📘 রহমান আরশের উপর উঠেছেন > 📄 সালাম ইবন আবূ মুতী‘ আল-খুযা‘ঈ (১৬৪ হিজরী)

📄 সালাম ইবন আবূ মুতী‘ আল-খুযা‘ঈ (১৬৪ হিজরী)


সাল্লাম ইবন আবু মুতী' বলেন, ويلهم ما ينكرون من هذا الأمر ؟ والله ما في الحديث شيء إلا وفي القرآن أثبت منه يقول الله تعالى ﴿إِنَّ اللهَ سَمِيعٌ بصير) وَيُحَذِّرُكُم الله نَفْسَهُ وَالأَرْضُ جَمِيعًا قَبْضَتُهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَالسَّمَاوَاتُ مَطْوِيَّاتٌ بِيَمِينِهِ﴾ ﴿مَا مَنَعَكَ أَن تَسْجُدَ لِمَا خَلَقْتُ بِيَدَيَّ﴾ ﴿وَكَلَّمَ اللَّهُ مُوسَى تَكْلِيمًا ثُمَّ اسْتَوَى عَلَى الْعَرْشِ ) فما زال في ذا من العصر إلي المغرب. "তারা ধ্বংস হোক! তারা এটি কীভাবে অস্বীকার করে। আল্লাহর কসম! হাদীসে যা কিছু আছে কুরআনে তার চেয়ে বেশি প্রমাণিত আছে। আল্লাহ বলেন, 'নিশ্চয় আল্লাহ সর্বশ্রোতা ও সর্বদ্রষ্টা' 'আর আল্লাহ তোমাদেরকে তাঁর নিজের ব্যাপারে সতর্ক করছেন' 'অথচ কিয়ামতের দিন গোটা পৃথিবীই থাকবে তাঁর মুষ্টিতে এবং আকাশসমূহ তাঁর ডান হাতে ভাঁজ করা থাকবে.' 'আমার দু'হাতে আমি যাকে সৃষ্টি করেছি তার প্রতি সাজদাবনত হতে কিসে তোমাকে বাধা দিল?' 'আর আল্লাহ মূসার সাথে সুস্পষ্টভাবে কথা বলেছেন.' 'পরম করুণাময় 'আরশের উপর উঠেছেন.' তিনি এ ধরনের কথা আসর থেকে মাগরিব পর্যন্ত অনবরত বলেই যাচ্ছিলেন. (৩৫৬)

টিকাঃ
৩৫৬. ইবন মানদাহ, আত-তাওহীদ, ৩/৩০৮, নং ৮৯৮; যাহাবী, আল-'উলু, পৃ. ১০৫; আলবানী এর সনদকে সহীহ বলেছেন, মুখতাসারুল 'উলু, পৃ. ১৪৪; যাহাবী, আল-আরश ২/২৬০; অনুবাদ আব্দুল্লাহ মাহমুদ।

📘 রহমান আরশের উপর উঠেছেন > 📄 আবদুল আযীয ইবন আবদুল্লাহ ইবন আবী সালামাহ ইবনুল মাশশূন (১৬৪ হিজরী)

📄 আবদুল আযীয ইবন আবদুল্লাহ ইবন আবী সালামাহ ইবনুল মাশশূন (১৬৪ হিজরী)


আবু আবদুল্লাহ আবদুল আযীয ইবন আবদুল্লাহ ইবন আবী সালামah আল-মাজেশূন সিফাত সাব্যস্ত করতে গিয়ে বলেন, أَمَّا بَعْدُ: فَقَدْ فَهِمْتُ مَا سَأَلْتَ فِيمَا تَتَابَعَتِ الْجَهْمِيَّةُ وَمَنْ حَالَفَهَا فِي صِفَةِ الرَّبِّ الْعَظِيمِ الَّذِي فَاتَتْ عَظَمَتُهُ الْوَصْفَ، وَالتَّقْدِيرَ، وَكَلَّتِ الْأَلْسُنُ عَنْ تَفْسِيرِ صِفَتِهِ، وَانْحَسَرَتِ الْعُقُولُ دُونَ مَعْرِفَةِ قَدْرِهِ، وَدَعَتْ عَظَمَتُهُ الْعُقُولَ، فَلَمْ تَجِدْ مَسَاغًا فَرَجَعَتْ خَاسِنَةٌ وَهِيَ حَسِيرٌ، وَإِنَّمَا أُمِرْنَا بِالنَّظَرِ وَالتَّفَكَّرِ فِيمَا خَلَقَ بِالتَّقْدِيرِ، وَإِنَّمَا يُقَالُ: كَيْفَ كَانَ؟، لِمَنْ لَمْ يَكُنْ مَرَّةً ثُمَّ كَانَ، فَأَمَّا الَّذِي لَا يَزُولُ، وَلَمْ يَزَلْ، وَلَيْسَ لَهُ مِثْلٌ، فَإِنَّهُ لَا يَعْلَمُ كَيْفَ هُوَ إِلَّا هُوَ، وَكَيْفَ يَكُونُ لِصِفَةِ شَيْءٍ مِنْهُ حَدٌّ، أَوْ مُنْتَهَى، يَعْرِفُهُ عَارِفٌ، أَوْ يَحُدُّ قَدْرَهُ وَاصِفٌ؟ ، لَيْسَ كَمِثْلِهِ شَيْءٌ وَهُوَ السَّمِيعُ الْبَصِيرُ) [الشورى: ١١]، فَأَمَّا الَّذِي جَحَدَ مَا وَصَفَ الرَّبُّ مِنْ نَفْسِهِ تَعَمُّقًا وَتَكَلُّفًا قَدِ اسْتَهْوَتْهُ الشَّيَاطِينُ فِي الْأَرْضِ حَيْرَانَ) [الأنعام: ۷۱]، فَصَارَ أَحَدَهَا، وَقَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لَا تَمْتَلِئُ النَّارُ حَتَّى يَضَعَ الرَّحْمَنُ قَدَمَهُ فِيهَا فَتَقُولُ: قَطٍ قَطٍ، فَيَنْزَوِي بَعْضُهَا إِلَى بَعْضٍ ، وَقَالَ لِثَابِتِ بْنِ قَيْسٍ: لَقَدْ ضَحِكَ اللَّهُ بِمَا فَعَلْتَ بِضَيْفِكَ الْبَارِحَةَ وَقَالَ فِيهَا بَلَغَنَا: «إِنَّ اللَّهَ لَيَضْحَكُ مِنْ أَزْلِكُمْ، وَقُنُوطِكُمْ، وَسُرْعَةِ إِجَابَتِكُمْ، وَقَالَ لَهُ رَجُلٌ مِنَ الْعَرَبِ: إِنَّ رَبَّنَا لَيَضْحَكُ ؟ قَالَ نَعَمْ» قَالَ: لَا يَعْدِمُنَا مِنْ رَبِّ يَضْحَكُ خَيْرًا فِي أَشْبَاءٍ لِهَذَا مِمَّا لَمْ تُحْصِهِ ... وَمَا ذُكِرَ عَنْ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ سَمَّاهُ مِنْ صِفَةِ رَبِّهِ، فَهُوَ بِمَنْزِلَةِ مَا سَمَّى وَوَصَفَ الرَّبُّ تَعَالَى مِنْ نَفْسِهِ ... وَالرَّاسِخُونَ فِي الْعِلْمِ الْوَاقِفُونَ حَيْثُ انْتَهَى عِلْمُهُمُ الْوَاصِفُونَ لِرَبِّهِمْ بِمَا وَصَفَ مِنْ نَفْسِهِ، التَّارِكُونَ لِمَا تَرَكَ مِنْ ذِكْرِهَا، لَا يُنْكِرُونَ صِفَةَ مَا سَمَّى مِنْهُ جَحْدًا، وَلَا يَتَكَلَّفُونَ وَصْفَهُ بِمَا لَمْ يُسَمٌ تَعَمُّقًا؛ لِأَنَّ الْحَقِّ تَرِكَ مَا تَرَكَ، وَتَسْمِيَةُ مَا سَمَّى وَيَتَّبِعْ غَيْرَ سَبِيلِ الْمُؤْمِنِينَ نُوَلِّهِ مَا تَوَلَّى وَنُصْلِهِ جَهَنَّمَ وَسَاءَتْ مَصِيرًا ﴾ [النساء : ١١٥]، وَهَبَ اللَّهُ لَنَا وَلَكُمْ حُكْمًا وَأَلْحِقَنَا بِالصَّالِحِينَ. "তারপর, তুমি যা প্রশ্ন করেছ তা বুঝতে পেরেছি, যাতে জাহমিয়্যারা ও তাদের সহযোগীরা অনুসরণ করে চলেছে, মহান রবের সিফাত বা গুণের ব্যাপারে, যাঁর মহত্ব বর্ণনা গুণ ও নির্ধারণের বাইরে, যাঁর গুণের ব্যাখ্যা করতে যাবতীয় যবান অচল হয়ে পড়েছে, তাঁর মর্যাদার পরিচিতি পেতে বিবেকের যুক্তিসমূহ খাটো হয়ে গেছে, তাঁর মহত্ব বুঝার জন্য বিবেকসমূহ ডাক দিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু বুঝার কোনো পথ আবিষ্কার করতে পারেনি, ফলে তা অপমানিত হয়ে ফিরে এসেছে, তা শুধু আফসোসই করছে। আমাদেরকে তো শুধু যা আল্লাহ তাকদীর দিয়ে সৃষ্টি করেছেন তাতে চিন্তা-গবেষণা চালাতে বলেছেন। সে জিনেসেই তো বলা যায়, সেটা কীভাবে হলো, যে জিনিস আগে ছিল না পরে হয়েছে, কিন্তু যিনি সর্বদা আছেন এবং সর্বদা থাকবেন, যাঁর কোনো সদৃশ নেই, তার ব্যাপারে তিনি কেমন এটা কেবল তিনিই জানবেন। কীভাবে তাঁর কোনো গুণের সীমা পরিসীমা নির্ধারণ করা হবে, যা কোনো জ্ঞানী ব্যক্তি জানবে, বা কোনো গুণ বর্ণনাকারী সেটার পরিমাণ বর্ণনা করবে? যেখানে তিনি বলেছেন, 'তাঁর মতো কোনো কিছু নেই, তিনি সর্বশ্রোতা সর্বদ্রষ্টা'. [সূরা আশ-শূরা, আয়াত: ১১], ফা ইম্মা আল্লাযী জহাদা মা ওয়াসাফা আর রাব্বু মিন নাফসিহী তা'আম্মুকান ওয়া তাকাল্লুফান, ক্বাদিস তাহওয়াতহুশ শায়াত্বীনু ফিল আরদি হাইরানা." [সূরা আল-আন'আম, আয়াত: ৭১], ফা সা'রা আহাদুহা, "ফিরে এসেছে আফসোস আর তা হচ্ছে দিশেহারা, [সূরা আল-আন'আম, আয়াত: ৭১] ফলে তিনি তাদের একজনে পরিণত হয়েছেন। আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "জাহান্নাম ততক্ষণ পূর্ণ হবে না, যতক্ষণ রহমান তাতে তাঁর পা না রাখবেন, তখন জাহান্নাম বলবে, ক্বাত, ক্বাত, পূর্ণ হয়েছি। তারপর তার একাংশ অপর অংশের সাথে মিশে যাবে.” অনুরূপ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাবেত ইবন কায়েস রাদ্বিয়াল্লাহু 'আনহুকে বলেছেন, "অবশ্যই আল্লাহ হেঁসেছেন, মেহমানের সাথে তোমার গতকালের কর্মকাণ্ড দেখে." অনুরূপ আরও বর্ণিত হয়েছে, যা আমাদের কাছে পৌঁছেছে, "নিশ্চয় আল্লাহ তা'আলা হাসেন তোমাদের অস্থিরতা ও নৈরাশ্য দেখে আর তোমাদের দ্রুত সাড়ায়”. অনুরূপ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এক আরব বেদুইন বলেছিলো, আমাদের রব কি হাসেন? রাসূল জবাব দিলেন, অবশ্যই হ্যাঁ, তখন বেদুইন বললো, যে রব হাসেন তার থেকে কল্যাণ কখনও নাই হয়ে যাবে না। অনুরূপ আরও উদাহরণ রয়েছে যা আমরা সব নিয়ে আসিনি। অনুরূপভাবে যেগুলো রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার রবের গুণ হিসেবে নামকরণ করেছেন সেগুলো আল্লাহ যা নিজের নাম ও গুণ হিসেবে বর্ণনা করেছেন তার মতোই। আর যারা ইলমে মজবুত তারা তাদের জ্ঞান যতটুকু অতটুকুতেই থেমে যায়, তাদের রবের জন্য তা সাব্যস্ত করে যা তিনি তাঁর নিজের জন্য সাব্যস্ত করেছেন, তা সাব্যস্ত করা ছেড়ে দেন যা রাসূল বর্ণনা করা ছেড়ে দিয়েছেন। তারা অস্বীকার করে কোনো গুণকে বাদ দেয় না, বাড়াবাড়ি করে যেসব গুণ তিনি সাব্যস্ত করেননি তা সাব্যস্ত করার জন্য কৃত্রিমতার আশ্রয় গ্রহণ করেন না। কারণ, হক হচ্ছে যা তিনি বর্ণনা করেননি তা বর্ণনা না করা, আর যা তিনি সাব্যস্ত করেছেন তা সাব্যস্ত করা. "যে কেউ ঈমানদারদের পথ ও মতের বাইরে চলবে, আমরা তাকে যে দিকে ফিরাতে চাই সেদিকে ফিরাবো, তাকে জাহান্নামে দগ্ধ করাব, আর তা নিকৃষ্ট প্রত্যাবর্তনস্থল.” [সূরা আন-নিসা, আয়াত: ১১৫], ওয়াহাবাল্লাহু লানা ওয়া লাকুম হুকমান ওয়া আলহাক্বানা বিস সালিহীন. আল্লাহ আমাদেরকে ও তোমাদেরকে প্রজ্ঞা শিক্ষা দিন আর আমাদেরকে নেককারদের সাথে সংযুক্ত করুন.” (৩৫৭) এ মৌলিক নীতি থেকে আমরা বুঝতে পারলাম যে, ইমাম ইবনুল মাজেশূন সালাফদের নীতি অনুযায়ী সকল সিফাত সাব্যস্ত করতেন, তিনি আল্লাহ তা'আলার জন্য পা, হাঁসা, চোখ সবই সাব্যস্ত করার কথা বলেছেন, সাথে সাথে ধরন সম্পর্কে কোনো প্রকার প্রশ্ন করতে নিষেধ করে সেটার কারণও বলে দিয়েছেন.

টিকাঃ
৩৫৭. ইবন বাত্তাহ, আল-ইবানাতুল কুবরা (৭/৬৩)।

📘 রহমান আরশের উপর উঠেছেন > 📄 হাম্মাদ ইবন সালামাহ ইবন দীনার (১৬৭ হিজরী)

📄 হাম্মাদ ইবন সালামাহ ইবন দীনার (১৬৭ হিজরী)


ইমাম হাম্মাদ ইবন সালামাহ ইবন দীনার ও একাধিক ইমামের ব্যাপারে ইমাম আবু নাসর আস-সাজযী তার ইবানাতে বর্ণনা করেন, وأئمتنا كسفيان ومالك والحمادين حماد بن سلمة وحماد بن زيد وابن عيينة والفضيل وابن المبارك، وأحمد بن حنبل وإسحاق، متفقون على أن الله سبحانه فوق العرش بذاته، وعلمه بكل مكان، وأنه ينزل إلى السماء الدنيا، وأنه يغضب ويرضى، ويتكلم بما يشاء». "আর আমাদের ইমামগণ, যেমন, সুফইয়ান, মালিক, দুই হাম্মাদ, (হাম্মাদ ইবন সালামাহ ও হাম্মাদ ইবন যায়েদ) ইবন 'উয়াইনাহ, ফুযাইল, ইবনুল মুবারক, আহমاد ইবন হাম্বল, ইসহাক্ক, তারা সবাই একমত যে, আল্লাহ তা'আলা সত্তাগতভাবে তাঁর 'আরশের উপর, তাঁর জ্ঞান সকল জায়গায়। আর তিনি নিকটতম আসমানে নেমে আসেন, তিনি ক্রোধান্বিত হন, খুশী হন, যা ইচ্ছা তা কথা বলেন.” (৩৫৮) তাছাড়া আবদুল আযীয ইবনুল মুগীরাহ বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আমাদেরকে হাম্মاد ইবন সালামah "আল্লাহ তা'আলা নিকটবর্তী আসমানে নেমে আসেন" এ হাদীসটি বর্ণনা করার পর বলেন, من رأيتموه ينكر هذا فاتهموه. 'যখন তোমরা দেখতে পাবে যে কেউ এটাকে অস্বীকার করছে তখনই তোমরা তার ব্যাপারে সন্দেহ করবে.' আবু মুহাম্মাদ আল-আসসাল তা বর্ণনা করেন. (৩৫৯)

টিকাঃ
৩৫৮. যাহাবী, সিয়ারু আ'লামিন নুবালা (১৭/৬৫৬); ইবন তাইমিয়্যাহ, মাজমূ'উল ফাতাওয়া (৫/১৯০)।
৩৫৯. ইবন আবদুল হাদী, আল-কালামু আলা মাসআলাতিল ইস্তিওয়া 'আলাল 'আরশি পৃ. ৫৩; যাহাবী, আল-আরश, ২/২৪৬; অনুবাদ, আব্দুল্লাহ মাহমুদ।

📘 রহমান আরশের উপর উঠেছেন > 📄 খলীল ইবন আহমাদ আল-ফারাহীদী (১৭০ হিজরী)

📄 খলীল ইবন আহমাদ আল-ফারাহীদী (১৭০ হিজরী)


* খলীল ইবন আহমاد আল-ফারাহীদী বলেন, ﴿ثُمَّ اسْتَوَى إِلَى السَّمَاءِ﴾ এর ব্যাখ্যায় বলেন, ارتفع إلى السماء "আসমানের উপর উঠলেন.” আর এটি আবু 'উমার ইবন আবদুল বার শারহুল মুআত্তাতে বর্ণনা করেন. (৩৬০)
* নম্বর ইবন শুমাইল, যিনি নির্ভরযোগ্য, আরবী ভাষা ও দীনদারীতে প্রসিদ্ধ ব্যক্তি, তিনি বলেন, "আমাকে খলীল বর্ণনা করেছেন, আর খলীল সবার কাছেই প্রসিদ্ধ, তিনি বলেন, আমি আবু রাবী'আহ ইবনুল আ'রাবীর কাছে আসলাম, তাকে আমি যাদের দেখেছি তাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি জ্ঞানী মনে করি, আমি তার কাছে যখন পৌঁছলাম তখন তিনি ঘরের ছাদে ছিলেন। আমরা তাকে সালাম দিলাম, তিনি সালামের জাওয়াব দিলেন এবং আমাদের বললেন, "استووا” এটা শুনে আমরা তো হতভম্ব হয়ে গেলাম, আমরা বুঝতে পারলাম না তিনি কী বললেন, তখন আমাদেরকে তার পার্শ্বে থাকা এক বেদুঈন বললেন, তিনি তোমাদেরকে উপরে উঠতে নির্দেশ দিচ্ছেন. (৩৬১) খলীল বলেন, সেটাই আল্লাহর বাণীর অর্থ যেখানে আল্লাহ বলেন, ثُمَّ اسْتَوَى إِلَى السَّمَاءِ وَهِيَ دُخَانٌ ) [فصلت: ١١] "তারপর তিনি আকাশের উপর উঠলেন তখন তা ছিল ধোঁয়া.” [সূরা ফুসসিলাত, আয়াত: ১১] তারপর আমরা তার কাছে উপরে উঠি.

টিকাঃ
৩৬০. আত-তামহীদ (৭/১৩২)।
৩৬১. আল-মারযেবানী, নূরুল ক্বاب س পৃ. ১০২-১০৩; ইবন আবদুল বার, আত-তামহীদ (৭/১৩১-১৩২)।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00