📄 রাসূলের ইমামতি
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমজানের রাতে সাহাবীদের নিয়ে সালাত আদায় করতেন। তবে তিনি তা নিয়মিত জামাতে করতেন না এই ভয়ে যে, পাছে তা উম্মতের ওপর ফরজ হয়ে যায়। তিনি তিন রাত সাহাবীদের ইমামতি করেছিলেন। তাঁর কিরাত ছিল অত্যন্ত সুমধুর এবং দীর্ঘ। সাহাবীরা তাঁর পেছনে নামাজ পড়ে অপার্থিব তৃপ্তি পেতেন। পরবর্তী সময়ে হযরত উমর (রা)-এর যুগে তাঁর সেই সুন্নত অনুযায়ী পুনরায় জামাতে তারাবিহ পড়ার ব্যবস্থা করা হয়।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমজানের রাতে সাহাবীদের নিয়ে সালাত আদায় করতেন। তবে তিনি তা নিয়মিত জামাতে করতেন না এই ভয়ে যে, পাছে তা উম্মতের ওপর ফরজ হয়ে যায়। তিনি তিন রাত সাহাবীদের ইমামতি করেছিলেন। তাঁর কিরাত ছিল অত্যন্ত সুমধুর এবং দীর্ঘ। সাহাবীরা তাঁর পেছনে নামাজ পড়ে অপার্থিব তৃপ্তি পেতেন। পরবর্তী সময়ে হযরত উমর (রা)-এর যুগে তাঁর সেই সুন্নত অনুযায়ী পুনরায় জামাতে তারাবিহ পড়ার ব্যবস্থা করা হয়।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমজানের রাতে সাহাবীদের নিয়ে সালাত আদায় করতেন। তবে তিনি তা নিয়মিত জামাতে করতেন না এই ভয়ে যে, পাছে তা উম্মতের ওপর ফরজ হয়ে যায়। তিনি তিন রাত সাহাবীদের ইমামতি করেছিলেন। তাঁর কিরাত ছিল অত্যন্ত সুমধুর এবং দীর্ঘ। সাহাবীরা তাঁর পেছনে নামাজ পড়ে অপার্থিব তৃপ্তি পেতেন। পরবর্তী সময়ে হযরত উমর (রা)-এর যুগে তাঁর সেই সুন্নত অনুযায়ী পুনরায় জামাতে তারাবিহ পড়ার ব্যবস্থা করা হয়।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমজানের রাতে সাহাবীদের নিয়ে সালাত আদায় করতেন। তবে তিনি তা নিয়মিত জামাতে করতেন না এই ভয়ে যে, পাছে তা উম্মতের ওপর ফরজ হয়ে যায়। তিনি তিন রাত সাহাবীদের ইমামতি করেছিলেন। তাঁর কিরাত ছিল অত্যন্ত সুমধুর এবং দীর্ঘ। সাহাবীরা তাঁর পেছনে নামাজ পড়ে অপার্থিব তৃপ্তি পেতেন। পরবর্তী সময়ে হযরত উমর (রা)-এর যুগে তাঁর সেই সুন্নত অনুযায়ী পুনরায় জামাতে তারাবিহ পড়ার ব্যবস্থা করা হয়।
📄 সালাত শেষে রাসূলের আলোচনা ও খুতবা প্রদান
সালাত শেষ করার পর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রায়ই সাহাবীদের দিকে মুখ ফিরিয়ে বসতেন এবং সংক্ষিপ্ত অথচ সারগর্ভ খুতবা প্রদান করতেন। তিনি দুনিয়ার তুচ্ছতা এবং আখিরাতের অনন্ত জীবনের কথা স্মরণ করিয়ে দিতেন। তাঁর আলোচনায় জান্নাতের নেয়ামত ও জাহান্নামের আজাবের বর্ণনা থাকত, যা সাহাবীদের ইমানকে আরও মজবুত করত।
সালাত শেষ করার পর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রায়ই সাহাবীদের দিকে মুখ ফিরিয়ে বসতেন এবং সংক্ষিপ্ত অথচ সারগর্ভ খুতবা প্রদান করতেন। তিনি দুনিয়ার তুচ্ছতা এবং আখিরাতের অনন্ত জীবনের কথা স্মরণ করিয়ে দিতেন। তাঁর আলোচনায় জান্নাতের নেয়ামত ও জাহান্নামের আজাবের বর্ণনা থাকত, যা সাহাবীদের ইমানকে আরও মজবুত করত।
সালাত শেষ করার পর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রায়ই সাহাবীদের দিকে মুখ ফিরিয়ে বসতেন এবং সংক্ষিপ্ত অথচ সারগর্ভ খুতবা প্রদান করতেন। তিনি দুনিয়ার তুচ্ছতা এবং আখিরাতের অনন্ত জীবনের কথা স্মরণ করিয়ে দিতেন। তাঁর আলোচনায় জান্নাতের নেয়ামত ও জাহান্নামের আজাবের বর্ণনা থাকত, যা সাহাবীদের ইমানকে আরও মজবুত করত।
সালাত শেষ করার পর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রায়ই সাহাবীদের দিকে মুখ ফিরিয়ে বসতেন এবং সংক্ষিপ্ত অথচ সারগর্ভ খুতবা প্রদান করতেন। তিনি দুনিয়ার তুচ্ছতা এবং আখিরাতের অনন্ত জীবনের কথা স্মরণ করিয়ে দিতেন। তাঁর আলোচনায় জান্নাতের নেয়ামত ও জাহান্নামের আজাবের বর্ণনা থাকত, যা সাহাবীদের ইমানকে আরও মজবুত করত।
📄 রোজার আহকাম ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে রাসূলের নির্দেশনা
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, কেবল পানাহার ত্যাগ করার নাম রোজা নয়। তিনি বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি রোজা রেখে মিথ্যা বলা ও মন্দ কাজ ত্যাগ করল না, তার পানাহার ত্যাগ করায় আল্লাহর কোনো প্রয়োজন নেই।’ তিনি রোজার আসল উদ্দেশ্য অর্থাৎ ‘তাকওয়া’ অর্জনের ওপর জোর দিতেন। তিনি সাহারি ও ইফতারের সুনির্দিষ্ট সুন্নাতগুলো পালনের মাধ্যমে রোজাকে নিখুঁত করার নির্দেশ দিতেন।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, কেবল পানাহার ত্যাগ করার নাম রোজা নয়। তিনি বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি রোজা রেখে মিথ্যা বলা ও মন্দ কাজ ত্যাগ করল না, তার পানাহার ত্যাগ করায় আল্লাহর কোনো প্রয়োজন নেই।’ তিনি রোজার আসল উদ্দেশ্য অর্থাৎ ‘তাকওয়া’ অর্জনের ওপর জোর দিতেন। তিনি সাহারি ও ইফতারের সুনির্দিষ্ট সুন্নাতগুলো পালনের মাধ্যমে রোজাকে নিখুঁত করার নির্দেশ দিতেন।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, কেবল পানাহার ত্যাগ করার নাম রোজা নয়। তিনি বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি রোজা রেখে মিথ্যা বলা ও মন্দ কাজ ত্যাগ করল না, তার পানাহার ত্যাগ করায় আল্লাহর কোনো প্রয়োজন নেই।’ তিনি রোজার আসল উদ্দেশ্য অর্থাৎ ‘তাকওয়া’ অর্জনের ওপর জোর দিতেন। তিনি সাহারি ও ইফতারের সুনির্দিষ্ট সুন্নাতগুলো পালনের মাধ্যমে রোজাকে নিখুঁত করার নির্দেশ দিতেন।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, কেবল পানাহার ত্যাগ করার নাম রোজা নয়। তিনি বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি রোজা রেখে মিথ্যা বলা ও মন্দ কাজ ত্যাগ করল না, তার পানাহার ত্যাগ করায় আল্লাহর কোনো প্রয়োজন নেই।’ তিনি রোজার আসল উদ্দেশ্য অর্থাৎ ‘তাকওয়া’ অর্জনের ওপর জোর দিতেন। তিনি সাহারি ও ইফতারের সুনির্দিষ্ট সুন্নাতগুলো পালনের মাধ্যমে রোজাকে নিখুঁত করার নির্দেশ দিতেন।
📄 লাইলাতুল কদর অনুসন্ধানে উৎসাহ প্রদান
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবীদেরকে লাইলাতুল কদরের গুরুত্ব বুঝিয়ে বলতেন যে, এই এক রাত হাজার মাসের চেয়েও উত্তম। তিনি বলতেন, ‘যে ব্যক্তি লাইলাতুল কদর থেকে বঞ্চিত হলো, সে সকল কল্যাণ থেকে বঞ্চিত হলো।’ তিনি শেষ দশ দিনের বেজোড় রাতগুলোতে ইবাদতের মাধ্যমে এই মহিমান্বিত রাতটি খুঁজে নেওয়ার জন্য উম্মতকে বিশেষভাবে উদ্বুদ্ধ করতেন।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবীদেরকে লাইলাতুল কদরের গুরুত্ব বুঝিয়ে বলতেন যে, এই এক রাত হাজার মাসের চেয়েও উত্তম। তিনি বলতেন, ‘যে ব্যক্তি লাইলাতুল কদর থেকে বঞ্চিত হলো, সে সকল কল্যাণ থেকে বঞ্চিত হলো।’ তিনি শেষ দশ দিনের বেজোড় রাতগুলোতে ইবাদতের মাধ্যমে এই মহিমান্বিত রাতটি খুঁজে নেওয়ার জন্য উম্মতকে বিশেষভাবে উদ্বুদ্ধ করতেন।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবীদেরকে লাইলাতুল কদরের গুরুত্ব বুঝিয়ে বলতেন যে, এই এক রাত হাজার মাসের চেয়েও উত্তম। তিনি বলতেন, ‘যে ব্যক্তি লাইলাতুল কদর থেকে বঞ্চিত হলো, সে সকল কল্যাণ থেকে বঞ্চিত হলো।’ তিনি শেষ দশ দিনের বেজোড় রাতগুলোতে ইবাদতের মাধ্যমে এই মহিমান্বিত রাতটি খুঁজে নেওয়ার জন্য উম্মতকে বিশেষভাবে উদ্বুদ্ধ করতেন।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবীদেরকে লাইলাতুল কদরের গুরুত্ব বুঝিয়ে বলতেন যে, এই এক রাত হাজার মাসের চেয়েও উত্তম। তিনি বলতেন, ‘যে ব্যক্তি লাইলাতুল কদর থেকে বঞ্চিত হলো, সে সকল কল্যাণ থেকে বঞ্চিত হলো।’ তিনি শেষ দশ দিনের বেজোড় রাতগুলোতে ইবাদতের মাধ্যমে এই মহিমান্বিত রাতটি খুঁজে নেওয়ার জন্য উম্মতকে বিশেষভাবে উদ্বুদ্ধ করতেন।