📘 রহমান আরশের উপর উঠেছেন > 📄 মানসুর ইবন আম্মার ইবন কাসীর, আস সামী আস-সুলামী আল-খুরাসানী (২০০ হিজরী)

📄 মানসুর ইবন আম্মার ইবন কাসীর, আস সামী আস-সুলামী আল-খুরাসানী (২০০ হিজরী)


বিশর আল-মাররিসী ইমাম মানসূর ইবন আম্মারকে লিখে পাঠিয়ে তাঁর কাছে আল্লাহর বাণী 'রহমান 'আরশের উপর উঠেছেন' এখানে আল্লাহ তা'আলা 'ইস্তেওয়া' কীভাবে করলেন, তা জানতে চান। তখন মানসূর ইবন 'আম্মার রাহimahuallah বলেন, اسْتِوَاؤُهُ غير محدود، والجواب فيه تَكَلُّف، مُسَاءَلَتُكَ عَنهُ بِدْعَةٌ، وَالإِيمَانُ بِجُمْلَةِ ذَلِكَ وَاجِبٌ». “আল্লাহর 'ইস্তেওয়া' তথা 'আরশের উপর উঠার বিষয়টির ধরন শরী'আতে আসেনি, এর উত্তর দেয়ার মধ্যে রয়েছে কৃত্রিমতা অবলম্বন, এ ব্যাপারে তোমার প্রশ্ন করাটিই হচ্ছে বিদ'আত। আর এসব কিছুর ওপর ঈমান আনা ওয়াজিব.”(৩৯০)

টিকাঃ
৩৯০. খত্বীব, তারীখু বাগদাদ (১৩/৭৬); যাহাবী, সিয়ারু আ'لامিন নুবালা (৯/৯৮); তারীখুল ইসলাম, ঘটনাপঞ্জী ১৯১-২০০ হিজরী, পৃ. ৪১৩।

📘 রহমান আরশের উপর উঠেছেন > 📄 আবদুল্লাহ ইবন আবী জা‘ফর আর-রাযী (২০০ হিজরীর পরে)

📄 আবদুল্লাহ ইবন আবী জা‘ফর আর-রাযী (২০০ হিজরীর পরে)


সালেহ ইবনুদ দুরাইস বলেন, جعل عبد الله بن أبي جعفر الرازي يضرب قرابة له بالنعل على رأسه يرمى برأي جهم ويقول: لا، حتى تقول الرَّحْمَنُ عَلَى الْعَرْشِ اسْتَوَى بائن من خلقه. "আবদুল্লাহ ইবন আবু জা'ফর আর-রাযী, জাহমিয়্যাহ হওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত- তার এক আত্মীয়ের মাথায় জুতা দিয়ে মারছিলেন আর বলছিলেন, ততক্ষণ ছাড়ব না যতক্ষণ না বলো: রহমান 'আরশের উপরে উঠেছেন, তিনি তাঁর সৃষ্টি থেকে আলাদা.”(৩৯১)
ইমাম যাহাবী বলেন, এ বক্তব্য ইবন আবী হাতিম আর-রাদ্দু 'আলাল জাহমিয়্যাহ গ্রন্থে মুহাম্মাদ ইবন ইয়াহইয়া থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বর্ণনা করেছেন সালেহ থেকে.

টিকাঃ
৩৯১. ইবন তাইমিয়্যাহ, দারউ তাআরুযিল আকল ওয়ান নাকল, ৬/২৬৫; যাহাবী, আল-'উলু, পৃ. ১১৯; আল-আরش, ২/৩০৬; অনুবাদ, আব্দুল্লাহ মাহমূদ; ইবনুল কাইয়্যেম, ইজতিমা'উল জুয়ুশ, পৃ. ২২১; ইবন আবদুল হাদী, আল-কালাম আলা মাসআলাতিল ইস্তেওয়া 'আলাল 'আরش, পৃ. ৬২-৬৩।

📘 রহমান আরশের উপর উঠেছেন > 📄 হিশাম ইবন আবদুল্লাহ আর রাযী আল-সিনাফী (২০০ হিজরীর পর)

📄 হিশাম ইবন আবদুল্লাহ আর রাযী আল-সিনাফী (২০০ হিজরীর পর)


হিশাম ইবন 'আব্দুল্লাহ আর-রাযী থেকে বর্ণিত, জাহমিয়্যাহ হওয়ার কারণে এক ব্যক্তিকে বন্দি করা হয়। সে তাওবা করলে তাকে পরীক্ষা করার জন্য হিশামের দরবারে আনা হয়। হিশাম তাকে বললেন, তুমি কি সাক্ষ্য দিচ্ছ যে, নিশ্চয় আল্লাহ তাঁর 'আরশের উপরে, তার সৃষ্টির বিপরীতে?
সে বলল, তার সৃষ্টির বিপরীতে কী তা আমি জানি না? তিনি বললেন, আবার তাকে বন্দি করো। সে এখনও তাওবা করেনি. (৩৯২)

টিকাঃ
৩৯২. ইবন তাইমিয়্যাহ, হামাওয়িয়‍্যাহ, পৃ. ৮৮; দার'উ তা'আরুদ্বিল আকলি ওয়ান নাকল (৬/২৬৫); নাকছু তা'সীসিল জাহমিয়্যah (২/৫২৬); যাহাবী, আল-'উলু, পৃ. ১২৩; আল-আরش ২/৩০৭; অনুবাদ, আব্দুল্লাহ মাহমুদ; ইবনুল কাইয়্যেম, ইজতিমা'উল জুয়ুশ, পৃ. ১৪০-১৪১; ইবন আবদুল হাদী, আল-কালাম আলা মাসআলাতিল ইস্তেওয়া 'আলাল 'আরশ, পৃ. ৬৩।

📘 রহমান আরশের উপর উঠেছেন > 📄 ইমাম নযর ইবন শুমাইল (২০৩ হিজরী)

📄 ইমাম নযর ইবন শুমাইল (২০৩ হিজরী)


ইমাম আন-নাদ্বর ইবন শুমাইল ছিলেন আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামা'আতের একজন ভাষাবিদ, নাহুশাস্ত্রবিদ। মার্ভ ও খোরাসানে তিনি সহীহ সুন্নাহ'র প্রচার-প্রসারে যথেষ্ট অবদান রেখেছিলেন। ইমাম লালেকাঈ রাহimahuallah তাদের আলোচনা করছিলেন যারা সহীহ আকীদাহ প্রসারে অবদান রেখেছেন, সেখানে তিনি আন-নাদ্বর ইবন শুমাইলকে অন্তর্ভুক্ত করেছেন। তিনি বলেন, بَابُ سِيَاقِ ذِكْرِ مَنْ رُسِمَ بِالْإِمَامَةِ فِي السُّنَّةِ بَابُ سِيَاقِ ذِكْرِ مَنْ رُسِمَ بِالْإِمَامَةِ فِي السُّنَّةِ وَالدَّعْوَةِ وَالهِدَايَةِ إِلَى طَرِيقِ الاسْتِقَامَةِ بَعْدَ رَسُولِ اللَّهِ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - إِمَامِ الْأَئِمَّةِ، فَمِنَ الصَّحَابَةِ .... وَمِنْ أَهْلِ خُرَاسَانَ أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ الْمَرْوَزِيُّ، وَالْفَضْلُ بْنُ مُوسَى السِّينَانِيُّ، وَالنَّضْرُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْمُرْوَزِيُّ، وَالنَّضْرُ بْنُ شُمَيْلِ المَازِنِيُّ. [অধ্যায়, সুন্নাহ তথা আক্বীদায় যারা ইমাম হিসেবে চিহ্নিত তাদের বর্ণনায়] ইমামগণের ইমাম রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের পরে যারা সঠিক পথে, হিদায়াত, দাওয়াত ও সুন্নাতের ইমাম হিসেবে কাজ করেছেন তাদের বর্ণনার অধ্যায়: তাদের মধ্যে সাহাবায়ে কেরাম থেকে.... আর খুরাসান অধিবাসীদের মধ্য থেকে, আবু আবদুর রহমান আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারক আল-মারওয়াযী, আল-ফাদ্বল ইবন মূসা আস-সিনানী, আন-নাম্বর ইবন মুহাম্মাদ আল-মারওয়াযী, আন-নাদ্বর ইবন শুমাইল আল-মাযেনী... (৩৯৩)
তাছাড়া অনেক ইমাম সহীহ আকীদাহ'র একজন বড় আলেম হিসেবে তাঁকে উপস্থাপন করেছেন. (৩৯৪) আল্লাহর 'আরশের উপর উঠার ব্যাপারে তাঁর মতামত পাই সেখান থেকে যে, তিনি এ ব্যাপারে বিশুদ্ধ আকীদাহ বর্ণনা করতেন। যেমন ইতোপূর্বে এসেছে, নম্বর ইবন শুমাইল বলেন, "আমাকে খলীল বর্ণনা করছেন, আর খলীল সবার কাছেই প্রসিদ্ধ, তিনি বলেন, আমি আবু রাবী'আহ ইবনুল আ'রাবীর কাছে আসলাম, তাকে আমি যাদের দেখেছি তাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি জ্ঞানী মনে করি, আমি তার কাছে যখন পৌঁছলাম তখন তিনি ঘরের ছাদে ছিলেন। আমরা তাকে সালাম দিলাম, তিনি সালামের জাওয়াব দিলেন এবং আমাদের বললেন, “استووا” এটা শুনে আমরা তো হতভম্ব হয়ে গেলাম, আমরা বুঝতে পারলাম না তিনি কী বললেন, তখন আমাদেরকে তার পার্শ্বে থাকা এক বেদুঈন বললেন, তিনি তোমাদেরকে উপরে উঠতে নির্দেশ দিচ্ছেন. (৩৯৫)

টিকাঃ
৩৯৩. শারহু উসুলি ই'তিক্কাদি আহলিস সুন্নাতি ওয়াল জামা'আহ (১/৩১-৫৪)।
৩৯৪. দেখুন: আল-মারযেবানী, নূরুল ক্বاب س পৃ. ৯৯; ইবন খাল্লিকান, ওয়াফায়াতুল আ'ইয়ান (২/২৩৮); ইমাম যাহাবী, সিয়ারু আ'لامিন নুবালা (১০/২৮২); আবুল কাসেম আত-তাইমী, আল-হুজ্জاه ফী বায়ানিল মাহাজ্জاه (২/৪৭৩-৪৭৭)।
৩৯৫. আল-মারযেবানী, নূরুল ক্বاب س পৃ. ১০২-১০৩; ইবন আবদুল বার, আত-তামহীদ (৭/১৩১-১৩২)।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00