📄 পরোক্ষভাবে শোনা
যে ব্যক্তি রসূল করিম -এর জীবনী সতর্কতার সাথে পড়বে সে দেখতে পাবে যে, তিনি প্রত্যেকটি কথা মনোযোগ দিয়ে শুনতেন এবং তার সর্বोत्কৃষ্ট অর্থ বের করতেন। অর্থ বের করে অন্যান্যদেরকে সেভাবে নির্দেশ, শিক্ষা এবং তাদের ওপর প্রভাব বিস্তার করতেন। যে ব্যক্তিটি তার উদ্দেশ্যে কথা বলছে তাকে শ্রবণ করাটা শুধু প্রশ্ন অথবা অনুরোধ আকারে তার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। মানুষেরা কে কি করছে অথবা তারা কি বলছে সে দিকেও তার মনোযোগ থাকে।
নবী এর জীবনীতে তুমি এটা কতবার তাকে বলতে শুনেছ যে, তিনি বলেছে, অমুক অমুক! পৃথিবীর জীবন এবং পরকালের জীবন সম্পর্কে তাদের সালাত, তেলাওয়াত, সাজদা এবং তাদের সাধারণ বক্তব্য তিনি শুনেছেন。
📄 তেলাওয়াতকারী নবী ﷺ-কে স্মরণ করছিলেন
আয়েশা -এর বিবরণীতে জানা যায়, আল্লাহর রসূল একদিন রাতে একজন মানুষকে কুরআন তেলাওয়াত করতে শুনতে পেলেন এবং সে মানুষটার জন্য আয়েশা দোয়া করলেন যাতে আল্লাহর দয়া তার ওপর বর্ষিত হয়।
টিকাঃ
১০. সহীহ আল বুখারী কর্তৃক বর্ণিত: The Book of Virtues of the Quran, Chapter: The one who does not find fault to say...; Chapter of the Cow No 4768
📄 আল্লাহর সর্বমহান নাম
বুরাইদাহ ইবনে হুসাইব আল-আসলামী কর্তৃক বর্ণিত। আল্লাহর নবী শুনতে পেলেন যে একজন লোক আল্লাহর কাছে তার মিনতি পূর্ণ দোয়ায় বলছেন, হে আল্লাহ আমি সাক্ষী দিয়ে বলছি যে, তুমিই আল্লাহ এবং তুমি ছাড়া অন্য কোনো উপাস্য নেই। আপনি এক যার কাছে চিরন্তনভাবে সকলে মিনতি করবে, যে কাউকে জন্মদান করে না, নিজেও জন্মলাভ করেনি। এমন কেউ নেই যা তার সাথে তুলনা করা যাবে। রসূল করিম (সা) আরোও বললেন, যার হাতে আমার আত্মা তার নামে শপথ করে বলতে চাই, আল্লাহর কাছে যখনই তার মহান নাম ধরে সাহায্য করার জন্য মিনতি করা হয় তখনই উত্তর দেন এবং যখন তার কাছ থেকে কিছু চাওয়া হয় তিনি সেটা দেন।
টিকাঃ
১১. তিরমিযী কর্তৃক তার সুনান নং ৩৪৭৫ এ বর্ণিত এবং তিনি বলেছেন এটা হাসান গরীব হাদীস। আল আলবানী হাদিসটিকে বিশ্বাসযোগ্য বলে দাবি করেছেন।
📄 তাদের দোয়া রসূলে করীম ﷺ শুনলেন
মুয়াজ ইবনে জাবাল -এর সূত্রে বলা হয়েছে নবী করীম শুনতে পেলেন একজন মানুষ আল্লাহর কাছে দোয়া করে বলছেন, হে আল্লাহ আমি চাই যে তোমার অনুগ্রহটা পরিপূর্ণ কর। তিনি বললেন, অনুগ্রহের পরিপূর্ণতার অর্থ কি? ঐ মানুষটা উত্তরে বললেন, যেটা আল্লাহর কাছে এমন একটি দোয়া যার মাধ্যমে আমি মঙ্গল কামনা করেছি। নবী করিম বললেন, এই অনুগ্রহের পূর্ণতার অংশ হলো বেহেস্ত প্রবেশের অনুমতি এবং দোযখের আগুন থেকে মুক্তি। নবী একজনকে বলতে শুনলেন, হে আল্লাহ! যিনি মহিমাময়তা, দানশীলতা এবং সম্মানে পরিপূর্ণ। নবী বললেন, তোমার অনুরোধ মঞ্জুর হয়েছে। সুতরাং তুমি যে কোনো কিছু চেতে পার।
রসূল একজনকে আল্লাহর কাছে দোয়া করতে শুনলেন, হে আল্লাহ! আমাকে ধৈর্য দান করুন। তিনি লোকটিকে বললেন, তুমি একটি মানসিক যন্ত্রনার জন্য আল্লাহর কাছে আবেদন করেছ। সুতরাং এখন তুমি এ শাস্তির বিরুদ্ধে শক্তির জন্য আবেদন কর।
টিকাঃ
১২. সুনানে আল-তিরমিযী কর্তৃক বর্ণিত: The book of supplications no 3527 তার মতামুযাদা এটা হাসান হাদীস নং ১৫
১৩. আল তাবরানী কর্তৃক আল-মুযাম আল-আওসাততে বর্ণিত হাদীস নং ৩৪৯১