📄 ওমরা [আমৃত্যু মালিকানা]
হযরত জাবির ইবনু আবদুল্লাহ্ (রা) থেকে মুয়াত্তায় বর্ণিত হয়েছে- রাসূলুল্লাহ্ [সা] বলেছেন, 'যদি কোনো ব্যক্তি অথবা তার কোনো সন্তানের জন্য কেউ কিছু তার জীবনকাল পর্যন্ত ভোগ করার জন্য দান করে, তবে আর তা কখনো ঐ ব্যক্তি ফেরত নিতে পারবে না। যাকে দান করা হলো এ বস্তুর মালিক সে এবং তার মৃত্যুর পর তার সন্তানগণ ওয়ারিশ হবে।' মুসলিম শরীফে হাদীসটি বর্ণিত হয়েছে। তবে সেখানে [!] [কখনো শব্দটি নেই। সহীহ্ সূত্রে লাইস, ইবনু সাহল, আবু সালমা ও জাবির ইবনু আব্দুল্লা [রা] পর্যায়ক্রমে বর্ণনা করেছেন। জাবির [রা] বলেন, 'আমি রাসূলুল্লাহ্ [সা] কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি কোনো ব্যক্তি বা তার সন্তানকে আজীবন ব্যবহারের জন্য কিছু দান করলো সে ঐ বস্তুর ওপর থেকে নিজের কর্তৃত্বকে কর্তন করে ফেললো। তা [দানকৃত বস্তু] ঐ ব্যক্তি ও তার সন্তানের জন্য হয়ে গেলো।'
ইমাম আবু হানিফা [রহ], শাফিঈ [রহ], সুফিয়ান সাওরী [রহ] ও ইমাম আহমদ ইবনু হাম্বল প্রমূখের মতও তাই। তাদের বক্তব্য হচ্ছে ওমরা [জীবন ব্যাপী ভোগের অনুমতি) হিবার মতো। কিন্তু ইমাম মালিক কিছুটা ভিন্ন মত পোষণ করেছেন। তার মতে কোনো এক পর্যায়ে গিয়ে যদি দান গ্রহণকারী ব্যক্তির বংশধারা শেষ হয়ে যায়, তবে ঐ দানকৃত বস্তু দাতার বংশধরের নিকট ফেরত আসবে।
📄 সন্ধান এড়াতে অদৃশ্য অবয়ব সম্পর্কে
মুয়াত্তা, বুখারী ও মুসলিমে হযরত আয়িশা (রা) থেকে বর্ণিত। উতবা ইবনু আবু ওয়াক্কাস তার ভাই সা'দ ইবনু আবু ওয়াক্কাসকে ওসিয়ত করেছিলো, জামাআ'র দাসীর পুত্র আমার ঔরশজাত। কাজেই তুমি তাকে এনে তোমার কাছে রাখবে। যখন মক্কা বিজয় হলো' তখন সা'দ তাকে ধরে আনলেন এবং বললেন, 'তুমি আমার ভাতিজা।' এদিকে আবদ ইবনে জামআ' বলতে লাগলেন, 'সে তো আমার ভাই। কেননা সে আমার পিতার দাসীর গর্ভজাত সন্তান।' উভয়ে রাসূলুল্লাহ্ [সা] এর কাছে মোকদ্দমা দায়ের করলো। রাসূলুল্লাহ্ [সা] বললেন, 'বিছানা যার সন্তান তার। ব্যভিচারীর জন্য পাথর।' তারপর উম্মুল মু'মিনীন হযরত সাওদা বিনতে জামাআ' কে বলে দিলেন, 'তুমি তার থেকে পর্দা করবে। কেননা আমি তাকে উতবা ইবনু আবু ওয়াক্কাসের সাথে সাদৃশ্য দেখতে পাচ্ছি।' এরপর থেকে হযরত সাওদা [রা] আমরন তার সাথে দেখা দেননি।
এ হাদীস থেকে একটি মাসয়ালা জানা যায়, কাফিরদের ওসিয়তের ওপর আমল করা যাবে। কেননা উতবা ওসিয়ত করে কাফির অবস্থায় মারা যায়। আর সে উহুদের যুদ্ধে নবী করীম [সা] এর দান্দান মুবারক শহীদ করে। পরে রাসূল [সা] এর বদ দু'আয় ঐ বৎসরের শেষ দিকেই সে মৃত্যু বরণ করে। দ্বিতীয় আরেকটি মাসায়ালা জানা যায়, ভাই দাবী করায় বিতর্কের অবকাশ আছে কিন্তু সন্তান দাবী করায় বিতর্কের অবকাশ নেই।
📄 কিতাবী যারায়ি'
নবী করীম [সা] হযরত সাওদা [রা] কে যে নিষেধ করেছিলেন তা ছিলো 'কিতঈ যারায়ি।' কিতঈ যারাঈ' বলা হয় কোনো মুবাহ কাজ বা বস্তু থেকে নিজেকে হিফাজত করা। অথবা কোনো মুবাহ জিনিস থেকে বিরত থাকার নির্দেশ। যেমন, আল কুরআনে মহিলাদেরকে নরমভাবে চলাচলের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আবার راعنا ]আমাদের দিকে লক্ষ্য করুন। না বলার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
শুধু সন্দেহের কারণে নবী করীম [সা] সাওদা [রা] কে ইবনু জামআ' এর সাথে দেখা না করার জন্য নির্দেশ দিয়েছিলেন। আর এ নির্দেশ ছিলো মূলত, দুটো পর্যায়ের একটি জাহেরী [প্রকাশ্য] অন্যটি বাতেনী [অপ্রকাশ্য]।
ইমাম শাফিঈ [রহ] এ ঘটনা থেকে একটি মাসয়ালা বের করেছেন। মাসয়ালাটি হচ্ছে স্বামী চাইলে স্ত্রীকে তার ভাইয়ের সাথে দেখা করতে নিষেধ করতে পারেন।
নবী করীম [সা] সাওদা [রা] কে তার বৈমাত্রেয় ভাইদের সাথে দেখা দিতে নিষেধ করেছিলেন। আবার তিনি ইবনুল মুকাইয়িস এর ভাই আফলাহ্ এর ব্যাপারে আয়িশা [রা] কে বলেছিলেন- 'সে তোমার চাচা, তোমার সাথে দেখা করতে পারে।'
বুখারী শরীফে আছে- রাসূল [সা] বলেছেন, 'যে জিনিস তোমাকে সন্দেহে নিপতিত করে তা পরিহার করো এবং যা সন্দেহে ফেলে না তা করো।'
রাসূলের বাণী- 'ব্যভিচারীর জন্য পাথর' এর তাৎপর্য হচ্ছে- ব্যভিচারীর সাথে সন্তানকে সম্পর্কচ্ছেদ করা। সন্তানের ওপর তার কোনো অধিকার নেই। এমনকি তার সাথে সংশ্লিষ্ট করে সন্তানকে ডাকা ও যাবে না। যেমন আরবরা বলে থাকে- 'তোমার মুখে পাথর।' অর্থাৎ তোমার জন্য কিছুই নেই। বর্ণনাকারী বলেন- ব্যভিচারীর জন্য পাথর বলতে তাকে পাথর নিক্ষেপে হত্যার কথা বলা হয়েছে।
📄 ক্রীতদাস মুক্তি
মুসান্নাফ আবদুর রাজ্জাকে হযরত আলী ইবনু আবী তালিব [রা] থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী করীম [সা] কে ওসিয়ত বাস্তবায়নের আগে ঋণ আদায় করতে দেখেছি। মুয়াত্তা ও অন্যান্য গ্রন্থে হাসান ও মুহাম্মদ ইবনু সিরীন [রহ] হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ্ [সা] লটারী করে দু'জন ক্রীতদাস [অর্থাৎ এক তৃতীয়াংশ] মুক্ত করে দেন। ইমাম মালিক [রহ] বলেছেন, আমার মনে হয় তার নিকট ছয়জন ক্রীতদাস ছাড়া আর কিছু ছিলো না। মুসান্নাফ আবদুর রাজ্জাকে আছে- রাসূলূল্লাহ্ [সা] তার ওপর নারাজ ছিলেন। তাই তিনি মন্তব্য করেছিলেন, যদি সম্ভব হতো তবে আমি তাকে মুসলমানের কবরস্থানে দাফন করতাম না।
অতঃপর তিনি লটারী করে দু'জন ক্রীতদাস মুক্ত করে দিলেন। অন্য হাদীসে আছে- এক আনসার মহিলা ছ'জন ক্রীতদাস মুক্ত করে গিয়েছিলো। রাসূল [সা] ছ'টি তীর চাইলেন এবং তা দিয়ে লটারীর মাধ্যমে দু'জনকে মুক্ত করে দিলেন। অন্য গ্রন্থে আছে, রাসূলুল্লাহ্ তা তিন ভাগ করে দু'জনকে মুক্ত করলেন এবং অবশিষ্ট চারজনকে দাস হিসেবে রেখে দিলেন। ইসমাঈল [রহ] বলেছেন, রাসূলুল্লাহ্ তাদের মূল্য নির্ধারণ করেছিলেন। সুলাইমান ইবনু মূসা [রহ] বলেছেন, এ ধরনের কোনো কথা আমার পৌঁছেনি যে, তিনি তাঁদের মূল্য নির্ধারণ করেছিলেন। এখন সুলাইমানের কথা যদি ঠিক মনে করা হয়, তবে বুঝা যাবে ঐ ক্রীতদাসদের মূল্য সমান ছিলো। নইলে মূল্য নির্ধারণ করা অপরিহার্য ছিলো।
ওপরের আলোচনা হতে নিম্নোক্ত মাসয়ালাগুলো জানা যায়-
১. ওসিয়ত সর্বোচ্চ এক তৃতীয়াংশের করা যাবে।
২. এক তৃতীয়াংশের বেশী ওসিয়ত করলে, অতিরিক্ত অংশ বাতিল বলে গণ্য হবে।
৩. ঋণের ব্যাপারে যদি কেউ ক্রীতদাস মুক্তির সিদ্ধান্ত দেয় তবে তা ওসিয়তের মতোই কার্যকরী হবে।
মুসন্নাফ আবদুর রাজ্জাকে ইকরামা থেকে বর্ণিত হয়েছে- রাসূলুল্লাহ্ [সা] বলেছেন, 'ওয়ারিশদের জন্য ওসিয়ত করা যাবে না। আর স্ত্রীলোকদের জন্যও তাদের স্বামীর অনুমতি ছাড়া কোনো কিছু গ্রহণ করা বৈধ নয়।' অন্য হাদীসে আছে, নবী করীম [সা] এক ব্যক্তির মুদাব্বার ক্রীতদাস বিক্রি করে দিয়েছিলেন। মুসলিমের অন্য বর্ণনায় আছে, ঐ ক্রীতদাসকে মুদাব্বার বানিয়েছিলেন। কিন্তু ক্রীতদাসটিকে ৮০০শ' দিরহামে বিক্রি করে তার মূল্য তাকে দিয়েছিলেন এবং বলেছিলেন, 'এটা দিয়ে তুমি ঋণ আদায় করবে এবং পরিবার পরিজনের জন্য ব্যয় করবে।'
ইমাম মালিক [রহ] বলেছেন, পূর্বের হাদীসটি অধিকতর সহীহ। যে হাদীসে বলা হয়েছে, নবী করীম [সা] ঐ ব্যক্তির মৃত্যুর পর মুদাব্বির গোলাম বিক্রি করে দিয়েছিলেন।
ইবনু আবী যায়িদ বলেছেন, জাবির [রা] কর্তৃক বর্ণিত হাদীস থেকে বুঝা যায়, নবী করীম [সা] ঋণ পরিশোধের জন্য গোলাম বিক্রি করেছিলেন। এতে প্রমাণিত হয়, নবী করীম [সা] ক্রীতদাসকে অনর্থক বিক্রি করেননি। এঘটনা থেকে একটি জরুরী নির্দেশ জানা গেল। জাবির বর্ণিত হাদীসে বলা হয়েছে- গোলাম ছাড়া আর কোন সম্পদ সে রেখে মারা যায়নি। তাই নবী করীম [সা] বললেন- 'একে কে কিনে নেবে?' জাবির [রা] কর্তৃক বর্ণিত হাদীস সম্পর্কে মতভেদ আছে। কোথাও বলা হয়েছে তাকে মুক্ত করে দেয়া হয়েছিলো আবার কোথাও বলা হয়েছে তাকে 'মুদাব্বার' ঘোষণা করা হয়েছিলো।
ইবনু আবী যায়িদ এর মুখতাসারে আবু সাঈদ খুদরী [রা] থেকে বর্ণনা করা হয়েছে- যখন আওতাসের যুদ্ধে বাঁদী হস্তগত হলো তখন লোকজন বললেন- হে আল্লাহর রাসূল! আপনি আযল সম্পর্কে কি বলেন? আমরাতো তাদের মূল্যকে পছন্দ করি। তখন নবী করীম [সা] তা করা হারাম ঘোষণা করলেন না। 'আমরা তাদের মূল্যকে পছন্দ করি' বাক্য দ্বারা বুঝাতে চেয়েছেন- দাসীর গর্ভে সন্তান হলে তাকে আর বিক্রি করা যায় না, তাই তারা সন্তান যাতে না হয় সে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে আগ্রহী ছিলেন।
নবী করীম [সা] উম্মে ইব্রাহীম সম্পর্কে বলেছেন, 'ইব্রাহীম জন্ম গ্রহণ করে তার মাকে মুক্ত করে দিয়েছে।' সাঈদ ইবনু মুসাইয়্যিব [রা] থেকে বর্ণিত অন্য হাদীসে বলা হয়েছে, যে দাসীর গর্ভে তার মনিবের সন্তান জন্ম গ্রহণ করবে তাকে [অর্থাৎ ঐ দাসীকে মুক্ত করে দেয়ার জন্য রাসূলূল্লাহ্ [সা] নির্দেশ দিয়েছেন।' তিনি আরো বলেছেন, 'তাকে ওসিয়তের মধ্যে শামিল করা যাবে না এবং ঋণ আদায়ের মাধ্যমও বানানো যাবে না।'
ইমাম মুসলিম বলেন, আমি সাঈদ ইবনু মুসাইয়্যিবকে জিজ্ঞেস করেছি, মনিবের সন্তান প্রসবকারী সম্পর্কে হযরত ওমর [রা] এর অভিমত কী? তিনি জবাবে বললেন- হযরত ওমর [রা] তাকে মুক্ত করে দেবার বিধান দেননি, মুক্ত করে দেবার বিধানতো স্বয়ং নবী করীম [সা] দিয়েছেন। না তার এক তৃতীয়াংশ ওসিয়ত করা যাবে আর না তাকে ঋণের দায়ে বিক্রি করা যাবে। কিতাবুর রিজালে সাঈদ ইবনু আবদুল আজীজ থেকে বর্ণিত আছে- মারিয়া [উম্মে ইব্রাহিম] মুক্ত হওয়ার পর তিন মাস ইদ্দত পালন করেন এবং হিজরী ১৬ সনে তিনি ইন্তিকাল করেন।
হাদীসে বর্ণিত আছে, বারীরাহ্ [নাম্মী এক দাসী] হযরত আয়িশা [রা] এর কাছে এসে সাহায্য চায়। বুখারীর অন্য বর্ণনায় আছে- সাহায্য চাইতে আসে, তার জিম্মায় পাঁচ আউকিয়া ছিলো এবং তা পরিশোধের মেয়াদ ছিলো পাঁচ বৎসর। এরপর হাদীসের বাকী অংশ। এটি আয়িশা [রা] থেকে উরওয়া বর্ণনা করেছেন। আর হযরত আয়িশা [রা] থেকে হযরত ওমর [রা] কর্তৃক বর্ণিত হাদীস বুখারী ও মুয়াত্তায় আছে। সেখানে বলা হয়েছে, হযরত আয়িশা [রা] বললেন, আমি যদি তোমাকে মুক্ত করে দেই তবে তোমার অভিভাবকত্ব ]ولاء[ আমার হবে। একথা কি তোমার মনিব মেনে নেবে?
বারীরাহ্ তার মনিবের কাছে গিয়ে একথা বললো, মনিব মেনে নিতে অস্বীকার করে। রাসূল [সা] শুনে হযরত আয়িশা [রা] কে বললেন- 'তুমি কেন শর্ত করতে যাও? যে তাকে ক্রয় করে মুক্ত করে দেবে সেই তার অভিভাবকত্ব ]ولاء[ লাভ করবে।' আয়িশা [রা] নবী করীম [সা] এর পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করলেন। তারপর রাসূলূল্লাহ্ [সা] মিম্বরে দাঁড়িয়ে হামদ ও সানা পড়ার পর বললেন, ' লোকদের কি হয়েছে যে, তারা এরূপ শর্তারোপ করে যা কুরআন নেই। যা কুরআনে নেই তা বাতিল। যদি একশ'টি শর্তও দেয়া হয় তবু আল্লাহর কালাম তার চেয়ে সত্য ও উত্তম। আল্লাহর শর্ত হচ্ছে স্পষ্ট সার্বজনীন। কাজেই ওয়ারিশ হবে সে, যে ক্রয় করে তাকে মুক্ত করে দেবে।'
কিতাবে ইবনু শো'বানে বর্ণিত আছে, ইসলামের প্রথম মুকাতাব গোলাম হচ্ছে হযরত সালমান আল ফারেসী [রা]। তাঁর মনিব তাঁকে একশ'টি খেজুর গাছের চারা লাগানোকে মুক্তির শর্ত নির্ধারণ করেছিলো। যা তিনি এক নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে লাগিয়েছিলেন। রাসূলুল্লাহ্ [সা] তাঁকে বলেছিলেন- 'যখন তুমি খেজুর গাছের চারা লাগাবে তখন আমাকে খবর দেবে।' তিনি তাঁর জন্য দু'আ করেছিলেন ফলে একটি চারাও শুকিয়ে যায়নি অথবা মরে যায়নি।
অবশ্য এ ব্যাপারে আরো একটি কথা আছে, ইসলামের প্রথম মুকাতাব হচ্ছে 'আবু মুয়েল' নামক এক ব্যক্তি। আল্লাহর রাসূল [সা] তার ব্যাপারে সকলকে বললেন- 'তাকে মুক্তির জন্য সাহায্য করো।' তখন উপস্থিত সবাই তাকে সাহায্য করলো। সে তা দিয়ে মুক্তিপণ আদায় করলো। তারপর কিছু অর্থ বেঁচে গেলো। তখন নবী করীম [সা] বললেন- 'সে গুলো আল্লাহর পথে খরচ করে দাও।'
টিকাঃ
২. যে ক্রীতদাসকে তার মনিব বলে আমার মৃত্যুর পর তুমি মুক্ত হয়ে যাবে। ঐ ক্রীতদাসকে 'মুদাব্বার' বলা হয়। এ ধরনের ক্রীতদাসীকে বলা হয় 'মুদাব্বারা' আর মনিবকে বলা হয় মুদাব্বির।-অনুবাদক।
৩. মুকাতাব গোলাম বলা হয়-যার মনিব গোলামকে তার মুক্তিপণ নির্দিষ্ট করে দেয় এবং বলে এতোদিনের মধ্যে এই পরিমাণ পণ পরিশোধ করতে পারলে তুমি মুক্ত।-অনুবাদক