📘 রহমান আরশের উপর উঠেছেন > 📄 ইবরাহীম ইবন মুহাম্মাদ ইবন ‘আরাফাহ নিষতওয়াইহ (৩২৩ হিজরী)

📄 ইবরাহীম ইবন মুহাম্মাদ ইবন ‘আরাফাহ নিষতওয়াইহ (৩২৩ হিজরী)


ইমাম যাহাবী বলেন, ইমাম আবু আবদুল্লাহ ইবরাহীম ইবন মুহাম্মাদ ইবন 'আরাফাহ আন-নাহওয়ী 'নিফত্বাওয়াইহ' স্বীয় গ্রন্থ আর-রদ্দু 'আলাল জাহমিয়্যাহ-তে দাউদ ইবন আলী থেকে বর্ণনা করেন, দাউদ ইবন আলী বলেন,
كنا عند ابن الأعرابي فأتاه رجل فقال: ما معنى قوله: الرَّحْمَنُ عَلَى الْعَرْشِ اسْتَوَى ، قال: هو على عرشه استوى، كما أخبر. فقال: هو ليس كذلك، إنما معناه استولى. قال ابن الأعرابي : اسكت ما يدريك ما هذا، العرب لا تقول للرجل استولى على الشيء حتى يكون له فيه مضاد، فأيهما غلب قيل استولى عليه، والله لا مضاد له، هو على عرشه كما أخبر
আমরা ইবনুল আ'রাবীর নিকটে ছিলাম। তার কাছে এক ব্যক্তি এসে বললো, আল্লাহর বাণী: الرَّحْمَنُ عَلَى الْعَرْشِ اسْتَوَى﴿ “রহমান 'আরশের উপরে উঠেছেন”-এর অর্থ কী? তিনি বললেন, তিনি তাঁর 'আরশের উপর উঠেছেন, যেমনটি আল্লাহ জানিয়েছেন।
সে লোকটি বললো, আপনি যেমনটি বললেন তেমনটি নয়। বরং এর অর্থ হচ্ছে, 'ইস্তাওলা' বা তিনি 'আরশ দখল করেছেন।
ইবনুল আ'রাবী বললেন, চুপ! এটা তোমাকে কে বলেছে? আরবরা কোনো ব্যক্তির ক্ষেত্রে
'দখল করেছে' তখন ব্যবহার করে যখন তার বিরোধী কোনো পক্ষ থাকে। যখন কেউ কাউকে পরাজিত করে তখন বলে- 'সে দখল করেছে।' আল্লাহর তো কোনো বিরোধী পক্ষ নেই। তিনি 'আরশের উপর উঠেছেন, যেমনটি তিনি জানিয়েছেন। (৫২৭)
ইমাম যাহাবী বলেন, আবু আবদুল্লাহ হচ্ছেন আরবী ভাষাবিদদের ইমাম। তিনি ইবন আবি দুআদ ও তার মতদের সমসাময়িক। (৫২৮)

📘 রহমান আরশের উপর উঠেছেন > 📄 আবুল হাসান আল-আশ‘আরী (৩২৪ হিজরী)

📄 আবুল হাসান আল-আশ‘আরী (৩২৪ হিজরী)


আবুল হাসান 'আলী ইবন ইসমা'ঈল আল-আশ'আরী রাহিমাহুল্লাহ, যিনি মুসলিম বিশ্বের ৪র্থ শতক ও তার পরের লোকদের নিকট মহান ইমাম হিসেবে সুপরিচিত হয়ে আছেন, তিনি আল্লাহ তা'আলার 'আরশের উপর উঠার ব্যাপারে কী আকীদাহ পোষণ করতেন, সেটা জানা খুবই জরুরী। আমরা এখানে তাঁর বিভিন্ন গ্রন্থ থেকে এ বিষয়ে তার মতামত তুলে ধরার প্রয়াস পাব। তিনি তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ ইখতিলাফুল মুসাল্লীন ও মাকালাতুল ইসলামিয়্যীন গ্রন্থে রাফিযী, খারেজী, জাহমিয়্যাহ সহ বিভিন্ন ফিরকার আলোচনা শেষে বলেন,
ذكر مقالة أهل السنة وأصحاب الحديث، وجملة قولهم: الإقرار بالله وملائكته وكتبه ورسله، وبما جاء عن الله، وما رواه الثقات عن رسول الله صلى الله عليه وسلم؛ لا يردون من ذلك شيئاً . إلى أن قال: وأن الله على عرشه، كما قال: ﴿الرَّحْمَنُ عَلَى الْعَرْشِ اسْتَوَى، وأن له يدين بلا كيف، كما قال تعالى: لِمَا خَلَقْتُ بِيَدَيَّ ، وأن أسماء الله لا يقال إنها غير الله، كما قالت المعتزلة والخوارج ....
"আহলুস সুন্নাহ ও আহলুল হাদীসের বক্তব্য উল্লেখকরণ। তাদের মূল বক্তব্য হলো: আল্লাহ, তাঁর ফিরিশতা, তাঁর কিতাবসমূহ, তাঁর রাসূলগণ, আল্লাহর পক্ষ থেকে যা এসেছে এবং রাসূল সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীদের থেকে যা বর্ণিত হয়েছে -সবের স্বীকৃতি দেয়া। তারা এসবের কিছুই প্রত্যাখ্যান করেন না। তিনি আরও বলেন, আল্লাহ তাঁর 'আরশের উপরে। যেমন আল্লাহ বলেন: রহমান তার 'আরশের উপরে উঠেছেন। তাঁর দুহাত রয়েছে। তবে ধরন অজানা। যেমন আল্লাহ বলেন, "তাকে আমি আমার দু' হাতে সৃষ্টি করেছি।” নিশ্চয় আল্লাহর অনেক নাম রয়েছে। বলা যাবে না, নামসমূহ গাইরুল্লাহ। যেমনটি মু'তাযিলা ও খারেজীরা বলে।... তারপর তিনি বলেন,
فهذه جملة ما يأمرون به ويستعملونه ويرونه، وأنه لا يجوز الاستواء بمعنى الاستيلاء. وبكل ما ذكرنا من قولهم نقول، وإليه نذهب، وما توفيقنا إلا بالله "এসবের তারা আদেশ দেন, নিজেরাও মেনে চলেন এবং বিশ্বাস করেন। ইস্তিওয়া-(উপরে
উঠা) দ্বারা ইস্তীওলা-দখল করা অর্থ করা অবৈধ। আমরা যেসব আকীদাহ উল্লেখ করলাম তা আমাদেরও আকীদাহ। আমরা এমন আকীদাহ'ই রাখি। আমাদের তাওফীক নেই আল্লাহ ছাড়া।"(৫২৯)
• অনুরূপভাবে আবুল হাসান আল-আশ'আরী উক্ত কিতাবে অধ্যায় রচনা করেন 'আল্লাহ তা'আলা কি কোনো স্থানে ছাড়া অপর স্থানে আছেন? নাকি তিনি কোনো স্থানেই নেই, নাকি তিনি সর্বস্থানে।' তারপর তিনি বলেন, এ ব্যাপারে ১৭টি মত রয়েছে। তন্মধ্যে আহলুস সুন্নাহ ও আহলুল হাদীসের মত হচ্ছে,
وأنه على العرش، كما قال: الرَّحْمَنُ عَلَى الْعَرْشِ اسْتَوَى ولا نتقدم بين يدي الله بالقول، بل نقول استوى بلا كيف، وأن الله له يدين كما قال خَلَقْتُ بِيَدَيَّ وأنه ينزل إلى سماء الدنيا كما جاء في الحديث. وقال المعتزلة: استوى على العرش بمعنى: استولى. وقالت المعتزلة: اليد بمعنى النعمة، وقوله تَجْرِي بِأَعْيُنِنَا أي بعلمنا ....
"আর তিনি 'আরশের উপরে। আল্লাহ বলেন, الرَّحْمَنُ عَلَى الْعَرْشِ اسْتَوَى﴿ “পরম করুণাময় 'আরশের উপর উঠেছেন।" আমরা আল্লাহকে ছাড়িয়ে আগে বাড়িয়ে গিয়ে কোনো কথা বলবো না। বরং বলবো: তিনি 'আরশের উপর উঠেছেন। তবে ধরন অজানা। (আরও বলবো:) আল্লাহর দু'হাত রয়েছে। আল্লাহ বলেন, ﴾خَلَقْتُ بِيَدَيَّ "আমার দু'হাতে সৃষ্টি করেছি।” (আরও বলবো:) তিনি দুনিয়ার আসমানে অবতরণ করেন, যেমনটি হাদীসে এসেছে।
মু'তাযিলারা বলে, আল্লাহ 'আরশের উপর 'ইস্তিওয়া' হয়েছেন মানে 'ইস্তাওলা' বা দখল করেছেন। মু'তাযিলা বলে, হাত অর্থ নি'আমত। আরও বলে, আল্লাহর বাণী: تَجْرِي بِأَعْيُنِنَا "যা আমার চোখের সামনে চলতে লাগল।" -এই আয়াতে "আমার চোখ" বলতে উদ্দেশ্য "আমার ইলম”। (৫৩০)
• অনুরূপভাবে ইমাম আবুল হাসান আল-আش'আরী আল-ইবানাহ ফী উসূলিদ দিয়ানাহ গ্রন্থের 'ইস্তিওয়া' অধ্যায়ে বলেন,
إن قائلاً قال : ما تقولون في الاستواء ؟ قيل نقول: إن الله مستو على العرش، كما قال الرَّحْمَنُ عَلَى الْعَرْشِ اسْتَوَى وقال إِلَيْهِ يَصْعَدُ الْكَلِمُ الطَّيِّبُ ، وقال بَل رَّفَعَهُ اللهُ إِلَيْهِ، وقال حكاية عن فرعون يَا هَامَانُ ابْنِ لِي صَرْحًا لَّعَلِّي أَبْلُغُ الْأَسْبَابَ. أَسْبَابَ السَّمَاوَاتِ فَأَطَّلِعَ إِلَى إِلَهِ مُوسَى وَإِنِّي لَأَظُنُّهُ كَاذِبًا ، كذَّب موسى في قوله إن الله في السموات.
وقال عز وجل أَأَمِنتُم مَّن فِي السَّمَاء أَن يَخْسِفَ بِكُمُ الْأَرْضَ فالسموات فوقها العرش، فلما كان العرش فوق السموات، وكل ما علا فهو سماء، يعني جميع السموات، وإنما أراد العرش الذي هو أعلى السموات، ألا ترى
أنَّهُ ذكر السموات فقال وَجَعَلَ الْقَمَرَ فِيهِنَّ نُورًا ، ولم يرد أنه يملأهن جميعاً.
ورأينا المسلمين جميعاً يرفعون أيديهم - إذا دعوا - نحو السماء، لأن الله مستو على العرش الذي هو فوق السموات، فلولا أن الله على العرش، لم يرفعوا أيديهم نحو العرش، وقد قال قائلون من المعتزلة، والجهمية، والحرورية، إن معنى استوى استولى وملك وقهر ، وأن الله في كل مكان وجحدوا أن يكون على العرش كما قال أهل الحق، وذهبوا في الاستواء إلى القدرة، فلو كان كما قالوا، كان لا فرق بين العرش والأرض السابعة، لأن الله قادر على كل شيء، فالله قادر عليها وعلى الحشوش، وكذا لو كان مستويا على العرش بمعنى الاستيلاء، لجاز أن يقال: مستو على الأشياء كلها، ولم يجز عند أحد من المسلمين أن يقول: إن الله مستو على الحشوش والأخلية، فبطل أن يكون الاستواء على العرش الاستيلاء
"যদি কেউ বলে, ইস্তিওয়া ('আরশের উপর উঠা) এর ব্যাপারে আপনারা কী বলেন? আমরা বলবো, আল্লাহ 'আরশের উপরে সমুন্নত। যেমন আল্লাহ বলেন, ﴿الرَّحْمَنُ عَلَى الْعَرْشِ اسْتَوَى “পরম করুণাময় 'আরশের উপর উঠেছেন।” আরও বলেন, ﴿إِلَيْهِ يَصْعَدُ الْكَلِمُ الطَّيِّبُ "তাঁরই পানে উত্থিত হয় ভালো কথা।” আরও বলেন, ﴿بَل رَّفَعَهُ اللَّهُ إِلَيْهِ "বরং তিনি তাঁর কাছে উঠিয়ে নিয়েছেন।” ফির'আউনের ঘটনা উল্লেখ করতে গিয়ে বলেন, ফির'আউন বলল, "হে হামান! আমার জন্য তুমি নির্মাণ করো এক সুউচ্চ প্রসাদ যাতে আমি অবলম্বন পাই, আসমানে আরোহনের অবলম্বন, যেন দেখতে পাই মূসার ইলাহকে। তবে আমি তাকে মিথ্যাবাদীই মনে করি।” ফির'আউন মিথ্যা মনে করে ছিল মূসার একথা 'আল্লাহ আসমানের উপরে।'
আল্লাহ বলেন, “তোমরা কি নির্ভয় হয়ে গেছ যিনি আসমানের উপর রয়েছেন যে, তিনি তোমাদেরসহ যমীনকে ধসিয়ে দিবেন।” আসমানসমূহের উপরে 'আরশ। যেহেতু 'আরশ আসমানসমূহের উপরে, তাই যা কিছু ঊর্ধ্বে আছে তাই আসমান। অর্থাৎ সমস্ত আসমান। 'আরশ বলতে বুঝিয়েছেন, সে 'আরশ যা আসমানসমূহের সর্ব উপরে। দেখ না! আল্লাহ তা'আলা সমস্ত আসমানের কথা উল্লেখ করে বলেন, "তিনি চন্দ্রকে তাতে স্থাপন করেছেন আলোকরূপে।” তিনি বুঝাতে চাননি, সকল আসমানই এ চাঁদের আলো দিয়ে ভর্তি করে দিয়েছেন।
আমরা দেখি দো'আর সময় সকল মুসলিম আসমানের দিকে হাত তোলে। কেননা আল্লাহ সে 'আরশের উপর সমুন্নত যা সমস্ত আসমানের ঊর্ধ্বে। যদি আল্লাহ 'আরশের উপরে না হতেন তবে তারা 'আরশের দিকে হাত তুলতো না। মু'তাযিলা, জাহমিয়্যাহ ও খারিজিরা বলে, "ইস্তিওয়া অর্থ দখল করা, মালিক হওয়া ও কর্তৃত্ববান হওয়া। আল্লাহ সর্বত্র বিরাজমান।” তারা আল্লাহর 'আরশের উপর থাকাকে অস্বীকার করে, যেমনটি হকপন্থীরা বলে থাকে।
মু'তাযিলা, জাহমিয়্যাহ ও খারিজীরা ইস্তিওয়াকে ক্ষমতার অর্থে ব্যবহার করে। যদি তাদের কথা ঠিক হয় তবে 'আরশ ও সপ্তম যমীনের মাঝে কোনো পার্থক্য নেই। কেননা আল্লাহ সব বস্তুর উপর ক্ষমতাবান। অতএব, আল্লাহ যমীন ও পায়খানার উপর ক্ষমতাবান।
অনুরূপ তাদের দাবি অনুযায়ী যদি 'আরশের উপর মুস্তাওয়ি হওয়ার অর্থ মুস্তাওলি বা দখলদারিত্ব প্রতিষ্ঠা হয়, তবে বলা যাবে যে, আল্লাহ সকল কিছুর উপর মুস্তাওয়ি বা সবকিছুর দখলদারিত্ব
লাভ করেছেন। অথচ কোনো মুসলিম একথা বলার বৈধতা দিবে না, আল্লাহ পায়খানা বা বাথরুমের উপর মুস্তাওয়ি। অতএব, প্রমাণিত হয়, 'আরশের উপর ইস্তিওয়া হওয়া মানে অধিকার করা (বা দখল করা বা বিজয়ী হওয়া) এ জাতীয় অর্থ সম্পূর্ণরূপে বাতিল।”(৫৩১)
• তদ্রূপ হাফিয ইবন 'আসাকির বলেন, আবুল হাসান তার গ্রন্থ আল-'উমাদ ফির রু'ইয়াহ-তে বলেন, আমরা গুণাবলি সম্পর্কে এক বিরাট গ্রন্থ প্রণয়ন করেছি। আমরা তাতে মু'তাযিলা ও জাহমিয়্যাদের প্রকারভেদ নিয়ে আলোচনা করেছি। তাতে আল্লাহর চেহারা, দুই হাত ও তাঁর 'আরশের উপর উঠা ইত্যাদি গুণাবলি সংক্রান্ত অনেক বিষয় নিয়ে আলোচনা রয়েছে। (৫৩২)
• অনুরূপ হাফেয আবুল আব্বাস আহমাদ ইবন সাবেত আত-ত্বারকী বলেন, আমি আবুল হাসান আল-আশ'আরীর গ্রন্থ যার নাম 'আল-ইবানাহ' তাতে পড়েছি, 'আরশের উপর উঠার উপর প্রমাণ, সেখানে যা উল্লেখ করেছেন তন্মধ্যে এটাও বলেছেন,
ومن دعاء أهل الإسلام إذا هم رغبوا إلى الله، يقولون: يا ساكن العرش، ومن حلفهم لا والذي احتجب بسبع سماوات
"মুসলিমরা যখন আল্লাহ তা'আলার প্রতি অনুরাগী হয় তখন দো'আ করে বলে, হে 'আরশের উপরে অবস্থানকারী। আর তাদের শপথ হচ্ছে, না, সে সত্তার শপথ, যিনি সাত আসমানের উপরে পর্দার আড়ালে রয়েছেন”। (৫৩৩)
ইমাম যাহাবী বলেন, ইমাম আবুল হাসান আল-আশ'আরী ২৬০ হিজরীতে তার জন্ম হয়, ৩২৪ হিজরীতে বাসরায় মারা যান। প্রথমে তিনি মু'তাযিলা ছিলেন। পরবর্তীতে তাওবা করেন এবং মু'তাযিলা-বিরোধী অনেক বিষয়ে আসহাবুল হাদীসের সাথে একমত পোষণ করেন। তারপর (সর্বশেষ পর্যায়ে) অধিকাংশ ক্ষেত্রে আসহাবুল হাদীসের সাথে একমত পোষণ করেন। সেটাই আমরা তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেছি। তাতে তিনি এসব ব্যাপারে আহলে হাদীসের ইজমা'র দাবি করেছেন এবং এসব ব্যাপারে তিনি আহলে হাদীসের সাথে একমত।
তিনি জীবনে ৩টি অবস্থা অতিক্রম করেন: * মু'তাযিলা অবস্থা * কিছু ক্ষেত্রে আহলে সুন্নাহ, কিছু ক্ষেত্রে নয়, যেমন তার রিসালাতুন ইলা আহলিস সাগার গ্রন্থে স্পষ্ট হয়। * অধিকাংশ ক্ষেত্রে আহলে সুন্নাহ, যেমন তার ইবানাহ গ্রন্থে স্পষ্ট হয়। আমরা তার ব্যাপারে এতটুকু জানি। আল্লাহ তার ওপর রহম করুন এবং তাকে সহ সমস্ত মুসলিমকে ক্ষমা করুন। (৫৩৪)

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00