📘 রাসূলুল্লাহ সাঃ এর বিচারালয় > 📄 পাথর নিক্ষেপ প্রসঙ্গে নবী করীম [সা] এর ফায়সালা

📄 পাথর নিক্ষেপ প্রসঙ্গে নবী করীম [সা] এর ফায়সালা


বুখারী শরীফে হযরত আনাস ইবনু মালিক [রা] থেকে বর্ণিত হয়েছে, একবার এক ইহুদী একটি মেয়ের মাথা পাথর দিয়ে থেতলে দেয়। অন্য বর্ণনায় আছে- এক ক্রীতদাসী অলংকার সজ্জিত হয়ে শহরের বাইরে গেলে এক ইহুদী তাকে পাথর নিক্ষেপ করে। মুমূর্ষ অবস্থায় মেয়েটিকে নবী করীম (সা) এর নিকট আনা হয়। তখন নবী করীম [সা] মেয়েটিকে লক্ষ্য করে জিজ্ঞেস করলেন, অমুক ব্যক্তি কি তোমাকে মেরেছে? সে মাথা নেড়ে অস্বীকৃতি জানালো। দ্বিতীয়বার জিজ্ঞেস করলেন, এবারো মেয়েটি মাথা নেড়ে অস্বীকৃতি জানালো। তৃতীয়বার জিজ্ঞেস করার পর মেয়েটি মাথা নেড়ে সম্মতি জানালো। অতঃপর ইহুদীকে হাজির করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলো। অবশেষে সে স্বীকার করলো। তখন রাসূলে করীম [সা] পাথর দিয়ে তার মাথা থেতলে দেবার নির্দেশ দিলেন। সহীহ্ মুসলিম ও মুসান্নাফ আবদুর রাজ্জাকে বর্ণিত আছে যে, রাসূল [সা] তাকে পাথর নিক্ষেপে মৃত্যুদন্ড দিলেন।

টিকাঃ
৭. যখন কোনো লোকালয়ে মৃত্যুদেহ পাওয়া যায় এবং সেখানকার অধিবাসীগণ হত্যাকান্ডের ব্যাপারে অজ্ঞতা প্রকাশ করে। তখন সেখানকার কতিপয় লোককে শপথ করানো হয়। এটাকে ইসলামী পরিভাষায় 'কাসামত' বলা হয়।

📘 রাসূলুল্লাহ সাঃ এর বিচারালয় > 📄 গর্ভবর্তীকে প্রহার করে গর্ভপাত ঘটানো সম্পর্কে রাসূল [সা] এর ফায়সালা

📄 গর্ভবর্তীকে প্রহার করে গর্ভপাত ঘটানো সম্পর্কে রাসূল [সা] এর ফায়সালা


বুখারী, মুসলিম ও মুয়াত্তা ইমাম মালিক এ বর্ণিত হয়েছে, বনী হুজাইলের দু'মহিলা ঝগড়া করে একজন অপরজনকে পাথর নিক্ষেপ করে। আঘাতে ঐ মহিলার গর্ভপাত ঘটে যায়। নবী করীম [সা] জরিমানা স্বরূপ ঐ মহিলাকে একজন ক্রীতদাস বা ক্রীতদাসীকে প্রদানের নির্দেশ দেন। মুসলিমের অপর হাদীসে আছে- দু'মহিলা ঝগড়া করে একজন অপরজনকে পাথর নিক্ষেপ করলে তখন সেই মহিলা ও তার গর্ভস্থ সন্তান দু'জনই মারা যায়। অন্য বর্ণনায় আছে, উক্ত মহিলাকে তাবুর খুঁটি দিয়ে আঘাত করা হয়েছিল। মহিলা গর্ভবতী ছিলো এবং তারা পরস্পর সতীন ছিলো। যা হোক মহিলা নিহত হবার পর নবী করীম [সা] এর দরবারে মামলা দায়ের করা হলে তিনি নিহত মহিলার দিয়াত হত্যাকারীনী মহিলার আসাবাদের ওপর চাপিয়ে দেন এবং গর্ভস্থিত সন্তানের জন্য গুররাহ্ আদায়ের নির্দেশ দেন।
নাসাঈ শরীফে আছে- একজন অপরজনকে তাবুর খুঁটি দিয়ে প্রহার করে গর্ভন্ত সন্তানসহ তাকে হত্যা করে। তখন রাসূলুল্লাহ [সা] নিহত মহিলার গর্ভস্থ সন্তানের বিনিময়ে গুররাহ্ আদায়ের নির্দেশ দেন এবং হত্যাকারী মহিলাকে হত্যা করা হয়। নাসাঈ ছাড়াও অন্যান্য কিতাবে এ ঘটনা বর্ণনা করা হয়েছে, সেখানে আছে- রাসূলুল্লাহ [সা] গর্ভস্থ সন্তানের বিনিময়ে গুররাহ্র মূল্য আদায় করলেন। যার পরিমাণ ৫০ দিনার অথবা ৬০০ দিরহাম। এটি হযরত কাতাদাহ্ ও মালিক ইবনু আনাস এর বর্ণনা।
মুসান্নাফ আবদুর রাজ্জাকে ইকরামা থেকে বর্ণিত হয়েছে, এক মহিলা আরেক মহিলাকে হত্যা করেছিলো, তাদের স্বামীর নাম ছিলো হাম্মল ইবনু মালিক এবং হত্যাকারীর নাম উম্মে আফীফ বিনতে মাসরূহ, বনী সা'দ ইবন হুযাইল গোত্রের মেয়ে। নিহত মহিলার নাম মালিকাহ্ বিনতে আওয়াইমির, বনী লিহইয়ান ইবনু হুযাইল গোত্রের মেয়ে। বুখারীর বর্ণনা থেকে জানা যায়, নবী করীম [সা] হত্যাকারী মহিলাকে হত্যা করেননি। হযরত আবু হুরাইরা [রা] এর হাদীস থেকে জানা যায়, নিহত মহিলার গর্ভস্থ সন্তানের বিনিময়ে গোলাম বা দাসী প্রদানের নির্দেশ দিয়েছিলেন কিন্তু অভিযুক্ত মহিলা (শাস্তি প্রদানের আগেই) মৃত্যুবরণ করে। তখন নবী করীম [সা] তার স্বামী কন্যাদের ওয়ারিশ ঘোষণা করলেন এবং আসাবাদের ওপর দিয়াত নির্ধারণ করলেন।

টিকাঃ
৮. আছাবা মৃত ব্যক্তির ঐ আত্মীয়কে বলা হয়, মৃত ব্যক্তির পরিত্যাক্ত সম্পদে যার কোনো নির্দিষ্ট অংশ নেই। বরং যাবিল ফুরুজগণ নিজ নিজ অংশ নেয়ার পর অবশিষ্ট সম্পদ (যদি থাকে) সে প্রাপ্ত হয়।
৯. গুররাহ্ ক্রীতদাস বা দাসীকে বলা হয়। পারিভাষিক অর্থে দিয়াতের (রক্তপণ) অংশ, যার পরিমাণ ৫০০ দিরহাম।

📘 রাসূলুল্লাহ সাঃ এর বিচারালয় > 📄 নিহত ব্যক্তির হত্যাকারীকে যদি সনাক্ত করা না যায়

📄 নিহত ব্যক্তির হত্যাকারীকে যদি সনাক্ত করা না যায়


মুয়াত্তায় এক ব্যক্তি বর্ণনা করেছেন তার গোত্রের কয়েকজন সম্ভ্রান্ত ব্যক্তি তাকে বলেছেন, আবদুল্লাহ্ ইবনু সুহাইল ও মুহায়্যিসা তাদের অস্বচ্ছলতার কারণে খায়বার চলে গিয়েছিলো। সেখানে এক ব্যক্তি এসে মুহায়্যিসাকে সংবাদ দিলো আবদুল্লাহ ইবনু সুহাইলকে হত্যা করা হয়েছে এবং তাঁর লাশ কোনো কূপ অথবা ঝর্ণার মধ্যে গুম করে দেয়া হয়েছে। সে ইহুদীদের গিয়ে বললো, 'আল্লাহর কসম! তোমরা আমার ভাইকে হত্যা করেছো।' তারা বললো, 'না, আমরা তাকে হত্যা করিনি।' অতঃপর সে নিজ গোত্রের নিকট এসে সবকিছু খুলে বললো। পরিশেষে মুহায়্যিসা তার বড় ভাই হুয়ায়িয়সা ও আবদুর রহমান ইবনু সুহাইলকে সাথে নিয়ে নবী করীম [সা] এর নিকট গেলো। মুহায়্যিসা যেহেতু খায়বার গিয়েছিলো সেহেতু সেই আগে কথা বলতে ইচ্ছে করলো। কিন্তু রাসূলুল্লাহ্ [সা] বললেন, 'বড়দের প্রতি লক্ষ্য রাখো।' অর্থাৎ হুয়ায়্যিসাকে বলতে দাও। প্রথমে হুয়াইয়্যিসা সব ঘটনা বললো পরে মুহায়্যিসা বিস্তারিত জানালো। শুনে রাসূলুল্লাহ্ (সা) বললেন, 'ইহুদীরা হয় দিয়াত দেবে না হয় যুদ্ধ করবে।' তিনি ইহুদীদের লিখে জানালেন। উত্তর এলো-'আল্লাহর কসম! আমরা তাকে হত্যা করিনি।' অতপর সকলে ঐ তিনজনকে বললেন, 'তোমরা শপথ করে বলো যে, ইহুদীরা তোমাদের ভাইকে হত্যা করেছে। তাহলে তোমরা দিয়াতের মালিক হয়ে যাবে।' তারা বললো- আমরাতো শপথ করতে পারিনা। কারণ আমাদের সামনে হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়নি। নবী করীম [সা] বললেন, যদি ইহুদীরা কসম করে বলে, তারা হত্যা করেনি? তারা বললো-'ইয়া রাসূলাল্লাহ্! তারাতো মুসলমান নয়। আমরা কাফিরদের শপথ কি করে বিশ্বাস করবো।' অতপর রাসূলুল্লাহ্ [সা] নিজের পক্ষ থেকে একশ' উট দিয়াত আদায় করে দিলেন।
অন্য হাদীসে আছে- রাসূলুল্লাহ [সা] বললেন- 'যদি তোমাদের মধ্যে ৫০ জন তাদের যে কোনো একজনের বিরুদ্ধে শপথ করে তবে তাকে বেঁধে তোমাদের হাওয়ালায় দিয়ে দেয়া হবে।'
বুখারী শরীফে আছে, নবী করীম [সা] বললেন, 'তোমরা হত্যাকারীর ব্যাপারে সাক্ষ্য প্রদান করো।' তারা নিবেদন করলো, 'আমাদের নিকট কোন সাক্ষ্য প্রমাণ নেই।' তিনি বললেন, 'তবে সে (ইহুদী) শপথ করবে।' তারা জবাব দিলো, 'আমাদের ইহুদীদের শপথ গ্রহণযোগ্য নয়। তখন হুজুরে পাক [সা] বিনা প্রমাণে রক্তপাতকে অপছন্দ করলেন এবং যাকাতের উট হতে (ইহুদীদের পক্ষ থেকে) দিয়াত আদায় করে দিলেন। মুসান্নাফ আবদুর রাজ্জাকে বর্ণিত হয়েছে, নবী করীম [সা] প্রথমে ইহুদীদের শপথ করতে বললে, তারা শপথ করতে অস্বীকার করলো। পরে আনসারকে শপথ করতে বললেন। সেও শপথ করতে অস্বীকার করলো। তখন নবী করীম [সা] ইহুদীকে দিয়াত আদায়ের নির্দেশ দিলেন।
হুয়ায়ি‍্যসা এবং মুহায়িয়সা নিহত ব্যক্তির চাচাতো ভাই ছিলো এবং আবদুর রহমান ছিলো তার আপন ভাই। আবদুর রাজ্জাক বলেন, ইসলামে এটাই প্রথম ঘটনা যা কাসামাতের (শপথের) মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা হয়।
উপরোক্ত আলোচনা হতে নিম্নোক্ত মাসয়ালাগুলো জানা যায়-
মাসয়ালা-১ এ ঘটনা থেকে প্রমাণিত হলো, কাসামাত বা শপথের মাধ্যমে হত্যার শাস্তি দেয়া যায়। যার প্রমাণ, নবী করীম [সা] এর বাণী- 'তোমরা কি শপথ করবে এবং প্রিয়জনের খুনের বদলা নেবে? 'দ্বিতীয় মুসলিম শরীফের হাদীস, যেখানে বলা হয়েছে, 'অতঃপর বেঁধে তোমার জিম্মায় দিয়ে দেয়া হবে।'
মাসয়ালা-২ প্রথমে অভিযোগকারীকে শপথ করাতে হবে।
মাসয়ালা-৩ শুধুমাত্র শপথ করতে অস্বীকার করলেই সিদ্ধান্ত দেয়া যাবে না, যতোক্ষণ অভিযুক্তরাও এ ব্যাপারে শপথ না করে।
মাসয়ালা-৪ জিম্মিরা যখন কারো অধিকার আদায় করতে অস্বীকার করবে, তখন প্রয়োজনে তাদের সাথে যুদ্ধ করা বৈধ।
মাসয়ালা-৫ যে প্রশাসক হতে দূরে অবস্থানরত, তাকে যদি হাজির করা না যায়, লিখিত নোটিশ দিয়ে জানাতে হবে।
মাসয়ালা-৬ বিচারক সাক্ষীদের অনুপস্থিতিতে রায় লিখতে পারেন।
মাসয়ালা-৭ কাসামাত বা শপথের ব্যাপারে শুধুমাত্র একজনের শপথ যথেষ্ট নয়।
মাসয়ালা-৮ জিম্মিদের ব্যাপারেও ইসলামী শরী'আহ্ অনুযায়ী ফায়সালা করতে হবে। নবী করীম [সা] যাকাতের উট হতে ইহুদীদের পক্ষ থেকে যে দিয়াত আদায় করেছেন। মুয়াল্লাফাতুল কুলুব এর খাত থেকেই তিনি তা আদায় করেছেন এবং তিনি একথাও জানতে পারেননি যে, নির্দিষ্ট কোনো ইহুদী তাকে হত্যা করেছে।
মাসয়ালা-৯ এ কথাও প্রমাণিত হয় যে, কাউকে যাকাতের মাল থেকে নিসাব এর চেয়েও বেশী প্রদান করা যেতে পারে।
ইমাম মালিক ও ইমাম শাফিঈ [রহ] এ ব্যাপারে একমত যে, প্রথমে বাদীকে শপথ করার নির্দেশ দিতে হবে। তবে ইমাম শাফিঈ [রহ] বলেন- যদি নিহত ব্যক্তি মৃত্যুর পূর্বে বলে যায়, অমুক আমার হত্যাকারী তাহলে বাদীকে শপথ করানোর প্রয়োজন নেই। আর যখন বাদী ও বিবাদীর মধ্যে শত্রুতা মূলক সম্পর্ক থাকবে যেমন ইহুদী ও মুসলমানদের মধ্যে ছিলো তাহলে কাসামত বাধ্যতামূলক নইলে বাধ্যতামূলক নয়।

টিকাঃ
১০. যদি কোনো নিহত ব্যক্তির হত্যাকারীকে সনাক্ত করা না যায় তবে মহল্লাবাসীর মধ্য থেকে পঞ্চাশ ব্যক্তি শপথ করে বলবে, তারা হত্যা সম্পর্কে কিছুই জানেনা। তাহলে তারা হত্যার শাস্তি থেকে বেঁচে যাবে। তখন মহল্লাবাসী মিলে শুধু দিয়াত আদায় করলেই চলবে। এ পদ্ধতিকে ইসলামী আইনের পরিভাষায় 'কাসামাত' বলে।

📘 রাসূলুল্লাহ সাঃ এর বিচারালয় > 📄 পিতার বিবাহিত স্ত্রীকে বিয়ে করা

📄 পিতার বিবাহিত স্ত্রীকে বিয়ে করা


নাসাঈ ও ইবনু আবী শাইবায় হযরত বাররা [রা] থেকে বর্ণিত- তিনি বলেন, আমার মামা আবু বুরদার সাথে একবার আমি সাক্ষাৎ করলাম। তখন তার কাছে একটি ঝান্ডা ছিলো। তিনি বললেন, আমাকে নবী করীম [সা] ঐ ব্যক্তির নিকট পাঠিয়েছেন, যে পিতার বিবাহিত স্ত্রীকে বিয়ে করেছে তাকে হত্যা করার জন্য। অন্য কিতাবে আছে- তার শিরোচ্ছেদ করার এবং তার সম্পদ লুটে নেয়ার জন্য আমাকে পাঠিয়েছেন। কিতাবুস্ সাহাবায় ইবনে আবু খুসাইমা থেকে বর্ণিত, খালিদ ইবনু আবু কারিমা, মুয়াবিয়া ইবনু কুররা এবং তিনি তার পিতা হতে বর্ণনা করেছেন, নবী করীম [সা] তার পিতা অর্থাৎ মুয়াবিয়ার দাদাকে এমন এক ব্যক্তির কাছে পাঠিয়েছিলেন, যে তার পিতার স্ত্রীকে বিয়ে করেছিলো। ইয়াহইয়া ইবনু মুঈন বলেন- এ হাদীসটি সহীহ।
মুসান্নাফ ইবনু আবী খুসাইমায় আছে- নবী করীম [সা] এক উম্মে ওয়ালাদ (দাসী) মারিয়ার সাথে তার চাচাতো ভাইয়ের অবৈধ সম্পর্কের গুজব শোনা যাচ্ছিলো। একদিন তিনি হযরত আলী ইবনু আবী-তালিব কে বললেন, যাও, যদি তুমি তাকে [অর্থাৎ মারিয়ার চাচাতো ভাইকে] মারিয়ার নিকট পাও তবে তার শিরোচ্ছেদ করবে। হযরত আলী (রা) তার নিকট এসে দেখলেন, সে এক পুকুরে সাতার কেটে নিজের শরীর ঠান্ডা করছে। তাকে বললেন, তোমার হাত বের করো। অতঃপর তিনি তাকে হাত ধরে সেখান থেকে উঠালেন। দেখলেন, সে নপুংসক, তার যৌন সম্পর্ক স্থাপনের অঙ্গ নেই। তখন হযরত আলী (রা) তাকে ছেড়ে দিয়ে নবী করীম [সা] এর নিকট এসে বললেন, 'ইয়া রাসূলাল্লাহ্! সে নপুংশক।' অন্য হাদীসে আছে- তাকে এক খেজুর বাগানে পাওয়া গিয়েছিলো, তখন সে খেজুর সংগ্রহ করছিলো এবং একটি কাপড় তার শরীরে জড়ানো ছিলো। অকস্মাৎ যখন তরবারীর দিকে দৃষ্টি পড়লো অমনি সে কাঁপতে শুরুকরলো এবং তার শরীর থেকে কাপড় খুলে পড়ে গেলো। দেখা গেলো সে নপুংশক।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00