📄 রমজানে প্রিয় সহধর্মিণীদের সাথে রাসূলের আচরণ
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমজান মাসে তাঁর স্ত্রীদের প্রতি অত্যন্ত সহনশীল ও মমতা প্রদর্শন করতেন। রমজানের প্রথম বিশ দিন তিনি পরিবারের সাথে স্বাভাবিক সময় কাটাতেন এবং ঘরোয়া কাজে সহায়তা করতেন। তবে শেষ দশ দিন এলে তিনি ইবাদতের জন্য সম্পূর্ণ পৃথক হয়ে যেতেন এবং স্ত্রীদেরও ইবাদতের জন্য বিশেষভাবে তাগিদ দিতেন। তিনি রোজা রাখা অবস্থায় স্ত্রীদের সান্নিধ্য লাভ করতেন এবং তাঁদের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করতেন, যা প্রমাণ করে যে রোজা অবস্থায় স্ত্রীর সাথে বৈধ মেলামেশা বা সান্নিধ্য রোজার পরিপন্থী নয়।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমজান মাসে তাঁর স্ত্রীদের প্রতি অত্যন্ত সহনশীল ও মমতা প্রদর্শন করতেন। রমজানের প্রথম বিশ দিন তিনি পরিবারের সাথে স্বাভাবিক সময় কাটাতেন এবং ঘরোয়া কাজে সহায়তা করতেন। তবে শেষ দশ দিন এলে তিনি ইবাদতের জন্য সম্পূর্ণ পৃথক হয়ে যেতেন এবং স্ত্রীদেরও ইবাদতের জন্য বিশেষভাবে তাগিদ দিতেন। তিনি রোজা রাখা অবস্থায় স্ত্রীদের সান্নিধ্য লাভ করতেন এবং তাঁদের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করতেন, যা প্রমাণ করে যে রোজা অবস্থায় স্ত্রীর সাথে বৈধ মেলামেশা বা সান্নিধ্য রোজার পরিপন্থী নয়।
📄 শিক্ষাদান
রমজান মাসে দ্বীনি মাসআলা-মাসায়েল এবং রোজার খুঁটিনাটি বিষয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর স্ত্রীদের শিক্ষা দিতেন। বিশেষ করে রোজা ভঙ্গ হওয়ার কারণ, স্বপ্নদোষ বা জানাবাত অবস্থায় রোজার বিধান এবং মহিলাদের বিশেষ দিনগুলোতে ইবাদতের নিয়ম সম্পর্কে তিনি তাঁদের সুস্পষ্ট ধারণা দিতেন। তাঁর এই শিক্ষাদানের ফলেই উম্মুল মুমিনীনগণ পরবর্তী সময়ে উম্মতের কাছে রোজার অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিধান পৌঁছে দিতে সক্ষম হয়েছিলেন।
রমজান মাসে দ্বীনি মাসআলা-মাসায়েল এবং রোজার খুঁটিনাটি বিষয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর স্ত্রীদের শিক্ষা দিতেন। বিশেষ করে রোজা ভঙ্গ হওয়ার কারণ, স্বপ্নদোষ বা জানাবাত অবস্থায় রোজার বিধান এবং মহিলাদের বিশেষ দিনগুলোতে ইবাদতের নিয়ম সম্পর্কে তিনি তাঁদের সুস্পষ্ট ধারণা দিতেন। তাঁর এই শিক্ষাদানের ফলেই উম্মুল মুমিনীনগণ পরবর্তী সময়ে উম্মতের কাছে রোজার অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিধান পৌঁছে দিতে সক্ষম হয়েছিলেন।
📄 রাসূল সম্পর্কে তার সহধর্মিণীদের অবগতি
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ব্যক্তিগত জীবনের ইবাদত সম্পর্কে তাঁর সহধর্মিণীগণ ছিলেন সবচেয়ে বেশি অবগত। উম্মুল মুমিনীন আয়েশা (রা) এবং উম্মে সালামা (রা) বর্ণনা করেছেন যে, রাসূল (সা) কখনও কখনও অপবিত্র অবস্থায় ফজর করতেন, অতঃপর গোসল করে রোজা পূর্ণ করতেন। তাঁরা তাঁর রাতের সালাতের দৈর্ঘ্য, সিজদার স্থায়িত্ব এবং তাঁর কান্নার আওয়াজ সম্পর্কেও বর্ণনা করেছেন, যা অন্য কারও পক্ষে জানা সম্ভব ছিল না।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ব্যক্তিগত জীবনের ইবাদত সম্পর্কে তাঁর সহধর্মিণীগণ ছিলেন সবচেয়ে বেশি অবগত। উম্মুল মুমিনীন আয়েশা (রা) এবং উম্মে সালামা (রা) বর্ণনা করেছেন যে, রাসূল (সা) কখনও কখনও অপবিত্র অবস্থায় ফজর করতেন, অতঃপর গোসল করে রোজা পূর্ণ করতেন। তাঁরা তাঁর রাতের সালাতের দৈর্ঘ্য, সিজদার স্থায়িত্ব এবং তাঁর কান্নার আওয়াজ সম্পর্কেও বর্ণনা করেছেন, যা অন্য কারও পক্ষে জানা সম্ভব ছিল না।
📄 কল্যাণ কর্মে উৎসাহ প্রদান
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর স্ত্রীদেরকে রমজানে দান-সদকা এবং সৎকাজে উৎসাহিত করতেন। তিনি বলতেন, ‘যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে ও সওয়াবের আশায় রমজানের রোজা রাখবে এবং কিয়াম করবে, তার পূর্বের গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে।’ তিনি তাঁর স্ত্রীদের শেষ দশ রাতে ঘুমানোর পরিবর্তে ইবাদতে মগ্ন থাকতে বলতেন এবং লাইলাতুল কদর তালাশ করার জন্য উৎসাহিত করতেন।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর স্ত্রীদেরকে রমজানে দান-সদকা এবং সৎকাজে উৎসাহিত করতেন। তিনি বলতেন, ‘যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে ও সওয়াবের আশায় রমজানের রোজা রাখবে এবং কিয়াম করবে, তার পূর্বের গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে।’ তিনি তাঁর স্ত্রীদের শেষ দশ রাতে ঘুমানোর পরিবর্তে ইবাদতে মগ্ন থাকতে বলতেন এবং লাইলাতুল কদর তালাশ করার জন্য উৎসাহিত করতেন।