📄 সাহাবিদের উদ্দেশ্য রাসূলের ওয়াজ ও বয়ান
রমজান মাস আসার আগেই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবীদের উদ্দেশ্যে বয়ান করতেন। তিনি বলতেন, ‘তোমাদের কাছে বরকতময় মাস রমজান উপস্থিত হয়েছে।’ তিনি জান্নাতের দরজা উন্মুক্ত হওয়া এবং জাহান্নামের দরজা বন্ধ হওয়ার সুসংবাদ দিয়ে সাহাবীদের অন্তরকে ইবাদতের জন্য প্রস্তুত করতেন। তাঁর ওয়াজ শুনে সাহাবীদের চোখে অশ্রু প্রবাহিত হতো এবং তারা নেক আমলের প্রতি অধিক আগ্রহী হয়ে উঠতেন।
রমজান মাস আসার আগেই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবীদের উদ্দেশ্যে বয়ান করতেন। তিনি বলতেন, ‘তোমাদের কাছে বরকতময় মাস রমজান উপস্থিত হয়েছে।’ তিনি জান্নাতের দরজা উন্মুক্ত হওয়া এবং জাহান্নামের দরজা বন্ধ হওয়ার সুসংবাদ দিয়ে সাহাবীদের অন্তরকে ইবাদতের জন্য প্রস্তুত করতেন। তাঁর ওয়াজ শুনে সাহাবীদের চোখে অশ্রু প্রবাহিত হতো এবং তারা নেক আমলের প্রতি অধিক আগ্রহী হয়ে উঠতেন।
রমজান মাস আসার আগেই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবীদের উদ্দেশ্যে বয়ান করতেন। তিনি বলতেন, ‘তোমাদের কাছে বরকতময় মাস রমজান উপস্থিত হয়েছে।’ তিনি জান্নাতের দরজা উন্মুক্ত হওয়া এবং জাহান্নামের দরজা বন্ধ হওয়ার সুসংবাদ দিয়ে সাহাবীদের অন্তরকে ইবাদতের জন্য প্রস্তুত করতেন। তাঁর ওয়াজ শুনে সাহাবীদের চোখে অশ্রু প্রবাহিত হতো এবং তারা নেক আমলের প্রতি অধিক আগ্রহী হয়ে উঠতেন।
রমজান মাস আসার আগেই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবীদের উদ্দেশ্যে বয়ান করতেন। তিনি বলতেন, ‘তোমাদের কাছে বরকতময় মাস রমজান উপস্থিত হয়েছে।’ তিনি জান্নাতের দরজা উন্মুক্ত হওয়া এবং জাহান্নামের দরজা বন্ধ হওয়ার সুসংবাদ দিয়ে সাহাবীদের অন্তরকে ইবাদতের জন্য প্রস্তুত করতেন। তাঁর ওয়াজ শুনে সাহাবীদের চোখে অশ্রু প্রবাহিত হতো এবং তারা নেক আমলের প্রতি অধিক আগ্রহী হয়ে উঠতেন।
📄 সৎকর্মে সাহাবিদেরকে রাসূলের সর্বাত্মক নিয়োগ
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবীদেরকে কেবল তাত্ত্বিক শিক্ষাই দিতেন না, বরং তাদেরকে বিভিন্ন সৎকর্মে নিয়োজিত করতেন। তিনি সাহাবীদেরকে দিয়ে অভাবীদের মাঝে খাবার বিতরণ করাতেন, যুদ্ধের প্রস্তুতি ও প্রতিরক্ষামূলক কাজে তদারকি করাতেন এবং তাদেরকে জামাতের সাথে সালাত আদায়ে অভ্যস্ত করাতেন। তিনি চাইতেন তাঁর সাহাবীরা যেন রমজানের প্রতিটি মুহূর্তকে পরকালের পাথেয় হিসেবে কাজে লাগাতে পারেন।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবীদেরকে কেবল তাত্ত্বিক শিক্ষাই দিতেন না, বরং তাদেরকে বিভিন্ন সৎকর্মে নিয়োজিত করতেন। তিনি সাহাবীদেরকে দিয়ে অভাবীদের মাঝে খাবার বিতরণ করাতেন, যুদ্ধের প্রস্তুতি ও প্রতিরক্ষামূলক কাজে তদারকি করাতেন এবং তাদেরকে জামাতের সাথে সালাত আদায়ে অভ্যস্ত করাতেন। তিনি চাইতেন তাঁর সাহাবীরা যেন রমজানের প্রতিটি মুহূর্তকে পরকালের পাথেয় হিসেবে কাজে লাগাতে পারেন।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবীদেরকে কেবল তাত্ত্বিক শিক্ষাই দিতেন না, বরং তাদেরকে বিভিন্ন সৎকর্মে নিয়োজিত করতেন। তিনি সাহাবীদেরকে দিয়ে অভাবীদের মাঝে খাবার বিতরণ করাতেন, যুদ্ধের প্রস্তুতি ও প্রতিরক্ষামূলক কাজে তদারকি করাতেন এবং তাদেরকে জামাতের সাথে সালাত আদায়ে অভ্যস্ত করাতেন। তিনি চাইতেন তাঁর সাহাবীরা যেন রমজানের প্রতিটি মুহূর্তকে পরকালের পাথেয় হিসেবে কাজে লাগাতে পারেন।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবীদেরকে কেবল তাত্ত্বিক শিক্ষাই দিতেন না, বরং তাদেরকে বিভিন্ন সৎকর্মে নিয়োজিত করতেন। তিনি সাহাবীদেরকে দিয়ে অভাবীদের মাঝে খাবার বিতরণ করাতেন, যুদ্ধের প্রস্তুতি ও প্রতিরক্ষামূলক কাজে তদারকি করাতেন এবং তাদেরকে জামাতের সাথে সালাত আদায়ে অভ্যস্ত করাতেন। তিনি চাইতেন তাঁর সাহাবীরা যেন রমজানের প্রতিটি মুহূর্তকে পরকালের পাথেয় হিসেবে কাজে লাগাতে পারেন।
📄 রমজানে রাসূলের বিভিন্ন সমস্যার শরয়ি সমাধান প্রদান
রমজান মাসে সাহাবীরা বিভিন্ন ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক সমস্যার শরয়ি সমাধানের জন্য রাসূল (সা)-এর কাছে আসতেন। কেউ ভুলবশত খেয়ে ফেললে, কেউ রোজা রেখে অসুস্থ হয়ে পড়লে কিংবা স্ত্রী সহবাস করে ফেললে—এসব ক্ষেত্রে তিনি অত্যন্ত বিচক্ষণতার সাথে কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে সমাধান দিতেন। তাঁর সমাধানগুলো ছিল সহজসাধ্য এবং ইনসাফপূর্ণ, যা উম্মতের জন্য চিরস্থায়ী পাথেয় হয়ে আছে।
রমজান মাসে সাহাবীরা বিভিন্ন ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক সমস্যার শরয়ি সমাধানের জন্য রাসূল (সা)-এর কাছে আসতেন। কেউ ভুলবশত খেয়ে ফেললে, কেউ রোজা রেখে অসুস্থ হয়ে পড়লে কিংবা স্ত্রী সহবাস করে ফেললে—এসব ক্ষেত্রে তিনি অত্যন্ত বিচক্ষণতার সাথে কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে সমাধান দিতেন। তাঁর সমাধানগুলো ছিল সহজসাধ্য এবং ইনসাফপূর্ণ, যা উম্মতের জন্য চিরস্থায়ী পাথেয় হয়ে আছে।
রমজান মাসে সাহাবীরা বিভিন্ন ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক সমস্যার শরয়ি সমাধানের জন্য রাসূল (সা)-এর কাছে আসতেন। কেউ ভুলবশত খেয়ে ফেললে, কেউ রোজা রেখে অসুস্থ হয়ে পড়লে কিংবা স্ত্রী সহবাস করে ফেললে—এসব ক্ষেত্রে তিনি অত্যন্ত বিচক্ষণতার সাথে কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে সমাধান দিতেন। তাঁর সমাধানগুলো ছিল সহজসাধ্য এবং ইনসাফপূর্ণ, যা উম্মতের জন্য চিরস্থায়ী পাথেয় হয়ে আছে।
রমজান মাসে সাহাবীরা বিভিন্ন ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক সমস্যার শরয়ি সমাধানের জন্য রাসূল (সা)-এর কাছে আসতেন। কেউ ভুলবশত খেয়ে ফেললে, কেউ রোজা রেখে অসুস্থ হয়ে পড়লে কিংবা স্ত্রী সহবাস করে ফেললে—এসব ক্ষেত্রে তিনি অত্যন্ত বিচক্ষণতার সাথে কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে সমাধান দিতেন। তাঁর সমাধানগুলো ছিল সহজসাধ্য এবং ইনসাফপূর্ণ, যা উম্মতের জন্য চিরস্থায়ী পাথেয় হয়ে আছে।
📄 রাসূলের ইমামতি
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমজানের রাতে সাহাবীদের নিয়ে সালাত আদায় করতেন। তবে তিনি তা নিয়মিত জামাতে করতেন না এই ভয়ে যে, পাছে তা উম্মতের ওপর ফরজ হয়ে যায়। তিনি তিন রাত সাহাবীদের ইমামতি করেছিলেন। তাঁর কিরাত ছিল অত্যন্ত সুমধুর এবং দীর্ঘ। সাহাবীরা তাঁর পেছনে নামাজ পড়ে অপার্থিব তৃপ্তি পেতেন। পরবর্তী সময়ে হযরত উমর (রা)-এর যুগে তাঁর সেই সুন্নত অনুযায়ী পুনরায় জামাতে তারাবিহ পড়ার ব্যবস্থা করা হয়।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমজানের রাতে সাহাবীদের নিয়ে সালাত আদায় করতেন। তবে তিনি তা নিয়মিত জামাতে করতেন না এই ভয়ে যে, পাছে তা উম্মতের ওপর ফরজ হয়ে যায়। তিনি তিন রাত সাহাবীদের ইমামতি করেছিলেন। তাঁর কিরাত ছিল অত্যন্ত সুমধুর এবং দীর্ঘ। সাহাবীরা তাঁর পেছনে নামাজ পড়ে অপার্থিব তৃপ্তি পেতেন। পরবর্তী সময়ে হযরত উমর (রা)-এর যুগে তাঁর সেই সুন্নত অনুযায়ী পুনরায় জামাতে তারাবিহ পড়ার ব্যবস্থা করা হয়।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমজানের রাতে সাহাবীদের নিয়ে সালাত আদায় করতেন। তবে তিনি তা নিয়মিত জামাতে করতেন না এই ভয়ে যে, পাছে তা উম্মতের ওপর ফরজ হয়ে যায়। তিনি তিন রাত সাহাবীদের ইমামতি করেছিলেন। তাঁর কিরাত ছিল অত্যন্ত সুমধুর এবং দীর্ঘ। সাহাবীরা তাঁর পেছনে নামাজ পড়ে অপার্থিব তৃপ্তি পেতেন। পরবর্তী সময়ে হযরত উমর (রা)-এর যুগে তাঁর সেই সুন্নত অনুযায়ী পুনরায় জামাতে তারাবিহ পড়ার ব্যবস্থা করা হয়।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমজানের রাতে সাহাবীদের নিয়ে সালাত আদায় করতেন। তবে তিনি তা নিয়মিত জামাতে করতেন না এই ভয়ে যে, পাছে তা উম্মতের ওপর ফরজ হয়ে যায়। তিনি তিন রাত সাহাবীদের ইমামতি করেছিলেন। তাঁর কিরাত ছিল অত্যন্ত সুমধুর এবং দীর্ঘ। সাহাবীরা তাঁর পেছনে নামাজ পড়ে অপার্থিব তৃপ্তি পেতেন। পরবর্তী সময়ে হযরত উমর (রা)-এর যুগে তাঁর সেই সুন্নত অনুযায়ী পুনরায় জামাতে তারাবিহ পড়ার ব্যবস্থা করা হয়।