📄 রাসূলের সাথে সম্মিলিত এবাদত পালন
কখনও কখনও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর স্ত্রীদের নিয়ে সম্মিলিতভাবে রাতের সালাত বা দোয়া করতেন। বিশেষ করে রমজানের শেষ দশ রাতে যখন তিনি তাঁর পরিবারকে জাগিয়ে দিতেন, তখন সকলে মিলে আল্লাহর দরবারে ইবাদত ও ক্রন্দন করতেন। এটি ছিল পারিবারিক আবহে আধ্যাত্মিক উন্নতির এক অনন্য দৃষ্টান্ত।
কখনও কখনও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর স্ত্রীদের নিয়ে সম্মিলিতভাবে রাতের সালাত বা দোয়া করতেন। বিশেষ করে রমজানের শেষ দশ রাতে যখন তিনি তাঁর পরিবারকে জাগিয়ে দিতেন, তখন সকলে মিলে আল্লাহর দরবারে ইবাদত ও ক্রন্দন করতেন। এটি ছিল পারিবারিক আবহে আধ্যাত্মিক উন্নতির এক অনন্য দৃষ্টান্ত।
📄 স্ত্রী-গণের সাথে রাসূলের বান্ধব সুলভ আচরণ ও সম্পর্ক
রমজান মাসে কঠোর ইবাদত সত্ত্বেও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর স্ত্রীদের সাথে অত্যন্ত বন্ধুত্বপূর্ণ ও হাস্যোজ্জ্বল আচরণ করতেন। তিনি তাঁদের মনের খবর নিতেন এবং তাঁদের সাথে কথা বলতেন। এমনকি রোজা অবস্থায় তিনি আয়েশা (রা)-এর সাথে খুনসুটি করতেন এবং তাঁর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশে কোনো কার্পণ্য করতেন না। তাঁর এই আচরণ শিক্ষা দেয় যে, কৃচ্ছ্রসাধনের অর্থ পরিবারকে অবহেলা করা নয়।
রমজান মাসে কঠোর ইবাদত সত্ত্বেও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর স্ত্রীদের সাথে অত্যন্ত বন্ধুত্বপূর্ণ ও হাস্যোজ্জ্বল আচরণ করতেন। তিনি তাঁদের মনের খবর নিতেন এবং তাঁদের সাথে কথা বলতেন। এমনকি রোজা অবস্থায় তিনি আয়েশা (রা)-এর সাথে খুনসুটি করতেন এবং তাঁর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশে কোনো কার্পণ্য করতেন না। তাঁর এই আচরণ শিক্ষা দেয় যে, কৃচ্ছ্রসাধনের অর্থ পরিবারকে অবহেলা করা নয়।
📄 এতেকাফগাহে রাসূলের সাথেতার স্ত্রী-গণের সাক্ষাৎ ও কথোপকথন
হযরত সাফিয়্যাহ (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মসজিদে এতেকাফে ছিলেন, তখন তিনি এক রাতে তাঁর সাথে দেখা করতে যান। তাঁরা দীর্ঘ সময় কথা বলেন। এরপর যখন সাফিয়্যাহ (রা) ফিরে আসতে চাইলেন, তখন রাসূল (সা) তাঁকে পৌঁছে দেওয়ার জন্য তাঁর সাথে উঠে দাঁড়ালেন। এতেকাফ অবস্থায় স্ত্রীদের সাথে প্রয়োজনীয় কথা বলা এবং তাঁদের খোঁজখবর নেওয়া যে জায়েজ, তা এই ঘটনা থেকে প্রমাণিত হয়।
হযরত সাফিয়্যাহ (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মসজিদে এতেকাফে ছিলেন, তখন তিনি এক রাতে তাঁর সাথে দেখা করতে যান। তাঁরা দীর্ঘ সময় কথা বলেন। এরপর যখন সাফিয়্যাহ (রা) ফিরে আসতে চাইলেন, তখন রাসূল (সা) তাঁকে পৌঁছে দেওয়ার জন্য তাঁর সাথে উঠে দাঁড়ালেন। এতেকাফ অবস্থায় স্ত্রীদের সাথে প্রয়োজনীয় কথা বলা এবং তাঁদের খোঁজখবর নেওয়া যে জায়েজ, তা এই ঘটনা থেকে প্রমাণিত হয়।
📄 রাসূলের উদ্দেশ্য তার স্ত্রীদের সেবার্ঘ্য
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মসজিদে এতেকাফে থাকতেন, তখন তাঁর স্ত্রীগণ তাঁর সেবা করতেন। আয়েশা (রা) বলেন, ‘রাসূল (সা) এতেকাফ অবস্থায় মসজিদ থেকে তাঁর মাথা আমার দিকে বাড়িয়ে দিতেন এবং আমি ঋতুবতী থাকা সত্ত্বেও তাঁর চুল আঁচড়ে দিতাম।’ এই পারস্পরিক মমতা ও সেবা রমজানের ব্যস্ততার মাঝেও তাঁদের সম্পর্কের গভীরতা প্রকাশ করে।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মসজিদে এতেকাফে থাকতেন, তখন তাঁর স্ত্রীগণ তাঁর সেবা করতেন। আয়েশা (রা) বলেন, ‘রাসূল (সা) এতেকাফ অবস্থায় মসজিদ থেকে তাঁর মাথা আমার দিকে বাড়িয়ে দিতেন এবং আমি ঋতুবতী থাকা সত্ত্বেও তাঁর চুল আঁচড়ে দিতাম।’ এই পারস্পরিক মমতা ও সেবা রমজানের ব্যস্ততার মাঝেও তাঁদের সম্পর্কের গভীরতা প্রকাশ করে।