📘 রাসুলুল্লাহ সাঃ এর কান্না > 📄 অহেতুক কথা ও কাজে সময় অতিবাহিত করা

📄 অহেতুক কথা ও কাজে সময় অতিবাহিত করা


সকল অহেতুক কথা ও কাজ যাতে কোনো ফল লাভ হয় না সেগুলোর পরিণাম কখনো কল্যাণকর হয় না। আল্লাহ তা'আলা মুমিনদের গুণাবলি উল্লেখ করতে গিয়ে সূরা মুমিনূনের মধ্যে বলেছেন,
“যারা অনর্থক কথা ও কাজ থেকে দূরে থাকে।” আল-কুরআন, ২৩: ৩
মুমিন বান্দারা শুধু অহেতুক কথা ও কাজ থেকে দূরেই থাকে এমনটি নয় বরং তাতে তারা কোনো কৌতুহলও প্রকাশ করে না। আল্লাহ বলেন,
“যখন এমন কোনো জায়গা দিয়ে তারা চলে যেখানে বাজে কথা হতে থাকে অথবা বাজে কাজের মহড়া চলে তখন তারা ভদ্রভাবে সে জায়গা অতিক্রম করে চলে যায়।” (সূরা ফুরকান-৬৩)।
দুনিয়াটা মুমিনের পরীক্ষা ক্ষেত্র। একজন পরীক্ষার্থী যেমন পরীক্ষার প্রতিটি মুহূর্ত সঠিক উত্তর লেখার কাজে ব্যস্ত থাকে, ঠিক তেমনি মুমিনও দুনিয়ার এ জীবনকালকে এমন সব কাজে ব্যয় করে যা পরিণামের দিক দিয়ে কল্যাণকর। এমনকি সে খেলাধুলা ও আনন্দ উপভোগের ক্ষেত্রেও এমন সব জিনিস নির্বাচন করে যা নিছক সময় ক্ষেপণের কারণ হয় না বরং অপেক্ষাকৃত ভালো উদ্দেশ্য পূর্ণ করার জন্য তাকে তৈরি করে। এছাড়া মুমিন হবে একজন ভারসাম্যপূর্ণ প্রকৃতির অধিকারী এবং পবিত্র পরিচ্ছন্ন স্বভাব ও সুস্থ রুচি সম্পন্ন মানুষ। সে ফলদায়ক কথা বলতে পারে। আজে বাজে গল্প গুজব তার স্বভাব বিরুদ্ধ। সে ব্যঙ্গ, কৌতুক, হালকা পরিহাস পর্যন্ত করবে, কিন্তু উচ্ছল ঠাট্টা-তামাসায় মেতে উঠবে না। সে বাজে ঠাট্টা-মস্করা ও ভাঁড়ামি বরদাশত করতে পারে না এবং আনন্দ-ফুর্তি ও ভাঁড়ামির কথাবার্তাকে নিজের পেশায় পরিণত করতে পারে না। আল্লাহ তা'আলা মুমিনের স্থায়ী আবাসস্থল জান্নাতের বর্ণনায় বলেছেন, সেখানে তুমি কোনো বাজে কথা শুনবে না।

📘 রাসুলুল্লাহ সাঃ এর কান্না > 📄 মৃত্যুকে ভুলে যাওয়া

📄 মৃত্যুকে ভুলে যাওয়া


মৃত্যুকে ভুলে যাওয়ার কারণে মানুষের অন্তর আল্লাহর ভয় শূণ্য হয়ে যায়। কুরআনে আল্লাহ বলেছেন,
وَجَاءَتْ سَكَرَةُ المَوْتِ بِالحَقِّ ذَلِكَ مَا كُنْتَ مِنْهُ تَحِيدُ
“তারপর দেখো, মৃত্যুর যন্ত্রণা পরম সত্য নিয়ে হাজির হয়েছে, এটা সে জিনিস যা থেকে পালিয়ে বেড়াচ্ছিলে। তাই মৃত্যুকে ভুলে গেলে মানুষ তখন দুনিয়াবি জীবনে মত্ত হয়ে যায়।

টিকাঃ
১০৩. আল-কুরআন, সূরা ক্বাফ, ৫০ : ১৯

📘 রাসুলুল্লাহ সাঃ এর কান্না > 📄 আল্লাহর সাথে সম্পর্কের অবনতি

📄 আল্লাহর সাথে সম্পর্কের অবনতি


বৈষয়িক উন্নতি ও প্রবৃদ্ধির সাথে সাথে মানুষ আল্লাহর কাছ থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। যার কারণে আল্লাহর কোনো আদেশ নিষেধ মানুষের ওপর প্রভাব ফেলছে না। মূলতঃ নিয়মিত ফরজ ইবাদাতের পাশাপাশি নফল ইবাদাতের মাধ্যমে আল্লাহর সাথে সম্পর্ক উন্নয়ন হয়। কিন্তু দুনিয়াবি জীবনের মোহে মানব সমাজ আল্লাহর নিকট থেকে দূরে সরে যাচ্ছে।

📘 রাসুলুল্লাহ সাঃ এর কান্না > 📄 শয়তানের ওয়াসওয়াসা বা ধোঁকা

📄 শয়তানের ওয়াসওয়াসা বা ধোঁকা


অভিশপ্ত ইবলিস আদম (আ)-কে সিজদা করতে অস্বীকার করায় যখন জান্নাত হতে বিতাড়িত হয়েছিল তখন সে মানবজাতিকে পথভ্রষ্ট ও বিপদগ্রস্ত করার শপথ নিয়ে আল্লাহর কাছে অঙ্গীকার করেছিল এভাবে,
“এরপর তাদের কাছে আসব তাদের সামনের দিক থেকে, ডান দিক থেকে এবং বাম দিক থেকে। আপনি তাদের অধিকাংশকে কৃতজ্ঞ পাবেন না।” (সূরা আরাফ-১৭)
আল্লাহর কাছে কান্নাকাটির মাধ্যমে মানুষ আল্লাহর সান্নিধ্য অর্জন করে। তাই শয়তান চায় মানুষ যাতে কোনো অবস্থাতেই আল্লাহর কাছে কান্নাকাটি না করে। শয়তানের এই ওয়াসওয়াসার কারণে আমাদের মন এতটাই শক্ত ও পাষাণ হয়ে গেছে যে, সেখানে আর কান্নাকাটি করার মতো অবস্থা তৈরি হয় না।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00