📄 হফ্স ইবন গাইন ইবন সা‘দ আল-মিসরী (১৭৫ হিজরী)
ইমাম লাইস ইবন সা'দ আল-মিসরী তৎকালীন সময়ের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। তাঁর সম্পর্কে এটা প্রসিদ্ধ যে, তিনি ইমাম মালিক রাহিমahullah থেকেও বড় ফকীহ ছিলেন, কিন্তু তার ছাত্ররা তাকে যথাযথভাবে কাজে লাগাতে পারেনি। তিনি ও তাঁর মতো ইমামগণ আল্লাহর এসব সিফাত সম্পর্কে যা বলেছেন তা থেকে আল্লাহ তা'আলা কর্তৃক 'আরশের উপর উঠা ও সেখানে অবস্থানের বিষয়টি প্রমাণিত হয়। প্রখ্যাত নির্ভরযোগ্য মুহাদ্দিস বুখারী, মুসলিম, আবু দাঊদ, নাসায়ী এর হাদীসসমূহের বর্ণনাকারী ইমাম ওয়ালীদ ইবন মুসলিম ইবন শিহাব আল-আম্বরী বলেন, سَأَلَتِ الْأَوْزَاعِي وَمَالك بن أنس وسُفْيَانِ الثَّوْرِيِّ وَاللَّيْث بن سعد عَن الْأَحَادِيثِ الَّتِي فِيهَا الصِّفَات فكلهم قَالُوا لي أمروها كَمَا جَاءَتْ بِلَا تَفْسِير. "আমি আওযা'ঈ, মালিক ইবন আনাস, সুফইয়ান আস-সাওরী ও লাইস ইবন সা'দকে যেসব হাদীসে সিফাত বা আল্লাহর গুণ এসেছে সেগুলো সম্পর্কে জিজ্ঞেস করি, তখন তারা সবাই আমাকে বলে, এগুলোকে যেভাবে এসেছে সেভাবে যেতে দাও, কোনো প্রকার ব্যাখ্যা ছাড়া.”(৩৬২) উল্লেখ্য এখানে ব্যাখ্যা ছাড়া অর্থই হচ্ছে ধরন সম্পর্কে প্রশ্ন করা ছাড়া। যার প্রমাণ আমরা দেখতে পাই পরবর্তী বর্ণনায়। কারণ অপর বর্ণনায় এসেছে, তিনি বলেছেন, وقال الوليد بن مسلم: سألت الأوزاعي، ومالك بن أنس، وسفيان الثوري، والليث بن سعد، عن هذه الأحاديث التي فيها الصفة؟ فقالوا: أمروها كما جاءت بلا كيف. "ওয়ালিদ ইবনুল মুসলিম বলেন, আমি আওযা'ঈ, মালিক ইবন আনাস, সুফইয়ান আস-সাওরী ও লাইস ইবন সা'দকে যেসব হাদীসে সিফাত বা আল্লাহর গুণ এসেছে সেগুলো সম্পর্কে জিজ্ঞেস করি, তখন তারা সবাই আমাকে বলে, এগুলোকে যেভাবে এসেছে সেভাবে যেতে দাও, কোনো প্রকার ধরন নির্ধারণ ছাড়াই.” (৩৬৩) তাছাড়া অপর বর্ণনায় ইমাম দারাকুতনী বলেছেন, ইমাম ওয়ালীদ বলেছেন, আমাকে আওযা'ঈ, মালিক ইবন আনাস, সুফইয়ান ইবন সা'ঈদ আস-সাওরী, লাইس ইবন সা'দ বলেছেন, أَمْضِهَا بِلَا كَيْفَ». "এগুলোকে ধরন নির্ধারণ ছাড়া মেনে নাও বা যেতে দাও.” (৩৬৪) এ দু'টি বর্ণনা পূর্বের বর্ণনার ব্যাখ্যার বিষয়টি কী তা পরিষ্কার করে দিয়েছে যে, এর অর্থ হচ্ছে 'ধরন' সম্পর্কে প্রশ্ন না করা। সুতরাং আর কোনো জাহমিয়্যাহ আকীদাহ পোষণকারীর জন্য 'তাফসীর' শব্দটিকে অর্থ করার উপর নিয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। বরং যেখানে যেখানে সালাফে সালেহীন 'তাফসীর করবো না' বলেছেন, সেটার অর্থই হবে, ধরন নির্ধারণ করবো না। অর্থ করবো না, এটা তারা বলেননি। কারণ অর্থ না করা আর জাহমিয়্যাদের কথা একই কথা.
টিকাঃ
৩৬২. যাহাবী, আল-'উলু, নং ৩৮০।
৩৬৩. যাহাবী, আল-'আরশ (২/২৫১); নং ১৭২, অনুবাদ আব্দুল্লাহ মাহমুদ।
৩৬৪. দারাকুতনী, আস-সিফাত: নং ৬৭।
📄 ইমাম মালিক ইবন আনাস (১৭৯ হিজরী)
জা'ফার ইবন আবদুল্লাহ বলেন, এক লোক ইমাম মালিক ইবন আনাস এর কাছে এসে বললেন, يَا أَبَا عَبْدِ اللَّهِ الرَّحْمَنُ عَلَى الْعَرْشِ اسْتَوَى) [طه: ٥] كَيْفَ اسْتَوَى قَالَ : فَمَا رَأَيْتُ مَالِكًا وَجَدَ مِنْ شَيْءٍ كَمَوْجِدَتِهِ مِنْ مَقَالَتِهِ وَعَلَاهُ الرُّحَضَاءُ يَعْنِي الْعَرَقَ قَالَ: وَأَطْرَقَ الْقَوْمُ وَجَعَلُوا يَنتَظِرُونَ مَا يَأْتِي مِنْهُ فِيهِ قَالَ: فَسُرِّيَ عَنْ مَالِكٍ فَقَالَ: الْكَيْفُ غَيْرُ مَعْقُولٍ وَالاسْتِوَاءُ مِنْهُ غَيْرُ مَجْهُولٍ وَالْإِيمَانُ بِهِ وَاجِبٌ وَالسُّؤَالُ عَنْهُ بِدْعَةٌ فَإِنِّي أَخَافُ أَنْ تَكُونَ ضَالًا وَأَمَرَ بِهِ فَأُخْرِجَ 'হে আবু আব্দিল্লাহ, (সুম্মা ইস্তাওয়া 'আলাল 'আরশ) তিনি কীভাবে ইস্তাওয়া করলেন? জা'ফার ইবন আবদুল্লাহ বলেন, আমি ইমাম মালিককে কোনো কথায় এত কষ্ট পেতে দেখিনি যে কষ্ট তিনি এ কথার দ্বারা পেয়েছিলেন। এমনকি তিনি ঘর্মাক্ত হয়ে গিয়েছিলেন। উপস্থিত সবাই মাথা নিচু করে রাখলো। জা'ফর ইবন আবদুল্লাহ বলেন, এরপর ইমাম মালিক এর অবস্থা স্বাভাবিক হয়, তখন তিনি বলেন, “ধরন তো বিবেকের যুক্তি ধারণ করতে পারে না, তাঁর ইস্তেওয়া ('আরশের উপর উঠা)র বিষয়টি অজানা নয়। তার ওপর ঈমান আনা ফরয আর সেটা (ধরন) সম্পর্কে প্রশ্ন করা বিদ'আত.” আমার তো আশঙ্কা হচ্ছে তুমি পথভ্রষ্ট কেউ হবে। তারপর তাকে বের করে দেয়ার নির্দেশ হলো, ফলে তাকে বের করে দেয়া হলো.”(৩৬৫)
অপর বর্ণনায় এসেছে, আহমাদ ইবন হাম্বল বলেন, আমাদেরকে বর্ণনা করেছেন সুরাইজ ইবনুন নু'মান, তিনি বলেন, আমাদেরকে বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবন নাফে', তিনি বলেন, আমাদেরকে মালিক বলেছেন, اللهُ فِي السَّمَاءِ، وَعِلْمُهُ فِي كُلِّ مَكَانٍ لَا يَخْلُو مِنْهُ شَيْءٌ». "আল্লাহ তা'আলা সর্বোপরে, আর তাঁর জ্ঞান সব জায়গায়, কোনো স্থান তাঁর জ্ঞানের আওতার বাইরে নয়.”(৩৬৬)
টিকাঃ
৩৬৫. আল-আজুররী, আশ-শরী'আহ নং ৭২০; লালেকাঈ, শারহু উসুলি ই'তিকাদি আহلিস সুন্নাতি ওয়াল জামা'আহ, নং ৬৬৪।
৩৬৬. হারব ইবন ইসমা'ঈل আল-কিরমানী, আস-সুন্নাহ, পৃ. ১৮৯, নং ৩৩৯; অনুরূপ বর্ণনা আবদুল্লাহ ইবন আহমাদ, আস-সুন্নাহ নং ১১, ১৯৯; আজুররী, আশ-শরী'আহ: নং ৭২০; যাহাবী, সিয়ারু আ'লামিন নুবালা (৮/১০১)।
📄 ইমাম হাম্মাদ ইবন যায়েদ আল-বসরী (১৭৯ হিজরী)
হাম্মাদ ইবন যায়েদ, যিনি ইলমুল হাদীসের সর্বজন স্বীকৃত এক মহান ব্যক্তিত্ব; তিনি বলেন, إِنَّمَا يَدُورُونَ على أن يقولوا ليسَ في السَّمَاءِ إله. يعني الجهمية». "তাদের কথা সর্বদা এটা বলার দিকেই ঘুরপাক খাচ্ছে যে, আসমানের উপরে কোনো ইলাহ নেই অর্থাৎ জাহমীদের আকীদাহ-বিশ্বাস." (৩৬৭) ইমাম যাহাবী রাহimahuallah এর ব্যাখ্যা করে বলেন, সালাফ ও আহলুস সুন্নাহ'র ইমামগণের বক্তব্য হচ্ছে, বরং সাহাবীগণ, আল্লাহ, তাঁর রাসূল ও ঈমানদারগণের বক্তব্য হচ্ছে, মহান আল্লাহ সবকিছুর উপরে, আল্লাহ তাঁর 'আরশের উপরে, আল্লাহ তাঁর আসমানসমূহের উপরে, তিনি প্রথম আসমানে নেমে আসেন, এ ব্যাপারে তাদের দলীল হচ্ছে, কুরআন হাদীসের ভাষ্য ও আছারসমূহ। আর জাহমিয়্যাহদের মত হচ্ছে, আল্লাহ তা'আলা সকল স্থানে, আল্লাহ তা'আলা তাদের কথা থেকে কতই না ঊর্ধ্বে, বরং আমরা যেখানেই থাকি না কেন তিনি তাঁর জ্ঞানে আমাদের সাথে রয়েছেন। আর পরবর্তী কালামশাস্ত্রবিদদের (মু'তাযিলা, মাতুরিদী ও আশ'আরী) কথা হচ্ছে, আল্লাহ উপরেও নেই, 'আরশের উপরও নেই, আসমানসমূহের উপরও নেই, যমীনেও নেই, পৃথিবীর অভ্যন্তরেও নেই, পৃথিবীর বাইরেও নেই, সৃষ্টি থেকে পৃথকও নন, সৃষ্টির সাথে মিলিতও নেই। কারণ, তারা বলে এসব হচ্ছে দেহের গুণ আর আল্লাহ দেহ থেকে মুক্ত! আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামা'আতের ইমামগণ বলেন, আমরা এসব নিয়ে বাড়তি আলোচনা করি না, আমরা কেবল তাই বলি যা কুরআন ও সুন্নাহ'য় এসেছে, ... এসব নেগেটিভ শব্দ কেবল অস্তিত্বহীন জিনিসের জন্য প্রয়োগ হতে পারে, মহান আল্লাহ অস্তিত্বহীন হওয়া থেকে পবিত্র; বরং তিনি অবশ্যই অস্তিত্ববান সত্তা, সৃষ্টি থেকে পৃথক, যেসব গুণে তিনি নিজেকে গুণান্বিত করেছেন সেগুলো দ্বারা তিনি গুণান্বিত, তিনি 'আরশের উপর রয়েছেন কোনোরূপ ধরন নির্ধারণ ব্যতীতই। (৩৬৮)
টিকাঃ
৩৬৭. বুখারী, খালকু আফ'আলিল ইবাদ, পৃ. ৩০; যাহাবী, আল-'উলু, পৃ. ৯৭০।
৩৬৮. যাহাবী, আল-'উলু, পৃ. ৯৭০।
📄 শাইখুল ইসলাম আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারক (১৮১ হিজরী)
ইমাম বুখারীর শিক্ষক আলী ইবন হাসান ইবন শাকীক থেকে প্রমাণিত, তিনি বলেন, قلت لعبد الله بن المبارك: كيف نعرف ربَّنا عزَّ وجلَّ ؟ قَالَ: «بِأَنَّهُ فَوْقَ السَّمَاءِ السَّابِعَةِ عَلَى العَرْشِ، بَائِنُ مِنْ خَلْقِهِ». "আমি 'আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারককে বললাম: আমাদের মহান রবকে আমরা কীভাবে চিনবো? তিনি বললেন: সপ্তম আসমানের ঊর্ধ্বে তাঁর 'আরশের উপরে, তাঁর সৃষ্টিকুল থেকে পৃথক.”(৩৬৯) অন্য বর্ণনায় এসেছে তিনি বলেছেন, على السماء السابعة على عرشه، ولا نقول كما تقول الجهمية إنه ها هنا في الأرض. "সপ্তম আসমানের ঊর্ধ্বে তাঁর 'আরশের উপরে। আমরা জাহমিয়্যাদের মতো বলবো না, তিনি এ যমীনে." (৩৭০)
এ ব্যাপারে আহমাদ ইবন হাম্বলকে বলা হলে তিনি বললেন, এটাই আমাদের মত। (৩৭১)
অপর বর্ণনায় আলী ইবনুল হুসাইন ইবন শাকীক বলেন, سألت ابن المبارك: كيف ينبغي لنا أن نعرف ربنا؟. قال: على السماء السابعة على عرشه، ولا نقول كما تقول الجهمية إنه ها هنا في الأرض. "আমি ইবনুল মুবারককে জিজ্ঞাসা করলাম, আমাদের রবের পরিচয় আমাদের কীভাবে তুলে ধরা উচিৎ? তিনি বললেন: সপ্তম আসমানের ঊর্ধ্বে তাঁর 'আরশের উপরে। আমরা জাহমিয়্যাদের মতো বলবো না, তিনি এ যমীনে.” (৩৭২) অপর বর্ণনায় এসেছে, এক লোক ইবনুল মুবারক রাহিমahullahকে জিজ্ঞেস করেন, يا أبا عبد الرحمن قد خفت الله من كثرة ما أدعو على الجهمية قال: لا تخف، فإنهم يزعمون أن إلهك الذي في السماء ليس بشيء». "হে আবু আবদুর রহমান, আমি এত পরিমাণ আল্লাহর কাছে জাহমিয়্যাদের বিরুদ্ধে বদ-দো'আ করে যাচ্ছি যে, আমি আল্লাহর (তাদের উপর 'আযাবের) ভয় করছি, তখন ইবনুল মুবারক বললেন, ভয় পেয়ো না; কারণ তারা মনে করছে তুমি যে আল্লাহকে আসমানের উপর আছে বলছ সেটা কিছুই না.” (৩৭৩) অনুরূপভাবে অপর বর্ণনায় এসেছে, ইমাম ইবনুল মুবারক বলেন, كُلُّ قَوْمٍ يَعْرِفُونَ مَا يَعْبُدُونَ إِلَّا الْجُهْمِيَّةَ». "প্রত্যেক জাতি গোষ্ঠীই যার ইবাদাত করে তাকে চিনে, কিন্তু জাহমিয়্যারা তার ব্যতিক্রম (তারা তাদের রবকে চিনে না; কারণ রব কোথায় আছেন সেটাই জানে না).” (৩৭৪)
টিকাঃ
৩৬৯. আদ-দারেমী, আর-রাদ্দু আলাল জাহমিয়্যাহ পৃ. ৬৭; সহীহ সনদে; যাহাবী, আল-আরশ, ২/২৩৯; অনুবাদ, আব্দুল্লাহ মাহমূদ।
৩৭০. সহীহ বুখারী, খলকু আফ'আলিল ইবাদ, পৃ. ৩০; 'আবদুল্লাহ ইবন আহমাদ, আস-সুন্নাহ, (১/১১১) হা/২২, (১/১৭৪-১৭৫), হা/২১৬;, ইবন বাত্তাহ, আল-ইবানah (৩/১৫৫-১৫৬), হা/১১২; ইবন মানদাহ, আত-তাওহীদ (৩/৩০৮), নং ৮৯৯; ইবন 'আব্দিল বার, আত-তামহীদ (৭/১৪২); ইত্যাদি। ইবনুল কাইয়্যেম বলেন, এ বক্তব্য সহীহ ও মুতাওয়াতিরের কাছাকাছি। ইজতিমা'উল জুযূশ, ১৩৪-১৩৫, ২১৩-২১৪; ইবন তাইমিয়্যাহ সহীহ বলেছেন, আল-ফাতওয়া আল-হামাওয়িয়্যাহ, পৃ. ৯১।
৩৭১. ইবন আবী ইয়া'লা, আত-তাবাকাত (১/২৬৭); ইবন কুদামাহ, আল-'উলু, পৃ. ১১৭; ইবন তাইমিয়্যাহ, মাজমু'উল ফাতাওয়া (৫/২৫); যাহাবী, আল-আরশ, ২/২৩৯, অনুবাদ, আব্দুল্লাহ মাহমুদ।
৩৭২. আবদুল্লাহ ইবন আহমাদ, আস-সুন্নah (১/১১১), হা/২২; যাহাবী, আল-'উলু, পৃ. ১১০; আস-সিয়ার (৮/৪০২- ৪০৩)।
৩৭৩. আবদুল্লাহ ইবন আহমাদ, কিতাবুস সুন্নাহ (১/১১০), নং ১৮; ইবন বাত্তাহ, আল-ইবানah (২/৯৫), নং ৩২৮; ইবন তাইমিয়্যাহ, মাজমূ'উল ফাতাওয়া (৫/১৮৪); যাহাবী, আল-'উলু, পৃ. ১১; আল-আরش (২/২৪২); অনুবাদ, আব্দুল্লাহ মাহমূদ; আল-আরবা'ঈن পৃ. ৬০; সিয়ারু আ'লামিন নুবালা (৮/৪০৩); ইবনুল কাইয়্যেম, ইজতিমা'উল জুয়ুশ, পৃ. ১৩৫।
৩৭৪. ইমাম বুখারী, খালকু আফ'আলিল ইবাদ, পৃ. ৩৮। তবে আল-খাল্লাল, আস-সুন্নাহ গ্রন্থে একই বর্ণনা ওকী' ও ইয়াযীদ ইবন হারূন থেকে বর্ণনা করেন (৫/১১০)।