📘 রাজদরবারে আলিমদের গমন একটি সতর্কবার্তা > 📄 শাসকের দরবারে অনুপ্রবেশকারী আলিম কি হাউজে কাউসারে অবতরণ করতে পারবে?

📄 শাসকের দরবারে অনুপ্রবেশকারী আলিম কি হাউজে কাউসারে অবতরণ করতে পারবে?


(০৮) কা'ব ইবনু উজরা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ বলেছেন,
“আমার পরে অনেক শাসকের আবির্ভাব ঘটবে। তো যে কেউ তাদের দরবারে অনুপ্রবেশ করবে, তাদের মিথ্যাকে সত্যায়ন করবে এবং তাদেরকে তাদের জুলমে সহযোগিতা করবে, সে আমার দলভুক্ত নয়, আর আমি তার দলভুক্ত নই। সে হাউজে আমার কাছে অবতরণ করবে না। আর যে ব্যক্তি তাদের দরবারে অনুপ্রবেশ করবে না, তাদেরকে তাদের জুলমে সহযোগিতা করবে না এবং তাদের মিথ্যাকে সত্য বলে স্বীকৃতি দেবে না, সে আমার দলভুক্ত এবং আমি তার দলভুক্ত। সে হাউজে কাউসারে আমার কাছে অবতরণ করবে।”¹⁴

(০৯) আবু সাইদ খুদরি থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ বলেছেন,
"এমন অনেক শাসকের আবির্ভাব ঘটবে, যাদের আচ্ছন্ন করে রাখবে ধোঁকাবাজ এবং ভিতু লোকেরা। তারা মিথ্যা বলবে এবং অত্যাচার করবে। যে ব্যক্তি তাদের দরবারে যাবে, তাদের মিথ্যাকে সত্যায়ন করবে এবং তাদেরকে তাদের জুলমে সহায়তা করবে, আমি তার থেকে দায়মুক্ত এবং সে আমার থেকে দায়মুক্ত। আর যে তাদের দরবারে যাবে না, তাদের মিথ্যাকে সত্য বলে স্বীকৃতি দেবে না, তাদের জুলমে সহযোগিতা করবে না, সে আমার অন্তর্ভুক্ত আর আমি তার অন্তর্ভুক্ত।”¹⁵

(১০) জাবির ইবনু আব্দিল্লাহ থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ বলেছেন,
"খুব শীঘ্রই আমার পরে এমন কিছু শাসক আবির্ভূত হবে, যে ব্যক্তি তাদের সংস্পর্শে গিয়ে তাদের মিথ্যাচারকে সমর্থন করবে এবং তাদের অত্যাচারে সহায়তা করবে, সে আমার দলভুক্ত নয় এবং আমিও তার দলভুক্ত নই। আর সে হাউজে কাউসারে আমার সামনে পৌঁছতে পারবে না। আর যে ব্যক্তি তাদের সংস্পর্শে যাবে না, তাদের অত্যাচারে সহায়তা করবে না এবং তাদের মিথ্যাচারকে সমর্থন করবে না, সে আমার এবং আমিও তার। আর সে অতি শীঘ্রই হাউজে কাউসারে আমার সাক্ষাৎ লাভ করবে।"¹⁶

(১১) আব্দুল্লাহ ইবনু উমর থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ বলেছেন,
"নিশ্চয়ই খুব শীঘ্রই আমার পরে এমন কিছু শাসকের আবির্ভাব ঘটবে, যে তাদের মিথ্যাচারকে সমর্থন করবে এবং তাদের অত্যাচারে সহযোগিতা করবে, সে আমার দলভুক্ত নয় এবং আমিও তার দলভুক্ত নই। আর সে হাউজে কাউসারে আমার কাছে পৌঁছতে পারবে না। আর যে তাদের সংস্পর্শে যাবে না, তাদের মিথ্যাচারকে সমর্থন করবে না, তাদের অত্যাচারে সহযোগিতা করবে না এবং তাদের দরজা মাড়াবে না, সে আমার এবং আমিও তার। আর সে অতিশীঘ্রই হাউজে কাউসারে আমার সাক্ষাৎ লাভ করবে।”¹⁷

টিকাঃ
১৪. মুসনাদু আহমাদ: ১৮১২৬; সুনানুত তিরমিযি: ৬০৯, ২৩৬০; সুনানুন নাসায়ি: ৭/১৬১; সহিহ ইবনু হিব্বান: ১/২৪৮, ২৫০-২৫১; মুসতাদরাকু হাকিম: ১/৭৯; আসসুন্নাহ, ইবনু আবি 'আসিম: ৭৫৮; আলমু'জামুল কাবির, তাবারানি: ১৯/১৩৪, ১৩৫
১৫. প্রাগুক্ত।
১৬. প্রাগুক্ত।
17. প্রাগুক্ত।

(০৮) কা'ব ইবনু উজরা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ বলেছেন,
“আমার পরে অনেক শাসকের আবির্ভাব ঘটবে। তো যে কেউ তাদের দরবারে অনুপ্রবেশ করবে, তাদের মিথ্যাকে সত্যায়ন করবে এবং তাদেরকে তাদের জুলমে সহযোগিতা করবে, সে আমার দলভুক্ত নয়, আর আমি তার দলভুক্ত নই। সে হাউজে আমার কাছে অবতরণ করবে না। আর যে ব্যক্তি তাদের দরবারে অনুপ্রবেশ করবে না, তাদেরকে তাদের জুলমে সহযোগিতা করবে না এবং তাদের মিথ্যাকে সত্য বলে স্বীকৃতি দেবে না, সে আমার দলভুক্ত এবং আমি তার দলভুক্ত। সে হাউজে কাউসারে আমার কাছে অবতরণ করবে।”¹⁴

(০৯) আবু সাইদ খুদরি থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ বলেছেন,
"এমন অনেক শাসকের আবির্ভাব ঘটবে, যাদের আচ্ছন্ন করে রাখবে ধোঁকাবাজ এবং ভিতু লোকেরা। তারা মিথ্যা বলবে এবং অত্যাচার করবে। যে ব্যক্তি তাদের দরবারে যাবে, তাদের মিথ্যাকে সত্যায়ন করবে এবং তাদেরকে তাদের জুলমে সহায়তা করবে, আমি তার থেকে দায়মুক্ত এবং সে আমার থেকে দায়মুক্ত। আর যে তাদের দরবারে যাবে না, তাদের মিথ্যাকে সত্য বলে স্বীকৃতি দেবে না, তাদের জুলমে সহযোগিতা করবে না, সে আমার অন্তর্ভুক্ত আর আমি তার অন্তর্ভুক্ত।”¹⁵

(১০) জাবির ইবনু আব্দিল্লাহ থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ বলেছেন,
"খুব শীঘ্রই আমার পরে এমন কিছু শাসক আবির্ভূত হবে, যে ব্যক্তি তাদের সংস্পর্শে গিয়ে তাদের মিথ্যাচারকে সমর্থন করবে এবং তাদের অত্যাচারে সহায়তা করবে, সে আমার দলভুক্ত নয় এবং আমিও তার দলভুক্ত নই। আর সে হাউজে কাউসারে আমার সামনে পৌঁছতে পারবে না। আর যে ব্যক্তি তাদের সংস্পর্শে যাবে না, তাদের অত্যাচারে সহায়তা করবে না এবং তাদের মিথ্যাচারকে সমর্থন করবে না, সে আমার এবং আমিও তার। আর সে অতি শীঘ্রই হাউজে কাউসারে আমার সাক্ষাৎ লাভ করবে।"¹⁶

(১১) আব্দুল্লাহ ইবনু উমর থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ বলেছেন,
"নিশ্চয়ই খুব শীঘ্রই আমার পরে এমন কিছু শাসকের আবির্ভাব ঘটবে, যে তাদের মিথ্যাচারকে সমর্থন করবে এবং তাদের অত্যাচারে সহযোগিতা করবে, সে আমার দলভুক্ত নয় এবং আমিও তার দলভুক্ত নই। আর সে হাউজে কাউসারে আমার কাছে পৌঁছতে পারবে না। আর যে তাদের সংস্পর্শে যাবে না, তাদের মিথ্যাচারকে সমর্থন করবে না, তাদের অত্যাচারে সহযোগিতা করবে না এবং তাদের দরজা মাড়াবে না, সে আমার এবং আমিও তার। আর সে অতিশীঘ্রই হাউজে কাউসারে আমার সাক্ষাৎ লাভ করবে।”¹⁷

টিকাঃ
১৪. মুসনাদু আহমাদ: ১৮১২৬; সুনানুত তিরমিযি: ৬০৯, ২৩৬০; সুনানুন নাসায়ি: ৭/১৬১; সহিহ ইবনু হিব্বান: ১/২৪৮, ২৫০-২৫১; মুসতাদরাকু হাকিম: ১/৭৯; আসসুন্নাহ, ইবনু আবি 'আসিম: ৭৫৮; আলমু'জামুল কাবির, তাবারানি: ১৯/১৩৪, ১৩৫
১৫. প্রাগুক্ত।
১৬. প্রাগুক্ত।
17. প্রাগুক্ত।

📘 রাজদরবারে আলিমদের গমন একটি সতর্কবার্তা > 📄 শাসকের সান্নিধ্যপ্রাপ্ত আলিম পরকালে শাস্তিপ্রাপ্ত হবে

📄 শাসকের সান্নিধ্যপ্রাপ্ত আলিম পরকালে শাস্তিপ্রাপ্ত হবে


(১২) মুআজ ইবনু জাবাল থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ বলেছেন,
"যখন কোনো ব্যক্তি কুরআন পাঠ করে, দ্বীনের ফিকহ অর্জন করে এরপর চাটুবৃত্তির উদ্দেশ্যে কোনো শাসকের দরবারে তার অধিকারভুক্ত সম্পদের প্রতি প্রলুব্ধ হয়ে আনাগোনা করে, তখন সে তার পদচারণা পরিমাণ জাহান্নামে প্রবিষ্ট হয়।”¹⁸

টিকাঃ
১৮. মুসনাদুল ফিরদাউস, দাইলামি : ১১২৪; ইতহাফুস সাদাহ : ৬/১২৬; আসসিলসিলাতুয যায়িফাহ : ২১৯১

(১২) মুআজ ইবনু জাবাল থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ বলেছেন,
"যখন কোনো ব্যক্তি কুরআন পাঠ করে, দ্বীনের ফিকহ অর্জন করে এরপর চাটুবৃত্তির উদ্দেশ্যে কোনো শাসকের দরবারে তার অধিকারভুক্ত সম্পদের প্রতি প্রলুব্ধ হয়ে আনাগোনা করে, তখন সে তার পদচারণা পরিমাণ জাহান্নামে প্রবিষ্ট হয়।”¹⁸

টিকাঃ
১৮. মুসনাদুল ফিরদাউস, দাইলামি : ১১২৪; ইতহাফুস সাদাহ : ৬/১২৬; আসসিলসিলাতুয যায়িফাহ : ২১৯১

📘 রাজদরবারে আলিমদের গমন একটি সতর্কবার্তা > 📄 শেষ যামানার আলিমদের কিছু বৈশিষ্ট্য

📄 শেষ যামানার আলিমদের কিছু বৈশিষ্ট্য


(১৩) আব্দুল্লাহ ইবনু আব্বাস থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ বলেছেন,
"শেষ যামানায় এমন সব আলিমের আবির্ভাব ঘটবে, যারা মানুষদের আখিরাতের ব্যাপারে উৎসাহী করবে অথচ নিজেরা উৎসাহিত হবে না; যারা মানুষদের দুনিয়ার ব্যাপারে অমুখাপেক্ষী করবে অথচ নিজেরা অমুখাপেক্ষী হবে না; যারা শাসকদের দরবারে আনাগোনা করতে বারণ করবে অথচ নিজেরা নিবৃত্ত হবে না।"¹⁹

(১৪) উমর ইবনু খাত্তাব থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ বলেছেন,
"নিশ্চয়ই আল্লাহ আমিরদের পছন্দ করেন, যখন তারা আলিমগণের সংস্পর্শে যায়। আর তিনি আলিমদের অপছন্দ করেন, যখন তারা আমিরদের সঙ্গে মিলিত হয়। কেননা, আলিমরা যখন আমিরদের সঙ্গে মিলিত হয়, তখন তারা দুনিয়ার ব্যাপারে আগ্রহী হয়ে পড়ে। আর আমিররা যখন আলিমদের সংস্পর্শে যায়, তখন তারা আখিরাতের ব্যাপারে আগ্রহী হয়ে থাকে।”²⁰

(১৫) হাসান থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ বলেছেন,
"এই উম্মাহ ততদিন পর্যন্ত আল্লাহর আশ্রয় এবং তত্ত্বাবধানে থাকবে, যতদিন তাদের কারীগণ আমিরদের প্রতি আকৃষ্ট না হবে।”²¹

(১৬) আব্দুল্লাহ ইবনু শিখখির থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ বলেছেন,
"তোমরা ধনী সম্প্রদায়ের কাছে যাতায়াত কম করো। তোমরা আল্লাহর নিয়ামতের প্রতি অবজ্ঞা প্রদর্শন না করার জন্য এটাই অধিকতর উপযোগী।”²²

(১৭) উমর ইবনু খাত্তাব বলেন,
"রাসুলুল্লাহ আমার কাছে আসলেন। আমি তার চেহারায় ক্রোধের ছাপ দেখতে পেলাম। তিনি তার দাড়িতে হাত রেখে বললেন, 'ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। (নিশ্চয়ই আমরা আল্লাহর জন্য এবং আমরা তার কাছেই ফিরে যাব।) আমার কাছে জিবরিল এসে বললেন, 'আপনার পরে অতি স্বল্প সময়ের ব্যবধানে আপনার উম্মাহ ফিতনায় নিপতিত হবে।' আমি বললাম, 'এই ফিতনার সূত্রপাত কিসের থেকে হবে?' তিনি বললেন, 'তাদের আলিম এবং শাসকদের তরফ থেকে হবে।

শাসকরা মানুষদের তাদের প্রাপ্য হক থেকে বঞ্চিত করবে, জনসাধারণকে তাদের হক প্রদান করবে না, আর আলিমরা শাসকদের খেয়াল-খুশির অনুসরণ করবে।' আমি বললাম, 'হে জিবরিল, তাদের মধ্যে যারা নিরাপদ থাকবে, তারা কোন জিনিসের দ্বারা নিরাপদ থাকবে?' তিনি বললেন, 'বিরত থাকার মাধ্যমে এবং সবরের মাধ্যমে। তাদের যদি তাদের প্রাপ্য হক প্রদান করা হয়, তা হলে তারা তা গ্রহণ করে নেয়। আর যদি তাদের বঞ্চিত করা হয়, তা হলে তারা তা ছেড়ে দেয়।”²³

টিকাঃ
১৯. মুসনাদুল ফিরদাউস, দাইলামি: ৩৪২২; ইতহাফুস সাদাহ: ৬/১২৬
২০. মুসনাদুল ফিরদাউস, দাইলামি: ৫৬৬; কাশফুল খাফা: ২/২৪৪; ইতহাফুস সাদাহ: ৬/১২৫
২১. মুসনাদুল ফিরদাউস, দাইলামি: ৭৫৯৫; তাখরিজু আহাদিসিল ইহইয়া, ইরাকি: ২/১৪৯
২২. আলমুসতাদরাক লিল হাকিম: ৪/৩১২; আলকামিল, ইবনু 'আদি: ৬/১৪৪; আযযু'আফাউল কাবির, উকায়লি: ৩/৩২৭; যাখিরাতুল হুফফায, ইবনুল কায়সারানি: ১/৪৪২; আততারগিব ওয়াত তারহিব: ৪/১৬৬; মিযানুল ই'তিদাল: ৩/১৬৪; লিসানুল মিযান: ৬/৪৫
২৩. আসসুন্নাহ, ইবনু আবি আসিম: ৩০৩; আলইলালুল মুতানাহিয়াহ: ২/৩৬৮; মুসনাদুল ফারুক, ইবনু কাসির: ২/৬৫৯; তাহযিবুত তাহযিব: ৭/৪৪৫; তালখিসুল ইলালিল মুতানাহিয়াহ: ৩১৩; লিসানুল মিযান: ৬/৯৭

(১৩) আব্দুল্লাহ ইবনু আব্বাস থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ বলেছেন,
"শেষ যামানায় এমন সব আলিমের আবির্ভাব ঘটবে, যারা মানুষদের আখিরাতের ব্যাপারে উৎসাহী করবে অথচ নিজেরা উৎসাহিত হবে না; যারা মানুষদের দুনিয়ার ব্যাপারে অমুখাপেক্ষী করবে অথচ নিজেরা অমুখাপেক্ষী হবে না; যারা শাসকদের দরবারে আনাগোনা করতে বারণ করবে অথচ নিজেরা নিবৃত্ত হবে না।"¹⁹

(১৪) উমর ইবনু খাত্তাব থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ বলেছেন,
"নিশ্চয়ই আল্লাহ আমিরদের পছন্দ করেন, যখন তারা আলিমগণের সংস্পর্শে যায়। আর তিনি আলিমদের অপছন্দ করেন, যখন তারা আমিরদের সঙ্গে মিলিত হয়। কেননা, আলিমরা যখন আমিরদের সঙ্গে মিলিত হয়, তখন তারা দুনিয়ার ব্যাপারে আগ্রহী হয়ে পড়ে। আর আমিররা যখন আলিমদের সংস্পর্শে যায়, তখন তারা আখিরাতের ব্যাপারে আগ্রহী হয়ে থাকে।”²⁰

(১৫) হাসান থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ বলেছেন,
"এই উম্মাহ ততদিন পর্যন্ত আল্লাহর আশ্রয় এবং তত্ত্বাবধানে থাকবে, যতদিন তাদের কারীগণ আমিরদের প্রতি আকৃষ্ট না হবে।”²¹

(১৬) আব্দুল্লাহ ইবনু শিখখির থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ বলেছেন,
"তোমরা ধনী সম্প্রদায়ের কাছে যাতায়াত কম করো। তোমরা আল্লাহর নিয়ামতের প্রতি অবজ্ঞা প্রদর্শন না করার জন্য এটাই অধিকতর উপযোগী।”²²

(১৭) উমর ইবনু খাত্তাব বলেন,
"রাসুলুল্লাহ আমার কাছে আসলেন। আমি তার চেহারায় ক্রোধের ছাপ দেখতে পেলাম। তিনি তার দাড়িতে হাত রেখে বললেন, 'ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। (নিশ্চয়ই আমরা আল্লাহর জন্য এবং আমরা তার কাছেই ফিরে যাব।) আমার কাছে জিবরিল এসে বললেন, 'আপনার পরে অতি স্বল্প সময়ের ব্যবধানে আপনার উম্মাহ ফিতনায় নিপতিত হবে।' আমি বললাম, 'এই ফিতনার সূত্রপাত কিসের থেকে হবে?' তিনি বললেন, 'তাদের আলিম এবং শাসকদের তরফ থেকে হবে।

শাসকরা মানুষদের তাদের প্রাপ্য হক থেকে বঞ্চিত করবে, জনসাধারণকে তাদের হক প্রদান করবে না, আর আলিমরা শাসকদের খেয়াল-খুশির অনুসরণ করবে।' আমি বললাম, 'হে জিবরিল, তাদের মধ্যে যারা নিরাপদ থাকবে, তারা কোন জিনিসের দ্বারা নিরাপদ থাকবে?' তিনি বললেন, 'বিরত থাকার মাধ্যমে এবং সবরের মাধ্যমে। তাদের যদি তাদের প্রাপ্য হক প্রদান করা হয়, তা হলে তারা তা গ্রহণ করে নেয়। আর যদি তাদের বঞ্চিত করা হয়, তা হলে তারা তা ছেড়ে দেয়।”²³

টিকাঃ
১৯. মুসনাদুল ফিরদাউস, দাইলামি: ৩৪২২; ইতহাফুস সাদাহ: ৬/১২৬
২০. মুসনাদুল ফিরদাউস, দাইলামি: ৫৬৬; কাশফুল খাফা: ২/২৪৪; ইতহাফুস সাদাহ: ৬/১২৫
২১. মুসনাদুল ফিরদাউস, দাইলামি: ৭৫৯৫; তাখরিজু আহাদিসিল ইহইয়া, ইরাকি: ২/১৪৯
২২. আলমুসতাদরাক লিল হাকিম: ৪/৩১২; আলকামিল, ইবনু 'আদি: ৬/১৪৪; আযযু'আফাউল কাবির, উকায়লি: ৩/৩২৭; যাখিরাতুল হুফফায, ইবনুল কায়সারানি: ১/৪৪২; আততারগিব ওয়াত তারহিব: ৪/১৬৬; মিযানুল ই'তিদাল: ৩/১৬৪; লিসানুল মিযান: ৬/৪৫
২৩. আসসুন্নাহ, ইবনু আবি আসিম: ৩০৩; আলইলালুল মুতানাহিয়াহ: ২/৩৬৮; মুসনাদুল ফারুক, ইবনু কাসির: ২/৬৫৯; তাহযিবুত তাহযিব: ৭/৪৪৫; তালখিসুল ইলালিল মুতানাহিয়াহ: ৩১৩; লিসানুল মিযান: ৬/৯৭

📘 রাজদরবারে আলিমদের গমন একটি সতর্কবার্তা > 📄 ফিতনার শাসকবৃন্দ

📄 ফিতনার শাসকবৃন্দ


(১৮) আব্দুল্লাহ ইবনুল হারিস থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ বলেছেন,
"আমার পরে এমনসব শাসকদের আবির্ভাব ঘটবে, যাদের দুয়ারে উট বসার জায়গার মতো ফিতনা থাকবে। তারা কাউকে কোনো কিছু প্রদান করলে তার থেকে সে পরিমাণ দ্বীন গ্রহণ করে নেবে।”²⁴

(১৯) আব্দুল্লাহ ইবনু উমর থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ বলেছেন,
"তোমরা শাসকের দুয়ার এবং তার অনুচরবর্গ থেকে দূরে থাকো। কেননা, যে তাদের অধিক নৈকট্যপ্রাপ্ত, সে আল্লাহর থেকে অধিক দূরবর্তী। যে শাসককে আল্লাহর ওপর প্রাধান্য দেয়, আল্লাহ তার অন্তরে প্রকাশ্য-অপ্রকাশ্য ফিতনা সৃষ্টি করে দেন, তার থেকে তাকওয়া ছিনিয়ে নেন, আর তাকে অস্থিররূপে ছেড়ে রাখেন।"²⁵

টিকাঃ
২৪. আলমুসতাদরাক লিল হাকিম: ৩/৬৩৩; মাজমাউয যাওয়ায়িদ: ৫/২৪৯
২৫. কানযুল উম্মাল: ৬/৭০; আখবারু আসবাহান, আবু নুয়াইম: ২/৪২; তালখিসুল মুতাশাবিহ, আলখাতিব আলবাগদাদি: ১/৩৪১; তাখরিজু ফাযিলাতিল 'আদিলিন: ১৭৭

(১৮) আব্দুল্লাহ ইবনুল হারিস থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ বলেছেন,
"আমার পরে এমনসব শাসকদের আবির্ভাব ঘটবে, যাদের দুয়ারে উট বসার জায়গার মতো ফিতনা থাকবে। তারা কাউকে কোনো কিছু প্রদান করলে তার থেকে সে পরিমাণ দ্বীন গ্রহণ করে নেবে।”²⁴

(১৯) আব্দুল্লাহ ইবনু উমর থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ বলেছেন,
"তোমরা শাসকের দুয়ার এবং তার অনুচরবর্গ থেকে দূরে থাকো। কেননা, যে তাদের অধিক নৈকট্যপ্রাপ্ত, সে আল্লাহর থেকে অধিক দূরবর্তী। যে শাসককে আল্লাহর ওপর প্রাধান্য দেয়, আল্লাহ তার অন্তরে প্রকাশ্য-অপ্রকাশ্য ফিতনা সৃষ্টি করে দেন, তার থেকে তাকওয়া ছিনিয়ে নেন, আর তাকে অস্থিররূপে ছেড়ে রাখেন।"²⁵

টিকাঃ
২৪. আলমুসতাদরাক লিল হাকিম: ৩/৬৩৩; মাজমাউয যাওয়ায়িদ: ৫/২৪৯
২৫. কানযুল উম্মাল: ৬/৭০; আখবারু আসবাহান, আবু নুয়াইম: ২/৪২; তালখিসুল মুতাশাবিহ, আলখাতিব আলবাগদাদি: ১/৩৪১; তাখরিজু ফাযিলাতিল 'আদিলিন: ১৭৭

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00