📘 রহমান আরশের উপর উঠেছেন > 📄 সুয়াইদ ইবন দাউদ (২২৬ হিজরী)

📄 সুয়াইদ ইবন দাউদ (২২৬ হিজরী)


ইমাম মুহাদ্দিস সুনাইদ ইবন দাউদ আবু আলী আল-মিসসীসী আল-হাফেয, তিনি ইমাম বুখারী ও ইমাম আবু যুর'আর উস্তাদ, তাঁর থেকে বর্ণিত হয়েছে, আল্লাহ তা'আলা 'আরশের উপর, قَالَ أَبُو حَاتِمِ الرَّازِيُّ: حَدَّثَنَا أَبُو عِمْرَانَ مُوسَى الطَّرَسُوسِيُّ قَالَ: قُلْتُ لِسُنَيْدِ بْنِ دَاوُدَ هُوَ عَلَى عَرْشِهِ بَائِنٌ مِنْ خَلْقِهِ؟ قَالَ : نَعَمْ. أَلَمْ تَسْمَعْ قَوْلَهُ تَعَالَى: ﴿وَتَرَى المَلَائِكَةَ حَافِّينَ مِنْ حَوْلِ الْعَرْشِ﴾ [الزمر: ٧٥] "আবু হাতেম আর-রাযী বলেন, আমাদেরকে আবু 'ইমরান মূসা আত-ত্বারাসূসী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমি সুনাইদ ইবন দাউদকে জিজ্ঞেস করলাম, আল্লাহ কি 'আরশের উপর, তার সৃষ্টিকুল থেকে আলাদা? তিনি বললেন, হ্যাঁ, তুমি কি শোননি আল্লাহর বাণী, "আর আপনি দেখবেন ফিরিশতাদেরকে 'আরশের চারপাশ ঘিরে আছে.” (৪২১)

টিকাঃ
৪২১. যাহাবী, আল-'উলূ, পৃ. ১৮৪।

📘 রহমান আরশের উপর উঠেছেন > 📄 বিশ‘র ইবন যায়েস আল-হাদী (২২৭ হিজরী)

📄 বিশ‘র ইবন যায়েস আল-হাদী (২২৭ হিজরী)


তার আক্বীদায় বেশ কিছু জিনিস উল্লেখ করে বলেন, والإيمان بأن الله على عرشه استوى كما شاء، وأنه عالم بكل مكان، وأن الله يقول، ويخلق، فقوله كن ليس بمخلوق. "ঈমান আনতে হবে যে, আল্লাহ 'আরশের উপরে উঠেছেন, যেভাবে তিনি চেয়েছেন। তিনি সকল স্থান সম্পর্কে জানেন। আল্লাহ কথা বলেন এবং সৃষ্টি করেন। আল্লাহর কথা "কুন বা হও” শব্দও মাখলুক নয়." (৪২২) এটি ইবন বাত্তাহ আল-ইবানাহতে বর্ণনা করেছেন, তিনি ছাড়া অন্যরাও বর্ণনা করেছেন.

টিকাঃ
৪২২. যাহাবী, আল-'উলু, পৃ. ১২৭; আরবা'ঈন, ৪৩; আল-আরש, ২/৩১২; অনুবাদ, আব্দুল্লাহ মাহমূদ; ইবন আবদুল হাদী, আল-কালাম আলা মাসআলাতিল ইস্তেওয়া 'আলাল 'আরش, পৃ. ৬৩।

📘 রহমান আরশের উপর উঠেছেন > 📄 মুহাম্মাদ ইবন মুস‘আব আল-‘আবেদ (২২৮ হিজরী)

📄 মুহাম্মাদ ইবন মুস‘আব আল-‘আবেদ (২২৮ হিজরী)


মুহাম্মাদ ইবন মুস'আব আল-'আবেদ বলেন, مَنْ زَعَمَ أَنَّكَ لا تتكَلَّمُ ولا تُرى في الآخرة، فهو كافر بوجهكَ، أَشْهَدُ أَنَّكَ فَوْقَ العَرْشِ، فَوْقَ سَبْعِ سَمَاوَاتٍ، ليسَ كما تقول أعداء الله الزنادقة». "যে মনে করে, (হে আল্লাহ) আপনি কথা বলেন না, আখেরাতে আপনাকে দেখা যাবে না, সে আপনার চেহারা-সত্তাকে অস্বীকারকারী কাফির, সে আপনাকে চিনে না। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, আপনি 'আরশের উপরে রয়েছেন, যে 'আরশ সাত আসমানের উপরে, সে রকম নয়, যেমনটি যিন্দীক বা দীন-বিরোধিতাকারীরা বলে থাকে." এ বক্তব্য দারাকুতনী আস-সিফাত গ্রন্থে ও আবদুল্লাহ ইবন আহমاد আস-সুন্নাহতে সহীহ সনদে বর্ণনা করেছেন. (৪২৩)

টিকাঃ
৪২৩. আস-সুন্নাহ (১/১৭৩) নং ২১০; দারাকুতনী, আস-সিফাত, পৃ. ৭২-৭৩, নং ৬৪; বাগদাদী, তারীখু বাগ (৩/২৮০); যাহাবী, আল-'উলু, পৃ. ১২৪; আল-আরש ২/৩১০, অনুবাদ: আব্দুল্লাহ মাহমুদ; ইবন আবد আল-কালাম আলা মাসআলাতিল ইস্তেওয়া 'আলাল 'আরש, পৃ. ৫৮.

📘 রহমান আরশের উপর উঠেছেন > 📄 নু‘আইম ইবন হাম্মাদ আল-খুযা‘ঈ (২২৯ হিজরী)

📄 নু‘আইম ইবন হাম্মাদ আল-খুযা‘ঈ (২২৯ হিজরী)


ইমাম বুখারীর উস্তাদ হাফেযে হাদীস ইমাম নু'আঈম ইবন হাম্মাদ আল্লাহর বাণী: ﴾وَهُوَ مَعَكُم "তিনি (আল্লাহ) তোমাদের সাথে”-এর ব্যাখ্যায় বলেন, أنه لا يخفى عليه خافية بعلمه، ألا ترى قوله مَا يَكُونُ مِن نَّجْوَى ثَلَاثَةٍ إِلا هُوَ رَابِعُهُمُ الآية، أراد: أنه لا يخفى عليه خافية. "আল্লাহর জ্ঞান থেকে কোনো কিছুই গোপন নেই। তুমি কি আল্লাহর বাণী দেখো না- "তিন জনের কোনো গোপন পরামর্শ হয় না যাতে চতুর্থজন হিসেবে আল্লাহ থাকেন না". এ আয়াতের মাধ্যমে আল্লাহ বুঝাতে চেয়েছেন যে, তাঁর থেকে কিছুই গোপন নেই.” (৪২৪) নু'আঈম ইবন হাম্মاد অন্যত্র বলেন, مَنْ شَبَّهَ اللَّهَ بِشَيْءٍ مِنْ خَلْقِهِ فَقَدْ كَفَرَ، وَمَنْ أَنْكَرَ مَا وَصَفَ اللَّهُ بِهِ نَفْسَهُ فَقَدْ كَفَرَ ، وَلَيْسَ مَا وَصَفَ اللَّهُ بِهِ نَفْسَهُ وَلَا رسوله تشبيها. যে আল্লাহকে সৃষ্টির কোনোকিছুর সাথে সাদৃশ্য দিলো, সে কুফুরী করলো। যে ব্যক্তি এমন গুণকে অস্বীকার করলো যে গুণের বর্ণনা স্বয়ং আল্লাহ নিজের ক্ষেত্রে দিয়েছেন, সে কুফুরী করলো। আল্লাহ নিজের ক্ষেত্রে যে গুণের বর্ণনা দিয়েছেন বা তাঁর রাসূল যে গুণের বর্ণনা দিয়েছেন, তাতে কোনো সাদৃশ্য দেয়া হয়নি. (৪২৫)
ইমাম যাহাবী বলেন, উভয় বক্তব্য তাঁর থেকে সহীহ. (৪২৬)

টিকাঃ
৪২৪. ইবন বাত্তাহ, আল-ইবানah (৩/১৪৬), নং ১০৬; যাহাবী, আল-'উলু, পৃ. ১২৩, সীয়ার (১০/৬১১); ইবনুল কাইয়्यেম, ইজতিমা'উল জুয়ুশ, পৃ ২২১; মুখতাসারুল 'উলু ১৮৪; ইবন আবদুল হাদী, আল-কালাম আলা মাসআলাতিল ইস্তেওয়া 'আলাল 'আরশ, পৃ. ৬২।
৪২৫. ইবন তাইমিয়્યাহ, মাজমুউল ফাতাওয়া, (৫/১৯৬); যাহাবী, আল-'উলু, ১২৬; ইবনুল কাইয়्यেম, ইজতিমা'উল জুয়ুশ, পৃ. ২২১; ইবন আবদুল হাদী, আল-কালাম আলা মাসআলাতিল ইস্তেওয়া 'আলাল 'আরশ, পৃ. ৬২।
৪২৬. দু'টো বক্তব্যই ইমাম যাহাবী তাঁর আল-আরশ গ্রন্থে নিয়ে এসেছেন। ২/৩০৫; অনুবাদ আব্দুল্লাহ মাহমুদ।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00