📄 নববি সুন্নাহর দর্পণে শাসকদের কাছে যাতায়াতের নিষিদ্ধতা
(১) আব্দুল্লাহ ইবনু আব্বাস থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ বলেছেন,
“যে-ব্যক্তি মরুচারী যাযাবর জীবনযাপন করে, সে রুক্ষ স্বভাবের অধিকারী হয়ে যায়। যে শিকারের পেছনে ছোটে, সে উদাসীন হয়ে পড়ে। আর যে শাসকদের কাছে যাতায়াত করে, সে ফিতনায় পতিত হয়।"⁷
(২) আবু হুরায়রা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবি বলেছেন,
“যে-ব্যক্তি মরুচারী যাযাবর জীবনযাপন করে, সে রূঢ় চিত্তাধিকারী হবে। যে শিকারের পিছু নেবে, সে অন্যমনস্ক হয়ে পড়বে। যে ব্যক্তি শাসকের দুয়ারে উপস্থিত হবে, সে ফিতনায় আক্রান্ত হবে। আর যে ব্যক্তি শাসকের যত ঘনিষ্ঠ হবে, সে আল্লাহর থেকে তত বেশি দূরে সরবে।"⁸
(৩) আবু হুরায়রা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ বলেছেন,
“যে-ব্যক্তি মরুচারী যাযাবর জীবনযাপন করে, সে হয় কঠোর। যে শিকারের পেছনে ঘোরে, সে হয় গাফিল। আর যে শাসকদের দরজায় যায়, সে ফিতনায় নিপতিত হয়। শাসকের সঙ্গে যার নৈকট্য যত বৃদ্ধি পায়, আল্লাহর থেকে তার দূরত্ব তত বেশি বেড়ে যায়।”⁹
টিকাঃ
৭. মুসনাদু আহমাদ: ১/৩৫৭, ৩৩৫২; সুনানু আবি দাউদ: ২৮৫৯; সুনানুত তিরমিযি: ২২৫৬; সুনানুন নাসায়ি: ৭/১৯৫-১৯৬, ৪৩০৯; আততারিখুল কাবির, বুখারি: ৯/৭০; আলমু'জামুল কাবির, তাবারানি: ১১০৩০; হিলয়াতুল আওলিয়া: ৪/৭২, ৪৯১৯
৮. সুনানুল বায়হাকি: ১০/১০১; মুসনাদু ইসহাক ইবনু রাহুওয়াহ: ৩৭১
৯. প্রাগুক্ত
(১) আব্দুল্লাহ ইবনু আব্বাস থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ বলেছেন,
“যে-ব্যক্তি মরুচারী যাযাবর জীবনযাপন করে, সে রুক্ষ স্বভাবের অধিকারী হয়ে যায়। যে শিকারের পেছনে ছোটে, সে উদাসীন হয়ে পড়ে। আর যে শাসকদের কাছে যাতায়াত করে, সে ফিতনায় পতিত হয়।"⁷
(২) আবু হুরায়রা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবি বলেছেন,
“যে-ব্যক্তি মরুচারী যাযাবর জীবনযাপন করে, সে রূঢ় চিত্তাধিকারী হবে। যে শিকারের পিছু নেবে, সে অন্যমনস্ক হয়ে পড়বে। যে ব্যক্তি শাসকের দুয়ারে উপস্থিত হবে, সে ফিতনায় আক্রান্ত হবে। আর যে ব্যক্তি শাসকের যত ঘনিষ্ঠ হবে, সে আল্লাহর থেকে তত বেশি দূরে সরবে।"⁸
(৩) আবু হুরায়রা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ বলেছেন,
“যে-ব্যক্তি মরুচারী যাযাবর জীবনযাপন করে, সে হয় কঠোর। যে শিকারের পেছনে ঘোরে, সে হয় গাফিল। আর যে শাসকদের দরজায় যায়, সে ফিতনায় নিপতিত হয়। শাসকের সঙ্গে যার নৈকট্য যত বৃদ্ধি পায়, আল্লাহর থেকে তার দূরত্ব তত বেশি বেড়ে যায়।”⁹
টিকাঃ
৭. মুসনাদু আহমাদ: ১/৩৫৭, ৩৩৫২; সুনানু আবি দাউদ: ২৮৫৯; সুনানুত তিরমিযি: ২২৫৬; সুনানুন নাসায়ি: ৭/১৯৫-১৯৬, ৪৩০৯; আততারিখুল কাবির, বুখারি: ৯/৭০; আলমু'জামুল কাবির, তাবারানি: ১১০৩০; হিলয়াতুল আওলিয়া: ৪/৭২, ৪৯১৯
৮. সুনানুল বায়হাকি: ১০/১০১; মুসনাদু ইসহাক ইবনু রাহুওয়াহ: ৩৭১
৯. প্রাগুক্ত
📄 সৃষ্টজীবের মধ্যে মহান আল্লাহর কাছে সবচেয়ে ঘৃণ্য শ্রেণি
(৪) আবু হুরায়রা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ বলেছেন,
"নিশ্চয়ই আল্লাহর নিকট সৃষ্টজীবের মধ্যে অন্যতম ঘৃণ্য শ্রেণি হলো এমন আলিমরা, যারা আমিরদের সাথে সাক্ষাৎ করে।”¹⁰
(৫) আবু হুরায়রা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ বলেছেন,
“যখন তুমি কোনো আলিমকে দেখবে যে, সে শাসকগোষ্ঠীর সাথে অধিক পরিমাণে মেলামেশা করছে, তখন তুমি জেনে রেখো, সে একটা চোর।”¹¹
(৬) আব্দুল্লাহ ইবনু আব্বাস থেকে সহিহ সনদে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ বলেছেন,
“নিশ্চয়ই আমার উম্মাহর একশ্রেণির মানুষ দ্বীনের ফিকহ অর্জন করবে, কুরআন পাঠ করবে এবং তারা বলবে যে, আমরা শাসকদের কাছে গমন করব, অনন্তর তাদের পার্থিব ধনসম্পদের কিছু হিস্সা লাভ করব, এরপর নিজেদের দ্বীন বাঁচিয়ে তাদের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাব। এটা কখনোই হবার নয়। কাঁটাদার উদ্ভিদ থেকে যেমন কাঁটা ছাড়া অন্য কিছু সংগ্রহ করা অসম্ভব, তেমনই শাসকদের নৈকট্য থেকে গুনাহ ছাড়া অন্য কিছু আহরণ করা অসম্ভব।”¹²
(৭) রাসুলুল্লাহ এর আযাদকৃত দাস সাওবান থেকে সহিহ সনদে বর্ণিত, তিনি রাসুলুল্লাহ -কে বললেন, “হে আল্লাহর রাসুল, আমি কি আহলে বাইতের অন্তর্ভুক্ত?” তখন তিনি চুপ থাকলেন। এরপর তৃতীয় বারে তিনি বললেন, “হাঁ, যাবৎ না তুমি ‘সুদ্দাহ’র দুয়ারে দাঁড়াবে অথবা কোনো কিছু চাওয়ার জন্য শাসকের কাছে গমন করবে।”
হাফিজ মুনযিরি আততারগিব ওয়াত তারহিব গ্রন্থে বলেন, “এখানে ‘সুদ্দাহ’ শব্দ দ্বারা শাসক এবং এই শ্রেণির অন্যান্যদের দুয়ার উদ্দেশ্য।”¹³
টিকাঃ
১০. সুনানুত তিরমিযি: ২৩৮৩; সুনানু ইবনি মাজাহ: ২৫৬; ইবনু ‘আদি: ৫/১৫২৭; আততারগিব ওয়াত তারহিব: ১/৫১; মাজমাউয যাওয়ায়িদ: ১০/৩৮৮; আললা’আলিল মাসনু ‘আহ: ২/২৪৫; তানযিহুশ শারিয়াহ: ২/৩৮৫; যায়িফুল জামি’: ২৪৫৯
১১. আলফিরদাউস: ১০৭৭; যায়িফুল জামি’: ৫০০; আসসিলসিলাতুয যায়িফাহ: ২৫২৬
১২. সুনানু ইবনি মাজাহ: ২৫৫; কানযুল উম্মাল: ২৮৯৮৮
১৩. সুনানু ইবনি মাজাহ: ২৫৫; কানযুল উম্মাল: ২৮৯৮৮
(৪) আবু হুরায়রা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ বলেছেন,
"নিশ্চয়ই আল্লাহর নিকট সৃষ্টজীবের মধ্যে অন্যতম ঘৃণ্য শ্রেণি হলো এমন আলিমরা, যারা আমিরদের সাথে সাক্ষাৎ করে।”¹⁰
(৫) আবু হুরায়রা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ বলেছেন,
“যখন তুমি কোনো আলিমকে দেখবে যে, সে শাসকগোষ্ঠীর সাথে অধিক পরিমাণে মেলামেশা করছে, তখন তুমি জেনে রেখো, সে একটা চোর।”¹¹
(৬) আব্দুল্লাহ ইবনু আব্বাস থেকে সহিহ সনদে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ বলেছেন,
“নিশ্চয়ই আমার উম্মাহর একশ্রেণির মানুষ দ্বীনের ফিকহ অর্জন করবে, কুরআন পাঠ করবে এবং তারা বলবে যে, আমরা শাসকদের কাছে গমন করব, অনন্তর তাদের পার্থিব ধনসম্পদের কিছু হিস্সা লাভ করব, এরপর নিজেদের দ্বীন বাঁচিয়ে তাদের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাব। এটা কখনোই হবার নয়। কাঁটাদার উদ্ভিদ থেকে যেমন কাঁটা ছাড়া অন্য কিছু সংগ্রহ করা অসম্ভব, তেমনই শাসকদের নৈকট্য থেকে গুনাহ ছাড়া অন্য কিছু আহরণ করা অসম্ভব।”¹²
(৭) রাসুলুল্লাহ এর আযাদকৃত দাস সাওবান থেকে সহিহ সনদে বর্ণিত, তিনি রাসুলুল্লাহ -কে বললেন, “হে আল্লাহর রাসুল, আমি কি আহলে বাইতের অন্তর্ভুক্ত?” তখন তিনি চুপ থাকলেন। এরপর তৃতীয় বারে তিনি বললেন, “হাঁ, যাবৎ না তুমি ‘সুদ্দাহ’র দুয়ারে দাঁড়াবে অথবা কোনো কিছু চাওয়ার জন্য শাসকের কাছে গমন করবে।”
হাফিজ মুনযিরি আততারগিব ওয়াত তারহিব গ্রন্থে বলেন, “এখানে ‘সুদ্দাহ’ শব্দ দ্বারা শাসক এবং এই শ্রেণির অন্যান্যদের দুয়ার উদ্দেশ্য।”¹³
টিকাঃ
১০. সুনানুত তিরমিযি: ২৩৮৩; সুনানু ইবনি মাজাহ: ২৫৬; ইবনু ‘আদি: ৫/১৫২৭; আততারগিব ওয়াত তারহিব: ১/৫১; মাজমাউয যাওয়ায়িদ: ১০/৩৮৮; আললা’আলিল মাসনু ‘আহ: ২/২৪৫; তানযিহুশ শারিয়াহ: ২/৩৮৫; যায়িফুল জামি’: ২৪৫৯
১১. আলফিরদাউস: ১০৭৭; যায়িফুল জামি’: ৫০০; আসসিলসিলাতুয যায়িফাহ: ২৫২৬
১২. সুনানু ইবনি মাজাহ: ২৫৫; কানযুল উম্মাল: ২৮৯৮৮
১৩. সুনানু ইবনি মাজাহ: ২৫৫; কানযুল উম্মাল: ২৮৯৮৮
📄 শাসকের দরবারে অনুপ্রবেশকারী আলিম কি হাউজে কাউসারে অবতরণ করতে পারবে?
(০৮) কা'ব ইবনু উজরা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ বলেছেন,
“আমার পরে অনেক শাসকের আবির্ভাব ঘটবে। তো যে কেউ তাদের দরবারে অনুপ্রবেশ করবে, তাদের মিথ্যাকে সত্যায়ন করবে এবং তাদেরকে তাদের জুলমে সহযোগিতা করবে, সে আমার দলভুক্ত নয়, আর আমি তার দলভুক্ত নই। সে হাউজে আমার কাছে অবতরণ করবে না। আর যে ব্যক্তি তাদের দরবারে অনুপ্রবেশ করবে না, তাদেরকে তাদের জুলমে সহযোগিতা করবে না এবং তাদের মিথ্যাকে সত্য বলে স্বীকৃতি দেবে না, সে আমার দলভুক্ত এবং আমি তার দলভুক্ত। সে হাউজে কাউসারে আমার কাছে অবতরণ করবে।”¹⁴
(০৯) আবু সাইদ খুদরি থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ বলেছেন,
"এমন অনেক শাসকের আবির্ভাব ঘটবে, যাদের আচ্ছন্ন করে রাখবে ধোঁকাবাজ এবং ভিতু লোকেরা। তারা মিথ্যা বলবে এবং অত্যাচার করবে। যে ব্যক্তি তাদের দরবারে যাবে, তাদের মিথ্যাকে সত্যায়ন করবে এবং তাদেরকে তাদের জুলমে সহায়তা করবে, আমি তার থেকে দায়মুক্ত এবং সে আমার থেকে দায়মুক্ত। আর যে তাদের দরবারে যাবে না, তাদের মিথ্যাকে সত্য বলে স্বীকৃতি দেবে না, তাদের জুলমে সহযোগিতা করবে না, সে আমার অন্তর্ভুক্ত আর আমি তার অন্তর্ভুক্ত।”¹⁵
(১০) জাবির ইবনু আব্দিল্লাহ থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ বলেছেন,
"খুব শীঘ্রই আমার পরে এমন কিছু শাসক আবির্ভূত হবে, যে ব্যক্তি তাদের সংস্পর্শে গিয়ে তাদের মিথ্যাচারকে সমর্থন করবে এবং তাদের অত্যাচারে সহায়তা করবে, সে আমার দলভুক্ত নয় এবং আমিও তার দলভুক্ত নই। আর সে হাউজে কাউসারে আমার সামনে পৌঁছতে পারবে না। আর যে ব্যক্তি তাদের সংস্পর্শে যাবে না, তাদের অত্যাচারে সহায়তা করবে না এবং তাদের মিথ্যাচারকে সমর্থন করবে না, সে আমার এবং আমিও তার। আর সে অতি শীঘ্রই হাউজে কাউসারে আমার সাক্ষাৎ লাভ করবে।"¹⁶
(১১) আব্দুল্লাহ ইবনু উমর থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ বলেছেন,
"নিশ্চয়ই খুব শীঘ্রই আমার পরে এমন কিছু শাসকের আবির্ভাব ঘটবে, যে তাদের মিথ্যাচারকে সমর্থন করবে এবং তাদের অত্যাচারে সহযোগিতা করবে, সে আমার দলভুক্ত নয় এবং আমিও তার দলভুক্ত নই। আর সে হাউজে কাউসারে আমার কাছে পৌঁছতে পারবে না। আর যে তাদের সংস্পর্শে যাবে না, তাদের মিথ্যাচারকে সমর্থন করবে না, তাদের অত্যাচারে সহযোগিতা করবে না এবং তাদের দরজা মাড়াবে না, সে আমার এবং আমিও তার। আর সে অতিশীঘ্রই হাউজে কাউসারে আমার সাক্ষাৎ লাভ করবে।”¹⁷
টিকাঃ
১৪. মুসনাদু আহমাদ: ১৮১২৬; সুনানুত তিরমিযি: ৬০৯, ২৩৬০; সুনানুন নাসায়ি: ৭/১৬১; সহিহ ইবনু হিব্বান: ১/২৪৮, ২৫০-২৫১; মুসতাদরাকু হাকিম: ১/৭৯; আসসুন্নাহ, ইবনু আবি 'আসিম: ৭৫৮; আলমু'জামুল কাবির, তাবারানি: ১৯/১৩৪, ১৩৫
১৫. প্রাগুক্ত।
১৬. প্রাগুক্ত।
17. প্রাগুক্ত।
(০৮) কা'ব ইবনু উজরা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ বলেছেন,
“আমার পরে অনেক শাসকের আবির্ভাব ঘটবে। তো যে কেউ তাদের দরবারে অনুপ্রবেশ করবে, তাদের মিথ্যাকে সত্যায়ন করবে এবং তাদেরকে তাদের জুলমে সহযোগিতা করবে, সে আমার দলভুক্ত নয়, আর আমি তার দলভুক্ত নই। সে হাউজে আমার কাছে অবতরণ করবে না। আর যে ব্যক্তি তাদের দরবারে অনুপ্রবেশ করবে না, তাদেরকে তাদের জুলমে সহযোগিতা করবে না এবং তাদের মিথ্যাকে সত্য বলে স্বীকৃতি দেবে না, সে আমার দলভুক্ত এবং আমি তার দলভুক্ত। সে হাউজে কাউসারে আমার কাছে অবতরণ করবে।”¹⁴
(০৯) আবু সাইদ খুদরি থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ বলেছেন,
"এমন অনেক শাসকের আবির্ভাব ঘটবে, যাদের আচ্ছন্ন করে রাখবে ধোঁকাবাজ এবং ভিতু লোকেরা। তারা মিথ্যা বলবে এবং অত্যাচার করবে। যে ব্যক্তি তাদের দরবারে যাবে, তাদের মিথ্যাকে সত্যায়ন করবে এবং তাদেরকে তাদের জুলমে সহায়তা করবে, আমি তার থেকে দায়মুক্ত এবং সে আমার থেকে দায়মুক্ত। আর যে তাদের দরবারে যাবে না, তাদের মিথ্যাকে সত্য বলে স্বীকৃতি দেবে না, তাদের জুলমে সহযোগিতা করবে না, সে আমার অন্তর্ভুক্ত আর আমি তার অন্তর্ভুক্ত।”¹⁵
(১০) জাবির ইবনু আব্দিল্লাহ থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ বলেছেন,
"খুব শীঘ্রই আমার পরে এমন কিছু শাসক আবির্ভূত হবে, যে ব্যক্তি তাদের সংস্পর্শে গিয়ে তাদের মিথ্যাচারকে সমর্থন করবে এবং তাদের অত্যাচারে সহায়তা করবে, সে আমার দলভুক্ত নয় এবং আমিও তার দলভুক্ত নই। আর সে হাউজে কাউসারে আমার সামনে পৌঁছতে পারবে না। আর যে ব্যক্তি তাদের সংস্পর্শে যাবে না, তাদের অত্যাচারে সহায়তা করবে না এবং তাদের মিথ্যাচারকে সমর্থন করবে না, সে আমার এবং আমিও তার। আর সে অতি শীঘ্রই হাউজে কাউসারে আমার সাক্ষাৎ লাভ করবে।"¹⁶
(১১) আব্দুল্লাহ ইবনু উমর থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ বলেছেন,
"নিশ্চয়ই খুব শীঘ্রই আমার পরে এমন কিছু শাসকের আবির্ভাব ঘটবে, যে তাদের মিথ্যাচারকে সমর্থন করবে এবং তাদের অত্যাচারে সহযোগিতা করবে, সে আমার দলভুক্ত নয় এবং আমিও তার দলভুক্ত নই। আর সে হাউজে কাউসারে আমার কাছে পৌঁছতে পারবে না। আর যে তাদের সংস্পর্শে যাবে না, তাদের মিথ্যাচারকে সমর্থন করবে না, তাদের অত্যাচারে সহযোগিতা করবে না এবং তাদের দরজা মাড়াবে না, সে আমার এবং আমিও তার। আর সে অতিশীঘ্রই হাউজে কাউসারে আমার সাক্ষাৎ লাভ করবে।”¹⁷
টিকাঃ
১৪. মুসনাদু আহমাদ: ১৮১২৬; সুনানুত তিরমিযি: ৬০৯, ২৩৬০; সুনানুন নাসায়ি: ৭/১৬১; সহিহ ইবনু হিব্বান: ১/২৪৮, ২৫০-২৫১; মুসতাদরাকু হাকিম: ১/৭৯; আসসুন্নাহ, ইবনু আবি 'আসিম: ৭৫৮; আলমু'জামুল কাবির, তাবারানি: ১৯/১৩৪, ১৩৫
১৫. প্রাগুক্ত।
১৬. প্রাগুক্ত।
17. প্রাগুক্ত।
📄 শাসকের সান্নিধ্যপ্রাপ্ত আলিম পরকালে শাস্তিপ্রাপ্ত হবে
(১২) মুআজ ইবনু জাবাল থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ বলেছেন,
"যখন কোনো ব্যক্তি কুরআন পাঠ করে, দ্বীনের ফিকহ অর্জন করে এরপর চাটুবৃত্তির উদ্দেশ্যে কোনো শাসকের দরবারে তার অধিকারভুক্ত সম্পদের প্রতি প্রলুব্ধ হয়ে আনাগোনা করে, তখন সে তার পদচারণা পরিমাণ জাহান্নামে প্রবিষ্ট হয়।”¹⁸
টিকাঃ
১৮. মুসনাদুল ফিরদাউস, দাইলামি : ১১২৪; ইতহাফুস সাদাহ : ৬/১২৬; আসসিলসিলাতুয যায়িফাহ : ২১৯১
(১২) মুআজ ইবনু জাবাল থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ বলেছেন,
"যখন কোনো ব্যক্তি কুরআন পাঠ করে, দ্বীনের ফিকহ অর্জন করে এরপর চাটুবৃত্তির উদ্দেশ্যে কোনো শাসকের দরবারে তার অধিকারভুক্ত সম্পদের প্রতি প্রলুব্ধ হয়ে আনাগোনা করে, তখন সে তার পদচারণা পরিমাণ জাহান্নামে প্রবিষ্ট হয়।”¹⁸
টিকাঃ
১৮. মুসনাদুল ফিরদাউস, দাইলামি : ১১২৪; ইতহাফুস সাদাহ : ৬/১২৬; আসসিলসিলাতুয যায়িফাহ : ২১৯১