📄 ইবন মাণ্ডুব আল-মাকবুরী আল-মালেকী (৪০৬ হিজরী)
ইমাম আবু বكر মুহাম্মাদ ইবন মাওহাব আল-মাকবুরী আল-মালেকী তার শারহু রিসালাতু ইবন আবী যাইদ আল-ক্বাইরোয়ানীতে বলেন, أما قوله: (إِنَّهُ فَوْقَ عَرْشِهِ الْمَجِيدِ بِذَاتِهِ) فمعنى (فَوْقَ) و (على) عند جميع العرب واحد. وفي الكتاب والسنة تصديق ذلك، وَهُوَ قوله تَعَالَى: {ثُمَّ اسْتَوَى عَلَى الْعَرْشِ [الأعراف: ٥٤]، وقال: الرَّحْمَانُ عَلَى الْعَرْشِ اسْتَوَى } [طه: ٥] ، وقال : يَخَافُونَ رَبَّهُمْ مِنْ فَوْقِهِمْ﴾ [النحل: ٥٠].
وقد تأتي لفظة (في) في لغة العرب بمعنى فوق، كقولهِ تَعَالَى: ﴿فَامْشُوا فِي مَنَاكِبِهَا [الملك: ١٥] و في جُذُوعِ النَّخْلِ ﴾ [طه: ۷۱] و «أَأَمِنْتُمْ مَنْ فِي السَّمَاءِ ﴾ [الملك: ١٦]. قَالَ أهل التأويل : يريد فوقهَا، وَهُوَ قول مالك مما فهمه عمن أدركَ مِنَ التَّابعينَ ممَّا فَهِمُوهُ عَنِ الصَّحابة، مما فهموهُ عَنِ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم أنَّ اللهَ فِي السَّماءِ، يعني فَوْقَها وعَلَيْهَا، فلذلك قَالَ الشيخ أبو محمد : (إِنَّهُ فَوْقَ عَرْشِه ) ثمَّ بَيَّنَ أَنَّ عُلُوَّهُ فَوْقَ عَرشِهِ إِنَّمَا هُوَ بِذَاتِهِ لأَنَّهُ تَعَالَى بائن عن جميع خلقه بلا كيفٍ، وَهُوَ فِي كُلِّ مكانٍ بِعِلْمِهِ لَا بِذَاتِهِ. إِذْ لا تحويه الأماكن، لأنَّهُ أعظمُ منها».
"ইমাম ইবন আবী যায়েদ আল-ক্বাইরোয়ানীর কথা 'নিশ্চয় তিনি তাঁর সম্মানিত 'আরশের উপর সত্তাগতভাবে রয়েছেন' এখানে 'ফাওকা' (উপরে) ও 'আলা' (উপore) সকল আরবদের নিকট একই। আর কুরআন ও সুন্নায় সেটার সত্যায়ন রয়েছে, আর তা হচ্ছে, আল্লাহর বাণী, (তারপর তিনি 'আরশের উপর উঠলেন) [সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত: ৫৪], (রহমান 'আরশের উপর উঠলেন) [ত্বা-হা, আয়াত: ৫], (তারা তাদের রবকে ভয় পায়, উপর থেকে) [সূরা আন-নাহল, আয়াত: ৫০] 'ফী' শব্দটি আরবী ভাষাতে কখনও কখনও 'উপরে' শব্দের অর্থে ব্যবহৃত হয়। যেমন আল্লাহর বাণী, (সুতরাং তোমরা যমীনের ঘাড়ের উপর বিচরণ কর) [সূরা আল-মুলক, আয়াত: ১৫], (খেজুর গাছের উপরে), [সূরা ত্বা-হা, আয়াত: ৭১], (যিনি আসমানের উপর রয়েছেন তার ব্যাপারে কি তোমরা ভয়হীন হয়ে গেছ?), ব্যাখ্যাকারগণ বলেন, অর্থাৎ তার উপরে। আর এটাই ইমাম মালিক যেসব তাবে'য়ী পেয়েছেন তাদের কাছ থেকে বুঝে বলেছেন, সেসব তাবে'য়ীও যেসব সাহাবীকে পেয়েছেন তাদের থেকে বুঝে বলেছেন, আর সাহাবীগণও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে পেয়েছেন যে, 'আন্নাল্লাহা ফিস-সামায়ি' অর্থ 'আল্লাহ আলাস সামায়ি বা আল্লাহ আসমানের উপরে, আসমানের ঊর্ধ্বে। আর এজন্যই শাইখ আবু মুহাম্মাদ বলেন, 'নিশ্চয় তিনি তাঁর 'আরশের উপরে' তারপর তিনি বর্ণনা করলেন যে, তাঁর 'আরশের উপরে থাকা এটা কেবল সত্তাগতভাবে। কারণ তিনি তাঁর সকল সৃষ্টি থেকে আলাদা, কোনো প্রকার ধরন নির্ধারণ ছাড়াই। তিনি সকল স্থানেই তাঁর ইলম বা জ্ঞানের মাধ্যমে, সত্তাগতভাবে নন। কারণ কোনো স্থান তাকে পরিবেষ্টন করতে পারে না, কারণ তিনি তা থেকে অনেক বড়”।¹ তারপর তিনি আল্লাহ তা'আলা কর্তৃক তাঁর 'আরশের উপর উঠার প্রমাণ হিসেবে বেশ কিছু আয়াত ও হাদীস পেশ করার পর বলেন,
فَلَمَّا أيقن المنصفون إفراد ذِكْرِهِ بالاستواءِ عَلَى عَرْشِهِ بعد خلق سماواته وأرضه، وتخصيصه بصفة الاستواء، عَلِمُوا أنَّ الاسْتِوَاء هنا غير الاستيلاء ونحوه، فأَقَرُّوا بوصفه بالاستواء عَلَى عرشه ، وأَنَّهُ عَلَى الحقيقةِ لَا عَلَى الْمَجَازِ، لأَنَّهُ الصَّادِقُ فِي قِيْلِهِ، وَوَقَفُوا عَنْ تكييف ذَلِكَ وتمثيلِهِ، إِذْ لَيْسَ كمثله شيء».
"সুতরাং যখন ইনসাফপূর্ণ আলেমগণ দৃঢ়ভাবে একথা জানতে পারলো যে, আসমান ও যমীন সৃষ্টির পরে তিনি বিশেষভাবে আলাদা করে 'ইস্তাওয়া' বা উপরে উঠার গুণটি উল্লেখ করেছেন, আর নিজেকে 'ইস্তাওয়া' গুণটির সাথে বিশেষায়িত করেছেন, তারা জেনে নিল যে, এখানে 'ইস্তাওয়া' বলে 'ইস্তাওলা' বা অনুরূপ কিছু বুঝানো হয়নি। তাই তারা আল্লাহ তা'আলার 'আরশের উপর উঠার গুণটি স্বীকার করে নিল এবং এটাও বুঝলো যে, এটি প্রকৃত অর্থেই কোনো রূপক অর্থে নয়; কারণ তিনি তাঁর বক্তব্যে সত্যবাদী। তবে তারা এটার ধরন নির্ধারণ ও উদাহরণ দেয়া থেকে বিরত থাকলো; কারণ তাঁর মতো কোনো কিছু নেই।”²
টিকাঃ
১. মুখতাসারুল 'উলু, পৃ. ২৮০-২৮১।
২. মুখতাসারুল উলু, পৃ. ২৮২-২৮৩; আরও দেখুন, যাহাবী, আল-আরশ, (২/৪৪৭) অনুবাদ: আব্দুল্লাহ মাহমুদ।
📄 মা‘মার ইবন আহমাদ ইবন মিয়াদ আল-আসাবাহানী (৪১৮ হিজরী)
ইয়াহইয়া ইবন 'আম্মার, আবু নু'আইম ও তাদের যুগের সূফীদের শাইখ, ইমাম, 'আরিফ, মা'মার ইবন আহমাদ ইবন যিয়াদ আল-আসবাহানী বলেন,
আমি পছন্দ করছি যে, আমি আমার ছাত্রদের একটি অসিয়ত করবো। সে অসিয়ত হবে সুন্নাহ এবং পূর্ববর্তী পরবর্তী আহলুল হাদীস ও মা'রিফাত এবং তাসাউফপন্থীদের ইজমা'র আলোকে। তারপর তিনি অসিয়ত করেন। এক পর্যায়ে তিনি বলেন,
وَأَنَّ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ اسْتَوَى عَلَى عَرْشِهِ بِلَا كَيْفَ وَلَا تَشْبِيه وَلَا تَأْوِيل، فالاستواء مَعْقُول، والكيف فيه مجهول، والإيمان به واجب، والإنكار له كفر ، وَأَنَّهُ جل جلاله مستو عَلَى عَرْشِه بِلَا كَيْفَ، وَأَنه جل جلال بائن من خلقه والخلق بالنون مِنْهُ، فَلَا حُلُول وَلَا ممازجة وَلَا اختلاط وَلَا ملاصقة لأَنَّهُ الْفَرد الْبَائِن من خلقه، الْوَاحِدِ الْغَنِي عَنِ الخلق، علمه بِكُل مكان، وَلَا يَخْلُو من علمه مكان لا يعزب عَنهُ مِثْقَال ذرة فِي الأَرْضِ وَلَا فِي السَّماء، يعلم ما تجنه البحور وما تكنه الصُّدُورِ ﴿وَمَا تَسْقُطُ مِنْ وَرَقَةٍ إِلا يَعْلَمُهَا وَلَا حَبَّةٍ فِي ظُلُمَاتِ الأَرْضِ وَلَا رَطْبٍ وَلَا يَابِسٍ إِلَّا فِي كتاب مبين وَأَنَّ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ سميع بَصِير ، عليم خَبِير، يتكلم ويرضى ويسخط ويضحك ويعجب ويتجلى لِعِبَادِهِ يَوْمِ الْقِيَامَة ضاحِكا، وينزل كل لَيْلَةٍ إِلَى سَمَاءِ الدُّنْيَا كَيْفَ يَشَاء.
"আর মহান আল্লাহ তাঁর 'আরশের উপর উঠেছেন, কোনো রকম ধরন নির্ধারণ ছাড়াই। সাদৃশ্য প্রদান ও তা'ওয়ীল করা ছাড়াই। উপরে উঠা বোধগম্য, কিন্তু ধরন অবোধগম্য, তার ওপর ঈমান আনা ওয়াজিব, উপরে উঠাকে অস্বীকার করা কুফুরী। তিনি তাঁর 'আরশের উপর উঠেছেন ধরন নির্ধারণ ব্যতীতই।
আর মহান আল্লাহ সৃষ্টিকুল থেকে আলাদা ও পৃথক, সৃষ্টিকুলও তার থেকে আলাদা। মাখলুকের মাঝে প্রবেশ করেননি, মিশে যাননি ও মিলে যাননি। কারণ, তিনি তাঁর সৃষ্টি থেকে পৃথক একক সত্তা, সকল সৃষ্টিকুল থেকে অমুখাপেক্ষী। তাঁর জ্ঞান সর্বত্র। তাঁর জ্ঞান থেকে কোনো কিছু অবশিষ্ট নেই। আসমান ও যমীনের সামান্যতম জিনিসও তাঁর জ্ঞান থেকে অগোচরে থাকে না। সমুদ্রে যা গোপন রয়েছে তা তিনি জানেন, অন্তরসমূহে যা সুপ্ত তাও তিনি জানেন। "তাঁর অজানায় একটি পাতাও পড়ে না। মাটির অন্ধকারে এমন কোনো শস্যকণাও অঙ্কুরিত হয় না বা রসযুক্ত কিংবা শুষ্ক এমন কোনো বস্তু নেই যা সুস্পষ্ট কিতাবে নেই।"
আল্লাহ তা'আলা সর্বশ্রোতা, সর্বদ্রষ্টা, সর্বজ্ঞানী, সর্বঅবহিত, কথা বলেন, সন্তুষ্ট হন, অসন্তুষ্ট হন, হাসেন, আশ্চর্য হন। কিয়ামতের দিন তাঁর বান্দাদের সামনে প্রকাশ হবেন হাস্যোজ্জ্বল হয়ে, প্রতি রাতে দুনিয়ার আসমানে অবতরণ করেন, যেভাবে ইচ্ছা করেন।'¹
টিকাঃ
১. আবুল কাসেম আত-তাইমী, আল-হুজ্জাহ ফী বায়ানিল মাহাজ্জাহ (১/২৪৯); অনুরূপ ইবন তাইমিয়্যাহ, দার'উ তা'আরুদ্বিল আকলি ওয়ান নকল (৬/২৫৬-২৫৭); মাজমুউল ফাতাওয়া (৫/১৯১)।
📄 ইমাম আবুল কাসিম হিযাতুল্লাহ লালকাই (৪১৮ হিজরী)
ইমাম আবুল কাসিম হিবাতুল্লাহ ইবন হাসান লালেকাঈ শাফেয়ী রাহিমাহুল্লাহ আকীদার জগতে এক অনন্য নাম। তিনি তাঁর পূর্ববর্তী লোকদের আকীদার যত ছোট ছোট গ্রন্থ, পুস্তিকা ছিল তার যতটুকু সম্ভব নিজের গ্রন্থে স্থান দিয়েছেন। এর মাধ্যমে পূর্বের অনেক সালাফে সালেহীনের বাণী, বক্তব্য, আছার আমাদের কাছে পৌঁছেছে। তাঁর এ মূল্যবান গ্রন্থটি শারহু উসূলি ই'তিকাদি আহলিস সুন্নাতি ওয়াল জামা'আত নামে বিখ্যাত। উক্ত গ্রন্থে তিনি বলেন, سياق ما روي في قوله: الرَّحْمَنُ عَلَى الْعَرْشِ اسْتَوَى، وأن الله على عرشه في السماء، قال عز وجل: إِلَيْهِ يَصْعَدُ الْكَلِمُ الطَّيب، وقال: أأَمِنتُم مَّن فِي السَّمَاء ، وقال وَهُوَ القَاهِرُ فَوْقَ عِبَادِهِ ، قال : فدلت هذه الآيات أنه في السماء وعلمه محيط بكل مكان، وروي ذلك عن عمر، وابن مسعود، وابن عباس، وأم سلمة، ومن التابعين ربيعة، وسليمان التيمي، ومقاتل بن حيان، وبه قال مالك، والثوري، وأحمد بن حمبل
"আল্লাহর বাণী: "পরম করুণাময় 'আরশের উপর উঠেছেন"-এর ব্যাপারে যা বর্ণিত হয়েছে তার আলোচনা। আল্লাহ আসমানের ঊর্ধ্বে তাঁর 'আরশের উপরে। আল্লাহ তা'আলা বলেন, তাঁর দিকে পবিত্র বাক্যসমূহ ঊর্ধ্বে ওঠে।" আরও বলেন, "তোমরা কি এ থেকে নির্ভয় হয়েছ যে, যিনি আসমানে আছেন।” অন্যত্র বলেন- "আর তিনিই নিজ বান্দাদের ওপর ক্ষমতাবান" তিনি বলেন, এসব আয়াত প্রমাণ করে যে, তিনি আসমানের উপরে আর তাঁর ইলম সর্বস্থানকে বেষ্টন করে আছে। এ বক্তব্য বর্ণিত আছে 'উমার, ইবন মাসউদ, ইবন 'আব্বাস ও উম্মু সালামাহ থেকে। আর তাবে'য়ীদের মধ্যে রবী'আহ, সুলাইমান তাইমী ও মুকাতিল ইবন হাইয়ান থেকে বর্ণিত আছে। ইমাম মালিক, সাওরী ও আহমাদ ইবন হাম্বলেরও একই বক্তব্য।”¹ তিনি 'আরশের ওপর উঠার ব্যাপারে ইতোপূর্বে বর্ণিত, বিশর ইবন 'উমার, উম্মে সালামাহ, মালিক ইবন আনাস, রবী'আহ ইবন আবদুর রাহমান আর-রা'য়, ইবনুল আ'রাবী, আবুল 'আব্বাস সা'লাব, সবার কথা বর্ণনা করেছেন।²
টিকাঃ
১. লালেকাঈ, শারহু উসুলি ই'তিকাদি আহলিস সুন্নাহ ওয়াল জামাআহ (৩/৪২৯-৪৩৮); ইবন আবদুল হাদী, আল-কালাম আলা মাসআলাতিল ইস্তেওয়া 'আলাল 'আরশ, পৃ. ৭৯; যাহাবী, আল-আরশ, (২/৪৩৯-৪৪০) অনুবাদ: আব্দুল্লাহ মাহমুদ।
২. লালেকাঈ, শারহু উসুলি ই'তিকাদি আহلিস সুন্নাহ ওয়াল জামা'আহ (৩/৪৪0-৪৪৬)।
📄 সুলতানুল মুসলেমীন মাহমদু ইবন সাবুক্তগীন (৪২২ হিজরী)
ইমাম আবু 'আলী ইবনুল বান্না বলেন, আলী ইবনুল হুসাইন আল-উকবারী বর্ণনা করেন, তিনি আবু মাসউদ আহমাদ ইবন মুহাম্মাদ আল-বাজালীকে বলতে শুনেছেন, دخل ابن فورك على السلطان محمود، فقال: لا يجوز أن يُوصف الله بالفوقية لأنَّ لازم ذلك وصفه بالتحتية، فمن جاز أن يكون له فوق، جاز أن يكون له تحت. فقال السلطان: ما أنا وصفته حتَّى يُلْزِمَنِي، بَلْ هُوَ وَصَفَ نَفْسَهُ. فبهت ابن فورك، فلما خرج من عنده مات. فيقال: انشقَّتْ مَرَارَتُه».
"বিখ্যাত কালামশাস্ত্রবিদ ইবন ফুওরাক তৎকালীন সুলতান মাহমুদের কাছে প্রবেশ করে বললেন, 'আল্লাহকে উপরে থাকার গুণে গুণান্বিত বলা যাবে না; কারণ এর দাবি হচ্ছে তাকে নিচে থাকার গুণেও গুণান্বিত করা; কারণ যার জন্য উপরে থাকা বৈধ, তার জন্য নিচে থাকাও বৈধ। তখন সুলতান মাহমূদ বললেন, আমি তো এ গুণে তাকে গুণান্বিত বলিনি যে তুমি আমাকে এভাবে তোমার কথা দ্বারা বাধ্য করবে, বরং আল্লাহ স্বয়ং তাঁর নিজেকে উক্ত গুণে গুণান্বিত করেছেন। তখন ইবন ফুওরাক হতভম্ব হয়ে গেল, কোনো জাওয়াব দিতে পারলো না। তারপর যখন ইবন ফুওরাক রাহিমাহুল্লাহ সুলতান মাহমুদের দরবারে থেকে বের হয়ে গেল তখন মারা গেল। বলা হয়ে থাকে তার মুরারাহ তথা পিত্ত ফেটে তিনি মারা গিয়েছিলেন।”¹
টিকাঃ
১. যাহাবী, সিয়ার (১৭/৪৮৭)।