📄 নিহত ব্যক্তির হত্যাকারীকে যদি সনাক্ত করা না যায়
মুয়াত্তায় এক ব্যক্তি বর্ণনা করেছেন তার গোত্রের কয়েকজন সম্ভ্রান্ত ব্যক্তি তাকে বলেছেন, আবদুল্লাহ্ ইবনু সুহাইল ও মুহায়্যিসা তাদের অস্বচ্ছলতার কারণে খায়বার চলে গিয়েছিলো। সেখানে এক ব্যক্তি এসে মুহায়্যিসাকে সংবাদ দিলো আবদুল্লাহ ইবনু সুহাইলকে হত্যা করা হয়েছে এবং তাঁর লাশ কোনো কূপ অথবা ঝর্ণার মধ্যে গুম করে দেয়া হয়েছে। সে ইহুদীদের গিয়ে বললো, 'আল্লাহর কসম! তোমরা আমার ভাইকে হত্যা করেছো।' তারা বললো, 'না, আমরা তাকে হত্যা করিনি।' অতঃপর সে নিজ গোত্রের নিকট এসে সবকিছু খুলে বললো। পরিশেষে মুহায়্যিসা তার বড় ভাই হুয়ায়িয়সা ও আবদুর রহমান ইবনু সুহাইলকে সাথে নিয়ে নবী করীম [সা] এর নিকট গেলো। মুহায়্যিসা যেহেতু খায়বার গিয়েছিলো সেহেতু সেই আগে কথা বলতে ইচ্ছে করলো। কিন্তু রাসূলুল্লাহ্ [সা] বললেন, 'বড়দের প্রতি লক্ষ্য রাখো।' অর্থাৎ হুয়ায়্যিসাকে বলতে দাও। প্রথমে হুয়াইয়্যিসা সব ঘটনা বললো পরে মুহায়্যিসা বিস্তারিত জানালো। শুনে রাসূলুল্লাহ্ (সা) বললেন, 'ইহুদীরা হয় দিয়াত দেবে না হয় যুদ্ধ করবে।' তিনি ইহুদীদের লিখে জানালেন। উত্তর এলো-'আল্লাহর কসম! আমরা তাকে হত্যা করিনি।' অতপর সকলে ঐ তিনজনকে বললেন, 'তোমরা শপথ করে বলো যে, ইহুদীরা তোমাদের ভাইকে হত্যা করেছে। তাহলে তোমরা দিয়াতের মালিক হয়ে যাবে।' তারা বললো- আমরাতো শপথ করতে পারিনা। কারণ আমাদের সামনে হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়নি। নবী করীম [সা] বললেন, যদি ইহুদীরা কসম করে বলে, তারা হত্যা করেনি? তারা বললো-'ইয়া রাসূলাল্লাহ্! তারাতো মুসলমান নয়। আমরা কাফিরদের শপথ কি করে বিশ্বাস করবো।' অতপর রাসূলুল্লাহ্ [সা] নিজের পক্ষ থেকে একশ' উট দিয়াত আদায় করে দিলেন।
অন্য হাদীসে আছে- রাসূলুল্লাহ [সা] বললেন- 'যদি তোমাদের মধ্যে ৫০ জন তাদের যে কোনো একজনের বিরুদ্ধে শপথ করে তবে তাকে বেঁধে তোমাদের হাওয়ালায় দিয়ে দেয়া হবে।'
বুখারী শরীফে আছে, নবী করীম [সা] বললেন, 'তোমরা হত্যাকারীর ব্যাপারে সাক্ষ্য প্রদান করো।' তারা নিবেদন করলো, 'আমাদের নিকট কোন সাক্ষ্য প্রমাণ নেই।' তিনি বললেন, 'তবে সে (ইহুদী) শপথ করবে।' তারা জবাব দিলো, 'আমাদের ইহুদীদের শপথ গ্রহণযোগ্য নয়। তখন হুজুরে পাক [সা] বিনা প্রমাণে রক্তপাতকে অপছন্দ করলেন এবং যাকাতের উট হতে (ইহুদীদের পক্ষ থেকে) দিয়াত আদায় করে দিলেন। মুসান্নাফ আবদুর রাজ্জাকে বর্ণিত হয়েছে, নবী করীম [সা] প্রথমে ইহুদীদের শপথ করতে বললে, তারা শপথ করতে অস্বীকার করলো। পরে আনসারকে শপথ করতে বললেন। সেও শপথ করতে অস্বীকার করলো। তখন নবী করীম [সা] ইহুদীকে দিয়াত আদায়ের নির্দেশ দিলেন।
হুয়ায়ি্যসা এবং মুহায়িয়সা নিহত ব্যক্তির চাচাতো ভাই ছিলো এবং আবদুর রহমান ছিলো তার আপন ভাই। আবদুর রাজ্জাক বলেন, ইসলামে এটাই প্রথম ঘটনা যা কাসামাতের (শপথের) মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা হয়।
উপরোক্ত আলোচনা হতে নিম্নোক্ত মাসয়ালাগুলো জানা যায়-
মাসয়ালা-১ এ ঘটনা থেকে প্রমাণিত হলো, কাসামাত বা শপথের মাধ্যমে হত্যার শাস্তি দেয়া যায়। যার প্রমাণ, নবী করীম [সা] এর বাণী- 'তোমরা কি শপথ করবে এবং প্রিয়জনের খুনের বদলা নেবে? 'দ্বিতীয় মুসলিম শরীফের হাদীস, যেখানে বলা হয়েছে, 'অতঃপর বেঁধে তোমার জিম্মায় দিয়ে দেয়া হবে।'
মাসয়ালা-২ প্রথমে অভিযোগকারীকে শপথ করাতে হবে।
মাসয়ালা-৩ শুধুমাত্র শপথ করতে অস্বীকার করলেই সিদ্ধান্ত দেয়া যাবে না, যতোক্ষণ অভিযুক্তরাও এ ব্যাপারে শপথ না করে।
মাসয়ালা-৪ জিম্মিরা যখন কারো অধিকার আদায় করতে অস্বীকার করবে, তখন প্রয়োজনে তাদের সাথে যুদ্ধ করা বৈধ।
মাসয়ালা-৫ যে প্রশাসক হতে দূরে অবস্থানরত, তাকে যদি হাজির করা না যায়, লিখিত নোটিশ দিয়ে জানাতে হবে।
মাসয়ালা-৬ বিচারক সাক্ষীদের অনুপস্থিতিতে রায় লিখতে পারেন।
মাসয়ালা-৭ কাসামাত বা শপথের ব্যাপারে শুধুমাত্র একজনের শপথ যথেষ্ট নয়।
মাসয়ালা-৮ জিম্মিদের ব্যাপারেও ইসলামী শরী'আহ্ অনুযায়ী ফায়সালা করতে হবে। নবী করীম [সা] যাকাতের উট হতে ইহুদীদের পক্ষ থেকে যে দিয়াত আদায় করেছেন। মুয়াল্লাফাতুল কুলুব এর খাত থেকেই তিনি তা আদায় করেছেন এবং তিনি একথাও জানতে পারেননি যে, নির্দিষ্ট কোনো ইহুদী তাকে হত্যা করেছে।
মাসয়ালা-৯ এ কথাও প্রমাণিত হয় যে, কাউকে যাকাতের মাল থেকে নিসাব এর চেয়েও বেশী প্রদান করা যেতে পারে।
ইমাম মালিক ও ইমাম শাফিঈ [রহ] এ ব্যাপারে একমত যে, প্রথমে বাদীকে শপথ করার নির্দেশ দিতে হবে। তবে ইমাম শাফিঈ [রহ] বলেন- যদি নিহত ব্যক্তি মৃত্যুর পূর্বে বলে যায়, অমুক আমার হত্যাকারী তাহলে বাদীকে শপথ করানোর প্রয়োজন নেই। আর যখন বাদী ও বিবাদীর মধ্যে শত্রুতা মূলক সম্পর্ক থাকবে যেমন ইহুদী ও মুসলমানদের মধ্যে ছিলো তাহলে কাসামত বাধ্যতামূলক নইলে বাধ্যতামূলক নয়।
টিকাঃ
১০. যদি কোনো নিহত ব্যক্তির হত্যাকারীকে সনাক্ত করা না যায় তবে মহল্লাবাসীর মধ্য থেকে পঞ্চাশ ব্যক্তি শপথ করে বলবে, তারা হত্যা সম্পর্কে কিছুই জানেনা। তাহলে তারা হত্যার শাস্তি থেকে বেঁচে যাবে। তখন মহল্লাবাসী মিলে শুধু দিয়াত আদায় করলেই চলবে। এ পদ্ধতিকে ইসলামী আইনের পরিভাষায় 'কাসামাত' বলে।
📄 পিতার বিবাহিত স্ত্রীকে বিয়ে করা
নাসাঈ ও ইবনু আবী শাইবায় হযরত বাররা [রা] থেকে বর্ণিত- তিনি বলেন, আমার মামা আবু বুরদার সাথে একবার আমি সাক্ষাৎ করলাম। তখন তার কাছে একটি ঝান্ডা ছিলো। তিনি বললেন, আমাকে নবী করীম [সা] ঐ ব্যক্তির নিকট পাঠিয়েছেন, যে পিতার বিবাহিত স্ত্রীকে বিয়ে করেছে তাকে হত্যা করার জন্য। অন্য কিতাবে আছে- তার শিরোচ্ছেদ করার এবং তার সম্পদ লুটে নেয়ার জন্য আমাকে পাঠিয়েছেন। কিতাবুস্ সাহাবায় ইবনে আবু খুসাইমা থেকে বর্ণিত, খালিদ ইবনু আবু কারিমা, মুয়াবিয়া ইবনু কুররা এবং তিনি তার পিতা হতে বর্ণনা করেছেন, নবী করীম [সা] তার পিতা অর্থাৎ মুয়াবিয়ার দাদাকে এমন এক ব্যক্তির কাছে পাঠিয়েছিলেন, যে তার পিতার স্ত্রীকে বিয়ে করেছিলো। ইয়াহইয়া ইবনু মুঈন বলেন- এ হাদীসটি সহীহ।
মুসান্নাফ ইবনু আবী খুসাইমায় আছে- নবী করীম [সা] এক উম্মে ওয়ালাদ (দাসী) মারিয়ার সাথে তার চাচাতো ভাইয়ের অবৈধ সম্পর্কের গুজব শোনা যাচ্ছিলো। একদিন তিনি হযরত আলী ইবনু আবী-তালিব কে বললেন, যাও, যদি তুমি তাকে [অর্থাৎ মারিয়ার চাচাতো ভাইকে] মারিয়ার নিকট পাও তবে তার শিরোচ্ছেদ করবে। হযরত আলী (রা) তার নিকট এসে দেখলেন, সে এক পুকুরে সাতার কেটে নিজের শরীর ঠান্ডা করছে। তাকে বললেন, তোমার হাত বের করো। অতঃপর তিনি তাকে হাত ধরে সেখান থেকে উঠালেন। দেখলেন, সে নপুংসক, তার যৌন সম্পর্ক স্থাপনের অঙ্গ নেই। তখন হযরত আলী (রা) তাকে ছেড়ে দিয়ে নবী করীম [সা] এর নিকট এসে বললেন, 'ইয়া রাসূলাল্লাহ্! সে নপুংশক।' অন্য হাদীসে আছে- তাকে এক খেজুর বাগানে পাওয়া গিয়েছিলো, তখন সে খেজুর সংগ্রহ করছিলো এবং একটি কাপড় তার শরীরে জড়ানো ছিলো। অকস্মাৎ যখন তরবারীর দিকে দৃষ্টি পড়লো অমনি সে কাঁপতে শুরুকরলো এবং তার শরীর থেকে কাপড় খুলে পড়ে গেলো। দেখা গেলো সে নপুংশক।
📄 দুটো জনপদের মাঝামাঝি কোনো লাশ পাওয়া গেলে আহত হয়ে আরোগ্য লাভের পর ক্ষতিপূরণ আদায়
মুসান্নাফ ইবনু আবী শাইবায় হযরত আবু সাঈদ [রা] থেকে বর্ণিত, একবার একটি লাশ দুটো জনপদের মাঝামাঝি পাওয়া গেলো। তখন নবী করীম [সা] নির্দেশ দিলেন, জনপদ দুটোর দূরত্ব পরিমাপ করে নিকটতর জনপদকে দায়িত্ব নিতে হবে।
ওমর ইবনু আবদুল আযীয থেকে মুসান্নাফ আবদুর রাজ্জাকে বর্ণিত হয়েছে- কতিপয় লোকের বাড়ির সামনে একবার একটি লাশ পাওয়া গেল। নবী করীম [সা] বললেন, 'অভিযুক্তকে শপথ করতে হবে, যদি সে শপথ করতে অস্বীকার করে তবে দিয়াতের অর্ধেক তাকে পরিশোধ করতে হবে [অবশিষ্ট অর্ধেক বাতিল হয়ে যাবে।'
মুসান্নাফ আবদুর রাজ্জাকে বর্ণিত হয়েছে- এক ব্যক্তি অপর এক ব্যক্তির পা গোড়ালীসহ জখম করে। আহত ব্যক্তি নবী করীম [সা] এর কাছে এসে বললো, 'ইয়া রাসূলুল্লাহ্! আমাকে ক্ষতিপূরণ নিয়ে দিন।' তিনি বললেন, 'তোমার ক্ষতস্থান ভালো হওয়া পর্যন্ত তুমি অপেক্ষা করো।' কিন্তু সে তার কথায় অটল রইলো, বললো, এখন আমাকে ক্ষতিপূরণ নিয়ে দিন। অগত্যা রাসূল [সা] তার কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায় করে দিলেন। কিন্তু কিছুক্ষণ পর দেখা গেলো ঐ লোক ল্যাংড়া হয়ে গেছে তখন সে আক্ষেপ করা শুরু করলো, যে আমার শত্রু সে ভালো রইলো আর আমি খোঁড়া হয়ে গেলাম। নবী করীম [সা] তাকে বললেন, 'আমি কি তোমাকে বলিনি যে, তুমি ভালো না হয়ে ক্ষতিপূরণ নিয়ো না। কিন্তু তুমি আমার কথা অমান্য করেছো। আল্লাহ্ তোমাকে খোঁড়া বানিয়ে দিয়েছেন।' তখন নবী করীম [সা] নির্দেশ দিলেন, 'এ ব্যক্তির পর যে ল্যাংড়া অথবা জখম হবে সে যেনো সুস্থ না হয়ে ক্ষতিপুরণ আদায় না করে। কারণ তার ক্ষতস্থান ভালো না হয়ে তার মতো হতে পারে, অথবা ভালো হয়েও যেতে পারে। কিন্তু যে ক্ষত আরো অবনতির দিকে যাবে অথবা পঙ্গুত্বের পর্যায়ে পৌঁছবে, তার ক্ষতিপূরণ নেই তবে দিয়াত দিবে। আর যে ব্যক্তি জখমের বদলা নিলো এবং যার কাছ থেকে নিলো, যদি তার ক্ষত আরো মারাত্মক রূপ ধারণ করে তবে তার কাছ থেকে গৃহীত দিয়াত অতিরিক্ত বলে গণ্য হবে এবং সে গুলো তাকে ফেরৎ দিতে হবে।'
আতা ইবনু আবী রাবাহ্ বর্ণনা করেন- জখমের জন্য কিসাস নির্দিষ্ট। ইমামের এ অধিকার নেই যে, তাকে প্রহার করবে কিংবা বন্দী করে রাখবে। তার থেকে তো কিসাসই নেয়া হবে। তোমাদের প্রভু কোনো কিছু ভুলে যান না। তিনি চাইলে প্রহার করার অথবা বন্দী করার শাস্তি নির্দিষ্ট করতে পারতেন। ইমাম মালিক [রহ] বলেছেন- 'তার থেকে কিসাস নেয়ার পর তার অপরাধের জন্য কোনো শাস্তি প্রদান করা যাবে না।'
📄 দাঁত সম্পর্কে নবী করীম [সা] এর ফায়সালা
বুখারী, মুসলিমে হযরত আনাস ইবনু মালিক [রা] থেকে বর্ণিত- নযরের কন্যা এবং রবী'র বোন একবার এক মেয়েকে পাথর নিক্ষেপ করে, ফলে তার সামনের একটি দাঁত ভেঙ্গে যায়। এ ব্যাপারে নবী করীম [সা] এর দরবারে মামলা দায়ের করা হলো। তিনি কিসাসের ফায়সালা দিলেন। তখন রবী ইবনু নযরের মা দাঁড়িয়ে বললেন, 'ইয়া রাসূলাল্লাহ! অমুকের কাছ থেকে কিসাস নেয়া হবে? আল্লাহর কসম! তা কখনো হতে পারে না।' রাসূল [সা] বললেন, 'সুবহানাল্লাহ্! হে উম্মে রবী' কিসাস তো আল্লাহর কিতাবের ফায়সালা।' সে বললো, 'আল্লাহর কসম! এর থেকে কখনো কেসাস নেয়া যেতে পারে না।' একথা সে বার বার বলতে লাগলো। এমনকি দিয়াত পরিশোধের পূর্ব পর্যন্ত সে বলতে লাগলো। রাসূল [সা] বললেন- 'আল্লাহর বান্দার মধ্যে এমন কিছু বান্দা আছে যে আল্লাহর নামে শপথ করে তা পুরো করে।'
বুখারী ও মুসলিমে আছে, এক ব্যক্তি কোনো এক ব্যক্তির হাত কামড় দিয়ে চেপে ধরলো। তখন ঐ ব্যক্তি হেচকা টানে তার মুখ থেকে হাত বের করে ফেললো। কিন্তু হাত বের করার সময় তার মুখের সামনের একটি দাঁত পড়ে গেলো। লোকজন এসে নবী করীম [সা] এ নিকট এর মিমাংসা চাইলো। তিনি বললেন, 'তোমরা উটের মতো এক ভাই অপর ভাইকে কামড়ে ধরবে, এটা কেমন কথা? যাও তোমাদের জন্য কোনো দিয়াত নেই।'
আবু দাউদে আছে, নবী করীম [সা] ঐ চোখ সম্বন্ধে বলেছেন যা স্থানচ্যুত হয়না বটে কিন্তু আঘাতের ফলে ক্ষতিগ্রস্থ হয় এরূপ অবস্থায় দিয়াতের এক তৃতীয়াংশ প্রদান করতে হবে। মদুওনা এবং মুয়াত্তায় হযরত যায়িদ ইবনু সাবিত থেকে বর্ণিত হয়েছে, ক্ষতিগ্রস্থ চোখের জন্য ১০০শ' দিনার প্রদান করতে হবে। ইমাম মালিক বলেন, এ ব্যাপারে মুজতাহিদগণ ইজতিহাদ করে সিদ্ধান্ত নেবেন।