📘 রাসুলুল্লাহ সাঃ এর কান্না > 📄 সাহাবাগণের কান্না

📄 সাহাবাগণের কান্না


রাসূল ﷺ এর সাহাবারা আল্লাহর ভয়ে কাঁদতেন এবং বিনয়ী থাকতেন। যেমন: হাদিসে এসেছে,
عَنْ عَائِشَةَ ، رَضِيَ اللهُ عَنْهَا ، قالت لمَّا مَرضَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم مَرَضَهُ الَّذِي مَاتَ فِيهِ أَتَاهُ بِلاَلٌ يُؤْذِنُهُ بالصَّلاةِ فَقالَ مُرُوا أَبَا بَكْرٍ فَلْيُصَلِّ قُلْتُ إِنَّ أَبَا بَكْر رَجُلٌ أَسِيفٌ إِنْ يَقُمْ مَقَامَكَ يَبْكِي فَلا يَقْدِرُ عَلَى الْقِرَاءَةِ قَالَ مُرُوا أَبَا بكر فليصل فقُلتُ مِثله فقالَ فِي الثَّالِثَةِ ، أو الرَّابِعَةِ إِنَّكُنَّ صَوَاحِبُ يُوسُفَ مُرُوا أَبَا بَكْرٍ فَلْيُصَلِّ
আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যে পীড়ায় নবী ﷺ ইন্তেকাল করেন, সেই পীড়ায় তিনি আক্রান্ত তখন এক সময়ে বেলাল (রা) তাঁকে নামাজের সময় হয়েছে এই কথা অবহিত করতে গেলে রাসূল ﷺ বললেন, আবু বকরকে বল লোকদেরকে নিয়ে নামাজ আদায় করতে। আয়েশা (রা) বলেন, আমি বললাম আবু বকর নরম স্বভাবের অধিকারী। আপনার পরিবর্তে আপনার জায়গায় নামাজ পড়াতে দাঁড়ালে কেঁদে ফেলবেন এবং সেজন্য কুরআন পড়তে সক্ষম হবেন না। (একথা শুনে) তিনি আবার বললেন, আবু বকরকে নামাজ পড়াতে নির্দেশ দাও। আয়েশা (রা) বলেন, আমি আবার আগের মতো বললাম। তিনি তৃতীয়বার কিংবা চতুর্থবার বললেন। তোমরা দেখছি ইউসুফের সময়কার সেই মেয়েদের মত। আবু বকরকে বল, সে ইমাম হয়ে নামাজ আদায় করুক।
আনাস (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন,
عَنْ أَنَسٍ قَالَ قَالَ أبو بكر رضى الله عنه بَعْدَ وَفَاةِ رَسُول الله صلى الله عليه وسلم- لِعُمَرَ انْطَلِقْ بِنَا إِلَى أُمِّ أَيْمَنَ نَزُورُهَا كَمَا كَانَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم - يَزُورُهَا. فَلمَّا انْتَهَيْنَا إِلَيْهَا بَكَت فقالاً لهَا مَا يُبْكِيكِ مَا عِنْدَ اللَّهِ خَيْرٌ لِرَسُولِهِ صلى الله عليه وسلم . فقالت مَا أبْكِي أن لا أكونَ أَعْلَمُ أَنَّ مَا عِندَ اللَّهِ خَيْرٌ لِرَسُولِهِ صلى الله عليه وسلم وَلكِنْ أَبْكِي أَنَّ الوَحْيَ قَدِ انْقَطَعَ مِنَ السَّمَاءِ. فَهَيَّجَتْهُمَا عَلى البُكَاءِ فَجَعَلا يَبْكِيَانِ مَعَهَا.
আবু বকর (রা) রাসূল ﷺ এর মৃত্যুর পর উমর (রা)-কে বললেন, রাসূল ﷺ যেভাবে উম্মে আইমানের সাথে সাক্ষাৎ করতে যেতেন চল আমরাও তেমন তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করে আসি। আনাস (রা) বলেন, আমরা যখন উম্মে আইমানের নিকট পৌঁছালাম তখন তিনি কাঁদতে লাগলেন। আবু বকর ও উমর (রা) তাঁকে বললেন, আপনি কাঁদছেন কেন? আল্লাহর কাছে তো তাঁর রাসূলের জন্য কল্যাণকর জিনিসই রয়েছে। উত্তরে তিনি বললেন, আমি এজন্য কাঁদছি না যে, আল্লাহর কাছে তাঁর রাসূলের জন্য কি রয়েছে বরং আমি এজন্যই কাঁদছি যে আসমান থেকে ওহী আসা চিরতরে বন্ধ হয়ে গেল। আনাস (রা) বলেন, তাঁর এ কথায় তাঁদের দুজনেরও কান্না এসে গেল এবং তাঁরাও তাঁর সাথে কাঁদতে লাগলেন।

টিকাঃ
২৪. বুখারী, আস-সহীহ, অধ্যায়: আজান, অনুচ্ছেদ: মান আসমায়ান নাসু তাকবিরুল ইমাম খ. ৩য়, পৃ. ২৩৯, হাদিস নং, ৬১৪৭
২৫. মুসলিম, আস-সহীহ, অধ্যায়: ফাদায়েল, অনুচ্ছেদ: ফাদায়েলে উম্মে আইমান (রা) খ. ৭ম, পৃ. ১৪৪, হাদিস নং, ৬৪৭২

📘 রাসুলুল্লাহ সাঃ এর কান্না > 📄 কান্নার ব্যাপারে সালফে সালেহীনদের বক্তব্য

📄 কান্নার ব্যাপারে সালফে সালেহীনদের বক্তব্য


সালফে সালেহীনগণ কুরআন তেলাওয়াতের সময়, নামাজে ও অন্যান্য সময়ে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন ও তাঁর শাস্তি থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য কান্নাকাটি করতেন। যার অসংখ্য প্রমাণ ইতিহাসের গ্রন্থাবলিতে পাওয়া যায়। সালফে সালেহীনগণের কান্নার কয়েকটি নমুনা নিম্নে তুলে ধরা হলো:
শাদ্দাদ (র) বর্ণনা করেন, আমি শেষ কাতারে থেকেও নামাজের মধ্যে উমরের কাঁদার শব্দ শুনেছি। তিনি সে সময় কুরআনের আয়াত
إِنَّمَا أَشْكُو بَنِي وَحُزْنِي إلى الله
“আমি আমার চরম দুঃখ ও মনোকষ্টের অভিযোগ আমার প্রভু আল্লাহর কাছে পেশ করছি” অর্থাৎ সূরা ইউসুফ পড়ছিলেন।
বিখ্যাত তা'বেয়ী আতা ইবনে আবী রাবাহ (র) তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন,
“আমি আব্দুল্লাহ ইবন আমরের জন্য সুরমা প্রস্তুত করতাম, তিনি বাতি নিভিয়ে দিয়ে কান্না শুরু করতেন। এমনকি তাঁর চক্ষুদ্বয় পানিতে ভেসে যেত।”
ইবন উমর (রা) যখন কুরআনের এ আয়াত পড়তেন
الَمْ يَأْنِ لِلَّذِينَ آمَنُوا أَنْ تَخْشَعَ قُلُوبُهُمْ لِذِكْرِ اللهِ وَمَا نَزَلَ مِنَ الْحَقِّ وَلَا يَكُونوا كَالَّذِينَ أوتوا الكِتَابَ مِنْ قَبْلُ فطالَ عَلَيْهِمُ الأمَدُ فقسَتْ قُلُوبُهُمْ وَكَثِيرٌ مِنْهُمْ فَاسِقُونَ
ঈমান গ্রহণকারীদের জন্য এখনও কি সে সময় আসেনি যে, আল্লাহর স্মরণে তাদের মন বিগলিত হবে, তাঁর নাযিলকৃত মহাসত্যের সামনে অবনত হবে এবং তারা সেসব লোকদের মতো হবে না যাদেরকে ইতিপূর্বে কিতাব দেওয়া হয়েছিল। দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হওয়ার কারণে তাদের মন কঠোর হয়ে গিয়েছে এবং আজ তাদের অধিকাংশই ফাসেক হয়ে গেছে।” তখন তিনি আল্লাহর ভয়ে শুধু কাঁদতেই থাকতেন।
তা'বেয়ী আবু রাজা আল আতারুদী (র) বলেন,
আমি ইবনে আব্বাস (রা) এর দু'চোখের নিচে কাঁদার কারণে জুতার ফিতার ন্যায় চিহ্ন দেখেছি।
বিখ্যাত তা'বেয়ী কাতাদাহ ইবনে দি'আমাহ আস-সাদৃসী (র) বলেন,
আলা ইবন যিয়াদ এতই কাঁদতেন যে, তাঁর চোখ আচ্ছন্ন হয়ে আসত। তিনি যখন কিছু পড়তে এবং বলতে চাইতেন তখন তাঁর খুব বেশি কান্না পেত, আর তাঁর পিতা যিয়াদ ইবন মাতার কাঁদতে কাঁদতে অন্ধ হয়ে গিয়েছিলেন।
আব্দুল্লাহ ইবনে উবায়দুল্লাহ ইবনে উমর (র) তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি যখন কুরআনের এ আয়াত তেলাওয়াত করতেন
فَكَيْفَ إِذَا جِئْنَا مِنْ كُلِّ أُمَّةٍ بِشَهِيدٍ وَجِئْنَا بِكَ عَلَى هَؤُلَاءِ شَهِيدًا
(অতঃপর যখন আমরা প্রত্যেক উম্মত হতে একজন সাক্ষী উপস্থিত করব এবং আপনাকে তাদের বিরুদ্ধে সাক্ষীরূপে উপস্থিত করব তখন কি অবস্থা হবে?) তখন কাঁদতে শুরু করতেন এমনকি তাঁর চোখের পানি তাঁর দাড়ি ভিজে বক্ষে মিলিত হতো। তখন লোকেরা আমাকে বলত সংক্ষেপ কর তুমি বৃদ্ধ লোকটাকে কষ্ট দিচ্ছ।
কা'বিল আহবার বলেন, আল্লাহর ভয়ে ক্রন্দন আমার নিকট আমার নিজের ওজনের সমপরিমাণ স্বর্ণ সদকাহ করার চেয়েও বেশি প্রিয় ছিল।
মুগিরা (র) বলেন, "ইব্রাহিম আত-তাইমি (র) যখন আবি ওয়ায়েলের বাড়িতে কুরআন সুন্নাহর উপদেশ দিচ্ছিলেন আর আবু ওয়ায়েল তখন পাখির মত চোখ দিয়ে অশ্রু প্রবাহিত করছিলেন।”
কাসিম আল-আরাজ (র) বলেন, বিখ্যাত তাবেয়ী সাঈদ ইবনে যুবাইর (র) রাত্রে কাঁদতে কাঁদতে অন্ধ হয়ে যান।
শুবা (র) বলেন, সাবেত ইবনে আসলাম (র) এত বেশি কাঁদতেন যে, কাঁদতে কাঁদতে তিনি বাঁকা হয়ে গিয়েছিলেন।
হাম্মাদ ইবনে সালামাহ (র) বলেন, সাবেত আলবানী (র) রাত্রের নামাজে (তাহাজ্জুদ) বার বার সূরা কাহাফের এ আয়াত পড়তে ভালবাসতেন-
قالَ لَهُ صَاحِبُهُ وَهُوَ يُحَاوِرُهُ أَكَفَرْتَ بِالَّذِي خَلَقكَ مِنْ تُرَابٍ ثُمَّ مِنْ نُطْفَةٍ ثُمَّ سَوَّاكَ رَجُلًا
(তার সঙ্গী তাকে কথা প্রসঙ্গে বলল, তুমি তাকে অস্বীকার করছ, যিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন মাটি থেকে, অতঃপর পূর্ণাঙ্গ করেছেন তোমাকে মানবাকৃতিতে) এবং কাঁদতেন।
হাম্মাদ ইবনে সালামাহ (র) আরো বলেন,
একদিন আমাদের মাঝে মুহাম্মদ ইবনে মুনকাদির (র) রাত্রে নামাজ পড়ছিলেন এবং এত বেশি কাঁদছিলেন যে পরিবারের লোকেরা ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে তাঁকে কান্নার কারণ জিজ্ঞাসা করলে তিনি ভয়ে কোনো কথা বলতে পারছিলেন না। তখন তারা আবু হাজমকে (র) ডেকে পাঠালে তিনি এসে কান্নার কারণ জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, আমি আল্লাহর ভয়ে একটি আয়াত তেলাওয়াত করতে পারছিলাম না সেটা হলো:
وَلَوْ أَنَّ لِلَّذِينَ ظَلَمُوا مَا فِي الأَرْضِ جَمِيعًا وَمِثْلَهُ مَعَهُ افْتَدَوْا بِهِ مِنْ سُوء الْعَذَابِ يَوْمَ القِيَامَةِ وَبَدَا لَهُمْ مِنَ اللهِ مَا لَمْ يَكُونُوا يَحْتَسِبُونَ
(যদি গোনাহগারদের কাছে পৃথিবীর সবকিছু থাকে এবং তার সাথে সমপরিমাণ আরও থাকে, তবে অবশ্যই তারা কেয়ামতের দিন সে সবকিছুই নিষ্কৃতি পাওয়ার জন্য মুক্তিপণ হিসেবে দিয়ে দিতে চাইতো। অথচ তারা দেখতে পাবে, আল্লাহর পক্ষ থেকে এমন শাস্তি, যা তারা কল্পনাও করতে পারত না।) এ আয়াত শুনে আবু হাজম সহ তারা দুজনই কাঁদতে লাগলেন।
সুফিয়ান আস-সাওরী (র) বলেন,
“মুহাম্মদ ইবনু মুনকাদির বলেছেন, যখন কেউ কাঁদতে শুরু করে এবং তার • চোখের পানি তার মুখমণ্ডল এবং দাঁড়ি স্পর্শ করে, তা আল্লাহর নিকট পৌঁছে যায়। আর চোখের পানি স্পর্শ করা জায়গাগুলো জাহান্নামের আগুন কখনও স্পর্শ করতে পারবে না।”
আবি নযর ইসহাক ইবনে ইব্রাহিম (র) বলেন,
আমি শুনেছি নামাজের সময় সাঈদ ইবনে আব্দিল আযীযের (র) নামাজের মাদুর চোখের পানিতে ভিজে যেত। আব্দুর রহমান আল-আসাদী বলেন, আমি সাঈদ ইবনে আব্দিল আযীযকে জিজ্ঞাসা করেছি জায়নামাজে এটা কিসের পানি? তিনি বলেন, হে আমার ভাই! এটা আপনি আমাকে জিজ্ঞাসা করবেন না। তিনি বলেন, আমি এজন্য জিজ্ঞাসা করছি সম্ভবতঃ এখান থেকে আমি উপকৃত হতে পারব। তিনি বলেন, আমি যখন নামাজে দাঁড়াই তখন আমার শুধু জাহন্নামের কথা ছাড়া আর কিছুই স্মরণ হয় না।
হাসান ইবনে আরাফাতা (র) বলেন, আমি ইয়াযিদ ইবনে হারুনকে (র) দেখেছি দুচোখবিশিষ্ট অনেক সুন্দর চেহারার লোক হিসেবে। কিছুদিন পরে দেখলাম তাঁর একটি চোখ, তারপর দেখলাম তিনি অন্ধ হয়ে গেছেন। আমি তাঁকে জিজ্ঞাসা করলাম, হে আবু খালেদ! আপনার সুন্দর চোখ দুটির কি হলো? তিনি বললেন, ভোর রাতে কেঁদে কেঁদে চোখ দুটি অন্ধ হয়ে গেছে।
সুফিয়ান আস-সাওরী বলেন, কান্নার ১০টি অংশ রয়েছে। একটি অংশ আল্লাহর জন্য, বাকি ৯টি অংশ অন্যদের জন্য। যখন আল্লাহর অংশ বছরে একবার আদায় হয় তখন সেটাই অনেক বেশি হয়ে যায়।
আব্দুল্লাহ ইবনে উতবাহ নিজের ভুলের (গোনাহর) কথা স্মরণ করে শুধু কাঁদতেন আর আফসোস করে বলতেন, হায় আমার আত্মার আফসোস! কোন জিনিসের কারণে তুমি আমার রবের সীমালঙ্ঘন করেছিলে? শুধুমাত্র আমার রবের নিয়ামত আমার কাছে থাকার কারণে তোমার এই অবাধ্যতা!
ইমাম শাফেয়ী (র) মৃত্যুর আগে যখন অসুস্থ হয়ে যান তখন কিছু লোক তাঁকে দেখতে গিয়ে জিজ্ঞাসা করল, আপনি কেমন আছেন? তিনি বললেন, দুনিয়াটাতো মুসাফিরের মতো কাটালাম, এখন যাওয়ার সময়, আমার ভাল এবং মন্দ কাজের প্রতিদান তো আল্লাহর ইচ্ছার ওপর। আমি জানি না আমার মৃত্যুর পরে আমাকে কি জান্নাতের নিয়ামত ভোগ করতে দেওয়া হবে না জাহান্নামের আযাব ভোগ করতে হবে? এরপর তিনি অঝোরে কান্না শুরু করলেন।

টিকাঃ
২৬. আয-যাহাবী, শামসুদ্দিন মুহাম্মাদ, তারিখুল ইসলাম ওয়া তাবাকাত আল-মাশাহীর ওয়াল আ'লাম, (বৈরূত: দারুল কিতাব আল-আরাবি, ১ম সং ১৯৮৭), খ. ৫ম, পৃ. ১৬৫
২৭. আল-কুরআন, সূরা হাদীদ, ৫৭: ১৬
২৮. ইবনুল আছির, উসদুল গাবা, খ. ২য়, পৃ. ১৫৪
২৯. আয-যাহাবী, তারীখুল ইসলাম, ৫ম খণ্ড, পৃ. ১৫৮
৩০. প্রাগুক্ত, ৬ষ্ঠ খন্ড, পৃ. ৪৪৫
৩১. আল-কুরআন, সূরা নিসা, ৪:৪১
৩২. আল-ওয়াফি বিল ওফায়াত, লিস-সাফাদি, (http://www.alwarraq.com)
৩৩. আল-কুরআন, সূরা আল-কাহফ, ১৮:৩৭
৩৪. আল-কুরআন, সূরা যুমার, ৩৯:৪৭
৩৫. সিয়ারে 'আলামুন নুবালা, ইমাম আয-যাহবী, তাঁ থেকে মানজিদ আল-খতিব, আহমাদ সাকর আস সুয়াইদি, ১ম খণ্ড, পৃ. ৪৫৬-৪৬৩।
৩৬. এখানে একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আমাদের নিকট স্পষ্ট হয়, তাহলো আমরা আমাদের পার্থিব নানা সুখ, দুঃখ, বেদনা ও হারানোর জন্য কেঁদে থাকি কিন্তু সারা বছর একবারও কি আল্লাহর ভয়ে কেঁদেছি?
৩৭. হায়্যা বিনা নুমিনু সা'আতান, লিসাঈদ আব্দিল আজিম, দারুল ঈমান আল- ইসকান্দারিয়া, আল-ইকদুল ফারিদ, লি ইবনে আব্দি রব্বিহী, তাহকীক, মুহাম্মাদ আব্দুল কাদের শাহীন, ১ম সংস্করণ, ১৪১২ হিজরী, ১৯৯২ সাল।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00