📄 প্রথম মুক্তাদানা
আবু রেফায়া বর্ণনা করেন: আমি নবী করীম-এর নিকট এমন সময় আসলাম যখন তিনি হিতোপদেশ দিচ্ছিলেন। আমি বললাম: হে আল্লাহর রসূল! একজন ব্যক্তি যিনি দ্বীন সম্পর্কে কিছু জানে না তিনি দ্বীন সম্পর্কে জানতে চায়। আল্লাহর রসূল আমার দিকে তাকালেন। তিনি তাঁর বক্তব্য বন্ধ করে আমার কাছে আসলেন। তাকে একটি আসন দেয়া হলো মনে হলো তার পায়া লোহার। আল্লাহর রসূল তাঁর ওপর বসলেন ও আল্লাহ প্রদত্ত শিক্ষা আমাকে শিখাতে লাগলেন। এরপর তিনি (মেম্বারে) ফিরে গেলেন তার বক্তব্য প্রদানের জন্যও তা যথাযথ সম্পন্ন করলেন।
স্মরণীয়
একজন মহান ও সফল নেতা হওয়ার জন্য আপনাকে অবশ্য সকলের প্রতি মনোযোগী হতে হবে। তাদের যথাযথ মূল্যায়ন করে, তাদের কর্মের প্রশংসা বা বিনিময় নিশ্চিত করতে হবে। সকল সত্তার স্রষ্টা, করুণাময় মহান আল্লাহ বলেন-
وَ إِذَا جَاءَكَ الَّذِينَ يُؤْمِنُوْنَ بِايْتِنَا فَقُلْ سَلَمٌ عَلَيْكُمْ كَتَبَ رَبُّكُمْ عَلَى نَفْسِهِ الرَّحْمَةَ أَنَّهُ مَنْ عَمِلَ مِنْكُمْ سُوءًا بِجَهَالَةٍ ثُمَّ تَابَ مِنْ بَعْدِهِ وَ أَصْلَحَ فَأَنَّهُ غَفُورٌ رَّحِيمٌ.
অর্থ: আমার আয়াতসমূহের ওপর যারা ঈমান এনেছে তারা যখন আপনার নিকট আসবে তাদের বলুন: আপনাদের ওপর সালাম। তোমাদের রব নিজ থেকে রহমত নির্ধারণ করেছেন এ বিষয়ে যে, তোমাদের কেহ অসাবধানতাবশতঃ কোনো খারাপ কাজ করে ফেলল তারপর তওবা করে ও ভাল কাজ করে তাহলে তিনি (আল্লাহ) ক্ষমাশীল ও করুণাময়।
যারা আমার আয়াতসমূহের ওপর ঈমান রাখে তারা যখন আপনার নিকট আসে তারা ঐ সকল ব্যক্তি যাদেরকে আল্লাহ ক্ষমা করেছেন তাদেরকে আপনি বলুন; তোমাদের ওপর শান্তি বর্ষিত হোক। এটা এ জন্য যে, তাদের হৃদয় সুবিন্যস্ত হবে ও তাদেরকে মূল্যায়ন করা হবে।
এ আয়াতের দিকে লক্ষ্য করে নবী করীম তাদের (সাহাবীদের) সাথে দেখা হলে তিনিই প্রথম সালাম দিতেন।
টিকাঃ
২০. সহীহ মুসলিম-হাদীস নং ১৫০৬
২১. আল-আনয়াম- ৬: ৫৪
২২. জুবদাতুত্তাফসীর মিম ফাতহুল কাদীর পৃ: ১৭৯