📘 রাসুলুল্লাহ সাঃ এর কান্না > 📄 কবর যিয়ারতের সময় ক্রন্দন

📄 কবর যিয়ারতের সময় ক্রন্দন


কবর যিয়ারত করলে মন নরম হয় এবং মৃত্যুর কথা স্মরণ হয়। এছাড়াও আশা ছোট হয়, দুনিয়ার প্রতি আসক্তি কমে, চোখে কান্না আসে, উদাসীনতা দূর হয় এবং ইবাদাতের জন্য চেষ্টার আগ্রহ জাগে। তাই রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
عَنِ ابْنِ بُرَيْدَةَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «نَهَيْتُكُمْ عَنْ زِيَارَةِ القُبُورِ فَزُورُوهَا، وَنَهَيْتُكُمْ عَنْ لُحُومِ الأَضَاحِي فَوْقَ ثَلَاثٍ، فَأَمْسِكُوا مَا بَدَا وَنَهَيْتُكُمْ عَن النَّبِيذِ إِلَّا فِي سِقاء، فَاشْرَبُوا فِي الأسْقِيَةِ كُلَّهَا، وَلَا تَشْرَبُوا لَكُمْ، مُسْكِرًا» قَالَ ابْنُ نُمَيْرٍ فِي رِوَايَتِهِ: عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْن بُرَيْدَةَ، عَنْ أَبِيهِ،
“ইবনে বুরাইদাহ তার পিতার নিকট থেকে বর্ণনা করেন তার পিতা বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, আমি তোমাদেরকে কবর যিয়ারত নিষেধ করেছিলাম, এখন যিয়ারত কর। আমি তোমাদেরকে কুরবানীর গোশত তিন দিনের বেশি সংরক্ষণ করতে নিষেধ করেছিলাম, এখন তোমাদের যতদিন প্রয়োজন তা সংরক্ষণ কর। আমি তোমাদেরকে 'নবীয' করতে নিষেধ করেছিলাম শুধুমাত্র পান করার জন্য ছাড়া। অতএব তোমরা সকল পাত্রে পান কর তবে নিশা জাতীয় জিনিস পান কর না।”
তিনি আরো বলেন,
عن أبي هريرة عن النبي صلى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أنه قال: "زوروا القبور فإنها تذكر الموت".
আবু হুরাইরা (রা) রাসূল ﷺ থেকে বর্ণনা করেন, রাসূল ﷺ বলেন, “তোমরা কবর যিয়ারত কর। কবর যিয়ারত মৃত্যুকে স্মরণ করিয়ে দেয়।
নবী ﷺ বলেন,
عَنِ ابْنِ بُرَيْدَةَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «نَهَيْتُكُمْ عَنْ زِيَارَةِ القُبُورِ، فَزُورُوهَا، فَإِنَّ فِي زِيَارَتِهَا تَذْكِرَهُ»
আবু বুরাইদাহ (রা) তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রাসূল ﷺ বলেন, “আমি তোমাদের কবর যিয়ারতে নিষেধ করেছিলাম, এখন যিয়ারত কর, কবর যিয়ারতে রয়েছে শিক্ষা ও উপদেশ।”
কবর যিয়ারত মানুষকে তাঁর নিজের মৃত্যুর কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। তাই কবর যিযারতের সময় আল্লাহর ভয়ে কান্নাকাটি করার অনুমোদন ইসলামে রয়েছে। রাসূল ﷺ কবর যিয়ারতের সময় কাঁদতেন।

টিকাঃ
৫১. মুসলিম, আস-সহীহ, অধ্যায়: জানায়েয, অনুচ্ছেদ: ইসতিযানু নাবী রব্বাহু আয্যা ওয়া জাল্লা ফি যিয়ারাতি কবরি উম্মিহি, খ. ২য়, পৃ. ৬৭২, হাদিস নং. ৯৭৭
৫২. মুসলিম, আস-সহীহ, অধ্যায়: জানায়েয, অনুচ্ছেদ: ইসতিযানু নাবী রব্বাহু আয্যা ওয়া জাল্লা ফি যিয়ারাতি কবরি উম্মিহি, খ. ২য়, পৃ. ৬৭১, হাদিস নং. ৯৭৬
৫৩. আবু দাউদ, আস-সুনান, অধ্যায়: জানায়েয, অনুচ্ছেদ: যিয়ারতুল কুবুর, খ. ৩য়, পৃ. ২১৮, হাদিস নং, ৩২৩৫
৫৪. মুসলিম, আস-সহীহ, অধ্যায়: জানায়েয, অনুচ্ছেদ: ইসতিযানু নাবী রব্বাহু আয্যা ওয়া জাল্লা ফি যিয়ারাতি কবরি উম্মিহি, খ. ৩য়, পৃ. ৬৫, হাদিস নং, ২৩০৪

📘 রাসুলুল্লাহ সাঃ এর কান্না > 📄 সন্তান সন্ততি ও আত্মীয়স্বজনের মৃত্যুর পরে ক্রন্দন

📄 সন্তান সন্ততি ও আত্মীয়স্বজনের মৃত্যুর পরে ক্রন্দন


সন্তান-সন্ততি ও আত্মীয়-স্বজনের মৃত্যুর পরে কান্নাটা স্বাভাবিক ব্যাপার। তাই শরী'আহ এ ক্ষেত্রে কান্নার অনুমতি দিয়েছে। স্বয়ং রাসূল ﷺ থেকে তাঁর ছেলে-মেয়ে ও আত্মীয়-স্বজনের মৃত্যুর পর কান্নার উদাহরণ রয়েছে। রাসূল ﷺ এর চাচা হামজা (রা) এর শাহাদাতের পর যখন তাঁর নাক, কান কেটে বিকৃত করা হয়েছিল তখনও রাসূল ﷺ এই পৈচাশিকতা দেখে কেঁদেছিলেন।

টিকাঃ
৫৫. বুখারী, আস-সহীহ, অধ্যায়: জানায়িয, অনুচ্ছেদ: কওলুন্নাবী (সা) ইন্না বিকা লা মাহযুনুন, খ. ৫ম, পৃ. ৫৭, হাদিস নং, ১২২০
৫৬. ইবন মাজাহ, আস-সুনান, অধ্যায়: জানায়েয, অনুচ্ছেদ: মা যায়া ফিল বুকা আলাল মায়্যিত, খ. ২য়, পৃ. ৫২৫, হাদিস নং, ১৫৯১, আলবানি বলেন, হাদিসটি হাসান সহীহ।

📘 রাসুলুল্লাহ সাঃ এর কান্না > 📄 প্রাকৃতিক বিপদ-আপদে আল্লাহর সাহায্য প্রার্থনা করে কান্না

📄 প্রাকৃতিক বিপদ-আপদে আল্লাহর সাহায্য প্রার্থনা করে কান্না


প্রাকৃতিক বিপদ আপদের ক্ষতি থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য আল্লাহর সাহায্য চেয়ে কান্নাকাটি করা উচিত। রাসূল ﷺ আমাদের এরূপ করার নির্দেশ দিয়েছেন। যেমন হাদিসে এসেছে,
عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرو ، قالَ : كَسَفَتِ الشَّمْسُ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم ، فصَلَّى رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم فأَطالَ القِيَامَ ، ثُمَّ رَكَعَ فأَطالَ الرُّكُوعَ ، ثُمَّ رَفَعَ فَأَطالَ - قَالَ شُعْبَة : وَأَحْسَبُهُ قَالَ : فِي السُّجُودِ نَحْوَ ذلِكَ - وَجَعَلَ يَبْكِي فِي سُجُودِهِ وَيَنْفُخُ
আব্দুল্লাহ ইবন আমর (রা) বলেন, রাসূল ﷺ এর যুগে সূর্য গ্রহণ হলে রাসূল ﷺ নামাজ পড়লেন এবং তাতে দীর্ঘ কিয়াম করলেন। অতঃপর রুকুতে গিয়ে দীর্ঘক্ষণ অবস্থান করলেন, এরপর রুকু থেকে উঠে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকলেন। (অধস্তন রাবী) শো'বা বলেন, আমার ধারণামতে তিনি (আতা) সিজদার ব্যাপারেও অনুরূপ বলেছেন। তিনি সিজদার অবস্থায় ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কেঁদেছেন।

টিকাঃ
৫৭. আন-নাসায়ী, আস-সুনান, অধ্যায়: খুসুফ, অনুচ্ছেদ: আল কওলু ফিস সুজুদ ফি সালাতিল কুসুফ, খ. ৫ম, পৃ. ৩৯৭, হাদিস নং. ১৪৭৯, আলবানি হাদিসটিকে সহীহ বলেছেন। সহীহ বুখারী ও মুসলিমে হাদিসটি কান্নার শব্দটি বাদ দিয়ে উল্লেখ করা হয়েছে।

📘 রাসুলুল্লাহ সাঃ এর কান্না > 📄 অসুস্থ ব্যক্তিকে দেখতে গিয়ে কান্না

📄 অসুস্থ ব্যক্তিকে দেখতে গিয়ে কান্না


আল্লাহ তা'আলা মানুষকে বিভিন্ন সময় বিভিন্নভাবে পরীক্ষা করে থাকেন। তেমনি রোগের মাধ্যমে মু'মিন ব্যক্তিকে পরীক্ষা করা হয়। কোনো মানুষ যখন অসুস্থ হবে, তখনই তার প্রতিবেশির দায়িত্ব ও কর্তব্য হলো তার সেবা শুশ্রূষা করা। কেননা অসুস্থ ব্যক্তির হকই হলো তার সেবা যত্ন করা। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «حَقُّ الْمُسْلِمِ عَلَى المُسلِم سِتٌ قِيلَ: مَا هُنَّ يَا رَسُولَ اللهِ؟، قَالَ: «إِذَا لَقِيتَهُ فَسَلَّمْ عَلَيْهِ، وَإِذَا دَعَاكَ فَأَحِبْهُ، وَإِذَا اسْتَنْصَحَكَ فانْصَحْ لَهُ، وَإِذَا عَطَسَ فَحَمِدَ اللَّهَ فَسَمِّنْهُ، وَإِذَا مَرِضَ فَعُدْهُ وَإِذَا مَاتَ فَاتَّبِعْهُ
আবু হুরায়রা (রা) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, মুসলমানের একের ওপর অন্যের ছয়টি হক রয়েছে। জিজ্ঞেস করা হলো, হে আল্লাহর রাসূল ﷺ সেগুলো কী? রাসূল ﷺ বলেছেন, যখন তুমি কোনো মুসলমানের দেখা পাবে, তখন সালাম দিবে। যখন কেহ তোমাকে দাওয়াত দেয়, তার দাওয়াত কবুল করবে। কেউ উপদেশ চাইলে তাকে উপদেশ দিবে। হাঁচি দিয়ে যখন 'আলহামদুলিল্লাহ' বলে তুমি তার জবাবে 'ইয়ারহামুকাল্লাহ' বলবে। অসুস্থ হলে তাকে দেখতে যাবে। আর কেউ মরে গেলে তার জানাজা ও দাফনে শরীক হবে।
عَنْ أَبِي مُوسَى رَضِيَ اللهُ عَنْهُ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «أَطْعِمُوا الجَائِعَ، وَعُودُوا المَرِيضِ، وَقُدُّوا الْعَانِي»
আবু মুসা আশয়ারী (রা) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, তোমরা ক্ষুধার্তকে খেতে দিবে, রোগীর পরিচর্যা করবে এবং বন্দিকে মুক্ত করে দিবে।
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: " إِنَّ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ يَقُولُ يَوْمَ القِيَامَةِ: يَا ابْنَ آدَمَ مَرِضْتُ فَلَمْ تَعُدْنِي، قَالَ: يَا رَبِّ كَيْفَ أَعُودُكَ؟ وَأَنْتَ رَبُّ العَالَمِينَ، قَالَ: َأمَا عَلِمْتَ أَنَّ عَبْدِي فُلانًا مَرضَ فَلَمْ تَعُدْهُ، أَمَا عَلِمْتَ أَنَّكَ لَوْ عُدْتَهُ لَوَجَدْتَنِي عِنْدَهُ؟
আবু হুরায়রা (রা) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, কিয়ামতের দিন আল্লাহ (কোনো এক ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে) বলবেন, হে আদম সন্তান! আমি রোগাক্রান্ত হয়েছিলাম, কিন্তু, তুমি আমার সেবা করনি। সে বলবে, হে আমার প্রতিপালক! তুমি কী করে রোগাক্রান্ত হলে যে আমি তোমার সেবা করতে আসব অথচ তুমি সারা বিশ্বের প্রতিপালক। আল্লাহ বলবেন, আমার অমুক বান্দা পীড়িত হওয়া সম্পর্কে তুমি অবগত ছিলে, অথচ তুমি তার সেবা করতে যাওনি। তুমি কি জানতে না যে, তুমি যদি তার সেবা করতে যেতে, তাহলে আমাকে তুমি সেখানে পেতে।
অন্ধকার দেখে যেমন আলো বোঝা যায় তেমনি রোগী দেখে সুস্থ মানুষের সুস্থতা ও করণীয় উপলব্ধি করা যায়। তখন নিজের সুস্থতার জন্য আল্লাহর শুকরিয়া আদায় এবং অসুস্থ ব্যক্তির প্রতি সহানুভূতি ও সহমর্মিতা প্রকাশ করার জন্য কান্নাকাটি করার অনুমোদন শরী'আতে রয়েছে। রাসূলুল্লাহ ﷺ থেকে এরূপ উদাহরণ পাওয়া যায়।
عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ - رضي الله عنهما - قالَ اشْتَكَى سَعْدُ بْنُ عُبَادَةَ شَكْوَى لَهُ فَأَتَاهُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم - يَعُودُهُ مَعَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ وَسَعْدِ بْنِ أبي وَقَاصِ وَعَبْدِ اللهِ بْنِ مَسْعُودٍ - رضي الله عنهم فلمَّا دَخَلَ عَلَيْهِ فَوَجَدَهُ فِي غَاشِيَةِ أَهْلِهِ فَقَالَ « قد قضى » . قالوا لا يَا رَسُولَ اللهِ . فَبَكَى النَّبِيُّ - صلى الله عليه وسلم - فلمَّا رَأَى القَوْمُ بُكَاءَ النَّبي - صلى الله عليه وسلم - بَكَوْا فَقَالَ « أَلا تَسْمَعُونَ إِنَّ اللَّهَ لا يُعَذِّبُ بِدَمْعِ العَيْن ، ولا يحزن القلبِ ، وَلَكِنْ يُعَذِّبُ بِهَذَا - وَأَشَارَ إِلَى لِسَانِهِ - أَوْ يَرْحَمُ وَإِنَّ المَيِّتَ يُعَذِّبُ بِبُكَاءِ أَهْلِهِ عَلَيْهِ »
আব্দুল্লাহ ইবনে আমর (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, সাদ বিন উবাদাতাহ কোনো এক রোগে ভুগছিলেন। নবী ﷺ আব্দুর রহমান ইবনে আওফ, সাদ বিন আবু ওয়াক্কাস এবং আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা) সহ তাঁকে দেখতে আসলেন। তাঁর কাছে গিয়ে দেখলেন তিনি পরিবার পরিজন দ্বারা বেষ্টিত আছেন। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন তিনি কি মারা গেছেন? তারা বলল না, হে আল্লাহর রাসূল! একথা শুনে রাসুল ﷺ কেঁদে ফেললেন। রাসূল ﷺ এর কান্না দেখে তারাও কাঁদতে লাগল। তখন তিনি বলেন, তোমাদের কোনো চোখের অশ্রু এবং অন্তরের শোকের জন্য আল্লাহ কাউকে শাস্তি দেবেন না। কিন্তু শাস্তি দেবেন অথবা দয়া করবেন এর জন্য, (এ বলে তিনি) নিজ জিহ্বার দিকে ইশারা করলেন। নিঃসন্দেহে মৃতের প্রতি পরিজনের বিলাপের দরুন শাস্তি দেওয়া হয়। আর উমার (রা) এর অবস্থা ছিল এমন যে, তিনি এরূপ কাঁদার জন্য লাঠি দ্বারা আঘাত করতেন, কংকর নিক্ষেপ করতেন এবং মুখে মাটি পুরে দিতেন।

টিকাঃ
৫৮. মুসলিম, আস-সহীহ, অধ্যায়: সালাম, অনুচ্ছেদ: হাক্কুল মুসলিমি লিল মুসলিম, খ. ৪র্থ, পৃ. ১৭০৫, হাদিস নং: ২১৬২
৫৯. বুখারী, আস-সহীহ, অধ্যায়: মারদা, অনুচ্ছেদ: উজুবু ইয়াদাতিল মারিদ, খ. ৭ম, পৃ. ১১৫, হাদিস নং: ৫৬৪৯
৬০. মুসলিম, আস-সহীহ, অধ্যায়: আল-বিররু ওয়াস সিলাতু ওয়াল আদাব, অনুচ্ছেদ: ফাদলু ইয়াদাতুল মারিদ, খ. ৪র্থ, পৃ. ১৯৯০, হাদিস নং: ২৫৬৯
৬১. আবু উমর আবদুল আযীয ইবন ফাতহী আস সায়্যিদ নিদা, মাওসুয়াতুল আদাবিল ইসলামিয়্যাহ (রিয়াদ: দারু তয়্যিবাহ লিন নাশরী ওয়াত তাওযী', ২য় সং, ২০০৪), পৃ. ২৫১
৬২. বুখারী, আস-সহীহ, অধ্যায়: জানায়েয, অনুচ্ছেদ: আল-বুকা ইনদাল মারিদ, খ. ১ম, পৃ. ৪৩৯, হাদিস নং: ১২৪২

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00