্ষমা প্রার্থনা করেছিলেন এবং তাদের হৃদয়ের ভিতর যা কিনা লুকিয়ে আছে তা বিচার করার ভার আল্লাহর ওপর ছেড়ে দিয়েছিলেন। এরপর আমি তার কাছে এলাম। আমি তাকে সালাম জানালে তিনি একজন ক্রুদ্ধ ব্যক্তির স্মিত হাসি দিলেন তারপর বললেন, 'যাও যতক্ষণ পর্যন্ত না আল্লাহ তোমাদের বিষয়টির বিচার না করেন।'"

টিকাঃ
১২. আল বুখারীর আল-জামি সহীতে বর্ণিত ৪৪০৭ নং হাদীস।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00