📘 রহমান আরশের উপর উঠেছেন > 📄 ইমাম আবূ যাকারিয়া ইয়াহইয়া ইবন ‘আম্মার আস-সিজিস্তানী (৪২২ হিজরী)

📄 ইমাম আবূ যাকারিয়া ইয়াহইয়া ইবন ‘আম্মার আস-সিজিস্তানী (৪২২ হিজরী)


ইমাম আল-মুফাসসির ইয়াহইয়া ইবন 'আম্মার আস-সিজিস্তানী রাহিমাহুল্লাহ বলেন, كل مسلم من أول العصر إلى عصرنا هذا إذا دعا الله سبحانه رفع يديه إلى السماء. والمسلمون من عهد النبي صلى الله عليه وسلم إلى يومنا هذا، يقولون في الصَّلاةِ ما أمرهم الله تعالى به في قوله تعالى: (سَبِّحِ اسْمَ رَبِّكَ الْأَعْلَى ) [الأعلى: 1].
ولا حاجة الله سبحانه وتعالى إلى العرش، لكن المؤمنين كانوا محتاجين إلى معرفة ربهم عزَّ وجلَّ. وكلُّ من عبد شيئًا أشار إلى موضع، أو ذكر من معبوده علامةً. فجبَّارُنَا وخالقنا، إِنَّما خَلَقَ عرشه ليقول عبده المؤمن، إذا سُئل عنْ ربه عزَّ وجلَّ أينَ هوَ الرحمنُ؟ عَلَى العَرْشِ اسْتَوَى، معناه فوقَ كُلِّ مُحْدَثٍ عَلَى عَرْشِهِ العَظيمِ، وَلَا كيفيَّةَ وَلَا شَبَة.
ولا نحتاج في هذا الباب إلى قول أكثر من هذا أن نؤمن به، وننفي الكيفية عنه، ونتَّقيَ الشَّكَ فِيهِ، ونوقن بأنَّ ما قاله الله سبحانه وتعالى ورسوله صلى الله عليه وسلم، ولا نتفكر في ذلك، ولا نسلط عليه الوهم والخاطر والوسواس. وتعلم حقا يقينا أنَّ كلَّ ما تُصُوِّر في همك ووهمك من كيفية أو تشبيه، فالله بخلافه وغيره. نقولُ: هُوَ بِذَاتِهِ على العَرْشِ، وَعِلْمُهُ مُحِيطٌ بِكُلِّ شَيْءٍ».
"প্রত্যেক মুসলিম প্রথম যুগ থেকে আজ পর্যন্ত যখনি দো'আ করে তখনি তার দু'হাত আসমানের দিকে উঠিয়ে দো'আ করে। আর মুসলিমগণ নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগ থেকে আমাদের আজকের দিন পর্যন্ত সালাতে তা বলে যা তাদেরকে আল্লাহ বলার নির্দেশ দিয়েছেন, আল্লাহর সে বাণীতে, যাতে তিনি বলেন, “সাব্বিহিসমা রাব্বিকাল আ'লা” বা আপনার সর্বোচ্চ রবের নামের তাসবীহ পাঠ করুন। [সূরা আল-আ'লা, আয়াত: ০১]
তবে আল্লাহ তা'আলার 'আরশের কোনো প্রয়োজন থেকে তাতে উঠেননি। বরং মুমিনগণ তাদের মহান রবকে চিনবে, জানবে এটার বেশি মুখাপেক্ষী। যে কেউ কোনো কিছুর ইবাদাত করে সে সেটার দিকেই ইঙ্গিত করে থাকে অথবা সে তার উপাস্যের কোনো আলামত বর্ণনা করে। তাই আমাদের জাব্বার, আমাদের স্রষ্টা তিনি তাঁর 'আরশ সৃষ্টি করলেন যাতে তার ঈমানদার বান্দা বলে, যখন তাকে তার রব সম্পর্কে প্রশ্ন করা হয়, কোথায় সে রহমান? (তখন মুমিন জবাবে বলে) তিনি 'আরশের উপর উঠেছেন। এর অর্থ হচ্ছে তিনি যাবতীয় সৃষ্টির উপরে মহান 'আরশের উপরে। সেটা সাব্যস্ত করার ক্ষেত্রে কোনো ধরণ নির্ধারণ করা যাবে না, কারো সাথে তাশবীহ বা সাদৃশ্যও স্থাপন করা যাবে না।
এ অধ্যায়ে আমরা এর চেয়ে বেশি বলার প্রয়োজন নেই, ঈমান আনার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট। আমরা তাঁর থেকে ধরন নির্ধারণের বিষয়টি অস্বীকার করব, তাঁর ব্যাপারে কোনো সন্দেহ থেকে বেঁচে থাকব। আর আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করবো, যা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতা'আলা বলেছেন তা সত্য; আমরা এ ব্যাপারে ধরন নিয়ে চিন্তা করবো না, আমরা তাঁর ওপর ধারণা, মনের উপলব্ধি কিংবা ওয়াসওয়াসা বা কুমন্ত্রণা দ্বারা প্রভাবিত হবো না।
আর এটা হক ও দৃঢ়ভাবে জানতে হবে যে, তোমার চিন্তা-চেতনায় যত রকমের ধরন কিংবা সাদৃশ্য এসে উদিত হবে আল্লাহ তা'আলা এর বিপরীত। আমরা বলবো, তিনি সত্তাগতভাবে 'আরশের উপর উঠেছেন। তবে তাঁর জ্ঞান সবকিছুকে পরিবেষ্টন করে আছে।”¹ ইমাম আবু যাকারিয়া ইয়াহইয়া ইবন 'আম্মার আস-সিজিস্তানী তার 'রেসালাহ'তে বলেন,
لا نقول كما قال الجهمية، إنه مداخل للأمكنة، وممازج لكل شيء ولا نعلم أين هو ، بل هو بذاته على العرش، وعلمه محيط بكل شيء، وعلمه، وسمعه وبصره، وقدرته، مدركة لكل شيء، وهو معنى قوله وَهُوَ مَعَكُمْ أَيْنَ مَا كُنتُمْ وَاللَّهُ بِمَا تَعْمَلُونَ بَصِيرٌ ، وهو بذاته على عرشه كما قال سبحانه و كما قال رسوله
"আমরা জাহমিয়্যাদের মতো বলবো না যে, আল্লাহ জায়গাসমূহে প্রবেশ করেছেন, বস্তুর সাথে মিশে গেছেন এবং এটাও বলবো না যে, তিনি কোথায় তাও জানি না।
বরং তিনি সত্তাগতভাবে 'আরশের উপরে এবং তাঁর ইলম সকল কিছুকে বেষ্টন করে আছে। তাঁর ইলম, তাঁর শ্রবণ, তাঁর দর্শন এবং তাঁর ক্ষমতা সকল কিছুকে আয়ত্তে রেখেছে। সে অর্থে আল্লাহর বাণী: "তিনি তো তোমাদের সঙ্গেই আছেন তোমরা যেখানেই থাকো না কেন।" তিনি তাঁর সত্তাগতভাবে তাঁর 'আরশের উপরে, যেমনটি আল্লাহ সুবহানাহু এবং তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন।”²
টিকাঃ
১. আবুল কাসেম আত-তাইমী, আল-হুজ্জাহ ফী বায়ানিল মাহাজ্জাহ (২/১০৬-১০৭)।
২. আবুল কাসেম আত-তাইমী, আল-হুজ্জাহ ফী বায়ানিল মাহাজ্জাহ (২/১০৭); ইবনু তাইমিয়্যাহ, মাজমু'উল ফাতাওয়া (৫/১৯১); যাহাবী, আল-'উলু, ১৭৭-১৭৮; যাহাবী, আল-আরশ, (২/৪৪৫-৪৪৬) অনুবাদ: আব্দুল্লাহ মাহমূদ; ইবনুল কাইয়্যেম, ইজতিমা'উল জুযূশ, পৃ. ২৭৯।

📘 রহমান আরশের উপর উঠেছেন > 📄 ইমাম কাযী আবদুল ওয়াহহাব আল-মালেকী (৪২২ হিজরী)

📄 ইমাম কাযী আবদুল ওয়াহহাব আল-মালেকী (৪২২ হিজরী)


প্রখ্যাত আলেম, ফকীহ, উসূলী, মুনাযির কাযী আবদুল ওয়াহহাব আল-মালেকী বলেন,
اعلم أن الوصف له تعالى بالاستواء اتباع للنص، وتسليم للشرع، وتصديق لما وصف نفسه تعالى به
"জেনে রাখ যে, আল্লাহ তা'আলাকে 'ইস্তেওয়া' বা 'আরশের উপর উঠা গুণ সাব্যস্ত করা নস বা কুরআন ও হাদীসের ভাষ্যের অনুসরণ, শরী'আতের প্রতি আত্মসমর্পণ আর যা দিয়ে আল্লাহ তা'আলা তাঁর নিজেকে গুণান্বিত বলেছেন সেটাকে সত্যায়ন।”¹
টিকাঃ
১. কাযী আবদুল ওয়াহহাব আল-মালেকী, শারহু মুকাদ্দিমাতু ইবন আবী যাইদ আল-কাইরোয়ানী; অনুরূপ তার থেকে বর্ণনা করেছেন, ইবন তাইমিয়্যাহ, দারউ তা'আরুদুল আকলি ওয়ান নাকল (৬/২০৩-২০৪); ইবনুল কাইয়্যেম, ইজতিমা'উল জুয়ূশ, পৃ. ১৬৪।

📘 রহমান আরশের উপর উঠেছেন > 📄 ইমাম আবূ ‘উমার আত-ত্বালামাকী আল-মালেকী (৪২৯ হিজরী)

📄 ইমাম আবূ ‘উমার আত-ত্বালামাকী আল-মালেকী (৪২৯ হিজরী)


ইমাম আবু 'উমার আত-ত্বালামাঙ্কী রাহimামুল্লাহ তাঁর 'আল-উসূল ইলা মা'রিফাতিল উসূল' যা দু খণ্ডে সমাপ্ত, তাতে বলেন,
أجمع المسلمون من أهل السنة على أن معنى قولِهِ : ﴿ وَهُوَ مَعَكُمْ أَيْنَ مَا كُنتُمْ ﴾ [الحديد: ٤]، ونحو ذلك مِنَ القرآن أَنَّهُ عِلْمُهُ، وأنَّ اللهَ تعالى فوقَ السَّماواتِ بِذَاتِهِ، مستو على عَرْشِهِ كَيْفَ شَاءَ.
وقال أهلُ السُّنَّةِ في قوله: ﴿الرَّحْمَانُ عَلَى الْعَرْشِ اسْتَوَى) [طه: ٥] : إِنَّ الاستواء مِنَ الله عَلى عَرْشِهِ على الْحَقِيقَةِ لا على المجاز».
"মুসলিমগণের মধ্যে আহলুস সুন্নাত এ ব্যাপারে ঐকমত্য করেছেন যে, আল্লাহর বাণী 'তিনি তোমাদের সাথে আছেন যেখানেই তোমরা থাক না কেন' [সূরা আল-হাদীদ, আয়াত: ০৪], ও অনুরূপ কুরআনের আয়াতগুলোর অর্থ, আল্লাহর ইলম বা জ্ঞান। তারা আরও একমত হয়েছে যে, আল্লাহ তা'আলা সত্তাগতভাবে আসমানের উপরে, তাঁর 'আরশের উপর উঠেছেন, যেমনটি তিনি চেয়েছেন। আর আহলুস সুন্নাহ বলেন, মহান আল্লাহর বাণী, 'রহমান 'আরশের উপর উঠেছেন' [সূরা ত্বা-হা, আয়াত: ০৫] আল্লাহর পক্ষ থেকে তাঁর 'আরশের উপর উঠা বাস্তব অর্থেই, কোনো রূপক অর্থে নয়।”¹
টিকাঃ
১. মুখতাসারুল 'উলু, পৃ. ২৬৪।

📘 রহমান আরশের উপর উঠেছেন > 📄 আবূ নু‘আইম আল-আসবাহানী (৪৩০ হিজরী)

📄 আবূ নু‘আইম আল-আসবাহানী (৪৩০ হিজরী)


হাফিয আবু নু'আইم আহমাদ ইবন আবদুল্লাহ আসবাহানী যে আকীদাহ সংকলন করেছেন তাতে বলেন,
আমাদের তরীকাহ হচ্ছে কুরআন, সুন্নাহ ও ইজমায়ে উম্মাহ'র অনুসরণকারী সালাফদের তরীকা। তারা যে আকীদাহ পোষণ করতেন, তা হলো- আল্লাহ তাঁর অনাদি গুণাবলি সহকারে সর্বদা পরিপূর্ণভাবে আছেন সেসব কখনো নিঃশেষ হবে না, সেসবের কোনো রূপান্তরও নেই। তিনি অনাদি জ্ঞান সহকারে সর্বদা জ্ঞানী, দর্শন সহকারে সর্বদ্রষ্টা, শ্রবণ সহকারে সর্বশ্রোতা, কথা সহকারে কথক। তারপর তিনি পদার্থ ছাড়াই বস্তুসমূহ সৃষ্টি করেছেন।
কুরআন আল্লাহর কালাম। অনুরূপ সমস্ত আসমানী কিতাব তাঁর কালাম। তাঁর কালাম মাখলুক নয়। কুরআন পড়া হোক, তিলাওয়াত করা হোক, সংরক্ষণ করা হোক, শোনা হোক, লেখা হোক বা উচ্চারণ করা হোক- সকল ক্ষেত্রেই প্রকৃতভাবেই তা আল্লাহর কালাম; বিবরণ কিংবা অনুবাদ নয়। কুরআন আমাদের শব্দের সাথেও আল্লাহর কালাম, মাখলুক নয়।
কুরআনের ব্যাপারে (মাখলুক কিংবা মাখলুক নয় এমন বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত প্রদান না করে) নীরবতা পালনকারী এবং যে বলে আমাদের শব্দের সাথে কুরআন মাখলুক, সে জাহমিয়্যাদের অন্তর্ভুক্ত। যে ব্যক্তি যে-কোনোভাবে যদি মনে করে আল্লাহর কালাম সৃষ্টি, তবে সালাফদের মতে সে জাহমিয়্যাদের অন্তর্ভুক্ত। আর সালাফদের মতে জাহমিয়্যারা কাফির। এরপর তিনি আরও অন্যান্য বিষয়ে আলোচনা করেন।
অবশেষে তিনি বলেন, 'আরশের ব্যাপারে ও তাঁর উপর আল্লাহর উঠার ব্যাপারে যেসব হাদীস নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে প্রমাণিত, তারা তা সাব্যস্ত করেন। তবে ধরন নির্ধারণ করেন না এবং দৃষ্টান্ত দেন না। তিনি তাঁর সৃষ্টি থেকে আলাদা ও পৃথক। সৃষ্টিও তাঁর থেকে আলাদা ও পৃথক। সৃষ্টির মাঝে হুলুল বা ঢুকে যান না ও তাদের সাথে মিশেও যান না। তিনি তাঁর আসমানের ঊর্ধ্বে তাঁর 'আরশের উপরে, যমীনে নয়, তার সৃষ্টির ভিতরেও নয়।"¹ তারপর তিনি সালাফদের সকল আকীদাহ এবং এ ব্যাপারে তাদের ইজমা' তুলে ধরেন।
তাছাড়া তিনি তাঁর 'মাহাজ্জাতুল ওয়াসেকীন ও মাদরাজাতুর রামেক্বীন' গ্রন্থে বলেন,
وأجمعوا أنَّ اللهَ فَوْقَ سماواتِهِ، عالٍ عَلَى عرشِهِ، مُسْتَوِ عليهِ، لَا مُسْتولٍ عَلَيْهِ كَما تقول الجهمية : إِنَّهُ بكل مكان، خلافًا لما نزل في كتابهِ : أَأَمِنْتُمْ مَنْ فِي السَّمَاءِ ) [الملك: ١٦]. ﴿إِلَيْهِ يَصْعَدُ الْكَلِمُ الطَّيِّبُ ﴾ [فاطر: ١٠]، ﴿الرَّحْمَانُ عَلَى الْعَرْشِ اسْتَوَى) [طه: ٥]».
"আর মুসলিমগণ একমত হয়েছেন যে, আল্লাহ তা'আলা আসমানের উপর, 'আরশের উপরে তাঁর অবস্থান। 'আরশের উপরে তিনি সমুন্নত হয়েছেন; সেটার উপর অধিষ্ঠিত অর্থে নয় যেমনটি জাহমিয়্যাহ সম্প্রদায় বলে থাকে। তারা বলে তিনি সব জায়গায়; তারা এটা বলে আল্লাহ যা নাযিল করেছেন তারা তার বিরোধিতা করে। আল্লাহ বলেন, “তোমরা কি এ থেকে নির্ভয় হয়েছ যে, যিনি আসমানে রয়েছেন।” [সূরা আল-মুলক, আয়াত: ১৬] তিনি আরও বলেন, “তাঁরই দিকে পবিত্র বাণীসমূহ হয় সমুত্থিত।” [সূরা ফাতির, আয়াত: ১০] তিনি আরও বলেন, "রহমান 'আরশের উপর উঠেছেন।” [সূরা ত্বা-হা, আয়াত: ০৫]²
ইমাম যাহাবী বলেন, আবু নু'আইم হচ্ছেন মুহাম্মাদ ইবন ইউসুফ আল-বান্নার নাতি। তিনি ছিলেন দুনিয়াবিমুখ এবং আসবাহানের অপ্রতীদ্বন্দ্বী শাইখ। আল্লাহ তাকে হাদীস, হিফয ও জ্ঞানবুদ্ধিতে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছেন। তার দরবারে দূর দূরান্ত থেকে লোকজন উপস্থিত হতেন। ইমাম ও হাফিযগণ তার দরজায় ভিড় জমাতেন। এক মাস কম ৯৪ বছর বয়সে ৪৩০ হিজরীর সফর মাসে তিনি মারা যান।³
টিকাঃ
১. ইবন তাইমিয়্যাহ, দারউ তা'আরুদ্বিল আকলি ওয়ান নাকল (৬/২৫২); ফাতাওয়া হামাওয়িয়‍্যাহ, ১০০-১০১; মাজমু'উল ফাতাওয়া (৫/১৯০-১৯১); ইবনুল কাইয়্যেম, ইজতিমা'উল জুয়ূশ, ২৭৯; মুখতাসারুস সওয়া'ইক (২/২১৪); আল-'উলু, পৃ. ২৪৩; আল-'আরش (২/৪৪২) অনুবাদ: আব্দুল্লাহ মাহমুদ।
২. মাহাজ্জাতুল ওয়াসেক্বীন ও মাদরাজাতুর রামেক্কীন, পৃ. ৩।
৩. যাহাবী, আল-আরش, (২/৪৪২) অনুবাদ: আব্দুল্লাহ মাহমূদ।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00