📄 উপসংহার
পরিশেষে কথা হলো যে, রসূলুল্লাহ্ ﷺ কে ভালবাসতে হবে সকল মানুষ, ধন-সম্পদ, এবং নিজের জীবন থেকেও। তাহলেই আমরা ঈমানের মিষ্টতা অনুভব করতে পারব। আর যারা রসূলুল্লাহ্ ﷺ কে কটাক্ষ করে তাদেরকে কাফির বলে বিশ্বাস করতে হবে। এবং সামর্থ থাকলে তাদেরকে হত্যা করতে হবে। আর এই হত্যা কার্যকর করতে বিচারকের রায়ের অপেক্ষার প্রয়োজন নেই। যদি রসূলুল্লাহ্ ﷺ এর কটাক্ষকারীরা তাওবাহ্ করে তারপরেও তাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে হবে। যারা এই কটাক্ষকারীদের সম্পর্কে বলবে যে, তাদের মত প্রকাশের স্বাধীনতা রয়েছে তাদেরকেও হত্যা করতে হবে, কারণ, তারা পরোক্ষভাবে এই ঘৃণ্যতম কাজে সমর্থন দিয়েছে। যদি হত্যা করতে সামর্থ না থাকে তাহলে নূন্যতম অন্তর দিয়ে হলেও পরিবর্তনের উপায় খোঁজ করতে হবে। যারা সামর্থ থাকা স্বত্তেও এই ঘৃণ্যতম কাজের ব্যাপারে নীরব থাকে বুঝতে হবে তারা মুনাফিক্ব। এরা মুসলিমদেরকে ধোঁকা দিতে চায়। আর যারা এই ঘৃণ্যতম কাজকে সমর্থন দিয়ে এ মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে বাঁধা দিবে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে হবে এবং যারা ঘৃণ্যতম কাজকে সমর্থন না করে শান্তি বজায় রাখার দাবীতে বাঁধা দিবে তাদের বিরুদ্ধেও যুদ্ধ করতে হবে। আল্লাহ্ আমাদেরকে সঠিক বুঝ দান করুন। আমীন