📄 রমজানে উম্মতের সাথে রাসূলের আচরণ
রমজান মাসে উম্মতের প্রতি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মমতা ও করুণা বহুগুণ বৃদ্ধি পেত। তিনি উম্মতের জন্য ইবাদতকে সহজ করার আপ্রাণ চেষ্টা করতেন। যাতে উম্মত কষ্টের সম্মুখীন না হয়, সেজন্য তিনি অনেক সময় নফল ইবাদতকে ধারাবাহিকভাবে পালন করতেন না। তিনি সাহাবীদের সাথে হাসিমুখে কথা বলতেন এবং তাদের দ্বীন পালনে উৎসাহিত করতেন। উম্মতের কেউ অসুস্থ হলে বা সফরে থাকলে তিনি তাদেরকে রোজা ভঙ্গের অনুমতি দিয়ে আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রদত্ত সুযোগ গ্রহণের পরামর্শ দিতেন।
রমজান মাসে উম্মতের প্রতি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মমতা ও করুণা বহুগুণ বৃদ্ধি পেত। তিনি উম্মতের জন্য ইবাদতকে সহজ করার আপ্রাণ চেষ্টা করতেন। যাতে উম্মত কষ্টের সম্মুখীন না হয়, সেজন্য তিনি অনেক সময় নফল ইবাদতকে ধারাবাহিকভাবে পালন করতেন না। তিনি সাহাবীদের সাথে হাসিমুখে কথা বলতেন এবং তাদের দ্বীন পালনে উৎসাহিত করতেন। উম্মতের কেউ অসুস্থ হলে বা সফরে থাকলে তিনি তাদেরকে রোজা ভঙ্গের অনুমতি দিয়ে আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রদত্ত সুযোগ গ্রহণের পরামর্শ দিতেন।
রমজান মাসে উম্মতের প্রতি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মমতা ও করুণা বহুগুণ বৃদ্ধি পেত। তিনি উম্মতের জন্য ইবাদতকে সহজ করার আপ্রাণ চেষ্টা করতেন। যাতে উম্মত কষ্টের সম্মুখীন না হয়, সেজন্য তিনি অনেক সময় নফল ইবাদতকে ধারাবাহিকভাবে পালন করতেন না। তিনি সাহাবীদের সাথে হাসিমুখে কথা বলতেন এবং তাদের দ্বীন পালনে উৎসাহিত করতেন। উম্মতের কেউ অসুস্থ হলে বা সফরে থাকলে তিনি তাদেরকে রোজা ভঙ্গের অনুমতি দিয়ে আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রদত্ত সুযোগ গ্রহণের পরামর্শ দিতেন।
রমজান মাসে উম্মতের প্রতি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মমতা ও করুণা বহুগুণ বৃদ্ধি পেত। তিনি উম্মতের জন্য ইবাদতকে সহজ করার আপ্রাণ চেষ্টা করতেন। যাতে উম্মত কষ্টের সম্মুখীন না হয়, সেজন্য তিনি অনেক সময় নফল ইবাদতকে ধারাবাহিকভাবে পালন করতেন না। তিনি সাহাবীদের সাথে হাসিমুখে কথা বলতেন এবং তাদের দ্বীন পালনে উৎসাহিত করতেন। উম্মতের কেউ অসুস্থ হলে বা সফরে থাকলে তিনি তাদেরকে রোজা ভঙ্গের অনুমতি দিয়ে আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রদত্ত সুযোগ গ্রহণের পরামর্শ দিতেন।
📄 সাহাবিদের তালিম দান
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমজানে সাহাবীদেরকে হাতে-কলমে দ্বীন শিক্ষা দিতেন। রোজা কীভাবে পূর্ণাঙ্গ হয়, কোন কাজে রোজা নষ্ট হয় এবং কোন কাজে সওয়াব বাড়ে—এসব বিষয়ে তিনি বিস্তারিত তালিম দিতেন। তিনি সাহাবীদেরকে তিলাওয়াত, জিকির এবং দোয়ার পদ্ধতি শেখাতেন। তাঁর দরবারে সাহাবীরা সবসময় ভিড় করতেন এবং তিনি ধৈর্যের সাথে তাদের সকল প্রশ্নের উত্তর দিয়ে তাদের জ্ঞানপিপাসা মিটাতেন।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমজানে সাহাবীদেরকে হাতে-কলমে দ্বীন শিক্ষা দিতেন। রোজা কীভাবে পূর্ণাঙ্গ হয়, কোন কাজে রোজা নষ্ট হয় এবং কোন কাজে সওয়াব বাড়ে—এসব বিষয়ে তিনি বিস্তারিত তালিম দিতেন। তিনি সাহাবীদেরকে তিলাওয়াত, জিকির এবং দোয়ার পদ্ধতি শেখাতেন। তাঁর দরবারে সাহাবীরা সবসময় ভিড় করতেন এবং তিনি ধৈর্যের সাথে তাদের সকল প্রশ্নের উত্তর দিয়ে তাদের জ্ঞানপিপাসা মিটাতেন।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমজানে সাহাবীদেরকে হাতে-কলমে দ্বীন শিক্ষা দিতেন। রোজা কীভাবে পূর্ণাঙ্গ হয়, কোন কাজে রোজা নষ্ট হয় এবং কোন কাজে সওয়াব বাড়ে—এসব বিষয়ে তিনি বিস্তারিত তালিম দিতেন। তিনি সাহাবীদেরকে তিলাওয়াত, জিকির এবং দোয়ার পদ্ধতি শেখাতেন। তাঁর দরবারে সাহাবীরা সবসময় ভিড় করতেন এবং তিনি ধৈর্যের সাথে তাদের সকল প্রশ্নের উত্তর দিয়ে তাদের জ্ঞানপিপাসা মিটাতেন।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমজানে সাহাবীদেরকে হাতে-কলমে দ্বীন শিক্ষা দিতেন। রোজা কীভাবে পূর্ণাঙ্গ হয়, কোন কাজে রোজা নষ্ট হয় এবং কোন কাজে সওয়াব বাড়ে—এসব বিষয়ে তিনি বিস্তারিত তালিম দিতেন। তিনি সাহাবীদেরকে তিলাওয়াত, জিকির এবং দোয়ার পদ্ধতি শেখাতেন। তাঁর দরবারে সাহাবীরা সবসময় ভিড় করতেন এবং তিনি ধৈর্যের সাথে তাদের সকল প্রশ্নের উত্তর দিয়ে তাদের জ্ঞানপিপাসা মিটাতেন।
📄 সাহাবিদের উদ্দেশ্য রাসূলের ওয়াজ ও বয়ান
রমজান মাস আসার আগেই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবীদের উদ্দেশ্যে বয়ান করতেন। তিনি বলতেন, ‘তোমাদের কাছে বরকতময় মাস রমজান উপস্থিত হয়েছে।’ তিনি জান্নাতের দরজা উন্মুক্ত হওয়া এবং জাহান্নামের দরজা বন্ধ হওয়ার সুসংবাদ দিয়ে সাহাবীদের অন্তরকে ইবাদতের জন্য প্রস্তুত করতেন। তাঁর ওয়াজ শুনে সাহাবীদের চোখে অশ্রু প্রবাহিত হতো এবং তারা নেক আমলের প্রতি অধিক আগ্রহী হয়ে উঠতেন।
রমজান মাস আসার আগেই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবীদের উদ্দেশ্যে বয়ান করতেন। তিনি বলতেন, ‘তোমাদের কাছে বরকতময় মাস রমজান উপস্থিত হয়েছে।’ তিনি জান্নাতের দরজা উন্মুক্ত হওয়া এবং জাহান্নামের দরজা বন্ধ হওয়ার সুসংবাদ দিয়ে সাহাবীদের অন্তরকে ইবাদতের জন্য প্রস্তুত করতেন। তাঁর ওয়াজ শুনে সাহাবীদের চোখে অশ্রু প্রবাহিত হতো এবং তারা নেক আমলের প্রতি অধিক আগ্রহী হয়ে উঠতেন।
রমজান মাস আসার আগেই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবীদের উদ্দেশ্যে বয়ান করতেন। তিনি বলতেন, ‘তোমাদের কাছে বরকতময় মাস রমজান উপস্থিত হয়েছে।’ তিনি জান্নাতের দরজা উন্মুক্ত হওয়া এবং জাহান্নামের দরজা বন্ধ হওয়ার সুসংবাদ দিয়ে সাহাবীদের অন্তরকে ইবাদতের জন্য প্রস্তুত করতেন। তাঁর ওয়াজ শুনে সাহাবীদের চোখে অশ্রু প্রবাহিত হতো এবং তারা নেক আমলের প্রতি অধিক আগ্রহী হয়ে উঠতেন।
রমজান মাস আসার আগেই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবীদের উদ্দেশ্যে বয়ান করতেন। তিনি বলতেন, ‘তোমাদের কাছে বরকতময় মাস রমজান উপস্থিত হয়েছে।’ তিনি জান্নাতের দরজা উন্মুক্ত হওয়া এবং জাহান্নামের দরজা বন্ধ হওয়ার সুসংবাদ দিয়ে সাহাবীদের অন্তরকে ইবাদতের জন্য প্রস্তুত করতেন। তাঁর ওয়াজ শুনে সাহাবীদের চোখে অশ্রু প্রবাহিত হতো এবং তারা নেক আমলের প্রতি অধিক আগ্রহী হয়ে উঠতেন।
📄 সৎকর্মে সাহাবিদেরকে রাসূলের সর্বাত্মক নিয়োগ
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবীদেরকে কেবল তাত্ত্বিক শিক্ষাই দিতেন না, বরং তাদেরকে বিভিন্ন সৎকর্মে নিয়োজিত করতেন। তিনি সাহাবীদেরকে দিয়ে অভাবীদের মাঝে খাবার বিতরণ করাতেন, যুদ্ধের প্রস্তুতি ও প্রতিরক্ষামূলক কাজে তদারকি করাতেন এবং তাদেরকে জামাতের সাথে সালাত আদায়ে অভ্যস্ত করাতেন। তিনি চাইতেন তাঁর সাহাবীরা যেন রমজানের প্রতিটি মুহূর্তকে পরকালের পাথেয় হিসেবে কাজে লাগাতে পারেন।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবীদেরকে কেবল তাত্ত্বিক শিক্ষাই দিতেন না, বরং তাদেরকে বিভিন্ন সৎকর্মে নিয়োজিত করতেন। তিনি সাহাবীদেরকে দিয়ে অভাবীদের মাঝে খাবার বিতরণ করাতেন, যুদ্ধের প্রস্তুতি ও প্রতিরক্ষামূলক কাজে তদারকি করাতেন এবং তাদেরকে জামাতের সাথে সালাত আদায়ে অভ্যস্ত করাতেন। তিনি চাইতেন তাঁর সাহাবীরা যেন রমজানের প্রতিটি মুহূর্তকে পরকালের পাথেয় হিসেবে কাজে লাগাতে পারেন।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবীদেরকে কেবল তাত্ত্বিক শিক্ষাই দিতেন না, বরং তাদেরকে বিভিন্ন সৎকর্মে নিয়োজিত করতেন। তিনি সাহাবীদেরকে দিয়ে অভাবীদের মাঝে খাবার বিতরণ করাতেন, যুদ্ধের প্রস্তুতি ও প্রতিরক্ষামূলক কাজে তদারকি করাতেন এবং তাদেরকে জামাতের সাথে সালাত আদায়ে অভ্যস্ত করাতেন। তিনি চাইতেন তাঁর সাহাবীরা যেন রমজানের প্রতিটি মুহূর্তকে পরকালের পাথেয় হিসেবে কাজে লাগাতে পারেন।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবীদেরকে কেবল তাত্ত্বিক শিক্ষাই দিতেন না, বরং তাদেরকে বিভিন্ন সৎকর্মে নিয়োজিত করতেন। তিনি সাহাবীদেরকে দিয়ে অভাবীদের মাঝে খাবার বিতরণ করাতেন, যুদ্ধের প্রস্তুতি ও প্রতিরক্ষামূলক কাজে তদারকি করাতেন এবং তাদেরকে জামাতের সাথে সালাত আদায়ে অভ্যস্ত করাতেন। তিনি চাইতেন তাঁর সাহাবীরা যেন রমজানের প্রতিটি মুহূর্তকে পরকালের পাথেয় হিসেবে কাজে লাগাতে পারেন।