📘 রহমান আরশের উপর উঠেছেন > 📄 ইমাম আবূ মা‘মর ইসমা‘ঈল ইবন ইবরাহীম ইবন মা‘মার আল-কাতীঈ (২৩৬ হিজরী)

📄 ইমাম আবূ মা‘মর ইসমা‘ঈল ইবন ইবরাহীম ইবন মা‘মার আল-কাতীঈ (২৩৬ হিজরী)


আবু মা'মার আল-কাতী'য়ী রাহimahuallah, যিনি ইমাম বুখারী, মুসলিম, আবু দাউد, নাসায়ী প্রমুখগণের উস্তাদ, যার হাদীস তারা তাদের গ্রন্থে নিয়ে এসেছেন, তিনি বলেন, آخر كلام الجهمية أنه ليس في السَّماءِ إله». "জাহমিয়্যাদের শেষ কথা হচ্ছে, আসমানের উপর কোনো ইলাহ নেই.” (৪৩২)
এ উক্তিটি বর্ণনার পরে ইমাম যাহাবী বলেন, বরং তারা বলে, আল্লাহ আসমান ও যমীনে, আসমানের উপরে থাকার বিশেষত্বকে তারা অস্বীকার করে, অথচ উম্মতে মুহাম্মাদীর সকলের কথা হচ্ছে, আল্লাহ তিনি আসমানের উপরে, উম্মতে মুহাম্মাদী সেটার সাথে একাত্মতা পোষণ করে যা কুরআন ও সুন্নাহ'র ভাষ্যে এসেছে। তারা কালামশাস্ত্রবিদদের অপব্যাখ্যায় প্রবেশ করে না। সকলেই দৃঢ়ভাবে বলে, "তাঁর মত কোনো কিছু নেই". [সূরা আশ-শূরা, আয়াত: ১১] (৪৩৩)

টিকাঃ
৪৩২. যাহাবী, আল-'উলূ, পৃ. ২০৭; আল-ארش ২/৩১০, অনুবাদ: আব্দুল্লাহ মাহমূদ।
৪৩৩. যাহাবী, আস-সিয়ার (১১/৭০-৭১)।

📘 রহমান আরশের উপর উঠেছেন > 📄 ইমাম ইসহাক ইবন রাহওয়াইহ আল-মারওয়াযী (২৩৮ হিজরী)

📄 ইমাম ইসহাক ইবন রাহওয়াইহ আল-মারওয়াযী (২৩৮ হিজরী)


• ইমাম হারব ইবন ইসমা'ঈل আল-কিরমানী বলেন, আমি ইসহাক্ব ইবন ইবরাহীম ইবন মাখলাد রাহওয়াইহ আল-মারওয়াযীকে জিজ্ঞেস করেছি, قول الله تبارك وتعالى: ﴿ مَا يَكُونُ مِن نَّجْوَى ثَلَثَةٍ إِلَّا هُوَ رَابِعُهُمْ وَلَا خَمْسَةٍ إِلَّا هُوَ سَادِسُهُمْ) كيف تقول فيه؟ قال: حيث ما كنت هو أقرب إليك من حبل الوريد، وهو بائن من خلقه، قلت لإسحاق: على العرش بحد ؟ قال : نعم بحد. وذكر عن ابن المبارك، قال: هو على عرشه بائن من خلقه .... "মহান আল্লাহ তাবারক ওয়া তা'আলার বাণী, (যেকোনো তিনজনের শলা পরামর্শ হলেই তিনি চতুর্থজন, পাঁচজন হলেই তিনি ষষ্ঠজন), আপনি এ ব্যাপারে কী বলেন? তিনি বলেন, যেখানেই তুমি থাক তিনি সেখানেই তোমার ঘাড়ের ধমনী হতেও নিকটে, অথচ তিনি সকল সৃষ্টি থেকে আলাদা. আমি ইসহাক্ককে জিজ্ঞেস করলাম, 'আরশের উপর সুনির্দিষ্ট করে? তিনি বললেন, হ্যাঁ, 'আরশের উপর সুনির্দিষ্ট করে। তারপর তিনি ইবনুল মুবারক থেকে বর্ণনা করলেন, ইবনুল মুবারক বলেছেন, তিনি তাঁর 'আরশের উপরে, সৃষ্টিকুল থেকে আলাদা...” (৪৩৪)
• অন্যত্র হারব ইবন ইসমা'ঈل বলেন, ইসহাক্ক ইবন রাহওয়াইহ আমাকে নিজে পড়ে উচ্চারণ করে বলেছেন, إن الله تبارك وتعالى وصف نفسه في كتابه بصفات استغنى الخلق أن يصفوه بغير ما وصف به نفسه؛ من ذلك ... قوله: ﴿وَتَرَى الْمَلَائِكَةَ حَافِينَ مِنْ حَوْلِ الْعَرْشِ وآيات مثلها يصف العرش. وقد ثبتت الروايات في العرش، وأعلى شيء فيه وأثبته : قول الله : الرَّحْمَنُ عَلَى الْعَرْشِ اسْتَوَى ) “নিশ্চয় আল্লাহ তা'আলা তাঁর কিতাবে তাঁর নিজেকে এতসব গুণে গুণান্বিত করেছেন, ফলে সৃষ্টিকুল তাঁর (আর নতুন কোনো) গুণ বর্ণনা করা থেকে অমুখাপেক্ষী হয়েছেন। কেবল তাই বর্ণনা করবে যা তিনি স্বয়ং নিজেকে গুণান্বিত করেছেন। তন্মধ্যে অন্যতম হচ্ছে, তাঁর বাণী,... "আর আপনি দেখতে পাবেন ফিরিশতাদেরকে যে, তারা 'আরশের চারপাশে ঘিরে আছেন, অনুরূপ আরও অনেক আয়াত যেগুলোতে তিনি 'আরশের বর্ণনা দিয়েছেন। 'আরশ সম্পর্কে বহু হাদীসের বর্ণনাও সাব্যস্ত হয়েছে। তন্মধ্যে সবচেয়ে উপরে ও প্রামাণ্য হচ্ছে আল্লাহর বাণী, 'রহমান 'আরশের উপর উঠেছেন”. (৪৩৫)
• অনুরূপভাবে ইমাম খাল্লাল তার সুন্নাহ গ্রন্থে ইমাম ইসহাক্ক ইবন রাহওয়াইহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন, قَالَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ : الرَّحْمَنُ عَلَى الْعَرْشِ اسْتَوَى) [طه: ٥] إِجْمَاعُ أَهْلِ الْعِلْمِ أَنَّهُ فَوْقَ الْعَرْشِ اسْتَوَى وَيَعْلَمُ كُلَّ شَيْءٍ أَسْفَلَ الْأَرْضِ السَّابِعَةِ وَفِي قُعُورِ الْبِحَارِ... وَرُءُوسِ الْجِبَالِ، وَبُطُونِ الْأَوْدِيَةِ، وَفِي كُلِّ مَوْضِعِ كَمَا يَعْلَمُ مَا فِي السَّمَاوَاتِ السَّبْعِ وَمَا دُونُ الْعَرْشِ أَحَاطَ بِكُلِّ شَيْءٍ عِلْمًا وَلَا تَسْقُطُ مِنْ وَرَقَةٍ إِلَّا يَعْلَمُهَا وَلَا حَبَّةٍ فِي ظُلُمَاتِ الْبَرِّ وَالْبَحْرِ إِلَّا قَدْ عَرَفَ ذَلِكَ كُلَّهُ وَأَحْصَاهُ، لَا يُعْجِزُهُ مَعْرِفَةُ شَيْءٍ عَنْ مَعْرِفَةِ غَيْرِهِ. “মহান আল্লাহ বলেন, 'রহমান 'আরশের উপর উঠেছেন.' [সূরা ত্বা-হা, আয়াত: ০৫], এ ব্যাপারে আলেমগণের ইজমা' রয়েছে যে, 'তিনি (আল্লাহ) 'আরশের উপর উঠেছেন', তবে তিনি জানেন সবকিছু, সাত যমীনের নিচের, সমুদ্রের গভীরের, পাহাড়ের চূড়ার, উপত্যকার কোলের এবং এমন সব জায়গার খবর, যেমন তিনি জানেন, যা সাত আসমানে রয়েছে, 'আরশের নিচে রয়েছে, প্রত্যকটি বস্তুকে তিনি জ্ঞানে পরিবেষ্টন করে আছেন। যমীনে এমন কোনো পাতা পড়ে না যা তিনি জানেন না, অনুরূপ ডাঙ্গা ও সমুদ্রের অন্ধকারে কোনো দানাই পতিত হোক না কেন তার সবই তিনি জানেন, যথাযথ হিসেব করে রেখেছেন, কোনো জিনিস জানা তাকে অপর জিনিস জানার ব্যাপারে অপারগ করে দেয় না.” (৪৩৬) ইমাম যাহাবী ইমাম ইসহাক্ব ইবন রাহওয়াইহ এর এ ভাষ্যটির উপর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য করে বলেন, “শোন, তোমার জন্য আফসোস, এ ইমামের কথা শোন, কীভাবে তিনি এ সম্মানিত মাসআলায় (আল্লাহর 'আরশের উপর উঠার মাসআলায়) সকলের ঐকমত্য বর্ণনা করেছেন. (৪৩৭) অপর বর্ণনায় আহমদ ইবন সালামah বলেন, سَمِعت إِسْحَاق بْن رَاهَوَيْه يَقُول جمعني وَهَذَا المبتدع يَعْنِي إِبْرَاهِيم بن أبي صالح مجلس الأمير عبد الله بن طَاهِرِ فَسَأَلَنِي الْأَمِيرِ عَن أَخْبَارِ النُّزُول فسردتها فَقَالَ ابْن أبي صالح كفرت بِرَبِّ ينزل من سَمَاء إِلَى سَمَاء فقلت آمنت بِرَبِّ يفعل مَا يَشَاء. "ইসহাক্ব ইবন রাহওয়াইহকে বলতে শুনেছি, আমাকে এবং ঐ বিদ'আতী অর্থাৎ ইবরাহীম ইবন আবী সালেহকে আমীর আবদুল্লাহ ইবন ত্বাহের এর বৈঠকখানা একত্রিত করে দিল, তখন আমাকে আমীর আল্লাহ তা'আলার নিকটতম আসমানে নাযিল হওয়া সংক্রান্ত হাদীস সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে, তখন আমি সেগুলো অনবরত বর্ণনা করলাম। এতে ইবন আবী সালেহ বলে বসল, আমি এমন রবের সাথে কুফুরী করলাম, যিনি এক আসমান থেকে অপর আসমানে নেমে আসেন, তখন আমি বললাম, আমি এমন রবের ওপর ঈমান আনলাম যিনি যা ইচ্ছা তা করেন.” (৪৩৮)

টিকাঃ
৪৩৪. হারب ইবন ইসমা'ঈل আল-কিরমানী, কিতাবুস সুন্নাহ ১৮৭-১৮৮; ইবন আবদুল হাদী, আল-কালাম আলা মাসআলাতিল ইস্তেওয়া 'আলাল 'আরশ, পৃ. ৬৪।
৪৩৫. হারব ইবন ইসমা'ঈل আল-কিরমানী, কিতাবুস সুন্নাহ: ১৯৩।
৪৩৬. আল-খাল্লাল, আস-সুন্নাহ; ইবনুল কাইয়्यিম, ইজতিমা'উল জুয়ুشিল ইসলামিয়্যাহ (২/২২৬)।
৪৩৭. যাহাবী, আল-'উলু, পৃ. ১১২৮।
৪৩৮. বাইহাকী, আল-আসমা ওয়াস সিফাত (২/৩৭৫-৩৭৬), নং ৯৫১; লালেকাঈ, শারহু উসুলি ই'তিক্কাদি আহلিস সুন্নাতি ওয়াল জামা'আহ (৩/৪৫২), নং ৭৭৪; যাহাবী, আল-'উলু, পৃ. ১৩১; আল-ארش (২/৩২২), অনুবাদ: আব্দুল্লাহ মাহমূদ; আল-আরبا'ঈن পৃ. ৭১, নং ৫৯; তারীখুল ইসলাম, ঘটনাপঞ্জী ২৩১-২৪۰, পৃ. ৮৯; ইবন আবদুল হাদী, আল-কালাম আলা মাসআলাতিল ইস্তেওয়া 'আলাল 'আরश, পৃ. ৬৫।

📘 রহমান আরশের উপর উঠেছেন > 📄 আবদুল আযীয ইবন ইয়াহইয়া আল-কিনানী (২৪০ হিজরী)

📄 আবদুল আযীয ইবন ইয়াহইয়া আল-কিনানী (২৪০ হিজরী)


আবদুল আযীয ইবন ইয়াহইয়া আল-কিনানী হলেন বিখ্যাত 'হাইদাহ' গ্রন্থকার। তিনি কুরআন সৃষ্টির মাসআলায় মামুন ইবন হারুনুর রশীদের দরবারে বিশর আল-মারিসীর সাথে বাহাস-মুনাযারা করেন। সে মুনাযারা ২১৮ হিজরীতে হওয়ার কথা। কেননা সে বছর মামুন এ ফিতনার জন্ম দেন। কুরআনের মাসআলায় মানুষ ফিতনায় নিপতিত হয়। সে বছরের শেষের দিকে বিশর আল-মারীসী মারা যায়। আবদুল আযীয ইবন ইয়াহইয়া কিনানী স্বীয় আর-রাদ্দু 'আলাল জাহমিয়্যাহ গ্রন্থে বলেন, باب قول الجهمي في قوله تعالى الرَّحْمَنُ عَلَى الْعَرْشِ اسْتَوَى زعمت الجهمية أنما معنى استوى: استولى، من قول العرب استوى فلان على مصر، يريد استولى عليها. والبيان لذلك يقال له: هل يكون خلق من خلق الله أنت عليه مدة ليس الله بمستول عليه؟، فإذا قال: لا، قيل له: فمن زعم ذلك فمن قوله، فمن زعم ذلك فهو كافر، فيقال له: يلزمك أن تقول إن العرش قد أنت عليه مدة ليس الله بمستول عليه، وذلك لأنه أخبر سبحانه وتعالى أنه خلق العرش قبل خلق السموات والأرض ثم استوى عليه بعد خلقهن، فيلزمك أن تقول المدة التي كان العرش قبل خلق السموات والأرض ليس الله بمستول عليه “অনুচ্ছেদ, আল্লাহর বাণী: “রহমান 'আরশের উপরে উঠেছেন” এ ব্যাপারে জাহমিয়্যাদের মত। জাহমিয়্যারা মনে করে থাকে, 'ইস্তিওয়া- অর্থ 'ইস্তাওলা' বা দখল করা, যেমন আরববাসী বলে থাকে- অমুক মিসরে ইস্তিওয়া হয়েছে, অর্থাৎ সে মিসরের ক্ষমতা দখল করেছে। জবাবে তাকে বলা হবে, আল্লাহর কোনো সৃষ্টি কি এমন সময় অতিক্রম করেছে, যে সময় আল্লাহ তার উপরে ক্ষমতা রাখতেন না? যদি সে বলে, না। তখন তাকে বলতে হবে, কেউ যদি এরূপ কথা বলে তার হুকুম কী? সে অবশ্যই জবাব দিবে যে, এমন ব্যক্তি কাফির। তখন তাকে বলতে হবে, আপনার কথানুসারে আপনি বলতে বাধ্য যে, 'আরশ এমন একটা সময় অতিক্রম করেছে যখন তার ওপর আল্লাহর ক্ষমতা ছিল না। কেননা আল্লাহ বলেছেন, "তিনি আসমান ও যমীন সৃষ্টির পূর্বে 'আরশ সৃষ্টি করেছেন। 'আরশের উপর ইস্তিওয়া বা উপরে উঠেছেন আসমান ও যমীন সৃষ্টির পরে." অতএব, আপনি আপনার কথানুযায়ী বলতে বাধ্য, আসমান ও যমীন সৃষ্টি পূর্ব পর্যন্ত আল্লাহ 'আরশের উপর ক্ষমতা রাখতেন না। (না'উযুবিল্লাহ) তারপর তিনি তা প্রমাণ করার জন্য অনেক লম্বা আলোচনা করেছেন এবং কিতাব ও সুন্নাহ থেকে দলীল পেশ করেছেন. (৪৩৯)
যাহাবী বলেন, অনুরূপভাবে যে বলে ইস্তিওয়া শব্দের অর্থ মিলক বা ক্বাহার তথা রাজত্ব ও কর্তৃত্ব তার উত্তরও একই রকম। কেননা তার কথানুসারেও আল্লাহ আসমান ও যমীন সৃষ্টির পূর্বে 'আরশের কর্তৃত্ব ও রাজত্বের অধিকারী ছিলেন না। (না'উযুবিল্লাহ) (৪৪০)

টিকাঃ
৪৩৯. ইবন তাইমিয়্যাহ, দারউ তাআরুদ্বিল আকলি ওয়ান নাকল (৬/১১৫-১১৯); ইবনুল কাইয়্যেম, ইজতিমা'উল জুয়ুশ, পৃ. ২১৯-২১০; কাসিমী, মাহাসিনুল তা'ওয়ীল, পৃ. ২৭৯।
৪৪০. যাহাবী, আল-'উলু, পৃ. ১৯৩।

📘 রহমান আরশের উপর উঠেছেন > 📄 ইমাম কুতাইবাহ ইবন সা‘ঈদ আল-বাগালানী (২৪০ হিজরী)

📄 ইমাম কুতাইবাহ ইবন সা‘ঈদ আল-বাগালানী (২৪০ হিজরী)


প্রখ্যাত মুহাদ্দিস ইমাম কুতাইbah ইবন সা'ঈদ আল-বাগলানী রাহimahuallah বলেন, هَذَا قَوْلُ الْأَئِمَّةِ الْمَأْخُوذِ فِي الْإِسْلَامِ وَالسُّنَّةِ : الرِّضَا بِقَضَاءِ اللهِ وَالاسْتِسْلَامُ لَأَمْرِهِ، وَالصَّبْرُ عَلَى حُكْمِهِ، وَالْإِيمَانُ بِالْقَدَرِ خَيْرِهِ وَشَرِّهِ.... وَيَعْرِفَ اللَّهَ فِي السَّمَاءِ السَّابِعَةِ عَلَى عَرْشِهِ كَمَا قَالَ: الرَّحْمَنُ عَلَى الْعَرْشِ اسْتَوَى، لَهُ مَا فِي السَّمَوَاتِ وَمَا فِي الْأَرْضِ وَمَا بَيْنَهُمَا وَمَا تَحْتَ الثَّرَى). "এ হচ্ছে ইসলাম ও সুন্নায় যাদের কথা গ্রহণযোগ্য সেসব ইমামদের মত, আল্লাহর ফয়সালার ব্যাপারে সন্তুষ্ট হওয়া, তাঁর নির্দেশের কাছে নিজেকে সঁপে দেয়া, তাঁর হুকুমের ওপর সবর করা, তাক্বদীরে ভালো ও মন্দ সবই আছে তার ওপর ঈমান আনা,... আর আহলুস সুন্নাত ওয়াল জামা'আত তারা আল্লাহকে চিনে যে, তিনি সপ্ত আসমানে তাঁর 'আরশের উপর রয়েছেন, যেমনটি তিনি বলেছেন, "রহমান 'আরশের উপর উঠেছেন, তাঁর সবকিছুর মালিকানা, যা আসমানসমূহে রয়েছে, যা যমীনে রয়েছে, যা এতদুভয়ের মাঝে রয়েছে আর যা মাটির নিচে রয়েছে". (৪৪১) ইমাম যাহাবী রাহimahuallah এ ইমামের ভাষ্যের ওপর মন্তব্য করে বলেন, এ হচ্ছেন ইমাম কুতাইbah যিনি প্রখ্যাত ইমাম ছিলেন, তাঁর সত্যবাদিতা দিয়ে জগদ্বিখ্যাত হয়েছেন, তিনি এ মাসআলায় (আল্লাহ তাঁর 'আরশের উপর উঠার বিষয়ে) আহলুল ইসলাম ওয়া আহলুস সুন্নাহ'র ঐকমত্য বর্ণনা করেছেন, যিনি ইমাম মালিক, লাইস, হাম্মাদ ইবন যায়েদ এবং বড় বড় আলেমগণের সাথে সাক্ষাৎ করে তাদের থেকে জ্ঞান অর্জন করেছেন আর তার দরজায় তৎকালীন সকল হাফেযদের ভীড় লেগেই থাকতো. (৪৪২)

টিকাঃ
৪৪০. যাহাবী, আল-'উলু, পৃ. ১৯৩।
৪৪১. আবু আহমاد আল-হাকিম, শি'আরু আসহাবিল হাদীস পৃ. ৩০-৩১।
৪৪২. যাহাবী, আল-'উলু, পৃ. ১১০৩।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00