📘 রহমান আরশের উপর উঠেছেন > 📄 ‘আবাদা ইবনুল ‘আওয়ায ইবন ‘উমার আল-কিন্দাবী (১৮৫ হিজরী)

📄 ‘আবাদা ইবনুল ‘আওয়ায ইবন ‘উমার আল-কিন্দাবী (১৮৫ হিজরী)


'আব্বাদ ইবনুল 'আওয়ام ইবন 'উমার আল-কিলাবী রাহিমahullah, যার থেকে বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযী, নাসায়ী ও ইবন মাজাহ সহ প্রায় সকল মুহাদ্দিস হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, كَلَّمْتُ بِشْرَ الْمُرِيسِيَّ وَأَصْحَابَ بِشْرٍ فَرَأَيْتُ آخِرَ كَلَامِهِمْ يَنْتَهِي أَنْ يَقُولُوا لَيْسَ فِي السَّمَاءِ شَيْءٌ، أرى والله أن لا يناكحوا ولا يوارثوا». "আমি বিশর আল-মারিসী ও বিশরের সাথীদের সাথে কথা বলে দেখেছি, তাতে আমি দেখেছি, তাদের সর্বশেষ কথা এটায় গিয়ে শেষ হয় যে, আসমানের উপর কিছু নেই, আমার মত হচ্ছে, আল্লাহর শপথ, তাদের সাথে বিবাহ বন্ধন করা যাবে না, তাদেরকে ওয়ারিস বানানো যাবে না.”(৩৭৬)

টিকাঃ
৩৭৬. আবদুল্লাহ ইবন ইমাম আহমাদ, আস-সুন্নah পৃ. ৩২; খত্বীব, তারীখে বাগদাদ (৭/৫৮); খাল্লাল, আস-সুন্নah, নং ১৭৫৩।

📘 রহমান আরশের উপর উঠেছেন > 📄 ইমাম ফুযাইল ইবন ইয়ায (১৮৭ হিজরী)

📄 ইমাম ফুযাইল ইবন ইয়ায (১৮৭ হিজরী)


ইমাম ফুযাইল ইবন ইয়াদ্ব ইবন মাসঊদ ইবন বিশর, যাকে ('আবেদুল হারামাইন) বলা হতো, তিনি জাহমিয়্যাদের আকীদাহ'র বিরুদ্ধে কথা বলেছেন, তিনি বলেন, إِذَا قَالَ لَكَ جَهْمِيٌّ : أَنَا أَكْفُرُ بِرَبِّ يَزُولُ عَنْ مَكَانِهِ، فَقُلْ : «أَنَا أُؤْمِنُ بِرَبِّ يَفْعَلُ مَا يَشَاءُ». "যদি তোমাকে জাহমী বলে, আমি এমন রবের সাথে কুফুরী করছি যিনি তার স্থান পরিবর্তন করেন, ('আরশের উপর উঠেন বা প্রথম আসমানে নেমে আসেন) তাহলে বল, আমি এমন রবের ওপর ঈমান আনলাম, যিনি যা ইচ্ছা তা করেন.”(৩৭৭) এর দ্বারা উদ্দেশ্য হচ্ছে তাদের কথাকে বাতিল করা যারা আল্লাহর ইচ্ছাকৃত গুণগুলো অস্বীকার করে থাকে। যেমন, 'আরশের উপর উঠা, নিকটতম আসমানে নেমে আসা, হাঁসা, আশ্চর্য হওয়া, সন্তুষ্ট হওয়া ইত্যাদি। কারণ, যারা এ গুণাবলি অস্বীকার করে তাদের সন্দেহ হচ্ছে, আল্লাহর জন্য স্থান ও স্থান পরিবর্তন বুঝায় এমন কিছু সাব্যস্ত করা যাবে না। ইমাম ফুদ্বাইল ইবন 'ঈয়াদ্ব রাহimahuallah তাদের সুন্দর উত্তর দিয়েছেন.

টিকাঃ
৩৭৭. খালকু আফ'আলিল 'ইবাদ, পৃ. ৩৩।

📘 রহমান আরশের উপর উঠেছেন > 📄 জরীর ইবন আবদুল হামীদ আদ-যিববী (১৮৮ হিজরী)

📄 জরীর ইবন আবদুল হামীদ আদ-যিববী (১৮৮ হিজরী)


প্রখ্যাত মুহাদ্দিস জরীর ইবন আবদুল হামীদ আদ-দ্বিব্বী রাহimahuallah বলেন, كلام الجهميَّةِ أَوَّلَهُ عَسَلٌ وَآخِرُهُ سُمٌ، وإِنَّما يحاولون أن يقولوا: ليس في السَّمَاءِ إله». “জাহমিয়্যাদের কথার প্রথম অংশে মধু, আর শেষাংশে বিষ; তারা এটা বলার চেষ্টায় থাকে যে, ইলাহ উপরে নয়.”(৩৭৮)

টিকাঃ
৩৭৮. যাহাবী, আল-'উলূ, পৃ. ৯৮৫; উত্তম সনদে; আল-আরश, ২/২৪৩, অনুবাদ আব্দুল্লাহ মাহমূদ।

📘 রহমান আরশের উপর উঠেছেন > 📄 ইমাম মুহাম্মাদ ইবনুল হাসান আশ-শাইবানী (১৮৯ হিজরী)

📄 ইমাম মুহাম্মাদ ইবনুল হাসান আশ-শাইবানী (১৮৯ হিজরী)


ইমাম আবুল হাসান হিবাতুল্লাহ আল-লালেকাঈ বর্ণনা করেন, ইমাম মুহাম্মাদ ইবনুল হাসান আশ-শাইবানী রাহimahuallah যে হাদীসে আল্লাহ কর্তৃক প্রথম আসমানে নেমে আসা সংক্রান্ত হাদীসগুলো ও এ জাতীয় সিফাতের হাদীস সম্পর্কে বলেন, هَذِهِ الْأَحَادِيثُ قَدْ رَوَتْهَا الثَّقَاتُ، فَنَحْنُ نَرْوِيهَا وَنُؤْمِنُ بِهَا وَلَا نُفَسِّرُهَا . “এ হাদীসগুলো নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীগণ বর্ণনা করেছেন, সুতরাং আমরা এগুলো বর্ণনা করব, সেগুলোর অর্থের ওপর ঈমান আনব, কিন্তু সেগুলোর ব্যাখ্যা দাঁড় করাবো না.” (৩৭৯)

টিকাঃ
৩৭৯. ইমাম লালেকাঈ, শারহু উসুলি ই'তিক্বাদি আহলিস সুন্নাহ (৩/৪৮০); ইবন তাইমিয়্যাহ, মাজমূ' ফাতাওয়া (৪/১৮৬); যাহাবী, আল-আরবাঈن নং ৫৬; আল-'উলু, ১৫৯; আল-আরश (২/২৫۰) অনুবাদ, আব্দুল্লাহ মাহমুদ।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00