📄 রাসূলের উদ্দেশ্য তার স্ত্রীদের সেবার্ঘ্য
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মসজিদে এতেকাফে থাকতেন, তখন তাঁর স্ত্রীগণ তাঁর সেবা করতেন। আয়েশা (রা) বলেন, ‘রাসূল (সা) এতেকাফ অবস্থায় মসজিদ থেকে তাঁর মাথা আমার দিকে বাড়িয়ে দিতেন এবং আমি ঋতুবতী থাকা সত্ত্বেও তাঁর চুল আঁচড়ে দিতাম।’ এই পারস্পরিক মমতা ও সেবা রমজানের ব্যস্ততার মাঝেও তাঁদের সম্পর্কের গভীরতা প্রকাশ করে।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মসজিদে এতেকাফে থাকতেন, তখন তাঁর স্ত্রীগণ তাঁর সেবা করতেন। আয়েশা (রা) বলেন, ‘রাসূল (সা) এতেকাফ অবস্থায় মসজিদ থেকে তাঁর মাথা আমার দিকে বাড়িয়ে দিতেন এবং আমি ঋতুবতী থাকা সত্ত্বেও তাঁর চুল আঁচড়ে দিতাম।’ এই পারস্পরিক মমতা ও সেবা রমজানের ব্যস্ততার মাঝেও তাঁদের সম্পর্কের গভীরতা প্রকাশ করে।
📄 রমজানে রাসূলের বিবাহ
ইতিহাসের বর্ণনা অনুযায়ী, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হিজরী ৩য় বর্ষের রমজান মাসে উম্মুল মুমিনীন যয়নব বিনতে খুযায়মা (রা)-কে বিবাহ করেন। তিনি ছিলেন অত্যন্ত দানশীলা, যার কারণে তাঁকে ‘উম্মুল মাসাকীন’ বা মিসকিনদের জননী বলা হতো। রমজান মাসে এই বিবাহ সম্পন্ন হওয়া এবং তাঁর মতো একজন মহীয়সী নারীকে জীবনসঙ্গিনী হিসেবে গ্রহণ করা রমজানের বরকত ও কল্যাণেরই একটি অংশ ছিল।
ইতিহাসের বর্ণনা অনুযায়ী, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হিজরী ৩য় বর্ষের রমজান মাসে উম্মুল মুমিনীন যয়নব বিনতে খুযায়মা (রা)-কে বিবাহ করেন। তিনি ছিলেন অত্যন্ত দানশীলা, যার কারণে তাঁকে ‘উম্মুল মাসাকীন’ বা মিসকিনদের জননী বলা হতো। রমজান মাসে এই বিবাহ সম্পন্ন হওয়া এবং তাঁর মতো একজন মহীয়সী নারীকে জীবনসঙ্গিনী হিসেবে গ্রহণ করা রমজানের বরকত ও কল্যাণেরই একটি অংশ ছিল।