📘 রাসূল (সঃ) এর জীবনী হতে নেতৃত্ব প্রদান ও প্রভাবিত করার গুপ্ত রহস্যাবলি > 📄 কিভাবে স্মিত হাসতে হয়

📄 কিভাবে স্মিত হাসতে হয়


ঠোঁটদ্বয় সরিয়ে সামনের দাঁতগুলি বিকীর্ণ করুন; চক্ষুদ্বয় আনন্দে ভরিয়ে তুলুন এবং আত্মাকে মুখ ও খুশীতে সিক্ত করুন।

📘 রাসূল (সঃ) এর জীবনী হতে নেতৃত্ব প্রদান ও প্রভাবিত করার গুপ্ত রহস্যাবলি > 📄 একটি হাসি এবং একটি এবং একটি হাসি!

📄 একটি হাসি এবং একটি এবং একটি হাসি!


আব্দুল্লাহ ইবনে আল হারিস ইবনে যুয বলেছেন। স্মিত হাসি বজায় রাখার ব্যাপারে নবী -এর চেয়ে ভাল আমি আর কখনও কাউকে দেখিনি।” আব্দুল্লাহ দীর্ঘদিন বেঁচে ছিলেন। বহুলোকের সাথে তাঁর দেখা সাক্ষাৎ হয়েছিল যাদের মুখে সবসময় স্মিত হাসি লেগে থাকত। তাদের মধ্যে রসূলে করীম ছিলেন সর্বোত্তম। আমরা কি সে. শিক্ষাটি লাভ করেছি।

📘 রাসূল (সঃ) এর জীবনী হতে নেতৃত্ব প্রদান ও প্রভাবিত করার গুপ্ত রহস্যাবলি > 📄 নেতার হাসি

📄 নেতার হাসি


ঠোঁটদ্বয় নাড়ানো ও ঝকঝকে দাঁতের প্রকাশ একজন বিজ্ঞ ব্যক্তির ধৈর্য এবং মহানুভব ব্যক্তির নম্রতার মধ্যে লক্ষ্য করা যাবে। স্মিত হাসি এমন বৈশিষ্ট্যপূর্ণ যা সেই ব্যক্তিকে স্বর্গে নিয়ে যায়। আব্দুল্লাহ ইবনে আল হারিস বলেছেন, "মহানবী-এর হাসিটা ছিল শুধুমাত্র স্মিত হাসি।"

টিকাঃ
৭. তিরমিযী কর্তৃক তাঁর সুনান গ্রন্থে বর্ণিত মহানবী উৎফুল্লতা বিষয়ক অধ্যায়। হাদীস নং ৩৭১০।

📘 রাসূল (সঃ) এর জীবনী হতে নেতৃত্ব প্রদান ও প্রভাবিত করার গুপ্ত রহস্যাবলি > 📄 হাসি ও স্মিত হাসি

📄 হাসি ও স্মিত হাসি


রাধিআল্লাহু আনহা আয়েশা বলেনেছন “রসূলে করীম ছিলেন মানুষের মধ্যে সবচেয়ে সুহৃদয় ব্যক্তি। তিনি ছিলেন আপনাদের যে কোনো জনের মতোই একজন মানুষ। শুধু তফাৎ হলো তিনি সর্বদাই হাসিমুখে থাকতেন।”

নিজের চেহারাকে উৎফুল্ল রেখে পরহিতকারিতা
আবু যার আল-গিফার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বরাতে বলা হয়েছে, “রসূলে করীম (সা) বলেছেন, তোমার ভাইয়ের মুখে হাসি ফুটানোই হলো পরহিতকারিতা। শুভকে আদেশ করা ও অশুভকে নিষেধ করাই পরহিতকারিতা; স্বল্প দৃষ্টির মানুষকে দেখতে সাহায্য করাই পরহিতকারিতা; লোকের পায়ে আঘাত লাগতে পারে এমন কোনো পাথর, কাঁটা বা হাঁড় পথ থেকে সরিয়ে ফেলাই পরহিতকারিতা এবং নিজের বালতি ভরা পানি তোমার ভাইয়ের শূন্য বালতিতে ঢেলে খালি করে ফেলাই পরহিতকারিতা।”

উৎফুল্ল চেহারা
আবু হুরায়রা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু উল্লেখ করেছেন, রসূলে করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “তোমার ধন-দৌলত দিয়ে মানুষের হৃদয়ে জয় করতে পারবে না, তবে নিজের উৎফুল্ল চেহারা ও সর্বোৎকৃষ্ট আচার-আচরণ দিয়ে জয় করতে পারবে।”

টিকাঃ
৮. ইবনে আবি আল দুনইয়া আল-আখলাক দ্রষ্টব্য। বদান্যতা ও দুস্থদের দান খয়রাত বিষয়ক অধ্যায়। হাদীস নং ৩৮৯।
৯. ইবনে হিব্বান কর্তৃক তাঁর সহীহ হাদীসে বর্ণিত হাদীস নং ৫৩০। আল-তিরমিযী তাঁর সুনান গ্রন্থেও এর উল্লেখ করেছেন। সৎকর্ম করার সাথে কোনো সম্পর্কিত অধ্যায় হাদীস নং ১৯৪৯।
১০. আল-বাইহাকীর সুরার আল-ইমাম গ্রন্থে উল্লিখিত। মুসলমানদের দেখা সাক্ষাতের সময় উৎফুল্লতা প্রদর্শন বিষয়ক অধ্যায় ৭৮০৩ নং হাদীস।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00