📘 রহমান আরশের উপর উঠেছেন > 📄 ইমাম আবদুর রহমান আল-আওয়াযঈ (১৫৭ হিজরী)

📄 ইমাম আবদুর রহমান আল-আওয়াযঈ (১৫৭ হিজরী)


ইমাম আবদুর রহমান আল-আওযা'ঈ হচ্ছেন, তাবে তাবে'য়ীগণের বিখ্যাত চারজন আলেমের একজন। যাদেরকে বলা হতো, মালিক; হিজাযবাসীদের ইমাম, আওযা'ঈ; শামবাসীদের ইমাম, লাইস; মিসরবাসীদের ইমাম, সাওরী; ইরাকবাসীদের ইমাম। তাঁর সময়ে যখন আল্লাহর 'আরশের উপর উঠার গুণটি অস্বীকার করার প্রবণতা দেখা দিয়েছিল তখন তিনি আল্লাহর গুণের ব্যাপারে সুস্পষ্ট বক্তব্য দিয়েছিলেন। যেমন,
মুহাম্মাদ ইবন শু'আইব ইবন সাবুর থেকে বর্ণিত, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, "এক লোক ইমাম আওযা'ঈকে (আর-রহমান 'আলাল 'আরশিস্তাওয়া) সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, هو على العرش كما وصف نفسه، وإني لأراك رجلا ضالا. 'তিনি তাঁর 'আরশের উপর' যেভাবে তিনি বলেছেন, আর আমি তো তোমাকে পথভ্রষ্ট ব্যক্তিই দেখতে পাচ্ছি.”(৩৫৩)
তার থেকে আরও বর্ণিত আছে তিনি বলেছেন, كنا والتابعون متوافرون، نقول: إن الله فوق عرشه، ونؤمن بما وردت به السنة من صفاته. "আমরা ও তাবে'য়ীগণ পর্যাপ্ত পরিমাণ ছিলাম। আমরা বলতাম- "আল্লাহ তাঁর 'আরশের উপর এবং সুন্নাহ'য় আল্লাহর যেসব গুণ বর্ণিত হয়েছে, তার প্রতি আমরা ঈমান রাখি.” এ বক্তব্য বাইহাকী 'আল-আসমা ওয়াস-সিফাত' গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন। এর রাবীগণ- ইমাম ও নির্ভরযোগ্য. (৩৫৪)

টিকাঃ
৩৫৩. তাফসীর আস-সা'লাবী (৪/২৩৯)।
৩৫৪. বাইহাকী, আল-আসমা ওয়াস সিফাত (২/৩০৪), নং ৮৬৫; ইবন বাত্তাহ, আল-ইবানah, পৃ. ২২৯; ইবন তাইমিয়্যাহ, মাজমু'উল ফাতওয়া (৫/৩৯), তিনি এর সনদ সহীহ বলেছেন; যাহাবী, সিয়ার (৭/১২০-১২১), (৮/৪০২); আল-'উলু, পৃ. ১০২; ইবনুল কাইয়্যেম, ইজতিমা'উল জুয়ুশ, ১৩১, ১৩৫; তিনি বলেন, এর সনদ সহীহ; ইবন হাজার, ফাতহুল বারী (১৩/৪০৬)।

📘 রহমান আরশের উপর উঠেছেন > 📄 ইমাম সুফইয়ান ইবন সা‘ঈদ আস-সাওরী (১৬১ হিজরী)

📄 ইমাম সুফইয়ান ইবন সা‘ঈদ আস-সাওরী (১৬১ হিজরী)


সুফইয়ান ইবন সা'ঈদ আস-সাওরী, যিনি তৎকালীন সময়কার জগদ্বিখ্যাত চার ইমামের একজন। তিনি জাহমিয়্যাহ আকীদাহ'র বিরোধিতা করেন। যারা আল্লাহ তা'আলাকে সর্বত্র বলতো, তিনি তাদের বক্তব্যের প্রতিবাদ করে আল্লাহ তা'আলাকে 'আরশের উপর সাব্যস্ত করেছেন আর জাহমিয়্যাদের সন্দেহের উত্তর দিয়েছেন। قَالَ معدان: سألت سفيان الثوري عن قولهِ عزَّ وجلَّ: ﴿وَهُوَ مَعَكُمْ أَيْنَ مَا كُنْتُمْ ﴾ [الحديد: ٤] قَالَ : عِلْمُهُ. "মা'দান বলেন, আমি সুফইয়ান আস-সাওরীকে 'আর তিনি তোমাদের সাথেই আছেন যেখানেই তোমরা থাক না কেন' মহান আল্লাহর এ বাণী সম্পর্কে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, "তাঁর জ্ঞান”. (৩৫৫)

টিকাঃ
৩৫৫. আজুররী, আশ-শরী'আহ পৃ. ২৮৯; লালেকাঈ, শারহু উসুলি ই'তিক্কাদি আহলিস সুন্নাতি ওয়াল জামা'আহ (৩/৪০১); বাইহাক্বী, আল-আসমা ওয়াস সিফাত পৃ. ৫৪১; যাহাবী, আস-সিয়ার (৭/২৭৪), সহীহ সনদে, অনুরূপ আল-আরশ ২/২৩৪। অনুবাদ, আব্দুল্লাহ মাহমুদ।

📘 রহমান আরশের উপর উঠেছেন > 📄 সালাম ইবন আবূ মুতী‘ আল-খুযা‘ঈ (১৬৪ হিজরী)

📄 সালাম ইবন আবূ মুতী‘ আল-খুযা‘ঈ (১৬৪ হিজরী)


সাল্লাম ইবন আবু মুতী' বলেন, ويلهم ما ينكرون من هذا الأمر ؟ والله ما في الحديث شيء إلا وفي القرآن أثبت منه يقول الله تعالى ﴿إِنَّ اللهَ سَمِيعٌ بصير) وَيُحَذِّرُكُم الله نَفْسَهُ وَالأَرْضُ جَمِيعًا قَبْضَتُهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَالسَّمَاوَاتُ مَطْوِيَّاتٌ بِيَمِينِهِ﴾ ﴿مَا مَنَعَكَ أَن تَسْجُدَ لِمَا خَلَقْتُ بِيَدَيَّ﴾ ﴿وَكَلَّمَ اللَّهُ مُوسَى تَكْلِيمًا ثُمَّ اسْتَوَى عَلَى الْعَرْشِ ) فما زال في ذا من العصر إلي المغرب. "তারা ধ্বংস হোক! তারা এটি কীভাবে অস্বীকার করে। আল্লাহর কসম! হাদীসে যা কিছু আছে কুরআনে তার চেয়ে বেশি প্রমাণিত আছে। আল্লাহ বলেন, 'নিশ্চয় আল্লাহ সর্বশ্রোতা ও সর্বদ্রষ্টা' 'আর আল্লাহ তোমাদেরকে তাঁর নিজের ব্যাপারে সতর্ক করছেন' 'অথচ কিয়ামতের দিন গোটা পৃথিবীই থাকবে তাঁর মুষ্টিতে এবং আকাশসমূহ তাঁর ডান হাতে ভাঁজ করা থাকবে.' 'আমার দু'হাতে আমি যাকে সৃষ্টি করেছি তার প্রতি সাজদাবনত হতে কিসে তোমাকে বাধা দিল?' 'আর আল্লাহ মূসার সাথে সুস্পষ্টভাবে কথা বলেছেন.' 'পরম করুণাময় 'আরশের উপর উঠেছেন.' তিনি এ ধরনের কথা আসর থেকে মাগরিব পর্যন্ত অনবরত বলেই যাচ্ছিলেন. (৩৫৬)

টিকাঃ
৩৫৬. ইবন মানদাহ, আত-তাওহীদ, ৩/৩০৮, নং ৮৯৮; যাহাবী, আল-'উলু, পৃ. ১০৫; আলবানী এর সনদকে সহীহ বলেছেন, মুখতাসারুল 'উলু, পৃ. ১৪৪; যাহাবী, আল-আরश ২/২৬০; অনুবাদ আব্দুল্লাহ মাহমুদ।

📘 রহমান আরশের উপর উঠেছেন > 📄 আবদুল আযীয ইবন আবদুল্লাহ ইবন আবী সালামাহ ইবনুল মাশশূন (১৬৪ হিজরী)

📄 আবদুল আযীয ইবন আবদুল্লাহ ইবন আবী সালামাহ ইবনুল মাশশূন (১৬৪ হিজরী)


আবু আবদুল্লাহ আবদুল আযীয ইবন আবদুল্লাহ ইবন আবী সালামah আল-মাজেশূন সিফাত সাব্যস্ত করতে গিয়ে বলেন, أَمَّا بَعْدُ: فَقَدْ فَهِمْتُ مَا سَأَلْتَ فِيمَا تَتَابَعَتِ الْجَهْمِيَّةُ وَمَنْ حَالَفَهَا فِي صِفَةِ الرَّبِّ الْعَظِيمِ الَّذِي فَاتَتْ عَظَمَتُهُ الْوَصْفَ، وَالتَّقْدِيرَ، وَكَلَّتِ الْأَلْسُنُ عَنْ تَفْسِيرِ صِفَتِهِ، وَانْحَسَرَتِ الْعُقُولُ دُونَ مَعْرِفَةِ قَدْرِهِ، وَدَعَتْ عَظَمَتُهُ الْعُقُولَ، فَلَمْ تَجِدْ مَسَاغًا فَرَجَعَتْ خَاسِنَةٌ وَهِيَ حَسِيرٌ، وَإِنَّمَا أُمِرْنَا بِالنَّظَرِ وَالتَّفَكَّرِ فِيمَا خَلَقَ بِالتَّقْدِيرِ، وَإِنَّمَا يُقَالُ: كَيْفَ كَانَ؟، لِمَنْ لَمْ يَكُنْ مَرَّةً ثُمَّ كَانَ، فَأَمَّا الَّذِي لَا يَزُولُ، وَلَمْ يَزَلْ، وَلَيْسَ لَهُ مِثْلٌ، فَإِنَّهُ لَا يَعْلَمُ كَيْفَ هُوَ إِلَّا هُوَ، وَكَيْفَ يَكُونُ لِصِفَةِ شَيْءٍ مِنْهُ حَدٌّ، أَوْ مُنْتَهَى، يَعْرِفُهُ عَارِفٌ، أَوْ يَحُدُّ قَدْرَهُ وَاصِفٌ؟ ، لَيْسَ كَمِثْلِهِ شَيْءٌ وَهُوَ السَّمِيعُ الْبَصِيرُ) [الشورى: ١١]، فَأَمَّا الَّذِي جَحَدَ مَا وَصَفَ الرَّبُّ مِنْ نَفْسِهِ تَعَمُّقًا وَتَكَلُّفًا قَدِ اسْتَهْوَتْهُ الشَّيَاطِينُ فِي الْأَرْضِ حَيْرَانَ) [الأنعام: ۷۱]، فَصَارَ أَحَدَهَا، وَقَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لَا تَمْتَلِئُ النَّارُ حَتَّى يَضَعَ الرَّحْمَنُ قَدَمَهُ فِيهَا فَتَقُولُ: قَطٍ قَطٍ، فَيَنْزَوِي بَعْضُهَا إِلَى بَعْضٍ ، وَقَالَ لِثَابِتِ بْنِ قَيْسٍ: لَقَدْ ضَحِكَ اللَّهُ بِمَا فَعَلْتَ بِضَيْفِكَ الْبَارِحَةَ وَقَالَ فِيهَا بَلَغَنَا: «إِنَّ اللَّهَ لَيَضْحَكُ مِنْ أَزْلِكُمْ، وَقُنُوطِكُمْ، وَسُرْعَةِ إِجَابَتِكُمْ، وَقَالَ لَهُ رَجُلٌ مِنَ الْعَرَبِ: إِنَّ رَبَّنَا لَيَضْحَكُ ؟ قَالَ نَعَمْ» قَالَ: لَا يَعْدِمُنَا مِنْ رَبِّ يَضْحَكُ خَيْرًا فِي أَشْبَاءٍ لِهَذَا مِمَّا لَمْ تُحْصِهِ ... وَمَا ذُكِرَ عَنْ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ سَمَّاهُ مِنْ صِفَةِ رَبِّهِ، فَهُوَ بِمَنْزِلَةِ مَا سَمَّى وَوَصَفَ الرَّبُّ تَعَالَى مِنْ نَفْسِهِ ... وَالرَّاسِخُونَ فِي الْعِلْمِ الْوَاقِفُونَ حَيْثُ انْتَهَى عِلْمُهُمُ الْوَاصِفُونَ لِرَبِّهِمْ بِمَا وَصَفَ مِنْ نَفْسِهِ، التَّارِكُونَ لِمَا تَرَكَ مِنْ ذِكْرِهَا، لَا يُنْكِرُونَ صِفَةَ مَا سَمَّى مِنْهُ جَحْدًا، وَلَا يَتَكَلَّفُونَ وَصْفَهُ بِمَا لَمْ يُسَمٌ تَعَمُّقًا؛ لِأَنَّ الْحَقِّ تَرِكَ مَا تَرَكَ، وَتَسْمِيَةُ مَا سَمَّى وَيَتَّبِعْ غَيْرَ سَبِيلِ الْمُؤْمِنِينَ نُوَلِّهِ مَا تَوَلَّى وَنُصْلِهِ جَهَنَّمَ وَسَاءَتْ مَصِيرًا ﴾ [النساء : ١١٥]، وَهَبَ اللَّهُ لَنَا وَلَكُمْ حُكْمًا وَأَلْحِقَنَا بِالصَّالِحِينَ. "তারপর, তুমি যা প্রশ্ন করেছ তা বুঝতে পেরেছি, যাতে জাহমিয়্যারা ও তাদের সহযোগীরা অনুসরণ করে চলেছে, মহান রবের সিফাত বা গুণের ব্যাপারে, যাঁর মহত্ব বর্ণনা গুণ ও নির্ধারণের বাইরে, যাঁর গুণের ব্যাখ্যা করতে যাবতীয় যবান অচল হয়ে পড়েছে, তাঁর মর্যাদার পরিচিতি পেতে বিবেকের যুক্তিসমূহ খাটো হয়ে গেছে, তাঁর মহত্ব বুঝার জন্য বিবেকসমূহ ডাক দিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু বুঝার কোনো পথ আবিষ্কার করতে পারেনি, ফলে তা অপমানিত হয়ে ফিরে এসেছে, তা শুধু আফসোসই করছে। আমাদেরকে তো শুধু যা আল্লাহ তাকদীর দিয়ে সৃষ্টি করেছেন তাতে চিন্তা-গবেষণা চালাতে বলেছেন। সে জিনেসেই তো বলা যায়, সেটা কীভাবে হলো, যে জিনিস আগে ছিল না পরে হয়েছে, কিন্তু যিনি সর্বদা আছেন এবং সর্বদা থাকবেন, যাঁর কোনো সদৃশ নেই, তার ব্যাপারে তিনি কেমন এটা কেবল তিনিই জানবেন। কীভাবে তাঁর কোনো গুণের সীমা পরিসীমা নির্ধারণ করা হবে, যা কোনো জ্ঞানী ব্যক্তি জানবে, বা কোনো গুণ বর্ণনাকারী সেটার পরিমাণ বর্ণনা করবে? যেখানে তিনি বলেছেন, 'তাঁর মতো কোনো কিছু নেই, তিনি সর্বশ্রোতা সর্বদ্রষ্টা'. [সূরা আশ-শূরা, আয়াত: ১১], ফা ইম্মা আল্লাযী জহাদা মা ওয়াসাফা আর রাব্বু মিন নাফসিহী তা'আম্মুকান ওয়া তাকাল্লুফান, ক্বাদিস তাহওয়াতহুশ শায়াত্বীনু ফিল আরদি হাইরানা." [সূরা আল-আন'আম, আয়াত: ৭১], ফা সা'রা আহাদুহা, "ফিরে এসেছে আফসোস আর তা হচ্ছে দিশেহারা, [সূরা আল-আন'আম, আয়াত: ৭১] ফলে তিনি তাদের একজনে পরিণত হয়েছেন। আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "জাহান্নাম ততক্ষণ পূর্ণ হবে না, যতক্ষণ রহমান তাতে তাঁর পা না রাখবেন, তখন জাহান্নাম বলবে, ক্বাত, ক্বাত, পূর্ণ হয়েছি। তারপর তার একাংশ অপর অংশের সাথে মিশে যাবে.” অনুরূপ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাবেত ইবন কায়েস রাদ্বিয়াল্লাহু 'আনহুকে বলেছেন, "অবশ্যই আল্লাহ হেঁসেছেন, মেহমানের সাথে তোমার গতকালের কর্মকাণ্ড দেখে." অনুরূপ আরও বর্ণিত হয়েছে, যা আমাদের কাছে পৌঁছেছে, "নিশ্চয় আল্লাহ তা'আলা হাসেন তোমাদের অস্থিরতা ও নৈরাশ্য দেখে আর তোমাদের দ্রুত সাড়ায়”. অনুরূপ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এক আরব বেদুইন বলেছিলো, আমাদের রব কি হাসেন? রাসূল জবাব দিলেন, অবশ্যই হ্যাঁ, তখন বেদুইন বললো, যে রব হাসেন তার থেকে কল্যাণ কখনও নাই হয়ে যাবে না। অনুরূপ আরও উদাহরণ রয়েছে যা আমরা সব নিয়ে আসিনি। অনুরূপভাবে যেগুলো রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার রবের গুণ হিসেবে নামকরণ করেছেন সেগুলো আল্লাহ যা নিজের নাম ও গুণ হিসেবে বর্ণনা করেছেন তার মতোই। আর যারা ইলমে মজবুত তারা তাদের জ্ঞান যতটুকু অতটুকুতেই থেমে যায়, তাদের রবের জন্য তা সাব্যস্ত করে যা তিনি তাঁর নিজের জন্য সাব্যস্ত করেছেন, তা সাব্যস্ত করা ছেড়ে দেন যা রাসূল বর্ণনা করা ছেড়ে দিয়েছেন। তারা অস্বীকার করে কোনো গুণকে বাদ দেয় না, বাড়াবাড়ি করে যেসব গুণ তিনি সাব্যস্ত করেননি তা সাব্যস্ত করার জন্য কৃত্রিমতার আশ্রয় গ্রহণ করেন না। কারণ, হক হচ্ছে যা তিনি বর্ণনা করেননি তা বর্ণনা না করা, আর যা তিনি সাব্যস্ত করেছেন তা সাব্যস্ত করা. "যে কেউ ঈমানদারদের পথ ও মতের বাইরে চলবে, আমরা তাকে যে দিকে ফিরাতে চাই সেদিকে ফিরাবো, তাকে জাহান্নামে দগ্ধ করাব, আর তা নিকৃষ্ট প্রত্যাবর্তনস্থল.” [সূরা আন-নিসা, আয়াত: ১১৫], ওয়াহাবাল্লাহু লানা ওয়া লাকুম হুকমান ওয়া আলহাক্বানা বিস সালিহীন. আল্লাহ আমাদেরকে ও তোমাদেরকে প্রজ্ঞা শিক্ষা দিন আর আমাদেরকে নেককারদের সাথে সংযুক্ত করুন.” (৩৫৭) এ মৌলিক নীতি থেকে আমরা বুঝতে পারলাম যে, ইমাম ইবনুল মাজেশূন সালাফদের নীতি অনুযায়ী সকল সিফাত সাব্যস্ত করতেন, তিনি আল্লাহ তা'আলার জন্য পা, হাঁসা, চোখ সবই সাব্যস্ত করার কথা বলেছেন, সাথে সাথে ধরন সম্পর্কে কোনো প্রকার প্রশ্ন করতে নিষেধ করে সেটার কারণও বলে দিয়েছেন.

টিকাঃ
৩৫৭. ইবন বাত্তাহ, আল-ইবানাতুল কুবরা (৭/৬৩)।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00