📘 রাসূলুল্লাহ সাঃ এর বিচারালয় > 📄 মক্কা বিজয়ের দিন নিরাপত্তা প্রদান সম্পর্কে

📄 মক্কা বিজয়ের দিন নিরাপত্তা প্রদান সম্পর্কে


মুয়াত্তা, বুখারী, মুসলিম ও নাসাঈতে বর্ণিত হয়েছে- মক্কা বিজয়ের দিন নবী করীম [সা] যখন পবিত্র মক্কা শরীফে প্রবেশ করেন তখন তাঁর মাথায় শিরস্ত্রাণ ছিলো। মক্কায় প্রবেশ করে শিরস্ত্রাণ খুলে ফেলার পর এক লোক এসে বললো, ইয়া রাসুলাল্লাহ্। ইবনু খাতাল বাইতুল্লাহ্ গেলাফের আড়ালে আত্মগোপন করে রয়েছে। তিনি বললেন, "তাকে হত্যা করো।"
ইবনু শিহাব হতে ইবনু মালিকের বর্ণনাও অনুরূপ।
বুখারী ও মুসলিমে আরো বলা হয়েছে- তিনি সেদিন এক উটনীর ওপর সওয়ার ছিলেন এবং তাঁর পেছনে উসামা ইবনু যায়িদ বসা ছিলেন। তিনি উচ্চস্বরে ঘোষণা করলেন, আহতদের হত্যা করা যাবে না। পলায়নরত কোনো ব্যক্তির পশ্চাৎ ধাবন করা যাবে না, বন্দীদের হত্যা করা যাবে না। যে নিজের ঘরের দরজা বন্ধ করে ঘরে অবস্থান করবে সে নিরাপদ।
নাসাঈ ও অন্যান্য গ্রন্থে বর্ণিত আছে, রাসূল [সা] বললেন, 'যে কা'বা ঘরে প্রবেশ করবে সে নিরাপদ, আর যে নিজের ঘরের দরজা বন্ধ করে অবস্থান করবে সেও নিরাপদ এবং যে অস্ত্র সমর্পণ করবে সেও নিরাপদ, যারা আবু সুফিয়ানের ঘরে আশ্রয় নেবে তারাও নিরাপদ।' এভাবে তিনি সব লোককে নিরাপত্তা প্রদান করলেন। শুধুমাত্র চারজন পুরুষ ও দুজন স্ত্রীলোক ছাড়া। ইবনু হাবীব বলেছেন, ছয়জন পুরুষ ও চারজন স্ত্রী। কারণ তাদের বিরুদ্ধে মৃত্যুদন্ড ঘোষনা করা হয়েছিলো। যদিও তারা কাবা ঘরের গেলাফ ধরে ঝুলে থাকে। নাসাঈ ও অন্যান্য গ্রন্থের বর্ণনা অনুযায়ী আবদুল্লাহ্ ইবনু খাতাল, ইকরামা ইবনু আবু জাহেল, মুকাইশ ইবনু ছাবাবা এবং আবদুল্লাহ্ ইবন সা'দ ইবনু আবু সুরাহ এর মৃতদন্ড ঘোষণা করা হয়েছিলো। আবদুল্লাহ ইবনু খাতালকে, কা'বা শরীফের গেলাফের নিচে আত্মগোপন অবস্থায় পাওয়া যায়। দেখামাত্র তারকে সাঈদ ইবনু হারিসা এবং আম্মার ইবনু ইয়াসির একযোগে আক্রমণ করে তাকে হত্যা করেন। মুকাইশ ইবনু ছাবা'কে লোকজন বাজারে নিয়ে হত্যা করে। নবী করীম [সা] ইবনু খাতালের মালামাল আটক করেননি। ইবনু হিশام বলেছেন, মুকাইশকে তার গোত্রেরই এক ব্যক্তি হত্যা করে এবং আবদুল্লাহ্ ইবনু খাতালকে সাঈদ ইবনু হারিস ও আবু বুরজা আসলামী এক সঙ্গে হত্যা করেন। ইকরামা সমুদ্রপথে পালিয়ে যাবার চেষ্টা করে, কিন্তু পথিমধ্যে ঝড়ের কবলে পড়ে যায়। তখন নাবিক যাত্রীদের লক্ষ্য করে বলে, তোমরা একমাত্র আল্লাহর • ইবাদতে মশগুল হয়ে হয়ে যাও। কারন অন্যান্য দেবদেবীরা এ বিপদ থেকে বাঁচাতে অক্ষম। একথা শুনে ইকরামা বলে উঠে, 'আল্লাহর কসম! এখানে যদি একমাত্র আল্লাহ্ ছাড়া আর কেউ বাঁচাতে না পারে তবে শুকনো জমিনেও আর কারো বাঁচানোর ক্ষমতা নেই। প্রভু আমি প্রতিজ্ঞা করছি, যদি এ যাত্রা থেকে বেঁচে যাই তবে মুহাম্মদ [সা] এর কাছে গিয়ে আমি আমাকে তাঁর হাতে সোপর্দ করে দেবো। কেননা আমি তাকে অত্যন্ত দয়ালু হিসেবে জানি। 'অতঃপর সে ইসলাম গ্রহণ করে। আবদুল্লাহ্ বিন সা'দ ইবনু আবু সুরাহ হযরত ওসমান [রা] এর কাছে গিয়ে আত্মগোপন করে। রাসূল [সা] যখন লোকদের বাইয়াত করাচ্ছিলেন তখন তাকে বাইয়াতের জন্য হাজির করা হয় এবং আরজ করা হয়, 'ইয়া রাসূলাল্লাহ! তাকে বাইয়াত করান।' এভাবে তিনবার বলা হলো, কিন্তু তিনি তিনবারই নিরবতা পালন করলেন। অবশেষে তার বাইয়াত গ্রহন করেন। তারপর সাহাবাদের দিকে ফিরে বললেন, তোমরা যখন আমাকে তার বাইয়াতের ব্যাপারে নিরুৎসাহিত দেখলে তখন উঠে তাকে হত্যা করলে না কেন? তারা আরজ করলো, ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আমরা আপনার মনের কথা কি করে জানবো? আপনি যদি আমাদেরকে একটু ইঙ্গিত করতেন, তবেই হতো। তিনি বললেন, 'এ কাজ নবীর দ্বারা শোভা পায়না।'
ইবনু হিশামের হাওয়ালা দিয়ে ইবনু হাবীব বলেছেন- নবী করীম [সা] উল্লেখিত পুরুষ ও স্ত্রী ছাড়া হেরাছ ইবনু নাযীর ইবনু ওয়াহাব ইবনু আবদে মানাফ ইবনু কুশাইকেও হত্যা করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। হযরত আলী ইবনু আবী তালিব [রা] তাকে বন্দী করে হত্যা করেন।
ইবনু হাবীব উল্লেখিত মহিলাদ্বয় ছাড়া আরো দু'জন মহিলার কথা বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ্ ইবনু খাতালকে হত্যা করার পর যারা রাসূল [সা] এর বিরুদ্ধে কুৎসা মূলক করে গান গেয়েছিলো। একজনের নাম ছিলো ফারতানা এবং অপরজনের নাম কারইয়াবাহ। ফারতানা পরবর্তীতে মুসলমান হয়ে যায় ও হযরত ওসমান [রা] এর খিলাফতকালে ইন্তেকাল করে। কারইয়াবাহ ও সারাকে হত্যা করা হয়। হিন্দা বিনতে উতবাও মুসলমান হয় এবং বাইয়াত গ্রহণ করে।
ইবনে ইসহাক বলেছেন, সারাকে রাসূল [সা] নিরাপত্তা প্রদান করেন। সে ওমর ইবনু খাত্তাব (রা) এর শাসনামল পর্যন্ত জীবিত ছিলো, পরে এক দূর্ঘটনায় নিহত হয়। আবু উবাইদ কিতাবুল আমওয়ালে লিখেছেন, এই সারা-ই হাতিব [রা] এর পত্র মক্কায় নিয়ে যাচ্ছিলো। ইবনু ইসহাক আরো বলেছেন- রাসূল [সা] আবদুল্লাহ্ ইবনু আবু সূরাহকে হত্যার নির্দেশ দিয়েছিলেন। কারণ সে মুসলমান হওয়ার পর নবী করীম [সা] এর কাতিবে ওহী বা ওহী লিখকের দায়িত্ব পালন করতো। পরে মুরতাদ হয়ে যায় এবং শির্কে লিপ্ত হয়। আবদুল্লাহ্ ইবনু খাতালও অবশ্য মুসলমান হয়েছিলো। একবার রাসূল [সা] তাকে একজন আনসার ও তার এক মুসলমান চাকর সহ কোনো দায়িত্ব দিয়ে এক জায়গায় পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু সে এক মনজিল অতিক্রম করার পর চাকরকে তার জন্য একটি ছাগল যবেহ্ করে রান্না করার নির্দেশ দেয়। চাকর তার কথা না শুনার কারণে চাকরকে হত্যা করে এবং মুরতাদ হয়ে পালিয়ে যায়। আর হেরাছ ইবনু নাযীর ঐ সমস্ত লোকদের অন্যতম যারা মক্কায় থাকাকালীন অবস্থায় হুজুর [সা] এর সাথে দুর্ব্যাবহার করতো এবং হযরত আব্বাস ইবনু মুত্তালিব [রা] যখন হযরত ফাতিমা ও উম্মে কুলসুমকে মদীনায় নিয়ে যাচ্ছিলেন তখন সে একটি কাঠ দিয়ে তাদেরকে প্রহার করে মাটিতে ফেলে দিয়েছিলো। মুকাইশ এক আনসারীকে হত্যা করেছিলো, যিনি তার ভাইকে ভুলবশতঃ হত্যা করেছিলেন। উক্ত আনসারীকে হত্যা করে সে মুরতাদ হয়ে মক্কায় পালিয়ে যায়।
ইবনু হিশাম বর্ণনা করেছেন- প্রথম নিহত ব্যক্তি মক্কা বিজয়ের দিন যার দিয়াত আদায় করা হয়েছিলো, তিনি হচ্ছেন জয়নাব বিনতে উকু। বনু কা'ব তাকে হত্যা করেছিলো। তিনি তার দিয়াত বাবদ ১০০শ' উট আদায় করেছিলেন এবং বলেছিলেন, হে খাজায়া গোত্র, এবার তোমরা হত্যা বন্ধ করো, কেননা হত্যা তো অনেক হয়েছে।
ইবনু হাবীব বলেন- রাসূল [সা] বনী খাজায়াকে বনী বকরের বিরুদ্ধে আসর পর্যন্ত যুদ্ধ করার অনুমতি দিয়েছিলেন। ইবনু হিশام বলেন, ঘটনাটি হচ্ছে, হুদাইবিয়ার বৎসর নবী করীম [সা] ও আহলে মক্কার মধ্যে যে সন্ধি সম্পাদিত হয়েছিলো তাতে একটি শর্ত ছিলো "যে গোত্র বা দল যার সাথে ইচ্ছে মিলে থাকতে পারবে।" বনী খাজায়া গোত্র মুসলমানদের সাথে এবং বনী বকর গোত্র আহলে মক্কার পক্ষ অবলম্বন করে। সন্ধি বলবত থাকাবস্থায় একদিন হঠাৎ করে বনী বকর গোত্র বনী খাজায়া গোত্রের ওপর হামলা করে বসে এবং তাদের পর্যদস্ত করে দেয়। এ ঘটনার পর আমর ইবনু সালেম এসে নবী করীম [সা] কে সব ঘটনা জানায় এবং তাঁর সাহায্য কামনা করে। ঐ সময় মক্কা বিজয়ের প্রস্তুতি চলছিলো। তখন রাসূল [সা] তাদেরকে মুকাবিলা করার অনুমতি দেন। আবদুল্লাহ ইবনু সালাম তাঁর তাফসীরে বর্ণনা করেছেন, সেদিন বনী খাজায়া কর্তৃক মক্কায় যাদেরকে হত্যা করা হয়েছিলো, তাদের সংখ্যা সর্বসাকুল্যে পঞ্চাশ জন।
আবু সুফিয়ান অভিযোগ করলো- ইয়া রাসূলূল্লাহ্! কুরাইশদের শস্যক্ষেত ধ্বংস করে দেয়া হয়েছে। রাসূল [সা] বললেন- আজকের পর আর কোনো কুরাইশের সাথে যুদ্ধ হবে না এবং আর কাউকে বন্দী করে হত্যা করা হবে না।

📘 রাসূলুল্লাহ সাঃ এর বিচারালয় > 📄 নামাযে কসর করার নির্দেশ

📄 নামাযে কসর করার নির্দেশ


ইবনু হাবীব বলেন- যখন রাসূল [সা] মক্কা বিজয়ের পর সেখানে ১৫ রাত অবস্থান করেন। তখন তিনি নামায কসর করতে থাকেন। বুখারী শরীফে হযরত ইবনু আব্বাস [রা] থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন- মক্কায় নবী করীম [সা] ১৯ দিন অবস্থান করেন এবং নামায কসর করেন। আনাস [রা] বলেছেন, আমরা রাসূল [সা] এর সাথে মক্কায় ১০ দিন অবস্থান করি এবং নামায কসর আদায় করি। ইবনু আব্বাস [রা] বলেন- তিনি ১৯ দিন অবস্থান করে কসর আদায় করেন যদি বেশী থাকতেন তবে পুরো নামাযই আদায় করতেন। ইমাম শাফিঈ বর্ণনা করেন, তিনি মক্কা বিজয়ের পর সেখানে ১৮ দিন অবস্থান করেন এবং কসর আদায় করেন। আবু দাউদে হযরত জাবির [রা] থেকে বর্ণিত নবী করীম [সা] তাবুক যুদ্ধে ২০ দিন অবস্থান করেন এবং সেখানে তিনি কসর আদায় করেন।

📘 রাসূলুল্লাহ সাঃ এর বিচারালয় > 📄 খায়বারের ইহুদী নেতৃবৃন্দ

📄 খায়বারের ইহুদী নেতৃবৃন্দ


বর্ণিত আছে, নবী করীম [সা] বিশ থেকে ত্রিশ দিন খায়বার অবরোধ করে রাখেন। পরে তারা এই শর্তে সন্ধি করে নেয় যে, কোনো জিনিস নবী করীম [সা] থেকে গোপন করা হবে না। তিনি বললেন- 'হে হাকীকের বংশধরেরা! মনে হয় তোমাদের শত্রুতা আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূলের সাথে। তোমরা তোমাদের ভাইদেরকে যা কিছু দিয়েছো তা থেকে আমি বিরত হবো না। তাছাড়া তোমরা এ প্রতিশ্রুতি আমাকে দিয়েছো যে, কোনো কিছু আমার কাছ থেকে গোপন রাখবে না। যদি রাখো তাহলে তোমাদের রক্ত আমাদের জন্য হালাল হয়ে যাবে।' রাসূল [সা] জিজ্ঞেস করলেন- তোমাদের আসবাবপত্র কোথায়? তারা বললো- আমরা সবকিছু যুদ্ধে খরচ করে ফেলেছি। বর্ণনাকারী বলেন- অতঃপর তিনি সাহাবাদেরকে নির্দেশ দিলেন, তাদের খানা তল্লাশী করে সবকিছু দখল করে নেয়ার জন্য। অতঃপর তাদেরকে হত্যা করা হলো। ইবনু ওকবা তাঁর গ্রন্থে বলেন- তারা এ শর্তের ওপর সন্ধি করেছিলো যে, তাদের কোনো কিছুই নবী করীম [সা] থেকে গোপন করবে না এবং তাদের পরনের কাপড় ছাড়া আর তারা কোনো কিছুর ওপরই মালিকানা দাবী করবে না। যদি কিছু গোপন করে তাহলে তারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের যিম্মা থেকে মুক্ত হয়ে যাবে।
আবু উবাইদা বলেন- আমার নিকট ইয়াজিদ বর্ণনা করেছেন, হুবাই ইবনু খাতাব নবী করীম [সা] এর সাথে এই চুক্তি করেছিলো যে, সে তাঁকে ছাড়া আর কাউকে কোনো সাহায্য সহযোগিতা করবে না। চুক্তিতে আল্লাহকে জামিন বানিয়েছিলেন। যখন বনী কুরাইযার দিন এলো তখন তাকে এবং তার ছেলে সালমাকে রাসূল [সা] এর নিকট উপস্থিত করা হলো। রাসূল [সা] বললেন, 'এবার উচিত জবাব নাও।' তারপর বাপ বেটার গর্দান উড়িয়ে দেয়া হলো। আবু উবাউদ আরো বলেছেন- তিনি কিছু লোককে আবুল হাকিকের নিকট পাঠিয়েছিলেন, যেন তাকে হত্যা করা হয়। তারা তাকে হত্যা করে। তার এক ধনভান্ডার ছিলো। তাকে মশকুল জামাল [উটের চামড়া] বলা হতো। একের পর এক সর্দার তার তত্তাবধান করতো। সে সেগুলো গোপন করে ফেললো। এ জন্য চুক্তি মোতাবেক নবী করীম [সা] তাকে হত্যা করেছিলেন।
ওয়াকিদী বলেছেন- সেই রত্নাগারে প্রায় দশ হাজার দীনার মূল্যের মালামাল ছিলো।

📘 রাসূলুল্লাহ সাঃ এর বিচারালয় > 📄 আহযাব যুদ্ধ ও বনী গাতফান

📄 আহযাব যুদ্ধ ও বনী গাতফান


আহযাব যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিলো উহুদ যুদ্ধের দু'বছর পর। রাসূল [সা] মদীনার তিন দিকে পরিখা খনন করছিলেন। শত্রুপক্ষ দশ রাত মুসলমানদেরকে অবরোধ করে রেখেছিলো। মুসলমানগণ এতে বিচলিত ও পেরেশান হয়ে পড়ে, তখন রাসূল [সা] আল্লাহর দরবারে দু'আ স্মরণ করিয়ে দিচ্ছি। প্রভু! যদি আপনার ইচ্ছে এই হয়ে থাকে যে, আপনার ইবাদত করা না হোক......। অতঃপর তিনি মদীনার খেজুর বাগানের উৎপাদিত ফসলের এক তৃতীয়াংশ প্রদানের শর্তে বনী গাতফান গোত্রকে অবরোধ প্রত্যাহার এবং প্রত্যাবর্তনের অনুরোধ করে সংবাদ দেন। কিন্তু তারা উৎপাদিত ফসলের অর্ধৈক দাবী করে। তখন রাসূলূল্লাহ্ [সা] হযরত সা'দ ইবনু মায়ায ও সা'দ ইবনু উবাদাহ্ [রা] কে ডেকে পাঠান যারা খাযরাজ গোত্রের সর্দার ছিলেন। পুরো ঘটনা খুলে বললেন। তারা বললেন- ইয়া রাসূলাল্লাহ্! এটা কি আপনার প্রতি কোনো নির্দেশ? তিনি বললেন, নির্দেশ হলে তো তোমাদের সাথে পরামর্শ করার কোনো প্রয়োজনই পড়তো না। এটা আমার নিজস্ব মতামত যা তোমাদের নিকট বললাম। তখন তারা বললেন- 'আমরা জাহেল ছিলাম। তখনও কাউকে কিছু দিয়ে সন্ধি করিনি। আর আজ আমরা মুসলমান, সর্বশক্তিমান আল্লাহ আমাদের সহায়। আল্লাহর কসম! আমরা তাদের সাথে তরবারী দিয়ে ফায়সালা করবো।' রাসূল [সা] বললেন- 'এটাই সঠিক সিদ্ধান্ত।'

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00