📄 নিষিদ্ধ কর্মে বাঁধা দান
রমজানের পবিত্রতা রক্ষায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অত্যন্ত কঠোর ছিলেন। তিনি গীবত, চোগলখুরি, ঝগড়া-বিবাদ এবং অশ্লীল কথা থেকে বিরত থাকতে নির্দেশ দিতেন। তিনি বলতেন, ‘যদি কেউ তোমার সাথে ঝগড়া করতে আসে, তবে তাকে বলো—আমি রোজাদার।’ তিনি রোজাদারদের জন্য বাজারের হইচই এবং অহেতুক আড্ডা বর্জন করা আবশ্যক করে দিয়েছিলেন।
রমজানের পবিত্রতা রক্ষায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অত্যন্ত কঠোর ছিলেন। তিনি গীবত, চোগলখুরি, ঝগড়া-বিবাদ এবং অশ্লীল কথা থেকে বিরত থাকতে নির্দেশ দিতেন। তিনি বলতেন, ‘যদি কেউ তোমার সাথে ঝগড়া করতে আসে, তবে তাকে বলো—আমি রোজাদার।’ তিনি রোজাদারদের জন্য বাজারের হইচই এবং অহেতুক আড্ডা বর্জন করা আবশ্যক করে দিয়েছিলেন।
রমজানের পবিত্রতা রক্ষায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অত্যন্ত কঠোর ছিলেন। তিনি গীবত, চোগলখুরি, ঝগড়া-বিবাদ এবং অশ্লীল কথা থেকে বিরত থাকতে নির্দেশ দিতেন। তিনি বলতেন, ‘যদি কেউ তোমার সাথে ঝগড়া করতে আসে, তবে তাকে বলো—আমি রোজাদার।’ তিনি রোজাদারদের জন্য বাজারের হইচই এবং অহেতুক আড্ডা বর্জন করা আবশ্যক করে দিয়েছিলেন।
রমজানের পবিত্রতা রক্ষায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অত্যন্ত কঠোর ছিলেন। তিনি গীবত, চোগলখুরি, ঝগড়া-বিবাদ এবং অশ্লীল কথা থেকে বিরত থাকতে নির্দেশ দিতেন। তিনি বলতেন, ‘যদি কেউ তোমার সাথে ঝগড়া করতে আসে, তবে তাকে বলো—আমি রোজাদার।’ তিনি রোজাদারদের জন্য বাজারের হইচই এবং অহেতুক আড্ডা বর্জন করা আবশ্যক করে দিয়েছিলেন।
📄 না-ছোড়দের শিক্ষাদান
অনেক সময় কিছু লোক বারবার একই প্রশ্ন বা অহেতুক বিষয়ে তর্কে লিপ্ত হতে চাইত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অত্যন্ত ধৈর্য ও গাম্ভীর্যের সাথে তাদের মোকাবিলা করতেন। তিনি প্রজ্ঞার সাথে তাদের ভুল শুধরে দিতেন এবং কীভাবে সময়ের অপচয় না করে আল্লাহর ইবাদতে মগ্ন হওয়া যায়, সেই শিক্ষা দিতেন। তাঁর ধৈর্যশীল আচরণ দেখে অনেকেই লজ্জিত হয়ে নিজেদের সংশোধন করে নিত।
অনেক সময় কিছু লোক বারবার একই প্রশ্ন বা অহেতুক বিষয়ে তর্কে লিপ্ত হতে চাইত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অত্যন্ত ধৈর্য ও গাম্ভীর্যের সাথে তাদের মোকাবিলা করতেন। তিনি প্রজ্ঞার সাথে তাদের ভুল শুধরে দিতেন এবং কীভাবে সময়ের অপচয় না করে আল্লাহর ইবাদতে মগ্ন হওয়া যায়, সেই শিক্ষা দিতেন। তাঁর ধৈর্যশীল আচরণ দেখে অনেকেই লজ্জিত হয়ে নিজেদের সংশোধন করে নিত।
অনেক সময় কিছু লোক বারবার একই প্রশ্ন বা অহেতুক বিষয়ে তর্কে লিপ্ত হতে চাইত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অত্যন্ত ধৈর্য ও গাম্ভীর্যের সাথে তাদের মোকাবিলা করতেন। তিনি প্রজ্ঞার সাথে তাদের ভুল শুধরে দিতেন এবং কীভাবে সময়ের অপচয় না করে আল্লাহর ইবাদতে মগ্ন হওয়া যায়, সেই শিক্ষা দিতেন। তাঁর ধৈর্যশীল আচরণ দেখে অনেকেই লজ্জিত হয়ে নিজেদের সংশোধন করে নিত।
অনেক সময় কিছু লোক বারবার একই প্রশ্ন বা অহেতুক বিষয়ে তর্কে লিপ্ত হতে চাইত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অত্যন্ত ধৈর্য ও গাম্ভীর্যের সাথে তাদের মোকাবিলা করতেন। তিনি প্রজ্ঞার সাথে তাদের ভুল শুধরে দিতেন এবং কীভাবে সময়ের অপচয় না করে আল্লাহর ইবাদতে মগ্ন হওয়া যায়, সেই শিক্ষা দিতেন। তাঁর ধৈর্যশীল আচরণ দেখে অনেকেই লজ্জিত হয়ে নিজেদের সংশোধন করে নিত।
📄 ফিতরা আদায়ের আদেশ
রমজানের শেষে ঈদের নামাজের আগে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘সাদাকাতুল ফিতর’ আদায় করা ফরজ করেছেন। তিনি নির্দেশ দিয়েছিলেন যেন প্রত্যেক মুসলিম—চাই সে ছোট হোক বা বড়, স্বাধীন হোক বা দাস—এক ‘সা’ পরিমাণ খাদ্যশস্য (খেজুর বা যব) ফিতরা হিসেবে প্রদান করে। এর উদ্দেশ্য ছিল গরিব-মিসকিনদের ঈদের খুশিতে শামিল করা এবং রোজার ভুলত্রুটির কাফফারা আদায় করা।
রমজানের শেষে ঈদের নামাজের আগে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘সাদাকাতুল ফিতর’ আদায় করা ফরজ করেছেন। তিনি নির্দেশ দিয়েছিলেন যেন প্রত্যেক মুসলিম—চাই সে ছোট হোক বা বড়, স্বাধীন হোক বা দাস—এক ‘সা’ পরিমাণ খাদ্যশস্য (খেজুর বা যব) ফিতরা হিসেবে প্রদান করে। এর উদ্দেশ্য ছিল গরিব-মিসকিনদের ঈদের খুশিতে শামিল করা এবং রোজার ভুলত্রুটির কাফফারা আদায় করা।
রমজানের শেষে ঈদের নামাজের আগে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘সাদাকাতুল ফিতর’ আদায় করা ফরজ করেছেন। তিনি নির্দেশ দিয়েছিলেন যেন প্রত্যেক মুসলিম—চাই সে ছোট হোক বা বড়, স্বাধীন হোক বা দাস—এক ‘সা’ পরিমাণ খাদ্যশস্য (খেজুর বা যব) ফিতরা হিসেবে প্রদান করে। এর উদ্দেশ্য ছিল গরিব-মিসকিনদের ঈদের খুশিতে শামিল করা এবং রোজার ভুলত্রুটির কাফফারা আদায় করা।
রমজানের শেষে ঈদের নামাজের আগে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘সাদাকাতুল ফিতর’ আদায় করা ফরজ করেছেন। তিনি নির্দেশ দিয়েছিলেন যেন প্রত্যেক মুসলিম—চাই সে ছোট হোক বা বড়, স্বাধীন হোক বা দাস—এক ‘সা’ পরিমাণ খাদ্যশস্য (খেজুর বা যব) ফিতরা হিসেবে প্রদান করে। এর উদ্দেশ্য ছিল গরিব-মিসকিনদের ঈদের খুশিতে শামিল করা এবং রোজার ভুলত্রুটির কাফফারা আদায় করা।
📄 কোন কোন কাজে অন্যদের দায়িত্ব দেওয়া
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নেতৃত্বের বিকেন্দ্রীকরণে বিশ্বাসী ছিলেন। তিনি রমজানে বিভিন্ন সাহাবীকে দায়িত্ব ভাগ করে দিতেন। যেমন—কাউকে আজান দেওয়ার দায়িত্ব (হযরত বিলাল ও ইবনে উম্মে মাকতুম), কাউকে যাকাত ও ফিতরা সংগ্রহের দায়িত্ব এবং কাউকে শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব দিতেন। এতে ইবাদতের পরিবেশ সুন্দর থাকত এবং সামাজিক সংহতি বৃদ্ধি পেত।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নেতৃত্বের বিকেন্দ্রীকরণে বিশ্বাসী ছিলেন। তিনি রমজানে বিভিন্ন সাহাবীকে দায়িত্ব ভাগ করে দিতেন। যেমন—কাউকে আজান দেওয়ার দায়িত্ব (হযরত বিলাল ও ইবনে উম্মে মাকতুম), কাউকে যাকাত ও ফিতরা সংগ্রহের দায়িত্ব এবং কাউকে শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব দিতেন। এতে ইবাদতের পরিবেশ সুন্দর থাকত এবং সামাজিক সংহতি বৃদ্ধি পেত।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নেতৃত্বের বিকেন্দ্রীকরণে বিশ্বাসী ছিলেন। তিনি রমজানে বিভিন্ন সাহাবীকে দায়িত্ব ভাগ করে দিতেন। যেমন—কাউকে আজান দেওয়ার দায়িত্ব (হযরত বিলাল ও ইবনে উম্মে মাকতুম), কাউকে যাকাত ও ফিতরা সংগ্রহের দায়িত্ব এবং কাউকে শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব দিতেন। এতে ইবাদতের পরিবেশ সুন্দর থাকত এবং সামাজিক সংহতি বৃদ্ধি পেত।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নেতৃত্বের বিকেন্দ্রীকরণে বিশ্বাসী ছিলেন। তিনি রমজানে বিভিন্ন সাহাবীকে দায়িত্ব ভাগ করে দিতেন। যেমন—কাউকে আজান দেওয়ার দায়িত্ব (হযরত বিলাল ও ইবনে উম্মে মাকতুম), কাউকে যাকাত ও ফিতরা সংগ্রহের দায়িত্ব এবং কাউকে শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব দিতেন। এতে ইবাদতের পরিবেশ সুন্দর থাকত এবং সামাজিক সংহতি বৃদ্ধি পেত।